খুঁজুন
শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১ কার্তিক, ১৪৩৩

‘একটা নতুন জীবন শুরু করতে চাই’, বিদায়ী বার্তায় রাকিব

ইমরুল হাসান
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫২ পূর্বাহ্ণ
‘একটা নতুন জীবন শুরু করতে চাই’, বিদায়ী বার্তায় রাকিব

রাজপথের আন্দোলন, ক্যাম্পাসের উত্তাপ, সাংগঠনিক ব্যস্ততা আর নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে বিদায়ের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ। নতুন কমিটি গঠনের আগে আবেগঘন এক বিদায়ী বার্তায় নিজের দীর্ঘ দায়িত্বকাল, সহযোদ্ধাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা এবং ভবিষ্যতের প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন সংগঠনটির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব।

বিদায়ী বার্তাটি যেন কেবল একটি সাংগঠনিক দায়িত্বের সমাপ্তির কথা নয়; বরং জীবনের একটি দীর্ঘ অধ্যায়ের পর্দা নামার মুহূর্তে ফিরে তাকানো এক মানুষের আত্মকথন। যেখানে আছে কৃতজ্ঞতা, গর্ব, আত্মসমালোচনা, ক্ষমাপ্রার্থনা এবং নতুন করে নিজেকে গড়ার প্রত্যয়।

বার্তার শুরুতেই মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে রাকিবুল ইসলাম রাকিব লিখেছেন, ‘মহান রাব্বুল আলামিনের নিকট লাখো কোটি শোকরিয়া, অনেক বেশি সম্মান ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে জীবনের শ্রেষ্ঠ অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটতে চলেছে।’

দীর্ঘ সময় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়ায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং প্রয়াত দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তিনি। পাশাপাশি বিএনপির সদ্য বিদায়ী মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুলসহ দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং ছাত্রদলের সাবেক নেতাদের প্রতিও জানিয়েছেন অশেষ কৃতজ্ঞতা।

নিজের নেতৃত্বকালীন সহযোদ্ধাদের কথা বলতে গিয়ে আবেগ আরও গভীর হয়েছে রাকিবের। কেন্দ্রীয় সংসদ থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতাকর্মীদের অবদানের কথা স্মরণ করেছেন তিনি। বিশেষভাবে ঢাকা মহানগরের পাঁচ কলেজ ও চার মহানগরের নেতাকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেছেন, তাদের শ্রম-ঘামেই রাজপথের কর্মসূচিগুলো সফল হয়েছে এবং নানা প্রতিকূলতা মোকাবিলা করা সম্ভব হয়েছে।

সহযোদ্ধাদের নিয়ে নিজের গর্বের জায়গাটিও স্পষ্ট করেছেন ছাত্রদল সভাপতি। তার ভাষায়, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ, বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ পর্যায়ের নেতাদের নামে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত খবরের শিরোনাম হয়নি—এটিই তার নেতৃত্বের অন্যতম বড় অর্জন।

আর্থিক সংকটের মধ্যেও নেতাকর্মীরা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে নিজ নিজ ইউনিট পরিচালনা করেছেন উল্লেখ করে রাকিব লিখেছেন, তারা শুধু নিজেরাই সৎ ও পরিশ্রমী ছিলেন না, বরং অধীনস্থ নেতাকর্মীদেরও নীতি ও আদর্শ নিয়ে চলার অনুপ্রেরণা দিয়েছেন।

‘একজন সাধারণ শিক্ষার্থীও যেন অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির শিকার না হন’
রাকিবের বিদায়ী বার্তায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রসঙ্গও। তিনি জানিয়েছেন, বিভিন্ন ক্যাম্পাসে ইতিবাচক ছাত্র রাজনীতির বিকাশে ব্যক্তিগতভাবে চেষ্টা করেছেন। তার লক্ষ্য ছিল- ছাত্রদলের কোনো নেতাকর্মীর কারণে যেন একজন সাধারণ শিক্ষার্থীকেও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে না হয়।

এমনকি নিজের দলের বাইরের সাধারণ শিক্ষার্থীরাও বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে তার কাছে এলে নিজের অবস্থান থেকে তা সমাধানের চেষ্টা করেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

রাজনীতির পরিচয়ের বাইরে একজন শিক্ষার্থী হিসেবে শিক্ষার্থীদের প্রতি শ্রদ্ধার জায়গাটি ধরে রাখার এই বার্তা তার বিদায়ী বক্তব্যকে দিয়েছে ভিন্ন মাত্রা।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিও উঠে এলো
রাকিব-নাসির কমিটির অন্যতম সাফল্য হিসেবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে সমন্বয় করে কর্মসূচি প্রণয়ন এবং রাজপথে কার্যকর ভূমিকা পালনের কথা উল্লেখ করেছেন রাকিব।

তিনি বলেন, ৫ আগস্ট ২০২৪-এর পরবর্তী বাস্তবতায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শত শত মব মোকাবিলা করতে হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধারাবাহিক বুলিং উপেক্ষা করেও নেতৃত্ব দিতে হয়েছে।

তার বিদায়ী বার্তায় তাই শুধু অর্জনের গল্প নেই; আছে কঠিন সময়ের স্মৃতিও। আছে রাজপথে দাঁড়িয়ে থাকা, প্রতিকূলতার মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং সংগঠনকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার দিনগুলোর ছায়া।

‘একটা নতুন জীবন শুরু করতে চাই’
সবশেষে এসে যেন রাজনীতির কোলাহল থেকে একটু দূরে দাঁড়িয়ে নিজের দিকে তাকিয়েছেন রাকিব। দীর্ঘ দায়িত্ব শেষে নতুনভাবে জীবন শুরু করার আকাঙ্ক্ষার কথা জানিয়েছেন তিনি।

লিখেছেন, ‘একটা নতুন জীবন শুরু করতে চাই। নিজেকে আরও বেশি পরিশুদ্ধ, মানবিক ও সৎ মানুষ হিসেবে গড়তে চাই।’

নিজের ভুল-ত্রুটির কথাও স্বীকার করেছেন তিনি। দায়িত্ব পালনের দীর্ঘ সময়ে কারও মনে কষ্ট দিয়ে থাকলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ জানিয়েছেন।

বিদায়ের এই মুহূর্তে তাই রাকিবের কণ্ঠে নেই কেবল নেতৃত্বের হিসাব-নিকাশ; বরং আছে একজন মানুষের আত্মজিজ্ঞাসা। যে পথ পেরিয়ে এসেছেন, সেখানে যেমন আছে সংগ্রামের গর্ব, তেমনি আছে ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার বিনয়।

নতুন কমিটিকে সাদরে গ্রহণ করার আহ্বান জানিয়ে নিজের বার্তার ইতি টেনেছেন ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব।

একটি অধ্যায়ের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে তার বিদায়ী বার্তা যেন বলে- রাজনীতির মঞ্চে আলো বদলায়, নেতৃত্ব বদলায়, মুখ বদলায়; কিন্তু ফেলে আসা সময়ের স্মৃতি আর সহযোদ্ধাদের প্রতি ভালোবাসা থেকে যায়।

 

ওয়ার্ল্ডশেফসের সদস্যপদ পেল বাংলাদেশ কুলিনারি ফাউন্ডেশন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৫৯ অপরাহ্ণ
ওয়ার্ল্ডশেফসের সদস্যপদ পেল বাংলাদেশ কুলিনারি ফাউন্ডেশন

ওয়ার্ল্ড অ্যাসোসিয়েশন অব শেফস সোসাইটিসের (ওয়ার্ল্ডশেফস) ন্যাশনাল মেম্বারশিপ পেয়েছে বাংলাদেশ কুলিনারি ফাউন্ডেশন (বিসিএফ)। এ সদস্যপদের ফলে বাংলাদেশের শেফ ও রন্ধনশিল্পের পেশাজীবীদের আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ, প্রতিযোগিতা ও পেশাগত নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও ঢাকায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ডশেফসের সনদপ্রাপ্ত মাস্টার শেফ ও বাংলাদেশ কুলিনারি ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা নাজিম খান। এ সময় সংগঠনটির সভাপতি শহীদ শাহীন, সাধারন সম্পাদক আলমগীর চৌধুরী, সাংঠনিক সম্পাদক পারভেজ মোশারফ ও অর্থ সম্পাদক বায়েজিদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বিসিএফের প্রতিনিধিরা বলেন, ওয়ার্ল্ডশেফসের সদস্যপদ দেশের রন্ধনশিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে দেশীয় শেফদের আন্তর্জাতিক পরিসরে দক্ষতা উন্নয়ন, বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশের শেফদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ বাড়বে।

দেশের রন্ধনশিল্পের অগ্রগতি এবং শেফদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম হাতে নেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান আয়োজকেরা। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের দক্ষ রন্ধনশিল্পী তৈরি করতে কাজ করবে সংগঠনটি।

ওয়ার্ল্ডশেফস বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শেফ ও রন্ধনশিল্পের পেশাজীবীদের নিয়ে কাজ করা একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন। সংগঠনটি শেফদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি, জ্ঞান বিনিময় ও পেশাগত উন্নয়নে ভূমিকা রাখে।

অধ্যাপক পিয়াস করিমের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বিশেষ প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:০৭ অপরাহ্ণ
অধ্যাপক পিয়াস করিমের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. পিয়াস করিমের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ (১৩ অক্টোবর)। ২০১৪ সালের এই দিনে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে মারা যান তিনি।

এ উপলক্ষে পিয়াস করিমের স্মৃতি, অবদান ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে নানা উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

অধ্যাপক পিয়াস করিমের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব কে এম নাজমুল হক তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘স্যারের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। জাতীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তাঁর মরদেহ নিতে বাধা দেওয়া হয়েছিল। সত্যের পক্ষে অবিচল থাকার কারণেই তাঁকে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছিল। কত দুঃসহ স্মৃতি নিয়েই না চলে গেলেন স্যার! আপনাকে আজও মিস করি। আপনার স্মৃতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি। আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন। আমিন।’

সাংবাদিক মোহাম্মদ নাহিয়ান বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় পিয়াস করিম যে বুদ্ধিবৃত্তিক সংগ্রাম চালিয়েছিলেন, তা এই প্রজন্মের অনেকের কাছেই অজানা। তাঁর সংগ্রাম, অবদান ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে বহুমুখী উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। এ জন্য তিনি ‘পিয়াস করিম স্মৃতি সংসদ’ গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন।

অধ্যাপক ড. পিয়াস করিমের জন্ম ১৯৫৮ সালের ২৩ অক্টোবর। তাঁর গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায়। তাঁর আসল নাম ড. মঞ্জুরুল করিম। পিয়াস ছিল তাঁর ডাকনাম। পরবর্তী সময়ে এই নামেই তিনি পরিচিতি লাভ করেন।

তিনি ১৯৭৩ সালে কুমিল্লা জিলা স্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং ১৯৭৫ সালে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। ১৯৮০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে সমাজবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

রাজনৈতিক অর্থনীতি, রাজনৈতিক সমাজবিজ্ঞান, জাতীয়তাবাদ ও সামাজিক তত্ত্ব ছিল তাঁর গবেষণার প্রধান ক্ষেত্র। ২০০৭ সালে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেওয়ার আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষকতা করেন। টেলিভিশনের টক শোতে আলোচক হিসেবেও তিনি পরিচিত ছিলেন। চার বোন ও দুই ভাইয়ের মধ্যে পিয়াস করিম ছিলেন পঞ্চম। তাঁর বাবা প্রয়াত অ্যাডভোকেট এম এ করিম।

সড়ক দুর্ঘটনা, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন তানজিন তিশা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৫৯ অপরাহ্ণ
সড়ক দুর্ঘটনা, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন তানজিন তিশা

অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেলেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। একটি শোরুম উদ্বোধন করতে মানিকগঞ্জে যাচ্ছিলেন তিনি।

যাত্রাপথে সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তার গাড়ি। তবে বড় ধরনের কোনো সমস্যায় পড়তে হয়নি তাকে।

দুর্ঘটনার পর মানিকগঞ্জে না গিয়ে ঢাকায় ফিরেছেন জানান তানজিন তিশা নিজেই।

শনিবার (১০ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক পোস্টে দুর্ঘটনার বিষয়টি জানান তানজিন তিশা।

সেখানে তিনি লেখেন, ‘মানিকগঞ্জে যাওয়ার পথে বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেলাম। আলহামদুলিল্লাহ! দেখা হবে সবার সাথে, ইনশাআল্লাহ।’

তিশার এই পোস্টের পর তার ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। কীভাবে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, তা নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি অভিনেত্রী।