খুঁজুন
শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১ কার্তিক, ১৪৩৩

শীতে ঠোঁটের যত্নে সহজ উপায়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:৫২ পূর্বাহ্ণ
শীতে ঠোঁটের যত্নে সহজ উপায়

শীত এলেই ত্বক রুক্ষ হতে শুরু করে। তাই স্নান সেরে ময়েশ্চারাইজার মাখা বা গায়ে তেল দেওয়া অনেকের অভ্যাস হয়ে গেছে। কিন্তু একটা জায়গার যত্ন নিতে আমরা প্রায়ই ভুলে যাই, সেটি হচ্ছে ঠোঁট।

ঠোঁট ফেটে যাওয়া, রং ফিকে হয়ে যাওয়া বা খসখসে অনুভব হওয়া- এই সমস্যাগুলো প্রায় সবারই হয় শীতে। তখন অনেকেই বাজার থেকে কিনে ফেলেন দামি দামি লিপবাম বা লিপ টিন্ট।

কিন্তু ঘরোয়া উপায়েই আপনি ঠোঁটের যত্ন নিতে পারেন সহজেই, তাও একেবারে প্রাকৃতিকভাবে? চলুন দেখে নিই ঠোঁট সুন্দর, কোমল আর গোলাপি রাখতে কী কী করবেন।

ঠোঁটও চাই এক্সফোলিয়েশন (মরা চামড়া তুলুন ঘরেই)

আপনার ত্বকের মতোই ঠোঁটেও জমে মরা কোষ। এটি না তুললে ঠোঁট কখনোই স্বাভাবিক গোলাপি রঙে ফিরবে না।

– এক চামচ চিনি গুঁড়ো + সামান্য মধু বা নারকেল তেল মিশিয়ে নিন

– সেই মিশ্রণ ঠোঁটে হালকা করে ঘষুন ১-২ মিনিট

– তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন

এই স্ক্রাবটি সপ্তাহে ২–৩ বার ব্যবহার করলেই ঠোঁট অনেক নরম ও মসৃণ হবে।

জিভ বোলানো নয়, পানি খান বেশি করে

ঠোঁট শুকিয়ে গেলে আমরা অনেক সময় জিভ দিয়ে ভেজাতে চাই। এটা কিন্তু আরও খারাপ করে পরিস্থিতি।

– দিনে পর্যাপ্ত পানি খান

– ঠোঁট শুকিয়ে গেলে শিয়া বাটার, আমন্ড অয়েল বা পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করুন

এগুলো ঠোঁটকে ভেতর থেকে ময়েশ্চারাইজড রাখে।

রোদে ঠোঁট পুড়তে দিচ্ছেন না তো?

রোদ শুধু ত্বকের নয়, ঠোঁটেরও শত্রু। বেশি রোদে ঠোঁট কালচে হয়ে যেতে পারে।

– সানস্ক্রিন যুক্ত লিপবাম ব্যবহার করুন

– বাইরে যাওয়ার আগে ঠোঁটেও সুরক্ষা দিন, যেমন আপনি ত্বকে দেন

ঘুমানোর আগে একটু ভালোবাসা দিন ঠোঁটকে

রাতে ঘুমানোর আগে ঠোঁটে গোলাপজল ও মধুর মিশ্রণ লাগিয়ে ঘুমান।

– ঠোঁট থাকবে কোমল

– ধীরে ধীরে ফিরবে প্রাকৃতিক গোলাপি আভা

কেমিক্যালযুক্ত প্রসাধনী কম ব্যবহার করুন

প্রতিদিন লিপস্টিক বা টিন্ট ব্যবহার করলে ঠোঁটের স্বাভাবিক রঙ হারিয়ে যায়।

– যতটা সম্ভব প্রাকৃতিক বিকল্প ব্যবহার করুন

– লিপস্টিক লাগালেও খুব বেশি সময় পরে থাকবেন না

– রাতে শোয়ার আগে অবশ্যই ঠোঁট পরিষ্কার করে নিন

ঠোঁট আপনার মুখের সবচেয়ে সংবেদনশীল অংশগুলোর একটি। একটু যত্ন নিলেই ঠোঁট থাকতে পারে নরম, সুন্দর ও প্রাকৃতিকভাবে গোলাপি। তাই শীতের শুরুতেই ঠোঁটের জন্য কিছু ভালো অভ্যাস গড়ে তুলুন- ব্যস, আর কোনও দামি প্রোডাক্টের দরকারই হবে না।

ওয়ার্ল্ডশেফসের সদস্যপদ পেল বাংলাদেশ কুলিনারি ফাউন্ডেশন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৫৯ অপরাহ্ণ
ওয়ার্ল্ডশেফসের সদস্যপদ পেল বাংলাদেশ কুলিনারি ফাউন্ডেশন

ওয়ার্ল্ড অ্যাসোসিয়েশন অব শেফস সোসাইটিসের (ওয়ার্ল্ডশেফস) ন্যাশনাল মেম্বারশিপ পেয়েছে বাংলাদেশ কুলিনারি ফাউন্ডেশন (বিসিএফ)। এ সদস্যপদের ফলে বাংলাদেশের শেফ ও রন্ধনশিল্পের পেশাজীবীদের আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ, প্রতিযোগিতা ও পেশাগত নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও ঢাকায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ডশেফসের সনদপ্রাপ্ত মাস্টার শেফ ও বাংলাদেশ কুলিনারি ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা নাজিম খান। এ সময় সংগঠনটির সভাপতি শহীদ শাহীন, সাধারন সম্পাদক আলমগীর চৌধুরী, সাংঠনিক সম্পাদক পারভেজ মোশারফ ও অর্থ সম্পাদক বায়েজিদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বিসিএফের প্রতিনিধিরা বলেন, ওয়ার্ল্ডশেফসের সদস্যপদ দেশের রন্ধনশিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে দেশীয় শেফদের আন্তর্জাতিক পরিসরে দক্ষতা উন্নয়ন, বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশের শেফদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ বাড়বে।

দেশের রন্ধনশিল্পের অগ্রগতি এবং শেফদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম হাতে নেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান আয়োজকেরা। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের দক্ষ রন্ধনশিল্পী তৈরি করতে কাজ করবে সংগঠনটি।

ওয়ার্ল্ডশেফস বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শেফ ও রন্ধনশিল্পের পেশাজীবীদের নিয়ে কাজ করা একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন। সংগঠনটি শেফদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি, জ্ঞান বিনিময় ও পেশাগত উন্নয়নে ভূমিকা রাখে।

অধ্যাপক পিয়াস করিমের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বিশেষ প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:০৭ অপরাহ্ণ
অধ্যাপক পিয়াস করিমের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. পিয়াস করিমের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ (১৩ অক্টোবর)। ২০১৪ সালের এই দিনে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে মারা যান তিনি।

এ উপলক্ষে পিয়াস করিমের স্মৃতি, অবদান ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে নানা উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

অধ্যাপক পিয়াস করিমের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব কে এম নাজমুল হক তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘স্যারের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। জাতীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তাঁর মরদেহ নিতে বাধা দেওয়া হয়েছিল। সত্যের পক্ষে অবিচল থাকার কারণেই তাঁকে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছিল। কত দুঃসহ স্মৃতি নিয়েই না চলে গেলেন স্যার! আপনাকে আজও মিস করি। আপনার স্মৃতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি। আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন। আমিন।’

সাংবাদিক মোহাম্মদ নাহিয়ান বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় পিয়াস করিম যে বুদ্ধিবৃত্তিক সংগ্রাম চালিয়েছিলেন, তা এই প্রজন্মের অনেকের কাছেই অজানা। তাঁর সংগ্রাম, অবদান ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে বহুমুখী উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। এ জন্য তিনি ‘পিয়াস করিম স্মৃতি সংসদ’ গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন।

অধ্যাপক ড. পিয়াস করিমের জন্ম ১৯৫৮ সালের ২৩ অক্টোবর। তাঁর গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায়। তাঁর আসল নাম ড. মঞ্জুরুল করিম। পিয়াস ছিল তাঁর ডাকনাম। পরবর্তী সময়ে এই নামেই তিনি পরিচিতি লাভ করেন।

তিনি ১৯৭৩ সালে কুমিল্লা জিলা স্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং ১৯৭৫ সালে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। ১৯৮০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে সমাজবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

রাজনৈতিক অর্থনীতি, রাজনৈতিক সমাজবিজ্ঞান, জাতীয়তাবাদ ও সামাজিক তত্ত্ব ছিল তাঁর গবেষণার প্রধান ক্ষেত্র। ২০০৭ সালে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেওয়ার আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষকতা করেন। টেলিভিশনের টক শোতে আলোচক হিসেবেও তিনি পরিচিত ছিলেন। চার বোন ও দুই ভাইয়ের মধ্যে পিয়াস করিম ছিলেন পঞ্চম। তাঁর বাবা প্রয়াত অ্যাডভোকেট এম এ করিম।

সড়ক দুর্ঘটনা, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন তানজিন তিশা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৫৯ অপরাহ্ণ
সড়ক দুর্ঘটনা, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন তানজিন তিশা

অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেলেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। একটি শোরুম উদ্বোধন করতে মানিকগঞ্জে যাচ্ছিলেন তিনি।

যাত্রাপথে সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তার গাড়ি। তবে বড় ধরনের কোনো সমস্যায় পড়তে হয়নি তাকে।

দুর্ঘটনার পর মানিকগঞ্জে না গিয়ে ঢাকায় ফিরেছেন জানান তানজিন তিশা নিজেই।

শনিবার (১০ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক পোস্টে দুর্ঘটনার বিষয়টি জানান তানজিন তিশা।

সেখানে তিনি লেখেন, ‘মানিকগঞ্জে যাওয়ার পথে বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেলাম। আলহামদুলিল্লাহ! দেখা হবে সবার সাথে, ইনশাআল্লাহ।’

তিশার এই পোস্টের পর তার ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। কীভাবে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, তা নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি অভিনেত্রী।