খুঁজুন
শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১ কার্তিক, ১৪৩৩

ছাত্রলীগকে প্রতিহত করতে মাঠে থাকবে ছাত্রদল: আকরাম আহমেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩৯ অপরাহ্ণ
ছাত্রলীগকে প্রতিহত করতে মাঠে থাকবে ছাত্রদল: আকরাম আহমেদ

ঢাকা: নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগকে প্রতিহত করতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল মাঠে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক আকরাম আহমেদ।

তিনি বলেন, গত ১৬-১৭ বছর আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে ছাত্রলীগ সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছে। দেশের কোনো ক্যাম্পাস, পাড়া-মহল্লা কিংবা ঢাকা শহরের কোথাও ছাত্রলীগের জায়গা হবে না।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সারাদেশে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মিরপুরে আয়োজিত এক বিক্ষোভ মিছিল থেকে এসব কথা বলেন আকরাম আহমেদ। তার নেতৃত্বে ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এ কর্মসূচিতে অংশ নেন।

আকরাম আহমেদ বলেন, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের আগেও সারা দেশে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের অসামান্য ভূমিকা ছিল। আন্দোলন-সংগ্রামে ছাত্রদলের বহু নেতাকর্মী শহীদ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানেও ছাত্রদলের ১৪৩ জন নেতা শহীদ হয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঐক্যবদ্ধ অবস্থানে রয়েছে। ছাত্রলীগকে প্রতিহত করতে ছাত্রদল মাঠে রয়েছে এবং মাঠে থাকবে।’

ছাত্রলীগের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে ছাত্রদলের এই নেতা বলেন, দীর্ঘ ১৬-১৭ বছর ধরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে। দেশের বিভিন্ন ক্যাম্পাস ও পাড়া-মহল্লায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা যেভাবে দমন-পীড়ন চালিয়েছেন, তার পুনরাবৃত্তি যেন কোনো সংগঠন করতে না পারে, সে বিষয়ে ছাত্রদল সচেতন রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সোচ্চার রয়েছি, প্রতিবাদ করছি এবং মাঠে থাকব। সবাইকে সচেতন থাকতে হবে, চোখ-কান খোলা রাখতে হবে, যাতে অতীতে যে ফ্যাসিবাদী কর্মকাণ্ড হয়েছে, তা আর ফিরে আসতে না পারে।’

ছাত্রলীগের সাম্প্রতিক ঝটিকা মিছিলের সমালোচনা করে আকরাম আহমেদ বলেন, চার-পাঁচজন লোক নিয়ে বিভিন্ন গলি বা আড়ালে মিছিল করে ছবি তুলে দ্রুত সরে যাওয়াকে প্রকৃত অর্থে মিছিল বলা যায় না। এ ধরনের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা খুবই কম থাকে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই তা শেষ হয়ে যায়।

নিজেদের আন্দোলন-সংগ্রামের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের গত ১৬-১৭ বছরের শাসনামলে নানা বাধা, হুমকি ও রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে রাজপথে কর্মসূচি পালন করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। অসংখ্য নেতাকর্মী নিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি সফল করার মধ্য দিয়ে তারা স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে গেছেন।

আকরাম আহমেদ বলেন, অতীতের আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ছাত্রদল এখনো রাজপথে সক্রিয় রয়েছে। নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কর্মকাণ্ড প্রতিহত করা এবং অতীতের নির্যাতন-নিপীড়নের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবেন।

ওয়ার্ল্ডশেফসের সদস্যপদ পেল বাংলাদেশ কুলিনারি ফাউন্ডেশন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৫৯ অপরাহ্ণ
ওয়ার্ল্ডশেফসের সদস্যপদ পেল বাংলাদেশ কুলিনারি ফাউন্ডেশন

ওয়ার্ল্ড অ্যাসোসিয়েশন অব শেফস সোসাইটিসের (ওয়ার্ল্ডশেফস) ন্যাশনাল মেম্বারশিপ পেয়েছে বাংলাদেশ কুলিনারি ফাউন্ডেশন (বিসিএফ)। এ সদস্যপদের ফলে বাংলাদেশের শেফ ও রন্ধনশিল্পের পেশাজীবীদের আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ, প্রতিযোগিতা ও পেশাগত নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও ঢাকায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ডশেফসের সনদপ্রাপ্ত মাস্টার শেফ ও বাংলাদেশ কুলিনারি ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা নাজিম খান। এ সময় সংগঠনটির সভাপতি শহীদ শাহীন, সাধারন সম্পাদক আলমগীর চৌধুরী, সাংঠনিক সম্পাদক পারভেজ মোশারফ ও অর্থ সম্পাদক বায়েজিদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বিসিএফের প্রতিনিধিরা বলেন, ওয়ার্ল্ডশেফসের সদস্যপদ দেশের রন্ধনশিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে দেশীয় শেফদের আন্তর্জাতিক পরিসরে দক্ষতা উন্নয়ন, বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশের শেফদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ বাড়বে।

দেশের রন্ধনশিল্পের অগ্রগতি এবং শেফদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম হাতে নেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান আয়োজকেরা। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের দক্ষ রন্ধনশিল্পী তৈরি করতে কাজ করবে সংগঠনটি।

ওয়ার্ল্ডশেফস বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শেফ ও রন্ধনশিল্পের পেশাজীবীদের নিয়ে কাজ করা একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন। সংগঠনটি শেফদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি, জ্ঞান বিনিময় ও পেশাগত উন্নয়নে ভূমিকা রাখে।

অধ্যাপক পিয়াস করিমের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বিশেষ প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:০৭ অপরাহ্ণ
অধ্যাপক পিয়াস করিমের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. পিয়াস করিমের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ (১৩ অক্টোবর)। ২০১৪ সালের এই দিনে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে মারা যান তিনি।

এ উপলক্ষে পিয়াস করিমের স্মৃতি, অবদান ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে নানা উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

অধ্যাপক পিয়াস করিমের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব কে এম নাজমুল হক তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘স্যারের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। জাতীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তাঁর মরদেহ নিতে বাধা দেওয়া হয়েছিল। সত্যের পক্ষে অবিচল থাকার কারণেই তাঁকে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছিল। কত দুঃসহ স্মৃতি নিয়েই না চলে গেলেন স্যার! আপনাকে আজও মিস করি। আপনার স্মৃতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি। আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন। আমিন।’

সাংবাদিক মোহাম্মদ নাহিয়ান বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় পিয়াস করিম যে বুদ্ধিবৃত্তিক সংগ্রাম চালিয়েছিলেন, তা এই প্রজন্মের অনেকের কাছেই অজানা। তাঁর সংগ্রাম, অবদান ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে বহুমুখী উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। এ জন্য তিনি ‘পিয়াস করিম স্মৃতি সংসদ’ গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন।

অধ্যাপক ড. পিয়াস করিমের জন্ম ১৯৫৮ সালের ২৩ অক্টোবর। তাঁর গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায়। তাঁর আসল নাম ড. মঞ্জুরুল করিম। পিয়াস ছিল তাঁর ডাকনাম। পরবর্তী সময়ে এই নামেই তিনি পরিচিতি লাভ করেন।

তিনি ১৯৭৩ সালে কুমিল্লা জিলা স্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং ১৯৭৫ সালে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। ১৯৮০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে সমাজবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

রাজনৈতিক অর্থনীতি, রাজনৈতিক সমাজবিজ্ঞান, জাতীয়তাবাদ ও সামাজিক তত্ত্ব ছিল তাঁর গবেষণার প্রধান ক্ষেত্র। ২০০৭ সালে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেওয়ার আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষকতা করেন। টেলিভিশনের টক শোতে আলোচক হিসেবেও তিনি পরিচিত ছিলেন। চার বোন ও দুই ভাইয়ের মধ্যে পিয়াস করিম ছিলেন পঞ্চম। তাঁর বাবা প্রয়াত অ্যাডভোকেট এম এ করিম।

সড়ক দুর্ঘটনা, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন তানজিন তিশা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৫৯ অপরাহ্ণ
সড়ক দুর্ঘটনা, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন তানজিন তিশা

অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেলেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। একটি শোরুম উদ্বোধন করতে মানিকগঞ্জে যাচ্ছিলেন তিনি।

যাত্রাপথে সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তার গাড়ি। তবে বড় ধরনের কোনো সমস্যায় পড়তে হয়নি তাকে।

দুর্ঘটনার পর মানিকগঞ্জে না গিয়ে ঢাকায় ফিরেছেন জানান তানজিন তিশা নিজেই।

শনিবার (১০ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক পোস্টে দুর্ঘটনার বিষয়টি জানান তানজিন তিশা।

সেখানে তিনি লেখেন, ‘মানিকগঞ্জে যাওয়ার পথে বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেলাম। আলহামদুলিল্লাহ! দেখা হবে সবার সাথে, ইনশাআল্লাহ।’

তিশার এই পোস্টের পর তার ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। কীভাবে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, তা নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি অভিনেত্রী।