খুঁজুন
শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১ কার্তিক, ১৪৩৩

ভোটের জন্য গ্রামে গ্রামে ছুটছেন সালাউদ্দিন টুকু, তুলে ধরছেন উন্নয়নের পরিকল্পনা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ণ
ভোটের জন্য গ্রামে গ্রামে ছুটছেন সালাউদ্দিন টুকু, তুলে ধরছেন উন্নয়নের পরিকল্পনা

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে জমে উঠেছে প্রচারণা। এই প্রচারণার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক ও ধানের শীষের প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। প্রতিদিনই তিনি বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলছেন এবং তাঁর উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরছেন।

ছাত্রদল ও যুবদলের সাবেক এই কেন্দ্রীয় সভাপতি সকাল ৯টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত নিজের জন্মস্থানের মাটিতে গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে ছুটছেন। ভোটারদের সঙ্গে কথা বলছেন, তাঁদের সমস্যা শুনছেন এবং সমাধানের আশ্বাস দিচ্ছেন। কোথাও মানুষের জটলা দেখলেই গাড়ি থেকে নেমে কুশল বিনিময় করেন। কোথাও অংশ নিচ্ছেন পথসভায়, কোথাও আবার নির্বাচনী অফিসে মতবিনিময় করছেন। এছাড়া সন্ধ্যা ও রাতে শহরের বিভিন্ন স্থানে সভা ও মতবিনিময়েও অংশ নেন। এতে গ্রামবাসীর মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে।

গতকাল খাস কাকুয়া স্কুল মাঠে এক ফুটবল ফাইনাল টুর্নামেন্টে অংশ নিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এক চা দোকানি জানান, দিন যত যাচ্ছে ধানের শীষের অবস্থান শক্ত হচ্ছে এবং এলাকায় ৭০ ভাগ মানুষ এখন ধানের শীষের পক্ষে।

ফেরার পথে সরিষা ক্ষেতে কৃষকদের কাজ করতে দেখে গাড়ি থেকে নেমে তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন টুকু। সঙ্গে ছিলেন টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আজগর আলী। কৃষকদের আবাদ সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং এক বৃদ্ধকে বুকে জড়িয়ে ধরেন। এ সময় কৃষকরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। ওই কৃষক বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই বিএনপি করি, আল্লাহ যেন আপনার দিকে মুখ তুলে চায়। আমি পুরোদমে কাজ করতেছি আপনার জন্য।’

পাশেই এক নারীর কাছে গিয়ে ৩১ দফার কথা বললে তিনি টুকুকে বলেন, ‘কিছু পাইলেও ভোট দিমু, না পাইলেও ভোট দিমু। গাড়ি থেকে নাইমা যখন এখান পর্যন্ত আইতে পারছেন, তাহলে আপনারে ভোট দিমু। আমি জিনিসে খুশি না, কথায় খুশি। ওখান থেকে এখানে আসছেন- এটাই তো মেলা কিছু।’

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনটি একটি পৌরসভা ও ১২টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৬২ হাজার ৪১২ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ২ লাখ ৩১ হাজার ১০৮ জন, পুরুষ ২ লাখ ৩১ হাজার ৩০৩ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ জন। মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১৩০টি।

এই আসনে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ছাড়াও আরও ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁরা হলেন- বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আহসান হামীব মাসুদ, বাংলাদেশ কংগ্রেসের এ কে এম শফিকুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের খন্দকার জাকির হোসেন, গণসংহতি আন্দোলনের ফাতেমা আক্তার, স্বতন্ত্র মো. ফরহাদ ইকবাল, জাতীয় পার্টির মো. মোজাম্মেল হক, গণঅধিকার পরিষদের মো. শফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টির মো. হাসরত খান ভাসানী এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সৈয়দ খালেকুজ্জামান মোস্তফা।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক আন্দোলনে সক্রিয় থাকার কারণে ৩৫০টি মামলার মুখোমুখি হন এবং ১২ দফা কারাভোগ করেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। মোট প্রায় পাঁচ বছর কারাগারে থাকা এই বিএনপি নেতা এবারই প্রথম টাঙ্গাইল-৫ আসন থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, ফলে নতুন ইতিহাস গড়ার প্রত্যাশা তাঁর।

ইতিমধ্যে তাঁর সরাসরি জনসংযোগ ও স্বভাবসুলভ আচরণে সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া দেখা যাচ্ছে। তিনি ভোটারদের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। বিশেষ করে সম্প্রতি বিএনপি চেয়ারম্যানের টাঙ্গাইলের নির্বাচনী জনসভায় টাঙ্গাইলবাসীর পক্ষ থেকে সাতটি উন্নয়নমূলক দাবি তাঁর কাছে তুলে ধরা হয়, যা বাস্তবায়নের আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে। তারেক রহমানের এই ঘোষণায় টাঙ্গাইলবাসী উচ্ছ্বসিত। চা স্টল থেকে শুরু করে অফিস-আদালতের আড্ডায় এসব দাবি নিয়ে আলোচনা চলছে।

এদিকে এলাকাবাসীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ সহজ করতে ‘জনতার সংযোগ’ ফোন বুথ উদ্বোধনের উদ্যোগ নিয়েছেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। এই বুথের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ সরাসরি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবে। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে এলাকার যেকোনো সমস্যা, অভিযোগ বা প্রয়োজন সহজে জানানো যাবে।

স্থানীয়রা মনে করেন, ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলা হওয়া সত্ত্বেও টাঙ্গাইল সদরে উন্নয়নের ছোঁয়া তুলনামূলক অনেক কম। সাবেক এমপি-মন্ত্রী প্রয়াত মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসানের পর এই অঞ্চলে দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন হয়নি। এমন একটি অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নে প্রয়োজন জাতীয় পর্যায়ের শক্তিশালী নেতৃত্ব, যিনি মেধা ও দক্ষতায় এগিয়ে। সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে তেমনই একজন যোগ্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে দেখছেন অনেকে। তিনি জয়ী হলে টাঙ্গাইল-৫ আসনের সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে তাঁদের প্রত্যাশা।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, আমি একা সব ভোটারের কাছে যেতে পারব না। তবুও যতটুকু সম্ভব মানুষের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করছি। ফোনের মাধ্যমেও সবাইকে সালাম পৌঁছে দিচ্ছি। গ্রাম থেকে শহর, যেখানেই যাচ্ছি, মানুষের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। ধানের শীষের পক্ষে জনজোয়ার তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, এই টাঙ্গাইলের উন্নয়নে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করব, যেন সারাদেশের উন্নয়নের তালিকায় টাঙ্গাইল এক নম্বরে থাকে। আমরা একটি শান্তিপূর্ণ টাঙ্গাইল চাই, যেখানে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই এক কাতারে দাঁড়িয়ে দেশকে এগিয়ে নেবে।

ওয়ার্ল্ডশেফসের সদস্যপদ পেল বাংলাদেশ কুলিনারি ফাউন্ডেশন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৫৯ অপরাহ্ণ
ওয়ার্ল্ডশেফসের সদস্যপদ পেল বাংলাদেশ কুলিনারি ফাউন্ডেশন

ওয়ার্ল্ড অ্যাসোসিয়েশন অব শেফস সোসাইটিসের (ওয়ার্ল্ডশেফস) ন্যাশনাল মেম্বারশিপ পেয়েছে বাংলাদেশ কুলিনারি ফাউন্ডেশন (বিসিএফ)। এ সদস্যপদের ফলে বাংলাদেশের শেফ ও রন্ধনশিল্পের পেশাজীবীদের আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ, প্রতিযোগিতা ও পেশাগত নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও ঢাকায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ডশেফসের সনদপ্রাপ্ত মাস্টার শেফ ও বাংলাদেশ কুলিনারি ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা নাজিম খান। এ সময় সংগঠনটির সভাপতি শহীদ শাহীন, সাধারন সম্পাদক আলমগীর চৌধুরী, সাংঠনিক সম্পাদক পারভেজ মোশারফ ও অর্থ সম্পাদক বায়েজিদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বিসিএফের প্রতিনিধিরা বলেন, ওয়ার্ল্ডশেফসের সদস্যপদ দেশের রন্ধনশিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে দেশীয় শেফদের আন্তর্জাতিক পরিসরে দক্ষতা উন্নয়ন, বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশের শেফদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ বাড়বে।

দেশের রন্ধনশিল্পের অগ্রগতি এবং শেফদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম হাতে নেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান আয়োজকেরা। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের দক্ষ রন্ধনশিল্পী তৈরি করতে কাজ করবে সংগঠনটি।

ওয়ার্ল্ডশেফস বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শেফ ও রন্ধনশিল্পের পেশাজীবীদের নিয়ে কাজ করা একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন। সংগঠনটি শেফদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি, জ্ঞান বিনিময় ও পেশাগত উন্নয়নে ভূমিকা রাখে।

অধ্যাপক পিয়াস করিমের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বিশেষ প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:০৭ অপরাহ্ণ
অধ্যাপক পিয়াস করিমের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. পিয়াস করিমের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ (১৩ অক্টোবর)। ২০১৪ সালের এই দিনে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে মারা যান তিনি।

এ উপলক্ষে পিয়াস করিমের স্মৃতি, অবদান ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে নানা উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

অধ্যাপক পিয়াস করিমের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব কে এম নাজমুল হক তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘স্যারের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। জাতীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তাঁর মরদেহ নিতে বাধা দেওয়া হয়েছিল। সত্যের পক্ষে অবিচল থাকার কারণেই তাঁকে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছিল। কত দুঃসহ স্মৃতি নিয়েই না চলে গেলেন স্যার! আপনাকে আজও মিস করি। আপনার স্মৃতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি। আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন। আমিন।’

সাংবাদিক মোহাম্মদ নাহিয়ান বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় পিয়াস করিম যে বুদ্ধিবৃত্তিক সংগ্রাম চালিয়েছিলেন, তা এই প্রজন্মের অনেকের কাছেই অজানা। তাঁর সংগ্রাম, অবদান ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে বহুমুখী উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। এ জন্য তিনি ‘পিয়াস করিম স্মৃতি সংসদ’ গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন।

অধ্যাপক ড. পিয়াস করিমের জন্ম ১৯৫৮ সালের ২৩ অক্টোবর। তাঁর গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায়। তাঁর আসল নাম ড. মঞ্জুরুল করিম। পিয়াস ছিল তাঁর ডাকনাম। পরবর্তী সময়ে এই নামেই তিনি পরিচিতি লাভ করেন।

তিনি ১৯৭৩ সালে কুমিল্লা জিলা স্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং ১৯৭৫ সালে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। ১৯৮০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে সমাজবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

রাজনৈতিক অর্থনীতি, রাজনৈতিক সমাজবিজ্ঞান, জাতীয়তাবাদ ও সামাজিক তত্ত্ব ছিল তাঁর গবেষণার প্রধান ক্ষেত্র। ২০০৭ সালে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেওয়ার আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষকতা করেন। টেলিভিশনের টক শোতে আলোচক হিসেবেও তিনি পরিচিত ছিলেন। চার বোন ও দুই ভাইয়ের মধ্যে পিয়াস করিম ছিলেন পঞ্চম। তাঁর বাবা প্রয়াত অ্যাডভোকেট এম এ করিম।

সড়ক দুর্ঘটনা, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন তানজিন তিশা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৫৯ অপরাহ্ণ
সড়ক দুর্ঘটনা, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন তানজিন তিশা

অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেলেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। একটি শোরুম উদ্বোধন করতে মানিকগঞ্জে যাচ্ছিলেন তিনি।

যাত্রাপথে সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তার গাড়ি। তবে বড় ধরনের কোনো সমস্যায় পড়তে হয়নি তাকে।

দুর্ঘটনার পর মানিকগঞ্জে না গিয়ে ঢাকায় ফিরেছেন জানান তানজিন তিশা নিজেই।

শনিবার (১০ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক পোস্টে দুর্ঘটনার বিষয়টি জানান তানজিন তিশা।

সেখানে তিনি লেখেন, ‘মানিকগঞ্জে যাওয়ার পথে বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেলাম। আলহামদুলিল্লাহ! দেখা হবে সবার সাথে, ইনশাআল্লাহ।’

তিশার এই পোস্টের পর তার ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। কীভাবে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, তা নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি অভিনেত্রী।