খুঁজুন
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৭ ভাদ্র, ১৪৩৩

ভোটের জন্য গ্রামে গ্রামে ছুটছেন সালাউদ্দিন টুকু, তুলে ধরছেন উন্নয়নের পরিকল্পনা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ণ
ভোটের জন্য গ্রামে গ্রামে ছুটছেন সালাউদ্দিন টুকু, তুলে ধরছেন উন্নয়নের পরিকল্পনা

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে জমে উঠেছে প্রচারণা। এই প্রচারণার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক ও ধানের শীষের প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। প্রতিদিনই তিনি বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলছেন এবং তাঁর উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরছেন।

ছাত্রদল ও যুবদলের সাবেক এই কেন্দ্রীয় সভাপতি সকাল ৯টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত নিজের জন্মস্থানের মাটিতে গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে ছুটছেন। ভোটারদের সঙ্গে কথা বলছেন, তাঁদের সমস্যা শুনছেন এবং সমাধানের আশ্বাস দিচ্ছেন। কোথাও মানুষের জটলা দেখলেই গাড়ি থেকে নেমে কুশল বিনিময় করেন। কোথাও অংশ নিচ্ছেন পথসভায়, কোথাও আবার নির্বাচনী অফিসে মতবিনিময় করছেন। এছাড়া সন্ধ্যা ও রাতে শহরের বিভিন্ন স্থানে সভা ও মতবিনিময়েও অংশ নেন। এতে গ্রামবাসীর মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে।

গতকাল খাস কাকুয়া স্কুল মাঠে এক ফুটবল ফাইনাল টুর্নামেন্টে অংশ নিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এক চা দোকানি জানান, দিন যত যাচ্ছে ধানের শীষের অবস্থান শক্ত হচ্ছে এবং এলাকায় ৭০ ভাগ মানুষ এখন ধানের শীষের পক্ষে।

ফেরার পথে সরিষা ক্ষেতে কৃষকদের কাজ করতে দেখে গাড়ি থেকে নেমে তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন টুকু। সঙ্গে ছিলেন টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আজগর আলী। কৃষকদের আবাদ সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং এক বৃদ্ধকে বুকে জড়িয়ে ধরেন। এ সময় কৃষকরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। ওই কৃষক বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই বিএনপি করি, আল্লাহ যেন আপনার দিকে মুখ তুলে চায়। আমি পুরোদমে কাজ করতেছি আপনার জন্য।’

পাশেই এক নারীর কাছে গিয়ে ৩১ দফার কথা বললে তিনি টুকুকে বলেন, ‘কিছু পাইলেও ভোট দিমু, না পাইলেও ভোট দিমু। গাড়ি থেকে নাইমা যখন এখান পর্যন্ত আইতে পারছেন, তাহলে আপনারে ভোট দিমু। আমি জিনিসে খুশি না, কথায় খুশি। ওখান থেকে এখানে আসছেন- এটাই তো মেলা কিছু।’

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনটি একটি পৌরসভা ও ১২টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৬২ হাজার ৪১২ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ২ লাখ ৩১ হাজার ১০৮ জন, পুরুষ ২ লাখ ৩১ হাজার ৩০৩ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ জন। মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১৩০টি।

এই আসনে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ছাড়াও আরও ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁরা হলেন- বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আহসান হামীব মাসুদ, বাংলাদেশ কংগ্রেসের এ কে এম শফিকুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের খন্দকার জাকির হোসেন, গণসংহতি আন্দোলনের ফাতেমা আক্তার, স্বতন্ত্র মো. ফরহাদ ইকবাল, জাতীয় পার্টির মো. মোজাম্মেল হক, গণঅধিকার পরিষদের মো. শফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টির মো. হাসরত খান ভাসানী এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সৈয়দ খালেকুজ্জামান মোস্তফা।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক আন্দোলনে সক্রিয় থাকার কারণে ৩৫০টি মামলার মুখোমুখি হন এবং ১২ দফা কারাভোগ করেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। মোট প্রায় পাঁচ বছর কারাগারে থাকা এই বিএনপি নেতা এবারই প্রথম টাঙ্গাইল-৫ আসন থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, ফলে নতুন ইতিহাস গড়ার প্রত্যাশা তাঁর।

ইতিমধ্যে তাঁর সরাসরি জনসংযোগ ও স্বভাবসুলভ আচরণে সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া দেখা যাচ্ছে। তিনি ভোটারদের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। বিশেষ করে সম্প্রতি বিএনপি চেয়ারম্যানের টাঙ্গাইলের নির্বাচনী জনসভায় টাঙ্গাইলবাসীর পক্ষ থেকে সাতটি উন্নয়নমূলক দাবি তাঁর কাছে তুলে ধরা হয়, যা বাস্তবায়নের আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে। তারেক রহমানের এই ঘোষণায় টাঙ্গাইলবাসী উচ্ছ্বসিত। চা স্টল থেকে শুরু করে অফিস-আদালতের আড্ডায় এসব দাবি নিয়ে আলোচনা চলছে।

এদিকে এলাকাবাসীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ সহজ করতে ‘জনতার সংযোগ’ ফোন বুথ উদ্বোধনের উদ্যোগ নিয়েছেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। এই বুথের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ সরাসরি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবে। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে এলাকার যেকোনো সমস্যা, অভিযোগ বা প্রয়োজন সহজে জানানো যাবে।

স্থানীয়রা মনে করেন, ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলা হওয়া সত্ত্বেও টাঙ্গাইল সদরে উন্নয়নের ছোঁয়া তুলনামূলক অনেক কম। সাবেক এমপি-মন্ত্রী প্রয়াত মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসানের পর এই অঞ্চলে দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন হয়নি। এমন একটি অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নে প্রয়োজন জাতীয় পর্যায়ের শক্তিশালী নেতৃত্ব, যিনি মেধা ও দক্ষতায় এগিয়ে। সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে তেমনই একজন যোগ্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে দেখছেন অনেকে। তিনি জয়ী হলে টাঙ্গাইল-৫ আসনের সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে তাঁদের প্রত্যাশা।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, আমি একা সব ভোটারের কাছে যেতে পারব না। তবুও যতটুকু সম্ভব মানুষের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করছি। ফোনের মাধ্যমেও সবাইকে সালাম পৌঁছে দিচ্ছি। গ্রাম থেকে শহর, যেখানেই যাচ্ছি, মানুষের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। ধানের শীষের পক্ষে জনজোয়ার তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, এই টাঙ্গাইলের উন্নয়নে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করব, যেন সারাদেশের উন্নয়নের তালিকায় টাঙ্গাইল এক নম্বরে থাকে। আমরা একটি শান্তিপূর্ণ টাঙ্গাইল চাই, যেখানে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই এক কাতারে দাঁড়িয়ে দেশকে এগিয়ে নেবে।

প্রথমবার মিউজিক ভিডিওতে সেই এডলফ খান, প্রকাশ্যে এলো ভিডিও

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২৪ পূর্বাহ্ণ
প্রথমবার মিউজিক ভিডিওতে সেই এডলফ খান, প্রকাশ্যে এলো ভিডিও

দেশের কোরিওগ্রাফি অঙ্গনে পরিচিত নাম এডলফ খান। দীর্ঘদিন কোরিওগ্রাফার হিসেবে কাজ করার পর এবার ক্যামেরার সামনে নিজের উপস্থিতি জানান দিচ্ছেন তিনি। প্রথমবারের মতো মিউজিক ভিডিওতে কাজ করেছেন এই কোরিওগ্রাফার। মিউজিক ভিডিওটির গানের শিরোনাম ‘আমি তো সবই জানি’।

প্রায় দুই মাস পর ক্যামেরার সামনে এসে নিজের নতুন কাজের ট্রেলার প্রকাশ করেন এডলফ খান। ট্রেলার প্রকাশের পরদিনই ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি দেওয়া হয় পুরো গানটি। প্রথম মিউজিক ভিডিও হওয়ায় কাজটি নিয়ে এডলফ খানের ভক্তদের মধ্যেও তৈরি হয়েছে আগ্রহ।

‘আমি তো সবই জানি’ মিউজিক ভিডিওতে এডলফ খানের সঙ্গে রয়েছেন এই গানের গায়ক ও নির্মাতা প্রিন্স খান ও শায়ন্তা। গানটির পোস্টার প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এটি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। মিউজিক ভিডিওটি সুর চান্দা পেজেন্টস-এর ব্যানারে নির্মিত হয়েছে।

তবে মিউজিক ভিডিওর পাশাপাশি এডলফ খানের অভিনয় ক্যারিয়ারে যুক্ত হয়েছে আরও বড় খবর। ইতোমধ্যে তিনি নাম লিখিয়েছেন ‘গুলশানের চামেলী’ সিনেমায়।

সিনেমাটিতে এডলফ খানকে গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে দেখা যাবে। গত ১ আগস্ট রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে অনুষ্ঠিত সিনেমাটির মহরতে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর নাম ঘোষণা করা হয়। নির্মাতা মো. ইকবালের এই সিনেমায় এডলফ খানকে একজন দালালের চরিত্রে দেখা যাবে বলে জানা গেছে।

ইআ

সংসদের তৃতীয় অধিবেশন সমাপ্ত, ৬ বিল পাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ
সংসদের তৃতীয় অধিবেশন সমাপ্ত, ৬ বিল পাস

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শেষ হয়েছে। এই অধিবেশনে ৯টি বৈঠকে ছয়টি বিল পাস হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম অধিবেশন সমাপনী সংক্রান্ত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ঘোষণা পাঠের মাধ্যমে তৃতীয় অধিবেশনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

গত ২৭ আগস্ট তৃতীয় অধিবেশন শুরু হয়। ২৭ আগস্ট থেকে ৯ কার্যদিবস অধিবেশন চলার পর আজ ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শেষ হলো। এই অধিবেশনে মোট ৬টি বিল উপস্থাপিত হয় এবং ৬টি বিল পাস হয়েছে।

আইন প্রণয়ন-সংক্রান্ত কার্যক্রমের পাশাপাশি এ অধিবেশনে ৩টি বিশেষ কমিটিসহ ৪৮টির অধিক সংসদীয় কমিটি গঠন ও পুনর্গঠন করা হয়েছে। সংসদীয় কার্যপ্রণালির বিভিন্ন বিধির আওতায় সদস্যগণ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে নোটিশ প্রদান করেছেন। ৬৮ বিধিতে ৭টি নোটিশ পাওয়া যায়, যার মধ্যে ২টি নোটিশ গৃহীত ও আলোচিত হয়েছে। ৭১ বিধিতে ১৫টি নোটিশ গৃহীত হয় এবং এর মধ্যে ১৪টি নোটিশের ওপর আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৭১ক বিধিতে দুই মিনিটের বক্তব্য প্রদানের জন্য ১২৪টি নোটিশ পাওয়া যায়। এছাড়া, ১৪৭ বিধিতে ২টি নোটিশ পাওয়া যায়, যার মধ্যে ১টি নোটিশের ওপর আলোচনা হয়েছে এবং ৩০২ বিধিতে ১টি নোটিশ উত্থাপিত হয়েছে।

অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর উত্তরদানের জন্য সংসদ সদস্যগণ সর্বমোট ১৪৪টি প্রশ্নের নোটিশ দেন। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী ১৫টি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের উত্তরদানের জন্য মোট ২ হাজার ৬৭৬টি প্রশ্নের নোটিশ পাওয়া যায়। এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রিগণ এ অধিবেশনে মোট ১ হাজার ৬৭৮টি প্রশ্নের উত্তর দেন।

জাদু দেখাতে জাপান যাচ্ছেন আলীরাজ, থাকছে মাসব্যাপী একক প্রদর্শনী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩০ অপরাহ্ণ
জাদু দেখাতে জাপান যাচ্ছেন আলীরাজ, থাকছে মাসব্যাপী একক প্রদর্শনী

বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের জাদুশিল্পকে নতুন উচ্চতায় তুলে ধরার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন জাদুকর আলীরাজ। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে ইতোমধ্যে ইউরোপ, আমেরিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশে জাদু প্রদর্শন করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন তিনি।

এবার আন্তর্জাতিক একটি সংস্থার আমন্ত্রণে মাসব্যাপী একক জাদু প্রদর্শনীতে অংশ নিতে জাপানে যাচ্ছেন আলীরাজ। সূর্যোদয়ের দেশটির বিভিন্ন মঞ্চে নিজের উদ্ভাবনী জাদু পরিবেশনার মাধ্যমে দর্শকদের মুগ্ধ করবেন এই বাংলাদেশি জাদুশিল্পী।

দেশের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন উৎসব ও আয়োজনে নিয়মিত পারফর্ম করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন আলীরাজ। এরই মধ্যে ইউরোপ, আমেরিকা ও এশিয়ার প্রায় ১৯টি দেশে একক জাদু প্রদর্শনী করেছেন তিনি।

আন্তর্জাতিক দর্শকদের সামনে বিদেশের মাটিতে টানা ৪২৫টি বাণিজ্যিক শো সম্পন্ন করার কৃতিত্বও রয়েছে তার ঝুলিতে। ভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতির দর্শকদের সামনে জাদুর মাধ্যমে বাংলাদেশের শিল্প, সংস্কৃতি ও সৃজনশীলতাকে তুলে ধরাই তার অন্যতম লক্ষ্য।

নিজস্ব উদ্ভাবনী কৌশল, আধুনিক পরিবেশনা ও নান্দনিক উপস্থাপনার মাধ্যমে প্রতিবারই দর্শকদের জন্য ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা তৈরি করেন আলীরাজ। সেই ধারাবাহিকতায় এবার জাপানে মাসব্যাপী একক প্রদর্শনীর জন্য একমাত্র মনোনীত শিল্পী হিসেবে আমন্ত্রণ পেয়েছেন তিনি।

জাপানের মঞ্চে এই দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশনা শুধু ব্যক্তিগত অর্জনই নয়, বরং আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের জাদুশিল্পকে তুলে ধরার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন আলীরাজ।