খুঁজুন
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩ আশ্বিন, ১৪৩৩

ইসলামের লেবেল লাগিয়ে তারা আমাদের ধোঁকা দিয়েছে: মুফতী রেজাউল করিম

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:০৪ অপরাহ্ণ
ইসলামের লেবেল লাগিয়ে তারা আমাদের ধোঁকা দিয়েছে: মুফতী রেজাউল করিম

‘আমরা প্রথমে ৫ দল ও পরে ৮ দল গঠনের মাধ্যমে এক বাক্স নীতিতে ইসলামের আদর্শ বাস্তবায়ন করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু একটি দল এককভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার রঙিন স্বপ্ন দেখছে। তারা পাকা ধানের ভেতর মই দিয়ে ধান নষ্ট করে ফেলল। তারা শরিয়া অনুযায়ী দেশ পরিচালনা করবে না। তারা ইসলামের লেবেল লাগিয়ে আমাদের ধোঁকা দিয়েছে।’

কথাগুলো বলেছেন ইসলামী আন্দোলনের আমীর চরমোনাই পীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করিম।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার ফাজেলপুরে হরিহরপাড়া স্কুল মাঠে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতী ইসমাইল সিরাজীর নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

ওই দলটিকে উদ্দেশ করে চরমোনাই পীর বলেন, ‘তারা গোপনে গোপনে পাশের দেশের সঙ্গে মিটিং করে আমাদের বিশ্বাসে আঘাত করেছে। যারা ভাইদের সঙ্গে প্রতারণা করে এদের মাধ্যমে ইসলামের আদর্শ বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। ইসলামকে এরা সাইনবোর্ড লাগিয়ে জবাই করবে। এরা ইসলামের আশা চিন্তার ফসলকে নষ্ট করেছে। তাদের ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারি না। এখন একটা বাক্সই ইসলামের পক্ষে যেটা হাতপাখার বাক্স। তরুণ ভোটারদের প্রথম ভোট ইসলামের পক্ষে দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘চব্বিশের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের পরে দেশকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দুর্নীতিমুক্ত করার সুবর্ণ সুযোগ এসেছে। মা-বোন ও মুরব্বিদের বলবো একবারের জন্য হাতপাখায় ভোট দিয়ে দেখেন।’

সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের প্রার্থী মুফতী ইসমাইল সিরাজী, ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক লোকমান হোসেন জাফরী, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন সাকী, কেন্দ্রীয় সদস্য মুফতী রেজাউল করিম আবরার, মুফতী হাবিবুর রহমান মিসবাহ ও মুফতী শফিকুল ইসলামসহ প্রমুখ।

মিরপুরে যাত্রা শুরু করেছে কফি শপ ‘বিন্স অ্যান্ড ব্রু কফি’

ইমরুল হাসান
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৩ অপরাহ্ণ
মিরপুরে যাত্রা শুরু করেছে কফি শপ ‘বিন্স অ্যান্ড ব্রু কফি’

রাজধানীর মিরপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে নতুন কফি শপ ‘বিন্স অ্যান্ড ব্রু কফি’।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৭টা ৩০ মিনিটে জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় প্রতিষ্ঠানটির গ্র্যান্ড ওপেনিং। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের পরিচিত ড্যান্সার, ফ্যাশন ডিজাইনার ও কোরিওগ্রাফার রুমি কারিম।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রুমি কারিম ‘বিন্স অ্যান্ড ব্রু কফি’-এর সফলতা কামনা করেন। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণীয় মুহূর্ত ছিল তার বিশেষ মোনাজাত। নতুন এই কফি শপের সফলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনায় দুই হাত তুলে আল্লাহর কাছে মোনাজাত করেন রুমি কারিম।

মোনাজাত শেষে রুমি কারিম নতুন কফি শপের পরিবেশ ও আয়োজনের প্রশংসা করেন। পাশাপাশি তার ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা যেন এখানে এসে কফি পান করেন, সময় কাটান এবং প্রতিষ্ঠানটির নতুন যাত্রার সঙ্গে যুক্ত হন এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।

‘বিন্স অ্যান্ড ব্রু কফি’-এর উদ্যোক্তা ও প্রধান রাঁধুনি আজম খান। রান্নার জগতে অভিজ্ঞ এই রাঁধুনি বাংলাদেশের বিভিন্ন রান্নাবিষয়ক রিয়েলিটি শোতে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছেন। দীর্ঘদিনের রান্নার অভিজ্ঞতা, সৃজনশীলতা ও খাবারের প্রতি ভালোবাসাকে কাজে লাগিয়ে এবার নিজের উদ্যোগে কফি ও খাবারের নতুন এই ঠিকানা তৈরি করেছেন তিনি।

উদ্বোধনী আয়োজনে অতিথিদের জন্য ছিল প্রায় ১২০ পদের খাবারের আয়োজন। কফির পাশাপাশি বৈচিত্র্যময় খাবারের স্বাদ ও মানের দিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন উদ্যোক্তা আজম খান। তার পরিকল্পনা ও তত্ত্বাবধানে ‘বিন্স অ্যান্ড ব্রু কফি’ মিরপুরে খাবার ও কফিপ্রেমীদের জন্য নতুন একটি জায়গা হিসেবে পরিচিতি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

‘বিন্স অ্যান্ড ব্রু কফি’ হাউজটি অবস্থিত রাজধানীর মিরপুর-১-এর শাহ আলী এলাকায়, ১/১ ও ১/২, রোড-২, ব্লক-জি, শাহ আলী, মিরপুর-১, ঢাকা (টেক-আউট রেস্টুরেন্টের ভবন) ঠিকানায়।

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ, জানুন পেছনের ইতিহাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:২৯ অপরাহ্ণ
বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ, জানুন পেছনের ইতিহাস

আজ ১৮ সেপ্টেম্বর, বিশ্ব বাঁশ দিবস। পরিবেশ, অর্থনীতি ও মানুষের জীবনযাত্রায় বাঁশের বহুমুখী ব্যবহার ও গুরুত্ব তুলে ধরতে প্রতি বছর দিবসটি পালিত হয়। বিশ্ব বাঁশ সংস্থার উদ্যোগে ২০০৯ সালে প্রথমবারের মতো দিবসটি পালন করা হয়।

চলতি বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘Bamboo Beyond Borders’, যার অর্থ ‘সীমানা ছাড়িয়ে বাঁশ’।

গ্রামীণ জীবনের ঐতিহ্যবাহী এই উদ্ভিদ এখন পরিবেশবান্ধব শিল্প, নির্মাণ, খাদ্য ও জীবিকার অন্যতম সম্ভাবনাময় উপাদান হিসেবে গুরুত্ব পাচ্ছে।

বিশ্ব বাঁশ সংস্থার উদ্যোগে প্রতি বছর ১৮ সেপ্টেম্বর দিবসটি পালিত হয়। ২০০৫ সালে World Bamboo Organization (WBO) প্রতিষ্ঠার পর বাঁশের সম্ভাবনা ও ব্যবহার নিয়ে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা তৈরির কার্যক্রম আরও জোরদার হয়। পরে ২০০৯ সালে ব্যাংককে অনুষ্ঠিত অষ্টম বিশ্ব বাঁশ কংগ্রেসে ১৮ সেপ্টেম্বরকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব বাঁশ দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

বাঁশ নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আগ্রহ অবশ্য আরও পুরোনো। ১৯৯১ সালে থাইল্যান্ডের চিয়াং মাইয়ে আন্তর্জাতিক বাঁশ কর্মশালায় একটি বৈশ্বিক বাঁশ সংগঠনের ধারণা সামনে আসে। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠন ও সম্মেলনের মধ্য দিয়ে সেই উদ্যোগ বিস্তৃত হয়।

দ্রুত বর্ধনশীল ও নবায়নযোগ্য উদ্ভিদ হিসেবে বাঁশকে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

ঘরবাড়ি নির্মাণ থেকে শুরু করে আসবাব, হস্তশিল্প, কাগজ ও বিভিন্ন ধরনের পণ্য তৈরিতে বাঁশের ব্যবহার রয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তির বিকাশের সঙ্গে বাঁশ এখন পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রী ও বিভিন্ন শিল্পপণ্যের কাঁচামাল হিসেবেও ব্যবহৃত হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা ও পরিবেশ সংরক্ষণেও বাঁশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। দ্রুত বেড়ে ওঠার কারণে বাঁশের বাগান ভূমিক্ষয় কমাতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত জমি পুনরুদ্ধারে সহায়ক হতে পারে। একই সঙ্গে বাঁশভিত্তিক শিল্প গ্রামীণ মানুষের কর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি করতে পারে।

বাংলাদেশের গ্রামীণ জীবন ও সংস্কৃতির সঙ্গেও বাঁশের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। ঘরের বেড়া, চাল, খুঁটি, ঝুড়ি, কুলা, ডালা, মাছ ধরার সরঞ্জামসহ নানা ধরনের প্রয়োজনীয় সামগ্রী তৈরিতে বাঁশ ব্যবহৃত হয়ে আসছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বাঁশের তৈরি ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্প এখনো মানুষের জীবিকা নির্বাহের অন্যতম মাধ্যম।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আধুনিক নকশা, প্রযুক্তি ও বাজারব্যবস্থার সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী বাঁশশিল্পের সমন্বয় করা গেলে এ খাতের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা আরও বাড়তে পারে। একই সঙ্গে পরিবেশবান্ধব বিকল্প পণ্য হিসেবে বাঁশের ব্যবহার বাড়ানো গেলে প্লাস্টিক ও অন্যান্য দূষণকারী উপকরণের ওপর নির্ভরতা কমানো সম্ভব হতে পারে।

স্টেপের নতুন চমক, একসঙ্গে এলো ৫৬ নতুন পণ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০২ অপরাহ্ণ
স্টেপের নতুন চমক, একসঙ্গে এলো ৫৬ নতুন পণ্য

দেশের জনপ্রিয় জুতার ব্র্যান্ড স্টেপ ফুটওয়্যার ক্রেতাদের জন্য একসঙ্গে ৫৬টি নতুন পণ্য বাজারে এনেছে। আধুনিক প্রযুক্তি, নান্দনিক ডিজাইন ও আন্তর্জাতিক মানের উপকরণের সমন্বয়ে তৈরি এসব পণ্যে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে আরাম, স্থায়িত্ব ও সময়োপযোগী ফ্যাশনের ওপর।

সোমবার রাজধানীর ঢাকা রিজেন্সি হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নতুন পণ্যগুলোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া ও অভিনেতা তৌসিফ মাহবুব যৌথভাবে নতুন কালেকশনের উদ্বোধন করেন।

স্টেপ ফুটওয়্যারের নতুন ৫৬টি পণ্য চারটি ক্যাটাগরিতে বাজারে এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে এয়ারওয়াক, লাফিয়ে স্লাইড, স্পিডি স্লাইড ও কালার স্লাইড। পাশাপাশি ছেলেদের জন্য তৈরি স্টেপ স্লাইড এবার মেয়েদের জন্যও বাজারে আনা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে নুসরাত ফারিয়া বলেন, দেশের একটি জনপ্রিয় দেশীয় ব্র্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে তিনি আনন্দিত ও গর্বিত। পণ্যের মান, ডিজাইন ও ক্রেতাদের আস্থাকে তিনি বিশেষ গুরুত্ব দেন বলেও জানান। নতুন পণ্যগুলোতে আধুনিক ডিজাইনের সঙ্গে আরাম ও মানের যে সমন্বয় করা হয়েছে, সেটিও তার কাছে প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এদিকে স্টেপ ফুটওয়্যারের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর অভিনেতা তৌসিফ মাহবুব বলেন, গত কয়েক বছরে পণ্যের মান ও ডিজাইনে ব্র্যান্ডটির ধারাবাহিক উন্নয়ন লক্ষ্য করা গেছে। এবারের নতুন কালেকশনেও ফ্যাশন, আরাম ও গুণগত মানের সুন্দর সমন্বয় রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
অনুষ্ঠানের আরেকটি উল্লেখযোগ্য বিষয় ছিল নুসরাত ফারিয়ার সঙ্গে স্টেপ ফুটওয়্যারের চুক্তি। ব্র্যান্ডটির বিভিন্ন প্রচারণামূলক কার্যক্রমে অংশ নিতে তিনি স্টেপ ফুটওয়্যারের সঙ্গে একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

অনুষ্ঠানে স্টেপ ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামীম কবির সাংবাদিকদের সঙ্গে নতুন পণ্যগুলোর বিভিন্ন দিক নিয়ে মতবিনিময় করেন। তিনি নতুন কালেকশনের প্রযুক্তি, ডিজাইন, আরাম ও ব্যবহারিক সুবিধার পাশাপাশি সাম্প্রতিক ফ্যাশন ট্রেন্ড নিয়েও কথা বলেন এবং সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

শামীম কবির বলেন, ক্রেতাদের প্রয়োজন, পছন্দ এবং পরিবর্তনশীল ফ্যাশন ট্রেন্ডকে গুরুত্ব দিয়েই বরাবর স্টেপ ফুটওয়্যার তাদের পণ্য তৈরি করে আসছে। শুধু জুতা তৈরি নয়, আরাম, আত্মবিশ্বাস ও স্টাইলের মাধ্যমে মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় করাই তাদের লক্ষ্য।

ক্রেতাদের আস্থা ও সহযোগিতাই প্রতিষ্ঠানটির এগিয়ে যাওয়ার অন্যতম শক্তি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এই আস্থা আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি বাংলাদেশের গণ্ডি পেরিয়ে স্টেপ ফুটওয়্যারকে আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত একটি ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্য রয়েছে তাদের।
অনুষ্ঠানে স্টেপ ফুটওয়্যারের চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার, পরিচালক তানজিনা আনোয়ার কবির, প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, ব্যবসায়িক অংশীদারসহ বিভিন্ন অঙ্গনের অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

ইআ