খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭ আশ্বিন, ১৪৩৩

ভোটের জন্য গ্রামে গ্রামে ছুটছেন সালাউদ্দিন টুকু, তুলে ধরছেন উন্নয়নের পরিকল্পনা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ণ
ভোটের জন্য গ্রামে গ্রামে ছুটছেন সালাউদ্দিন টুকু, তুলে ধরছেন উন্নয়নের পরিকল্পনা

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে জমে উঠেছে প্রচারণা। এই প্রচারণার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক ও ধানের শীষের প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। প্রতিদিনই তিনি বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলছেন এবং তাঁর উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরছেন।

ছাত্রদল ও যুবদলের সাবেক এই কেন্দ্রীয় সভাপতি সকাল ৯টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত নিজের জন্মস্থানের মাটিতে গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে ছুটছেন। ভোটারদের সঙ্গে কথা বলছেন, তাঁদের সমস্যা শুনছেন এবং সমাধানের আশ্বাস দিচ্ছেন। কোথাও মানুষের জটলা দেখলেই গাড়ি থেকে নেমে কুশল বিনিময় করেন। কোথাও অংশ নিচ্ছেন পথসভায়, কোথাও আবার নির্বাচনী অফিসে মতবিনিময় করছেন। এছাড়া সন্ধ্যা ও রাতে শহরের বিভিন্ন স্থানে সভা ও মতবিনিময়েও অংশ নেন। এতে গ্রামবাসীর মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে।

গতকাল খাস কাকুয়া স্কুল মাঠে এক ফুটবল ফাইনাল টুর্নামেন্টে অংশ নিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এক চা দোকানি জানান, দিন যত যাচ্ছে ধানের শীষের অবস্থান শক্ত হচ্ছে এবং এলাকায় ৭০ ভাগ মানুষ এখন ধানের শীষের পক্ষে।

ফেরার পথে সরিষা ক্ষেতে কৃষকদের কাজ করতে দেখে গাড়ি থেকে নেমে তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন টুকু। সঙ্গে ছিলেন টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আজগর আলী। কৃষকদের আবাদ সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং এক বৃদ্ধকে বুকে জড়িয়ে ধরেন। এ সময় কৃষকরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। ওই কৃষক বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই বিএনপি করি, আল্লাহ যেন আপনার দিকে মুখ তুলে চায়। আমি পুরোদমে কাজ করতেছি আপনার জন্য।’

পাশেই এক নারীর কাছে গিয়ে ৩১ দফার কথা বললে তিনি টুকুকে বলেন, ‘কিছু পাইলেও ভোট দিমু, না পাইলেও ভোট দিমু। গাড়ি থেকে নাইমা যখন এখান পর্যন্ত আইতে পারছেন, তাহলে আপনারে ভোট দিমু। আমি জিনিসে খুশি না, কথায় খুশি। ওখান থেকে এখানে আসছেন- এটাই তো মেলা কিছু।’

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনটি একটি পৌরসভা ও ১২টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৬২ হাজার ৪১২ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ২ লাখ ৩১ হাজার ১০৮ জন, পুরুষ ২ লাখ ৩১ হাজার ৩০৩ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ জন। মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১৩০টি।

এই আসনে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ছাড়াও আরও ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁরা হলেন- বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আহসান হামীব মাসুদ, বাংলাদেশ কংগ্রেসের এ কে এম শফিকুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের খন্দকার জাকির হোসেন, গণসংহতি আন্দোলনের ফাতেমা আক্তার, স্বতন্ত্র মো. ফরহাদ ইকবাল, জাতীয় পার্টির মো. মোজাম্মেল হক, গণঅধিকার পরিষদের মো. শফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টির মো. হাসরত খান ভাসানী এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সৈয়দ খালেকুজ্জামান মোস্তফা।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক আন্দোলনে সক্রিয় থাকার কারণে ৩৫০টি মামলার মুখোমুখি হন এবং ১২ দফা কারাভোগ করেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। মোট প্রায় পাঁচ বছর কারাগারে থাকা এই বিএনপি নেতা এবারই প্রথম টাঙ্গাইল-৫ আসন থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, ফলে নতুন ইতিহাস গড়ার প্রত্যাশা তাঁর।

ইতিমধ্যে তাঁর সরাসরি জনসংযোগ ও স্বভাবসুলভ আচরণে সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া দেখা যাচ্ছে। তিনি ভোটারদের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। বিশেষ করে সম্প্রতি বিএনপি চেয়ারম্যানের টাঙ্গাইলের নির্বাচনী জনসভায় টাঙ্গাইলবাসীর পক্ষ থেকে সাতটি উন্নয়নমূলক দাবি তাঁর কাছে তুলে ধরা হয়, যা বাস্তবায়নের আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে। তারেক রহমানের এই ঘোষণায় টাঙ্গাইলবাসী উচ্ছ্বসিত। চা স্টল থেকে শুরু করে অফিস-আদালতের আড্ডায় এসব দাবি নিয়ে আলোচনা চলছে।

এদিকে এলাকাবাসীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ সহজ করতে ‘জনতার সংযোগ’ ফোন বুথ উদ্বোধনের উদ্যোগ নিয়েছেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। এই বুথের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ সরাসরি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবে। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে এলাকার যেকোনো সমস্যা, অভিযোগ বা প্রয়োজন সহজে জানানো যাবে।

স্থানীয়রা মনে করেন, ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলা হওয়া সত্ত্বেও টাঙ্গাইল সদরে উন্নয়নের ছোঁয়া তুলনামূলক অনেক কম। সাবেক এমপি-মন্ত্রী প্রয়াত মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসানের পর এই অঞ্চলে দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন হয়নি। এমন একটি অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নে প্রয়োজন জাতীয় পর্যায়ের শক্তিশালী নেতৃত্ব, যিনি মেধা ও দক্ষতায় এগিয়ে। সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে তেমনই একজন যোগ্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে দেখছেন অনেকে। তিনি জয়ী হলে টাঙ্গাইল-৫ আসনের সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে তাঁদের প্রত্যাশা।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, আমি একা সব ভোটারের কাছে যেতে পারব না। তবুও যতটুকু সম্ভব মানুষের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করছি। ফোনের মাধ্যমেও সবাইকে সালাম পৌঁছে দিচ্ছি। গ্রাম থেকে শহর, যেখানেই যাচ্ছি, মানুষের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। ধানের শীষের পক্ষে জনজোয়ার তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, এই টাঙ্গাইলের উন্নয়নে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করব, যেন সারাদেশের উন্নয়নের তালিকায় টাঙ্গাইল এক নম্বরে থাকে। আমরা একটি শান্তিপূর্ণ টাঙ্গাইল চাই, যেখানে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই এক কাতারে দাঁড়িয়ে দেশকে এগিয়ে নেবে।

এমপি গাজী নজরুলের স্ত্রীর শেষ চিঠি ‘কে জানতো আমিই ছিলাম তার দাবার শেষ গুটি’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১১ অপরাহ্ণ
এমপি গাজী নজরুলের স্ত্রীর শেষ চিঠি ‘কে জানতো আমিই ছিলাম তার দাবার শেষ গুটি’

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের সরকারি বাসভবন থেকে কয়েকটি চিঠি উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর পর উদ্ধার হওয়া এসব চিঠিতে গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে অবহেলা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে বলে জানা গেছে।

রোববার রাতে ন্যাম ভবনে এমপির সরকারি বাসভবনে মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর পর চিঠিগুলো উদ্ধার করা হয়। তার মৃত্যুর কারণ কী, তা নিয়ে নানা প্রশ্নের মধ্যে এসব চিঠির বিষয়টি সামনে এসেছে।

উদ্ধার হওয়া চিঠিগুলোর কয়েকটিতে মরিয়ম তার ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও মানসিক কষ্টের কথা লিখেছেন বলে জানা গেছে। একটি চিঠিতে তিনি সম্পর্কটিকে অসম ও ভাগ করা ভালোবাসার সঙ্গে তুলনা করেছেন।

পাঠকদের জন্য সেসব চিঠি হুবহু নিচে দেওয়া হলো:

চিঠিতে মৃত্যুর আগে তিনি উল্লেখ করেন, ‘সে (গাজী নজরুল) ছিল অন্য নারীর স্বামী, কাগজে কলমে তার অধিকার ছিল তার বউ এর। আর আমি ছিলাম বোকা….! অন্য কারো স্বামীকে বানিয়েছিলাম নিজের শখের পুরুষ….!!!, কাউকে অর্ধেক পাওয়ার চেয়ে হারিয়ে ফেলা বেশি সম্মানের। ভালোবাসা কখনোই ভাগ করে নেওয়ার বিষয় নয়। ভালোবাসা হয় সম্পূর্ণ না হয় অসম্পূর্ণ।

আরেক চিঠিতে তিনি লেখেন, ‘সে বলেছিল আমরা বন্ধু, চলো আমরা একটা গেমস খেলি। আমিও সরল মনে বিশ্বাস করে রাজি হয়েছিলাম। কিন্তু কে জানতো আমিই ছিলাম তার দাবার শেষ গুটি।’

আরেকটি চিঠিতে তিনি লেখেন, ‘শুধু মায়ায় পড়েছি বলেই তোমার কাছে বারবার নত হই…. না হয় যতোটা সস্তা ভাবছো ততটা সস্তা আমি নই।’

জাতীয় সংসদের প্যাডে আরেক চিঠিতে গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তিনি লেখেন, ‘আমি হেরেছি তুমি জিতেছো। কারণ আমি তোমাকে বিশ্বাস করেছিলাম বলেই তো ঠকিয়ে জিততে পেরেছো। আমি ধ্বংসের শেষ দাঁড়িয়েও মুখে হাসি রেখেছি। ভেবে নাও এই হাসির কারণই হবে তোমার ধ্বংসের কারণ। আমি অতি বিশ্বাস করে যুদ্ধে নেমেছিলাম তার সাথে। জিততে পারিনি হেরে গেলাম ময়দানে। জিতবই বা কেমনে যুদ্ধের শেষ প্রান্তে যেয়ে দেখি তুমিই তো ছিলে বিপক্ষদলের সেনাপতি।

 

ইসলামিক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল আফতাবনগরে বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত

ইমরুল হাসান
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ণ
ইসলামিক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল আফতাবনগরে বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হলো ইসলামিক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল আফতাবনগর (আইআইএসএ)-এর বহুল প্রতীক্ষিত বিজ্ঞান মেলা ২০২৬।

এ মেলায় স্কুলের প্রায় ১২০ জন শিক্ষার্থী তাদের নিজস্ব প্রস্তুতকৃত বিভিন্ন বিজ্ঞানভিত্তিক প্রজেক্ট প্রদর্শন করে। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, অনুসন্ধিৎসা ও বৈজ্ঞানিক চিন্তাভাবনার প্রকাশ ঘটে পুরো আয়োজনজুড়ে।

বিজ্ঞান মেলার আহ্বায়ক মিসেস আসমা সাইদা নাবিলা-এর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্কুলের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক চৌধুরী। বিজ্ঞান মেলার প্রধান বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন স্কুলের ইনচার্জ ফারহানা সুমাইয়া শবনম।

মেলার প্রাথমিক পর্যায়ে প্লে গ্রুপ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা আলোর উৎস এবং গাছের বিভিন্ন অংশ নিয়ে প্রেজেন্টেশন ও প্রজেক্ট প্রদর্শন করে।

নার্সারি শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ভাসমানতা, স্থিরবিদ্যুৎ, চুম্বকত্ব ও ছায়াপথ নিয়ে বিভিন্ন প্রজেক্ট প্রদর্শন করে।

কেজি শ্রেণির শিক্ষার্থীরা উদ্ভিদের বেড়ে ওঠার প্রক্রিয়া, পাঁচ ইন্দ্রিয়, পানির উৎস, প্রজাপতির জীবনচক্রসহ বিভিন্ন আকর্ষণীয় বিষয়ের ওপর প্রেজেন্টেশন ও প্রজেক্ট প্রদর্শন করে।

এছাড়াও, শিক্ষার্থীদের মাঝে মুসলিম বিজ্ঞানীদের অবদান ও ঐতিহ্য তুলে ধরার লক্ষ্যে ১ম শ্রেণী থেকে ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ১৬ টি গ্রুপে মুসলিম বিজ্ঞানীর নামে বিজ্ঞানভিত্তিক প্রজেক্ট প্রদর্শন করে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আধুনিক বিজ্ঞানের পাশাপাশি মুসলিম সভ্যতার জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চার সমৃদ্ধ ইতিহাস সম্পর্কে জানার সুযোগ তৈরি হয়।

প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ও জ্ঞানচর্চায় আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান এবং ভবিষ্যতে নিজেদের মুসলিম বিজ্ঞানী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য উৎসাহিত করেন।

শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, শিক্ষকদের আন্তরিক পরিশ্রম এবং অভিভাবকদের সহযোগিতায় পুরো বিজ্ঞান মেলা হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও শিক্ষণীয়। এটি শিক্ষার্থীদের কৌতূহল, সৃজনশীলতা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে আরও বিকশিত করার একটি সুন্দর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আয়োজনের শেষে বিজয়ী শিক্ষার্থীরা ক্রেস্ট গ্রহণ করে এবং সকল অংশগ্রহণকারী সার্টিফিকেট গ্রহণ করে।

জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় এমপি গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২৮ অপরাহ্ণ
জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় এমপি গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেয়া হচ্ছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান।

আজ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে প্রেস বিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

ইবনে মিজান বলেন, আমরা আজ (রোববার) সন্ধ্যা ৭টার পরপর ন্যাম ভবনের ৫ নং বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলায় ২০৩ নং কক্ষে একটি ঝুলন্ত মরদেহের খবর পাই। খবর পাওয়ার পরপরই শেরেবাংলা নগর থানা, ডিবি ও সিআইডির টিম ঘটনাস্থলে আসে। ঘটনাস্থলে এসে আমরা দেখতে পাই, ফ্ল্যাটটি সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুলের কক্ষ। পরবর্তীতে আমরা আমাদের আনুসাঙ্গিক আইনগত কাজ করেছি।

তিনি আরও বলেন, নিহত তরুণী সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপির দ্বিতীয় স্ত্রী। আমরা সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এটি কি হত্যা নাকি আত্মহত্যা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি তদন্তের বিষয়।

অপরদিকে, পুলিশ সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে থানায় নেয়ার সময় তিনি হাত দিয়ে মুখ ঢাকেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন গাজী নজরুল ইসলাম। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার একটি ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে দলীয়ভাবে তদন্ত করা হয়। তদন্তে ‘নৈতিক স্খলনের’ অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে উল্লেখ করে গত ২২ জুলাই তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে জামায়াতে ইসলামী।