খুঁজুন
শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১ কার্তিক, ১৪৩৩

ভোটের ফল হাতে না নিয়ে কেউ ঘরে ফিরবেন না: জামায়াত আমির

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:১২ অপরাহ্ণ
ভোটের ফল হাতে না নিয়ে কেউ ঘরে ফিরবেন না: জামায়াত আমির

‘ভোটের ফলাফল হাতে না নিয়ে ঘরে ফিরবেন না’, দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রতি এমন আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

তিনি বলেন, ভোট দেওয়ার পরেও যেন কোনোভাবে ভোট নষ্ট না হয়, সে ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের বৈঠক শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত আমির এসব কথা বলেন।

জামায়াত আমির বলেন, আমরা কারো আনুকূল্য চাই না, আবার অন্য কাউকে আনুকূল্য দেখানো হোক- এটাও আমরা দেখতে চাই না। সবাই যেন নিরপেক্ষতার সঙ্গে যার যার দায়িত্ব পালন করেন, সেটাই আমরা চাই।

তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, নির্বাচনের দিন নানা ধরনের গুজব ও রিউমার ছড়ানো হতে পারে। এ বিষয়ে জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ১১ দলের পক্ষ থেকে কোনো সুস্পষ্ট বক্তব্য না আসা পর্যন্ত বিভ্রান্তিমূলক কথায় কান না দিতে আমরা জনগণকে আহ্বান জানাব।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, পরাজয়ের ভয়ে ভীত কোনো পক্ষ মিথ্যা অপবাদ, ভয়ভীতি কিংবা আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করতে পারে। কিন্তু এসব মোকাবিলা করেই ইনশাআল্লাহ আপনারা ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন এবং ভোটের ফলাফল হাতে না নিয়ে কেউ ফিরবেন না।

তিনি বলেন, ভোট দেওয়ার আগেও বা পরে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হতে পারে, তবে এই বীর জাতি সব বাধা মোকাবিলা করেই নির্বাচন সফল করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি আরো বলেন, ১২ তারিখের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে যে সরকার গঠিত হবে, সেটিই হবে নতুন বাংলাদেশের সরকার। এই সরকার হবে জনআকাঙ্ক্ষার সরকার।

তার ভাষায়, এই সরকার হবে কৃষক-শ্রমিক-মেহনতি জনতার সরকার, মাঝি-মজুরসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সরকার, নারী-পুরুষের সরকার, শিশু-আবাল-বৃদ্ধ-বনিতার সরকার। এই সরকার কোনো দল, গোষ্ঠী কিংবা পরিবারের সরকার হবে না- এই সরকার হবে জনগণের সরকার।

নির্বাচন প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, আমরা বললেই নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না, আবার আমরা সুষ্ঠু হয়নি বললেও সেটি চূড়ান্ত হবে না। জনগণ যদি বলে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে, আমরা তা শ্রদ্ধার সঙ্গে মেনে নেব।

তিনি বলেন, সরকারে থাকা বা বিরোধী দলে বসা- কোনোটিই মুখ্য নয়, বরং জনগণের রায়ের প্রতিই তাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, যদি আমরা বিজয়ী হই, তাহলে অতীতের নির্যাতন ও নিপীড়নের অবসান ঘটবে এবং যৌক্তিক ও ন্যায্য বিচার নিশ্চিত করা হবে। আবরার থেকে শুরু করে বিপ্লবী শরীফ উসমান হাদী পর্যন্ত সবার পরিবার বিচার পাবে। একই সঙ্গে তিনি ১ হাজার ৪০০ শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং জুলাই যোদ্ধাদের অবদানের কথা স্মরণ করেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সংস্কার ও পরিবর্তনের প্রশ্নে আমাদের অবস্থান শুরু থেকেই স্পষ্ট। দুর্নীতি ও দুঃশাসনের কারণে গত ৫৪ বছরে জাতি অনেক পিছিয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান এবং সমাজে সুশাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই জামায়াতের অঙ্গীকার। এই দুইটি নিশ্চিত করা গেলে সমাজের পশ্চাৎপদ অবস্থা থেকে উত্তরণ সম্ভব হব।

ওয়ার্ল্ডশেফসের সদস্যপদ পেল বাংলাদেশ কুলিনারি ফাউন্ডেশন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৫৯ অপরাহ্ণ
ওয়ার্ল্ডশেফসের সদস্যপদ পেল বাংলাদেশ কুলিনারি ফাউন্ডেশন

ওয়ার্ল্ড অ্যাসোসিয়েশন অব শেফস সোসাইটিসের (ওয়ার্ল্ডশেফস) ন্যাশনাল মেম্বারশিপ পেয়েছে বাংলাদেশ কুলিনারি ফাউন্ডেশন (বিসিএফ)। এ সদস্যপদের ফলে বাংলাদেশের শেফ ও রন্ধনশিল্পের পেশাজীবীদের আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ, প্রতিযোগিতা ও পেশাগত নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও ঢাকায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ডশেফসের সনদপ্রাপ্ত মাস্টার শেফ ও বাংলাদেশ কুলিনারি ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা নাজিম খান। এ সময় সংগঠনটির সভাপতি শহীদ শাহীন, সাধারন সম্পাদক আলমগীর চৌধুরী, সাংঠনিক সম্পাদক পারভেজ মোশারফ ও অর্থ সম্পাদক বায়েজিদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বিসিএফের প্রতিনিধিরা বলেন, ওয়ার্ল্ডশেফসের সদস্যপদ দেশের রন্ধনশিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে দেশীয় শেফদের আন্তর্জাতিক পরিসরে দক্ষতা উন্নয়ন, বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশের শেফদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ বাড়বে।

দেশের রন্ধনশিল্পের অগ্রগতি এবং শেফদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম হাতে নেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান আয়োজকেরা। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের দক্ষ রন্ধনশিল্পী তৈরি করতে কাজ করবে সংগঠনটি।

ওয়ার্ল্ডশেফস বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শেফ ও রন্ধনশিল্পের পেশাজীবীদের নিয়ে কাজ করা একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন। সংগঠনটি শেফদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি, জ্ঞান বিনিময় ও পেশাগত উন্নয়নে ভূমিকা রাখে।

অধ্যাপক পিয়াস করিমের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বিশেষ প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:০৭ অপরাহ্ণ
অধ্যাপক পিয়াস করিমের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. পিয়াস করিমের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ (১৩ অক্টোবর)। ২০১৪ সালের এই দিনে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে মারা যান তিনি।

এ উপলক্ষে পিয়াস করিমের স্মৃতি, অবদান ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে নানা উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

অধ্যাপক পিয়াস করিমের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব কে এম নাজমুল হক তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘স্যারের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। জাতীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তাঁর মরদেহ নিতে বাধা দেওয়া হয়েছিল। সত্যের পক্ষে অবিচল থাকার কারণেই তাঁকে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছিল। কত দুঃসহ স্মৃতি নিয়েই না চলে গেলেন স্যার! আপনাকে আজও মিস করি। আপনার স্মৃতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি। আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন। আমিন।’

সাংবাদিক মোহাম্মদ নাহিয়ান বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় পিয়াস করিম যে বুদ্ধিবৃত্তিক সংগ্রাম চালিয়েছিলেন, তা এই প্রজন্মের অনেকের কাছেই অজানা। তাঁর সংগ্রাম, অবদান ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে বহুমুখী উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। এ জন্য তিনি ‘পিয়াস করিম স্মৃতি সংসদ’ গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন।

অধ্যাপক ড. পিয়াস করিমের জন্ম ১৯৫৮ সালের ২৩ অক্টোবর। তাঁর গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায়। তাঁর আসল নাম ড. মঞ্জুরুল করিম। পিয়াস ছিল তাঁর ডাকনাম। পরবর্তী সময়ে এই নামেই তিনি পরিচিতি লাভ করেন।

তিনি ১৯৭৩ সালে কুমিল্লা জিলা স্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং ১৯৭৫ সালে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। ১৯৮০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে সমাজবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

রাজনৈতিক অর্থনীতি, রাজনৈতিক সমাজবিজ্ঞান, জাতীয়তাবাদ ও সামাজিক তত্ত্ব ছিল তাঁর গবেষণার প্রধান ক্ষেত্র। ২০০৭ সালে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেওয়ার আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষকতা করেন। টেলিভিশনের টক শোতে আলোচক হিসেবেও তিনি পরিচিত ছিলেন। চার বোন ও দুই ভাইয়ের মধ্যে পিয়াস করিম ছিলেন পঞ্চম। তাঁর বাবা প্রয়াত অ্যাডভোকেট এম এ করিম।

সড়ক দুর্ঘটনা, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন তানজিন তিশা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৫৯ অপরাহ্ণ
সড়ক দুর্ঘটনা, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন তানজিন তিশা

অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেলেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। একটি শোরুম উদ্বোধন করতে মানিকগঞ্জে যাচ্ছিলেন তিনি।

যাত্রাপথে সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তার গাড়ি। তবে বড় ধরনের কোনো সমস্যায় পড়তে হয়নি তাকে।

দুর্ঘটনার পর মানিকগঞ্জে না গিয়ে ঢাকায় ফিরেছেন জানান তানজিন তিশা নিজেই।

শনিবার (১০ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক পোস্টে দুর্ঘটনার বিষয়টি জানান তানজিন তিশা।

সেখানে তিনি লেখেন, ‘মানিকগঞ্জে যাওয়ার পথে বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেলাম। আলহামদুলিল্লাহ! দেখা হবে সবার সাথে, ইনশাআল্লাহ।’

তিশার এই পোস্টের পর তার ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। কীভাবে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, তা নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি অভিনেত্রী।