খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৬ ভাদ্র, ১৪৩৩

জামায়াতের ৪১ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা, যে ২৬ বিষয়ে অগ্রাধিকার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:১৯ অপরাহ্ণ
জামায়াতের ৪১ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা, যে ২৬ বিষয়ে অগ্রাধিকার

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠান শুরু করেছে জামায়াতে ইসলামী। দলটি তাদের ইশতেহারের নাম দিয়েছে ‘জনতার ইশতেহার’। রাষ্ট্র সংস্কার, সুশাসন এবং আত্মনির্ভর বাংলাদেশের রূপরেখাকে সামনে রেখে এই ইশতেহার উপস্থাপন করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ কেন্দ্রীয় নেতারা। একইসঙ্গে বহু রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার, কূটনীতিক, আন্তর্জাতিক সংস্থা সমুহের প্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন।

জামায়াত সূত্রে জানানো হয়, মোট ২৬টি অগ্রাধিকারসূচি নিয়ে ইশতেহারটি তৈরি করা হয়েছে। ইশতেহারের প্রথম ভাগে একটি বৈষম্যহীন, শক্তিশালী ও মানবিক বাংলাদেশ গঠনের অঙ্গীকার তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে শাসনব্যবস্থা সংস্কার, কার্যকর জাতীয় সংসদ, নির্বাচনি ব্যবস্থার সংস্কার, জবাবদিহিতামূলক জনপ্রশাসন, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ এবং উন্নত আইন ও বিচারব্যবস্থা গড়ে তোলাকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

ইশতেহারের দ্বিতীয় ও তৃতীয় ভাগে আত্মনির্ভর পররাষ্ট্রনীতি, শক্তিশালী প্রতিরক্ষা সক্ষমতা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সংস্কার, টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করা হয়। বাণিজ্য, শিল্প, শ্রম ও প্রবাসী কল্যাণ খাতেও বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।

এ ছাড়া ইশতেহারে কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থার মানোন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং যুব প্রযুক্তি নেতৃত্বের উদ্যোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। নারী ও শিশু নিরাপত্তা, সমাজকল্যাণ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গঠনের প্রতিশ্রুতিও ইশতেহারে স্থান পেয়েছে।

জামায়াত দাবি করেছে, ‘জনতার ইশতেহার’ তৈরিতে অ্যাপভিত্তিক প্রচারণার মাধ্যমে সংগৃহীত ৩৭ লাখের বেশি মানুষের মতামত প্রতিফলিত হয়েছে এবং জনগণের প্রত্যাশা ও ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের চাহিদা বিবেচনা করে এই ইশতেহার প্রণয়ন করা হয়েছে।

নির্বাচনি ইশতেহারে যে ২৬ বিষয়ে অগ্রাধিকার দেবে, বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী সেগুলো হলো-

১. ‘জাতীয় স্বার্থে আপসহীন বাংলাদেশ’- এই স্লোগানের আলোকে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থে আপসহীন রাষ্ট্র গঠন।

২. বৈষম্যহীন, ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক একটি মানবিক বাংলাদেশ গঠন।

৩. যুবকদের ক্ষমতায়ন এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় তাদেরকে প্রাধান্য দেয়া।

৪. নারীদের জন্য নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক রাষ্ট্র গঠন।

৫. আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নয়নের মাধ্যমে মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসমুক্ত একটি নিরাপদ রাষ্ট্রে বিনির্মাণ।

৬. প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক ও স্মার্ট সমাজ গঠন।

৭. প্রযুক্তি,ম্যানুফ্যাকচারিং, কৃষি ও শিল্পসহ নানা সেক্টরে ব্যাপকভিত্তিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি। সরকারি চাকরিতে বিনামূলো আবেদন, মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ ও সব ধরনের বৈষম্য দূরীকরণ।

৮. ব‍্যাংকসহ সার্বিক আর্থিক খ্যাত সংস্কারের মাধ্যমে আস্থা ফিরিয়ে এনে বিনিয়োগ ও ব্যবসাবান্ধব টেকসই ও স্বচ্ছ অর্থনীতি বিনির্মাণ।

৯. সমানুপাতিক (পিআর) পদ্ধতির নির্বাচনসহ সুষ্ঠু নির্বাচনি পরিবেশ তৈরি ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা শক্তিশালী করে সুসংহত ও কার্যকর গণতন্ত্র নিশ্চিত করা।

১০. বিগত সময়ে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিচার মানবাধিকার নিশ্চিত করা

১১. জুলাই বিপ্লবের ইতিহাস সংরক্ষণ, শহিদ পরিবার, আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারী জুলাই যোদ্ধাদের পুনর্বাসন এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করা হবে।

১২. কৃষিতে প্রযুক্তির ব্যবহার ও কৃষকদের সহযোগিতা বাড়ানোর মাধ্যমে কৃষিতে বিপ্লব সৃষ্টি করা।

১৩. ২০৩০ সালের মধ্যে সম্পূর্ণ ভেজালমুক্ত খাদ্য নিরাপত্তা এবং ‘তিন শূন্য ভিশন’ (পরিবেশগত অবক্ষয়ের শূন্যতা, বর্জ্যের শূন্যতা এবং বন্যা-ঝুঁকির শূন্যতা) বাস্তবায়নের মাধ্যমে সবুজ ও পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়া।

১৪. ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের বিকাশের পাশাপাশি শিল্প প্রতিষ্ঠা, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগবান্ধবপরিবেশ নিশ্চিতের মাধ্যমে ব্যাপকভিত্তিতে শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান তৈরি।

১৫. শ্রমিকদের মজুরি ও জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি এবং মানসম্মত কাজের পরিবেশ, বিশেষ করে নারীদের নিরাপদ কাজের পরিবেশ সৃষ্টি করা।

১৬. প্রবাসীদের ভোটাধিকারসহ সব অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং দেশ গঠনে আনুপাতিক ও বাস্তবসম্মত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।

১৭. সংখ্যাগুরু-সংখ্যালঘু (মেজরিটি-মাইনরিটি) নয় বরং বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে সকলের নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং পিছিয়ে থাকা নাগরিক ও শ্রেণি-গোষ্ঠীর জন্য বিশেষ সুবিধা নিশ্চিত করা।

১৮. আধুনিক ও সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা প্রদান (Universal Healthcare System) এবং গরিব ও অসহায় জনগোষ্ঠীর জন্য পর্যায়ক্রমে বিনামূল্যে উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করা।

১৯. সমসাময়িক বিশ্বের চাহিদাকে সামনে রেখে শিক্ষাব্যবস্থার মৌলিক সংস্কার এবং পর্যায়ক্রমে বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করা।

২০. দ্রব্যমূল্য ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রেখে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং অন্যান্য মৌলিক চাহিদার পূর্ণ সংস্থানের নিশ্চয়তা।

২১. যাতায়াতব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো এবং রাজধানীর সঙ্গে বিভাগীয় শহরগুলোর সড়ক/রেলপথের দূরত্ব পর্যায়ক্রমে দুই-তিন ঘণ্টায় নামিয়ে আনা। দেশের আঞ্চলিক যোগাযোগ ও ঢাকার অভ্যন্তরীণ যাতায়াতব্যবস্থায় মৌলিক পরিবর্তন আনা।

২২. নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জনা স্বল্পমূলো আবাসন নিশ্চিত করা।

২৩. ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার পূর্ণ বিলোপে চলমান বিচার ও সংস্কার কার্যক্রমকে অব্যাহত রেখে বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার পুনর্জন্ম রোধ করা।

২৪. সার্বজনীন সামাজিক নিরাপত্তাব্যবস্থা চালু করার মাধ্যমে নিরাপদ কর্মজীবন ও পর্যায়ক্রমে সব নাগরিকদের আন্তর্জাতিক মানের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

২৫. সব পর্যায়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে সুশাসন নিশ্চিত করে একটি সুখী ও সমৃদ্ধ কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা।

২৬. সব পর্যায়ে সৎ নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের মাধ্যমে দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠন।

 

জাদু দেখাতে জাপান যাচ্ছেন আলীরাজ, থাকছে মাসব্যাপী একক প্রদর্শনী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩০ অপরাহ্ণ
জাদু দেখাতে জাপান যাচ্ছেন আলীরাজ, থাকছে মাসব্যাপী একক প্রদর্শনী

বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের জাদুশিল্পকে নতুন উচ্চতায় তুলে ধরার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন জাদুকর আলীরাজ। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে ইতোমধ্যে ইউরোপ, আমেরিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশে জাদু প্রদর্শন করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন তিনি।

এবার আন্তর্জাতিক একটি সংস্থার আমন্ত্রণে মাসব্যাপী একক জাদু প্রদর্শনীতে অংশ নিতে জাপানে যাচ্ছেন আলীরাজ। সূর্যোদয়ের দেশটির বিভিন্ন মঞ্চে নিজের উদ্ভাবনী জাদু পরিবেশনার মাধ্যমে দর্শকদের মুগ্ধ করবেন এই বাংলাদেশি জাদুশিল্পী।

দেশের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন উৎসব ও আয়োজনে নিয়মিত পারফর্ম করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন আলীরাজ। এরই মধ্যে ইউরোপ, আমেরিকা ও এশিয়ার প্রায় ১৯টি দেশে একক জাদু প্রদর্শনী করেছেন তিনি।

আন্তর্জাতিক দর্শকদের সামনে বিদেশের মাটিতে টানা ৪২৫টি বাণিজ্যিক শো সম্পন্ন করার কৃতিত্বও রয়েছে তার ঝুলিতে। ভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতির দর্শকদের সামনে জাদুর মাধ্যমে বাংলাদেশের শিল্প, সংস্কৃতি ও সৃজনশীলতাকে তুলে ধরাই তার অন্যতম লক্ষ্য।

নিজস্ব উদ্ভাবনী কৌশল, আধুনিক পরিবেশনা ও নান্দনিক উপস্থাপনার মাধ্যমে প্রতিবারই দর্শকদের জন্য ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা তৈরি করেন আলীরাজ। সেই ধারাবাহিকতায় এবার জাপানে মাসব্যাপী একক প্রদর্শনীর জন্য একমাত্র মনোনীত শিল্পী হিসেবে আমন্ত্রণ পেয়েছেন তিনি।

জাপানের মঞ্চে এই দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশনা শুধু ব্যক্তিগত অর্জনই নয়, বরং আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের জাদুশিল্পকে তুলে ধরার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন আলীরাজ।

বাঁধনের সঙ্গে যা হয়েছে তা অমার্জনীয় ও নিন্দনীয়: ডেপুটি স্পিকার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:০৪ অপরাহ্ণ
বাঁধনের সঙ্গে যা হয়েছে তা অমার্জনীয় ও নিন্দনীয়: ডেপুটি স্পিকার

বাঁধনের সঙ্গে যা হয়েছে তা অমার্জনীয় ও নিন্দনীয় : ডেপুটি স্পিকার

ইতালির ভেনিসে ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত চিত্রনায়িকা আজমেরী হক বাঁধনের ওপর যে হামলার ঘটনা ঘটেছে তা অমার্জনীয় ও নিন্দনীয় অপরাধ বলে মন্তব্য করেছেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে এক নোটিশের আলোচনার ফাঁকে এ মন্তব্য করেন তিনি। এ সময় ডেপুটি স্পিকার বলেন, এই ঘটনায় নির্মমতার চরম বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।

এ ছাড়াও বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় এদিন সংসদে প্রতিবাদ জানানো হয়।

একটি চলচ্চিত্র উৎসবে যোগ দিতে সপরিবারে ইতালিতে গিয়েছেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। ইতালির একটি পার্কে ঘোরাফেরার সময় তার ওপর ‘আওয়ামী লীগ সমর্থক’ একজন প্রবাসী হামলা চালায়। তারা বাঁধনকে শারীরিকভাবে আঘাত করে, তার গায়ে ডিম, পানি ও কোমল পানীয় নিক্ষেপ করে। একপর্যায়ে বাঁধনকে জয় বাংলা স্লোগান দিতে বাধ্য করা হয় বলে লাইভে জানান তিনি।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লাইভে এসে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন হামলা ও হেনস্তার শিকার হওয়ার অভিযোগ করেন।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলেন আজমেরী হক বাঁধন। সেই প্রেক্ষাপটেই ভেনিসে তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সহশিল্পী ও সাধারণ নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

অভিনেত্রী বাঁধনের পাশে পরীমণি, ইতালির ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪০ পূর্বাহ্ণ
অভিনেত্রী বাঁধনের পাশে পরীমণি, ইতালির ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ

ইতালিতে বাংলাদেশের অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও হেনস্তা করার ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া ও চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ঢালিউডের আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমণি।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বাঁধনের ওপর হামলার সংবাদের ভিডিও শেয়ার করে এক স্ট্যাটাসে এই ক্ষোভ উগরে দেন তিনি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিও শেয়ার করে ক্যাপশনে পরীমণি লেখেন, ‘‘বেশি কিছু না। কতগুলা কুত্তার বাচ্চা রাস্তায় ঘেউ ঘেউ করছে।
এদের কাছে মানুষের বাচ্চার কান্না কিছুই ম‍্যাটার করে না। করেও নাই।’’

পরীমণির এই বার্তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। নেটিজেন এবং তার ভক্ত-অনুরাগীরাও তার এই ক্ষুব্ধ বার্তার সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে নারী শিল্পীর প্রতি এ ধরনের সহিংসতার বিরুদ্ধে কড়া প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।

উল্লেখ্য, ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে ইতালিতে অবস্থানকালে সম্প্রতি একটি পার্কে পরিজনদের সামনেই একদল ব্যক্তি আজমেরী হক বাঁধনের ওপর আক্রমণ করে, তার ওপর কোল্ড ড্রিংকস ও ডিম ছুড়ে মারে এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। ঘটনাটি নিয়ে দেশজুড়ে ইতোমধ্যে বিনোদন ও রাজনীতি অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া ও নিন্দার ঝড় বইছে।