খুঁজুন
শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

টাঙ্গাইলের উন্নয়নে তারেক রহমানের কাছে সাত দাবি তুলে ধরলেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৫৮ অপরাহ্ণ
টাঙ্গাইলের উন্নয়নে তারেক রহমানের কাছে সাত দাবি তুলে ধরলেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে টাঙ্গাইলবাসীর বিভিন্ন উন্নয়নমূলক দাবি তুলে ধরেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের দরুন চরজানা বাইপাস এলাকায় আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব দাবি উপস্থাপন করেন।

বক্তব্যে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, টাঙ্গাইলে প্রায় ৪ লাখ ৬৫ হাজার ভোটারের পক্ষ থেকে তিনি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরছেন। তিনি জানান, যমুনা নদীর তীরবর্তী চরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ। একই সঙ্গে চরবাসীর প্রাণের দাবি হিসেবে মাহমুদনগর ও কাশিনগর এলাকায় দুটি সেতু নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, করটিয়া সাদত বিশ্ববিদ্যালয় তাঁর আদর্শের জনক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সরকারিকরণ করেছিলেন। টাঙ্গাইলবাসীর প্রত্যাশা অনুযায়ী এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করা জরুরি। পাশাপাশি ঢাকার নিকটবর্তী হলেও টাঙ্গাইল দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত থাকায় এখানে একটি শক্তিশালী ইকোনমিক জোন প্রতিষ্ঠা এবং স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার দাবি জানান তিনি।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু আরও বলেন, টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৮টি ওয়ার্ডের আয়তন ও জনসংখ্যা বিবেচনায় এটিকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করা সময়ের দাবি। একই সঙ্গে টাঙ্গাইলবাসীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে একটি আধুনিক হাসপাতাল স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ইনশাআল্লাহ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জনগণের ভোটে বিএনপি সরকার গঠন করলে এবং তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হলে টাঙ্গাইলবাসীর এসব ন্যায্য দাবি বাস্তবায়ন করা হবে।

পরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান টাঙ্গাইলবাসীর উত্থাপিত সব দাবি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন।

ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের নেতৃত্বে আলোচনায় মামুনুর রশিদ খান মামুন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ
ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের নেতৃত্বে আলোচনায় মামুনুর রশিদ খান মামুন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ঢাকা মহানগর উত্তরের আসন্ন আংশিক কিংবা পূর্ণাঙ্গ কমিটিকে ঘিরে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে বইছে নতুন প্রত্যাশার হাওয়া। সেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে এক পরীক্ষিত, ত্যাগী ও রাজপথের সাহসী সৈনিকের নাম। তিনি মিরপুর কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সাবেক ১ নম্বর সদস্য মামুনুর রশিদ খান মামুন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় অসংখ্য নির্যাতন, মামলা-হামলা, কারাবরণ আর দুঃসময় পেরিয়েও যিনি দলের পতাকা আঁকড়ে রেখেছেন, সেই মামুনকে ঘিরেই এখন নেতাকর্মীদের স্বপ্ন ও প্রত্যাশা। দলের জন্য নিবেদিতপ্রাণ এই যুবনেতাকে নেতৃত্বে দেখতে চান মহানগর উত্তরের অসংখ্য ত্যাগী কর্মী।

দলীয় সূত্র বলছে, বিগত স্বৈরাচারী সরকারের দমন-পীড়নের সময় যখন অনেকেই ঘরে বন্দি, তখন রাজপথে সক্রিয় ছিলেন মামুন। বিশেষ করে ২০১৩-১৪ সালের আন্দোলন-সংগ্রামের উত্তাল সময়ে ঢাকা উত্তরের হরতাল ও অবরোধ সফল করতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাঠে ছিলেন তিনি। পুলিশের ধাওয়া, গ্রেফতারের ভয় কিংবা নির্যাতন-কোনো কিছুই তাকে দমাতে পারেনি।

রাজনীতি করতে গিয়ে তাকে দিতে হয়েছে বড় মূল্যও। রাজধানীর বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে রয়েছে প্রায় ৯টি রাজনৈতিক মামলা। আন্দোলনের সময় তিনবার গ্রেফতার হয়ে কারাগারে যেতে হয়েছে তাকে। এমনকি চার দিনের রিমান্ডে নিয়ে চালানো হয়েছে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। কিন্তু এত কিছুর পরও দলের আদর্শ ও দেশনায়ক তারেক রহমানের প্রতি আস্থা থেকে একচুলও সরে যাননি তিনি।

ছাত্ররাজনীতি থেকেই নিজের নেতৃত্বগুণের পরিচয় দেন মামুনুর রশিদ খান মামুন। মিরপুর কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি সংগঠনকে শক্তিশালী ও সক্রিয় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পরবর্তীতে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আহ্বায়ক কমিটিতে ১ নম্বর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক হয়ে ওঠেন। তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায় সংগঠন গোছাতে তার ভূমিকার কথা এখনো স্মরণ করেন নেতাকর্মীরা।

মহানগর উত্তর যুবদলের সাধারণ নেতাকর্মীদের ভাষ্য, ‘ত্যাগীদের মূল্যায়ন না হলে সংগঠন শক্তিশালী হয় না।’ তাদের বিশ্বাস, মামুনুর রশিদ খান মামুনের মতো পরীক্ষিত ও রাজপথে লড়াই করা নেতাদের নেতৃত্বে আনতে পারলে যুবদল আরও সুসংগঠিত ও গতিশীল হবে।

রাজনীতির কঠিন সময়ে যারা দলের জন্য সবকিছু বিলিয়ে দিয়েছেন, মামুন তাদেরই একজন- এমন মন্তব্য এখন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের তৃণমূলের মুখে মুখে।

শাকিব খানের ভিন্নধর্মী সাক্ষাৎকার নিতে চান দীঘি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ২:১৩ অপরাহ্ণ
শাকিব খানের ভিন্নধর্মী সাক্ষাৎকার নিতে চান দীঘি

শিশুশিল্পী হিসেবে মেগাস্টার শাকিব খানের সঙ্গে একাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন এ সময়ের চিত্রনায়িকা প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। ‘চাচ্চু’ সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করার আগে তখন থেকেই শাকিব খানকে ‘চাচ্চু’ সম্বোধন করতেন দীঘি। এবার তিনি জানালেন, সময় সুযোগ হলে শাকিব খানের একটি ভিন্নধর্মী ইন্টারভিউ নিতে চান তিনি।

এ সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় পডকাস্ট ‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে’ তে অতিথি হয়ে এসেছেন দীঘি। শনিবার (১৬ মে) রাত ৯টায় মাছরাঙা টেলিভিশন ও রেডিও দিনরাত ৯৩.৬ এফএম-এ একযোগে প্রচারিত হবে এই বিশেষ পডকাস্ট।

রুম্মান রশীদ খানের সঞ্চালনায় এই পডকাস্টে দীঘি বলেছেন, যেহেতু একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে মিডিয়া স্টাডিজ এন্ড জার্নালিজম বিভাগে তিনি পড়ছেন, সেই সূত্র ধরেই একদিনের জন্য হলেও সাংবাদিকতা করতে চান তিনি।

রুম্মান রশীদ খান প্রশ্ন করেন, সুযোগ পেলে কোন তারকার ইন্টারভিউ নেবে দীঘি? উত্তরে দীঘি জানান, অনেকদিন ধরেই তার ইচ্ছে শাকিব খানের সাক্ষাৎকার নেবার; যে সাক্ষাৎকার কিছুটা ভিন্নধর্মী হবে।

দীঘি জানান, একদিনের জন্য হলেও ক্যামেরার পেছনেও কাজ করতে চান তিনি। পরিচালক হবার স্বপ্ন তার রয়েছে। প্রায় ১২০ মিনিটের পডকাস্টে দীঘি খোলামেলা অনেক কথা বলেছেন, তাকে ঘিরে বিভিন্ন কৌতুহল ও সমালোচনার উত্তর দিয়েছেন।

চিত্রপরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু, মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, রায়হান রাফী, জয়া আহসান, পূজা চেরি, তৌহিদ আফ্রিদিকে নিয়ে দীঘি এবার এমন কিছু বলেছেন, যা আগে কখনো বলেননি।

‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে’ প্রযোজনা করছেন জেড আই ফয়সাল।

ঈদুল আজহা: ট্রেনের ২৫ মে’র অগ্রিম টিকিট বিক্রি আজ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৯:৫১ পূর্বাহ্ণ
ঈদুল আজহা: ট্রেনের ২৫ মে’র অগ্রিম টিকিট বিক্রি আজ

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের জন্য আজ বিক্রি হচ্ছে তৃতীয় দিনের, অর্থাৎ ২৫ মে’র ট্রেনের আসনের টিকিট।

যাত্রীসেবার সুবিধার্থে সব আসনের টিকিট শতভাগ অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। শুক্রবার (১৫ মে) সকাল ৮টা থেকে পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনগুলোর টিকিট বিক্রি শুরু হবে। এছাড়া দুপুর ২টা থেকে পূর্বাঞ্চলের ট্রেনগুলোর টিকিট বিক্রি শুরু করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

ঈদ উপলক্ষে রেলওয়ের নেওয়া কর্মপরিকল্পনা থেকে জানা গেছে, ঈদের আগে পাঁচ দিনের ট্রেনের আসনের টিকিট বিশেষ ব্যবস্থায় অগ্রিম বিক্রি করা হবে। আন্তঃনগর ট্রেনের ২৩ মে’র আসনের টিকিট বিক্রি করা হয়েছে গত ১৩ মে ও ২৪ মে’র আসনের টিকিট বিক্রি করা হয়েছে ১৪ মে। এছাড়া ২৬ মে’র আসনের টিকিট বিক্রি হবে ১৬ মে এবং ২৭ মে’র আসনের টিকিট বিক্রি হবে ১৭ মে।

রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, একজন যাত্রী ঈদ অগ্রিম যাত্রার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ একবার টিকিট কিনতে পারবেন এবং প্রতি ক্ষেত্রে সর্বাধিক চারটি টিকিট ক্রয় করতে পারবেন। ঈদ অগ্রিম যাত্রার টিকিট রিফান্ড করা যাবে না।

যাত্রীদের অনুরোধে যাত্রার দিন মোট আসনের (উচ্চ শ্রেণি ব্যতীত) ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট স্টেশন কাউন্টার থেকে বিক্রি করা হবে।

এদিকে, ঈদের চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ২৮, ২৯ ও ৩০ মে তারিখের টিকিট বিক্রি করা হবে।