খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ, ১৪৩৩

বিএনপির ইশতেহার ‘এক ব্যক্তি দুবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী হতে পারবে না’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:১৫ অপরাহ্ণ
বিএনপির ইশতেহার ‘এক ব্যক্তি দুবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী হতে পারবে না’

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে এক ব্যক্তি ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী হতে পারবে না।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ছয় দিন আগে আজ শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে তিনটায় রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে এক অনুষ্ঠানে ইশতেহার ঘোষণা করেন বিএনপি চেয়ারম্যান।

তারেক রহমান বলেন, সংবিধানের আলোকে বিএনপি ক্ষমতায় এলে ভোট প্রদানের অধিকার বাস্তবায়ন করব। কেয়ারটেকার বা অন্তর্বর্তী সরকার বাস্তবায়ন নিয়ে তিনি বলেন, ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে নির্বাচন হয়েছিল। আমরা ৩১ দফার মাধ্যমে বলেছিলাম, অন্তর্বর্তী সরকার আমরা বাস্তবায়ন করব। একইভাবে ৩১ দফায় বলেছিলাম, বিএনপি ক্ষমতায় এলে এক ব্যক্তি ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী হতে পারবে না। আমরা ইশতেহারে বলতে চাই, ক্ষমতায় এলে এক ব্যক্তি দুইবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী হতে পারবে না, তা বাস্তবায়ন করব।

সাংবিধানিক সংস্কারের বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম বা সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রতি পূর্ণ বিশ্বাস সংবিধানে স্থাপন করেছিলেন, কিন্তু বিগত ফ্যাসিবাদ সরকার এ বাক্যটি বাদ দিয়েছিল। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বিএনপি সরকার গঠন করতে সক্ষম হলে সংবিধানের মূলনীতি হিসেবে এটি বাস্তবায়ন করা হবে।

এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। অনুষ্ঠানে পরিচালনা করেন বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা, দলের প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ঘোষিত ভিশন-২০৩০ এবং রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতে তারেক রহমানের ৩১ দফা এবং জুলাই জাতীয় সনদের সমন্বয়ে এ ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।

বিএনপির এবারের ইশতেহারে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, পরিবেশ এবং পররাষ্ট্র নীতি, প্রতিরক্ষা খাত, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিচার নিশ্চিত করা, আওয়ামী লীগের শাসনামলে পুঁজিবাজার কেলেঙ্কারির তদন্ত ও খতিব-ইমাম-মুয়াজ্জিনদের মাসিক সম্মানীসহ জনমুখী ইস্যুকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। নারী ও তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে এবং ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ এর সমন্বয়ে ইশতেহারের বিষয়বস্তু চূড়ান্ত করা হয়েছে।

মৃ/ত্যুর দুইদিন পর ফলাফল প্রকাশ, শিহাব পেল গোল্ডেন এ প্লাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪২ পূর্বাহ্ণ
মৃ/ত্যুর দুইদিন পর ফলাফল প্রকাশ, শিহাব পেল গোল্ডেন এ প্লাস

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের দুইদিন আগে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যায় শিহাব। আজ সোমবার প্রকাশিত সেই ফলাফলে শিহাব পেয়েছে গোল্ডেন জিপিএ ৫।

সন্তানের এমন সাফল্যের দিনে ঘরে নেই সে। আনন্দের পরিবর্তে একমাত্র ছেলেকে হারানোর শোকে কাতর পরিবার।

শিহাব কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মানুরা গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে। সে ঢাকার বিমানবন্দর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল।

স্থানীয় ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম জানান, শিহাবের বাবা তোফাজ্জল হোসেন ঢাকায় গার্মেন্টস ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। ছোট ভাই তাজুল ইসলামের বিয়ের অনুষ্ঠান উপলক্ষে গত বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে গ্রামের বাড়িতে আসে তারা।

শনিবার দুপুরে গোসল শেষে বাড়ির ছাদে কাপড় শুকাতে যায় শিহাব। এ সময় বিয়ের অনুষ্ঠানের ডেকোরেশনের জন্য টানানো রঙিন বাতির তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় সে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে পাশের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। শনিবার সন্ধ্যায় গ্রামের বাড়িতে শিহাবের মরদেহ দাফন করা হয়।

 

একসঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দিলো মা-ছেলে, দুই জনই পেলেন জিপিএ-৫

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:২৩ পূর্বাহ্ণ
একসঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দিলো মা-ছেলে, দুই জনই পেলেন জিপিএ-৫

একসঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে বাজিমাত করেছে এক মা ও তার ছেলে। দুই জনই করেছেন অভাবনীয় রেজাল্ট। পেয়েছেন জিপিএ-৫। মা-ছেলের এ সাফল্যে এখন পরিবারজুড়ে আনন্দ।

তারা হলেন রাজশাহী নগরীর রাজপাড়া থানার বসিলা এলাকার বাসিন্দা মোছা. সাদিয়া বেগম ও তার ছেলে তানভীর আহমেদ। তারা এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সফলতার সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছেন।

সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে এসএসসির ফল জানার পর তাদের বাড়িতে নেমে আসে আনন্দের বন্যা। ফল প্রকাশের পর স্বজন ও পরিচিতজনরা তাদের অভিনন্দন জানাচ্ছেন।

সাদিয়া বেগমের স্বামী তোফাজ্জল হোসেন একজন সরকারি কর্মকর্তা। স্বামী-সংসার, সন্তান লালন-পালনসহ নানা দায়িত্বের মধ্যেও নিজের পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন।

জানা গেছে, ১৯ বছর আগে সাদিয়া বেগম বিয়ের পিঁড়িতে বসেন। এরপরে থেমে যায় তার পড়াশোনা। সংসার ও পারিবারিক দায়িত্বের কারণে দীর্ঘ ১৭ বছর বই-খাতার বাইরে ছিলেন তিনি। তবে পড়াশোনার প্রতি টানটা রয়ে গিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত নতুন করে শুরু করেন শিক্ষাজীবন। সংসার সামলেছেন, দুই ছেলের পড়াশোনার খোঁজ রেখেছেন; এর পাশাপাশি নিজেও চালিয়ে গেছেন পড়াশোনা। প্রায় দুই বছর আগে ছেলের সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দেবেন বলে সিদ্ধান্ত নেন।

পরিবারের সম্মতিতে সংসারের কাজের ফাঁকে চলে পড়াশোনা। সন্তানের পড়াশোনার দেখভালের পাশাপাশি নিজের পড়াশোনার সময়ও বের করেছেন।

চলতি বছরের এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পরিশ্রমের ফল পেয়েছেন সাদিয়া বেগম। তিনি রাজপাড়া আদর্শ মহিলা টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছেন। তার ছেলে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পেয়েছে গোল্ডেন জিপিএ-৫। অর্থাৎ একই বছরে একই সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে মা ও ছেলে দুই জনই পেয়েছেন জিপিএ-৫।

এসএসসিতে কত জিপিএ পেলেন ‘এটা আমাদেরই গল্প’-এর ফারহানা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:১০ পূর্বাহ্ণ
এসএসসিতে কত জিপিএ পেলেন ‘এটা আমাদেরই গল্প’-এর ফারহানা

জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটক ‘এটা আমাদেরই গল্প’-এর ফারহানা চরিত্রে অভিনয় করে পরিচিতি পাওয়া ইসরাত অতিথি এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৪ পেয়েছেন।

উত্তরা কেসি মডেল স্কুলের মানবিক বিভাগ থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন এই তরুনী অভিনেত্রী। ফল প্রকাশের পর নিজের সাফল্যে আনন্দ প্রকাশ করেছেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের অনুভূতি জানিয়ে ইসরাত লিখেছেন, ‘সবকিছুর জন্য আলহামদুলিল্লাহ। আপনারা সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।’

তবে ইসরাতের এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতির পথটি ছিল অন্যদের চেয়ে কিছুটা ভিন্ন। নবম শ্রেণি পর্যন্ত তিনি বিজ্ঞান বিভাগে পড়াশোনা করেন। পরবর্তী সময়ে অভিনয়ের ব্যস্ততা বেড়ে যাওয়ায় বিজ্ঞান বিভাগের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

বিশেষ করে ‘এটা আমাদেরই গল্প’ ধারাবাহিকের নিয়মিত শুটিংয়ে সময় দেওয়ার কারণে পড়াশোনার সঙ্গে অভিনয়ের ভারসাম্য রাখা তার জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। ফলে এসএসসি পরীক্ষার মাত্র আট মাস আগে বিভাগ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

এরই মধ্যে বোর্ডে তার নিবন্ধন হয়ে গেলেও স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে মানবিক বিভাগে চলে আসেন ইসরাত। এরপর মানবিক বিভাগ থেকেই এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ-৪ অর্জন করেন তিনি। পড়াশোনার পাশাপাশি ভবিষ্যতেও অভিনয়ে নিয়মিত কাজ করে যেতে চান ইসরাত অতিথি।