খুঁজুন
শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১ কার্তিক, ১৪৩৩

অনলাইনে সার্টিফিকেটে নাম ও অন্যান্য ভুল সংশোধন করবেন যেভাবে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৫, ৮:৪১ অপরাহ্ণ
অনলাইনে সার্টিফিকেটে নাম ও অন্যান্য ভুল সংশোধন করবেন যেভাবে

সার্টিফিকেটে নাম, পিতার নাম, মাতার নাম, জন্মতারিখ ইত্যাদিতে ভুল থাকা এখন খুব সাধারণ সমস্যা। তবে চিন্তার কিছু নেই- বাংলাদেশের শিক্ষাবোর্ডগুলো অনলাইনে এই ভুলগুলো সংশোধনের জন্য আধুনিক পদ্ধতি চালু করেছে।

উল্লেখ্য, একসঙ্গে নাম ও জন্মতারিখ সংশোধন করা যাবে না। আলাদাভাবে আবেদন করতে হবে।

এবার চলুন দেখে নিই নতুন নিয়মে অনলাইনে কিভাবে সার্টিফিকেট সংশোধন করবেন, ধাপে ধাপে।

ধাপ ১: সংশ্লিষ্ট বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন
ধাপ ২: “অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন” অপশন খুঁজুন
ধাপ ৩: ইনস্টিটিউট লগইন (EIIN ও পাসওয়ার্ড দিয়ে)
ধাপ ৪: অনলাইন ফর্ম পূরণ করুন
ধাপ ৫: প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আপলোড করুন
ধাপ ৬: পত্রিকায় সংশোধনের বিজ্ঞাপন দিন (অনলাইনে)
ধাপ ৭: সোনালী স্লিপের মাধ্যমে আবেদন ফি প্রদান
ধাপ ৮: ডকুমেন্ট যাচাই ও ভাইভা
সংশোধন সম্পন্ন হতে কতদিন সময় লাগে?
নতুন সার্টিফিকেট সংগ্রহ

> ধাপ ১: সংশ্লিষ্ট বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন
প্রথমে আপনি যেই শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষা দিয়েছেন, সেই বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন। যেমন-

ঢাকা বোর্ড: dhakaeducationboard.gov.bd
চট্টগ্রাম বোর্ড: bise-ctg.gov.bd
রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, কুমিল্লা বোর্ডের জন্য বোর্ডের নাম লিখে গুগলে সার্চ করুন।

> ধাপ ২: ‘অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন’ অপশন খুঁজুন
ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার পর ‘অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন’ মেনুতে ক্লিক করুন। তারপর সেখান থেকে নির্বাচন করুন। যেমন-

‘নাম ও বয়স সংশোধনের আবেদন’ অপশন

> ধাপ ৩: ইনস্টিটিউট লগইন (EIIN ও পাসওয়ার্ড দিয়ে)
এখানে একটি লগইন প্যানেল দেখতে পাবেন। লগইনের জন্য প্রয়োজন-

EIIN নম্বর (শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত নম্বর)
পাসওয়ার্ড
এই তথ্যগুলো আপনার স্কুল/কলেজ থেকে সংগ্রহ করতে হবে।

> ধাপ ৪: অনলাইন ফর্ম পূরণ করুন
লগইন করার পর আপনাকে একটি ফর্ম পূরণ করতে হবে, যেখানে থাকবে-

পরীক্ষার ধরন: JSC / SSC / HSC
পাশের বছর
রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর
সংশোধন করতে চান এমন তথ্য: নাম / পিতার নাম / মাতার নাম / জন্মতারিখ

> ধাপ ৫: প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আপলোড করুন
অনলাইনে আবেদন করার সময় নিচের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র স্ক্যান করে পিডিএফ আকারে আপলোড করতে হবে-

জন্ম নিবন্ধন সনদ
পিতা ও মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)
পূর্বের কোনো শিক্ষাগত সনদ
নোটারি পাবলিকের করা এফিডেভিট
পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশের পিডিএফ কপি

> ধাপ ৬: পত্রিকায় সংশোধনের বিজ্ঞাপন দিন (অনলাইনে)
ঘরে বসেই অনলাইনে বিজ্ঞাপন দিতে পারেন procharok.com ওয়েবসাইটের মাধ্যমে।

প্রক্রিয়াটি হলো-

ওয়েবসাইটে গিয়ে ‘শ্রেণীবদ্ধ বিজ্ঞাপন দিন’ নির্বাচন করুন
পত্রিকা নির্বাচন করুন (যেমন: প্রথম আলো, নয়াদিগন্ত)
সংশোধনের তথ্য দিয়ে বিজ্ঞাপন তৈরি করুন
বিকাশে টাকা পাঠিয়ে পেমেন্ট সম্পন্ন করুন
বিজ্ঞাপন সফলভাবে সাবমিট হলে, PDF কপি ইমেইলে পাবেন

> ধাপ ৭: সোনালী স্লিপের মাধ্যমে আবেদন ফি প্রদান
সার্টিফিকেট সংশোধনের ফি অনলাইনে সোনালী স্লিপ সিস্টেমের মাধ্যমে প্রদান করতে হবে।

ফর্ম পূরণ শেষে ‘সোনালী স্লিপ’ অপশনে যান
পে-স্লিপ ডাউনলোড করে অনলাইনে বা সরাসরি ব্যাংকে টাকা জমা দিন

> ধাপ ৮: ডকুমেন্ট যাচাই ও ভাইভা
আবেদন সাবমিট করার পর: বোর্ড কর্তৃপক্ষ আপনার ডকুমেন্ট যাচাই করবে
প্রয়োজনে আপনাকে ভাইভার জন্য কল বা এসএমএস পাঠাতে পারে
ভাইবার সময় সব মূল কপি সঙ্গে রাখতে হবে

সংশোধন সম্পন্ন হতে কতদিন সময় লাগে?
সাধারণত ২-৩ মাসের মধ্যে সংশোধনের কাজ সম্পন্ন হয়। তবে বোর্ডভেদে এই সময় কম-বেশি হতে পারে।

নতুন সার্টিফিকেট সংগ্রহের প্রক্রিয়া
আপনার আবেদন যদি গ্রহণযোগ্য হয়, তাহলে বোর্ড আপনাকে একটি নির্দিষ্ট তারিখে পুরনো সার্টিফিকেট জমা দিয়ে নতুন সংশোধিত সার্টিফিকেট সংগ্রহের নির্দেশনা দেবে।

এই প্রক্রিয়াটি এখন অনেক সহজ, স্বচ্ছ এবং ডিজিটাল। আপনি চাইলে নিজের বাসা থেকে পুরো আবেদন ও সংশোধনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন।

সূত্র: অন্তর্জাল

ওয়ার্ল্ডশেফসের সদস্যপদ পেল বাংলাদেশ কুলিনারি ফাউন্ডেশন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৫৯ অপরাহ্ণ
ওয়ার্ল্ডশেফসের সদস্যপদ পেল বাংলাদেশ কুলিনারি ফাউন্ডেশন

ওয়ার্ল্ড অ্যাসোসিয়েশন অব শেফস সোসাইটিসের (ওয়ার্ল্ডশেফস) ন্যাশনাল মেম্বারশিপ পেয়েছে বাংলাদেশ কুলিনারি ফাউন্ডেশন (বিসিএফ)। এ সদস্যপদের ফলে বাংলাদেশের শেফ ও রন্ধনশিল্পের পেশাজীবীদের আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ, প্রতিযোগিতা ও পেশাগত নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও ঢাকায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ডশেফসের সনদপ্রাপ্ত মাস্টার শেফ ও বাংলাদেশ কুলিনারি ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা নাজিম খান। এ সময় সংগঠনটির সভাপতি শহীদ শাহীন, সাধারন সম্পাদক আলমগীর চৌধুরী, সাংঠনিক সম্পাদক পারভেজ মোশারফ ও অর্থ সম্পাদক বায়েজিদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বিসিএফের প্রতিনিধিরা বলেন, ওয়ার্ল্ডশেফসের সদস্যপদ দেশের রন্ধনশিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে দেশীয় শেফদের আন্তর্জাতিক পরিসরে দক্ষতা উন্নয়ন, বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশের শেফদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ বাড়বে।

দেশের রন্ধনশিল্পের অগ্রগতি এবং শেফদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম হাতে নেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান আয়োজকেরা। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের দক্ষ রন্ধনশিল্পী তৈরি করতে কাজ করবে সংগঠনটি।

ওয়ার্ল্ডশেফস বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শেফ ও রন্ধনশিল্পের পেশাজীবীদের নিয়ে কাজ করা একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন। সংগঠনটি শেফদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি, জ্ঞান বিনিময় ও পেশাগত উন্নয়নে ভূমিকা রাখে।

অধ্যাপক পিয়াস করিমের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বিশেষ প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:০৭ অপরাহ্ণ
অধ্যাপক পিয়াস করিমের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. পিয়াস করিমের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ (১৩ অক্টোবর)। ২০১৪ সালের এই দিনে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে মারা যান তিনি।

এ উপলক্ষে পিয়াস করিমের স্মৃতি, অবদান ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে নানা উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

অধ্যাপক পিয়াস করিমের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব কে এম নাজমুল হক তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘স্যারের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। জাতীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তাঁর মরদেহ নিতে বাধা দেওয়া হয়েছিল। সত্যের পক্ষে অবিচল থাকার কারণেই তাঁকে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছিল। কত দুঃসহ স্মৃতি নিয়েই না চলে গেলেন স্যার! আপনাকে আজও মিস করি। আপনার স্মৃতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি। আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন। আমিন।’

সাংবাদিক মোহাম্মদ নাহিয়ান বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় পিয়াস করিম যে বুদ্ধিবৃত্তিক সংগ্রাম চালিয়েছিলেন, তা এই প্রজন্মের অনেকের কাছেই অজানা। তাঁর সংগ্রাম, অবদান ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে বহুমুখী উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। এ জন্য তিনি ‘পিয়াস করিম স্মৃতি সংসদ’ গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন।

অধ্যাপক ড. পিয়াস করিমের জন্ম ১৯৫৮ সালের ২৩ অক্টোবর। তাঁর গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায়। তাঁর আসল নাম ড. মঞ্জুরুল করিম। পিয়াস ছিল তাঁর ডাকনাম। পরবর্তী সময়ে এই নামেই তিনি পরিচিতি লাভ করেন।

তিনি ১৯৭৩ সালে কুমিল্লা জিলা স্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং ১৯৭৫ সালে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। ১৯৮০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে সমাজবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

রাজনৈতিক অর্থনীতি, রাজনৈতিক সমাজবিজ্ঞান, জাতীয়তাবাদ ও সামাজিক তত্ত্ব ছিল তাঁর গবেষণার প্রধান ক্ষেত্র। ২০০৭ সালে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেওয়ার আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষকতা করেন। টেলিভিশনের টক শোতে আলোচক হিসেবেও তিনি পরিচিত ছিলেন। চার বোন ও দুই ভাইয়ের মধ্যে পিয়াস করিম ছিলেন পঞ্চম। তাঁর বাবা প্রয়াত অ্যাডভোকেট এম এ করিম।

সড়ক দুর্ঘটনা, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন তানজিন তিশা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৫৯ অপরাহ্ণ
সড়ক দুর্ঘটনা, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন তানজিন তিশা

অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেলেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। একটি শোরুম উদ্বোধন করতে মানিকগঞ্জে যাচ্ছিলেন তিনি।

যাত্রাপথে সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তার গাড়ি। তবে বড় ধরনের কোনো সমস্যায় পড়তে হয়নি তাকে।

দুর্ঘটনার পর মানিকগঞ্জে না গিয়ে ঢাকায় ফিরেছেন জানান তানজিন তিশা নিজেই।

শনিবার (১০ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক পোস্টে দুর্ঘটনার বিষয়টি জানান তানজিন তিশা।

সেখানে তিনি লেখেন, ‘মানিকগঞ্জে যাওয়ার পথে বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেলাম। আলহামদুলিল্লাহ! দেখা হবে সবার সাথে, ইনশাআল্লাহ।’

তিশার এই পোস্টের পর তার ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। কীভাবে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, তা নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি অভিনেত্রী।