খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৮ বৈশাখ, ১৪৩৩

চলতি বছরে থার্ড টার্মিনাল চালু নিয়ে অনিশ্চয়তা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৫, ৮:০৯ পূর্বাহ্ণ
চলতি বছরে থার্ড টার্মিনাল চালু নিয়ে অনিশ্চয়তা

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহুল প্রতীক্ষিত থার্ড টার্মিনাল চলতি বছর উদ্বোধনের পরিকল্পনা থাকলেও তা বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। নির্মাণকাজ প্রায় শেষের পথে হলেও একাধিক জটিলতা এখনো কাটেনি। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রায় এক হাজার কোটি টাকার পাওনা পরিশোধ, গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের সিদ্ধান্ত ও বিদেশি অপারেটর নিয়োগ- সব মিলিয়ে প্রকল্পটি আটকে গেছে নানা প্রশাসনিক ও চুক্তিগত জটিলতায়।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) ইতোমধ্যে এ বিষয়ে দফায় দফায় বৈঠক করেছে। সূত্র জানায়, গত মাসে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টাসহ অন্য কর্মকর্তাদের নিয়ে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ বৈঠকে দ্রুত উদ্বোধনের নির্দেশ দেওয়া হলেও বেবিচক মনে করছে, চলতি বছর টার্মিনালটি চালু করা প্রায় অসম্ভব। নির্মাণকাজ প্রায় ৯৯ ভাগ শেষ হলেও তাদের হিসাব অনুযায়ী, সম্পূর্ণ কার্যক্রম শুরু করতে আরো তিন থেকে চার মাস সময় লাগবে।

বিজ্ঞাপন

সূত্র জানায়, ২০২৩ সালের অক্টোবরে সফট ওপেনিং হওয়ার পর ২০২৪ সালের শেষ নাগাদ এটিকে পুরোদমে যাত্রীসেবার জন্য উন্মুক্ত করার কথা ছিল। কিন্তু নানা অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক জটিলতার কারণে সেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব হয়নি। সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের চাপ থাকলেও জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে ১৫ বছর মেয়াদি পিপিপি চুক্তি আটকে আছে কিছু ‘অবাস্তব’ শর্তের কারণে। কনসোর্টিয়াম ল্যান্ডিং চার্জ, যাত্রী সুরক্ষা ফি, বিমানবন্দর উন্নয়ন ফি থেকে আয়ের অংশীদারত্ব এবং বাণিজ্যিক স্পেসের নিয়ন্ত্রণ দাবি করছে, যা বেবিচকের অস্বস্তির কারণ।

এদিকে, টার্মিনালের কিছু উচ্চ প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় এর মধ্যে কয়েকটির মেয়াদও শেষ হয়ে গেছে, ফলে আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। দ্রুত চালু করা না গেলে এ ক্ষতি আরো বাড়বে।

বেবিচকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আমার দেশকে বলেন, প্রায় ছয় হাজার প্রশিক্ষিত জনবল প্রয়োজন হবে এই অত্যাধুনিক টার্মিনাল পরিচালনায়, এর মধ্যে চার হাজার শুধু নিরাপত্তা বিভাগে। জনবল নিয়োগ, প্রশিক্ষণ ও অপারেশনাল প্রস্তুতি সম্পন্ন করার কাজটিও সময়সাপেক্ষ।

নির্মাণকাজ শেষে কোরিয়ান ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান স্যামসাং অতিরিক্ত কাজের জন্য বিপুল অর্থ দাবি করায় আরেকটি আর্থিক জটিলতা তৈরি হয়েছে। ব্যাগেজ হ্যান্ডলিং, ইমিগ্রেশন, বোর্ডিং ব্রিজ ও অন্যান্য প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাগুলো আন্তর্জাতিক মানে কাজ করছে কি না, তা নিশ্চিত করতে আরো নিবিড় ও ব্যাপক পরিসরে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চালানো প্রয়োজন। তিনি আরো বলেন, এসব প্রযুক্তিগত, লজিস্টিক এবং চুক্তি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের জন্যই তাদের অন্তত তিন থেকে চার মাসের মতো অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন।

সূত্র জানায়, গত মাসে শাহজালালে অনুষ্ঠিত বৈঠকে থার্ড টার্মিনালের সার্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে চুক্তির অচলাবস্থা নিরসন, বিদেশি অপারেটর পাওয়া না গেলে বেবিচকের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় টার্মিনালটি পরিচালনা করার সম্ভাব্যতা যাচাই করা এবং সে অনুযায়ী জনবল নিয়োগ ও প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা তৈরি করতে বলা হয়েছে। টার্মিনাল পুরোপুরি চালু করার আগে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অপারেশনাল প্রস্তুতিতে কী ধরনের ঘাটতি আছে, তা চিহ্নিত করে দ্রুত তা পূরণেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বেবিচক সূত্র জানায়, ২০১৭ সালে অনুমোদিত ২১ হাজার ৩৯৮ কোটি টাকার এ প্রকল্পে জাইকা দিচ্ছে ১৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি ঋণ। বাকি পাঁচ হাজার ২৫৮ কোটি টাকা দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। টার্মিনালের নকশা করেছেন সিঙ্গাপুরের বিখ্যাত স্থপতি রোহানি বাহারিন। প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে জাপানের সিমুজি ও কোরিয়ার স্যামসাং-এর যৌথ উদ্যোগ ‘অ্যাভিয়েশন ঢাকা কনসোর্টিয়াম’।

টার্মিনালটি চালু হলে শাহজালাল বিমানবন্দরের বার্ষিক যাত্রী পরিবহন ক্ষমতা তিন গুণ বেড়ে ২৪ মিলিয়নে পৌঁছাবে। এছাড়া, এমআরটি-৫ রেললাইন, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও আন্ডারগ্রাউন্ড টানেলের মাধ্যমে এটি সংযুক্ত হবে রাজধানীর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার সঙ্গে। জানা গেছে, থার্ড টার্মিনালকে সামনে রেখে ১২টি নতুন এয়ারলাইনস ফ্লাইট পরিচালনার জন্য আবেদন করেছে।

বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন এ বিষয়ে আমার দেশকে বলেন, আমাদের বিদ্যমান বিমানবন্দরের সক্ষমতার তুলনায় যাত্রী সংখ্যা অনেক বেশি। দুই বিলিয়ন ডলারের এ টার্মিনাল দ্রুত চালু হলে শুধু বিমান ভাড়ার নৈরাজ্যই কমবে না, আন্তর্জাতিক ফ্লাইটও বৃদ্ধি পাবে। থার্ড টার্মিনালের ক্ষেত্রে আমাদের আলোচনা শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

তবে তাড়াহুড়ো করে প্রস্তুতি ছাড়া থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন না করতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বেবিচক। কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক ঘোষণার তাড়াহুড়ো করে যে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল, তার পুনরাবৃত্তি এড়াতে এবার তারা চাইছে শতভাগ প্রস্তুতি নিশ্চিত করেই থার্ড টার্মিনাল চালু করতে।

বাংলাদেশে গম পাচার মা/মলায় অভিনেত্রী নুসরাতকে তলব

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশে গম পাচার মা/মলায় অভিনেত্রী নুসরাতকে তলব

রেশন দুর্নীতি মামলার তদন্তে এবার টালিউড অভিনেত্রী ও সাবেক সাংসদ নুসরাত জাহানকে তলব করেছে ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। আগামী ২২ এপ্রিল কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাকে।

ভারতীয় গণমাধ্যম জি নিউজ সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশে গম পাঠানোকে কেন্দ্র করে যে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, সেই সময় বসিরহাটের সাংসদ ছিলেন নুসরাত।

অভিযোগ, এই পাচারচক্রের কিছু আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে অভিনেত্রীর যোগসূত্র থাকতে পারে।

তবে সূত্রের খবর, ২২ এপ্রিল কলকাতায় ইডির দপ্তরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ থাকলেও তদন্তকারীদের কাছে একটি বিশেষ আবেদন জানিয়েছেন নুসরাত জাহান। তিনি কলকাতায় নয়, বরং দিল্লিতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সদর দপ্তরে হাজিরা দিতে চান।

উল্লেখ্য, তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে পাঁচ বছরের জন্য বসিরহাট লোকসভা আসনের সাংসদ ছিলেন নুসরাত জাহান। সেই সময় দলীয় মনোনয়নে নির্বাচিত হলেও পরবর্তী নির্বাচনে আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেননি।

তবে দলটির সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা এখনো রয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে।

ইডির এই তলবের পর নুসরাত কী পদক্ষেপ নেন, তা নিয়ে চলছে জল্পনা। একইসঙ্গে তার আইনজীবীরা কী অবস্থান নেন, সেদিকেও নজর রাখছেন সংশ্লিষ্টরা।

দুই বছর মানবিকে পড়ে জানতে পারলেন তিনি ‘বাণিজ্য’র ছাত্রী!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ণ
দুই বছর মানবিকে পড়ে জানতে পারলেন তিনি ‘বাণিজ্য’র ছাত্রী!

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে এসএসসি পরীক্ষার মাত্র এক দিন আগে চরম বিপাকে পড়েছেন মোছা. জারিন তাসনিন সন্ধি নামের এক পরীক্ষার্থী। গত দুই বছর ধরে মানবিক বিভাগে পড়াশোনা করে পরীক্ষার ঠিক আগের দিন তিনি জানতে পারলেন, দাপ্তরিকভাবে তিনি বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থী।

রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র হাতে দিলে বিষয়টি জানতে পারেন। এ ঘটনায় ওই শিক্ষার্থী মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। সন্ধি উপজেলার উত্তর চাঁদপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের হয়ে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা তার।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সন্ধি জোতমোড়া নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে অষ্টম শ্রেণি পাস করেন। এরপর ওই বিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী নবম ও দশম শ্রেণিতে মানবিক বিভাগে পড়াশোনা চালিয়ে যান। দশম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষায় ৮০৭ নম্বর পেয়ে মানবিক বিভাগ থেকে তিনি প্রথম স্থানও অধিকার করেছিলেন। কিন্তু রোববার প্রবেশপত্র হাতে পেয়ে দেখেন, সেখানে তার বিভাগ উল্লেখ করা হয়েছে ‘ব্যবসায় শিক্ষা’ বা বাণিজ্য।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিছানায় তার মানবিকের বইগুলো ছড়ানো। চোখেমুখে হতাশা নিয়ে সন্ধি বলেন, ‘এক দিন পর (২১ এপ্রিল) পরীক্ষা। এতদিন মানবিকে পড়েছি, প্রথম হয়েছি। অথচ প্রবেশপত্র দিল বাণিজ্যের। স্যারকে বললে তিনি বলেন আমি নাকি স্কুলে যাই না। এখন আমার পক্ষে বাণিজ্যের বই পড়া সম্ভব না।’

সন্ধি আরও জানান, নবম শ্রেণির শুরুর দিকে মাসখানেক তিনি বাণিজ্য বিভাগে ছিলেন। পরে পারিবারিক কারণে বিভাগ পরিবর্তন করে মানবিকে চলে যান। শিক্ষকদের তা জানালেও তারা নথিপত্রে তা সংশোধন করেননি বলে তার অভিযোগ।

এ বিষয়ে উত্তর চাঁদপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আলী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘যে বিভাগে রেজিস্ট্রেশন হয়েছে, সেই বিভাগেরই কার্ড এসেছে। শিক্ষার্থী যদি কমার্সে ভর্তি হয়ে মানবিকে পড়াশোনা করে, তার দায় আমার নয়। কাল বোর্ডে যাব, দেখা যাক কী হয়।’ তবে তিনি ওই শিক্ষার্থীর রোল বা রেজিস্ট্রেশন নম্বর তাৎক্ষণিক জানাতে পারেননি।

অন্যদিকে, জোতমোড়া নিম্ন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘মেয়েটি শুরুতে কমার্সে ক্লাস করেছে এবং রেজিস্ট্রেশনে স্বাক্ষরও করেছে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষা কর্মকর্তা ও বোর্ডে কথা বলা হচ্ছে।’

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাজমুল হক জানান, বিকেল পর্যন্ত প্রধান শিক্ষক তাকে এ বিষয়ে কিছুই জানাননি। তবে বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে আলোচনা চলছে।

তার পরিবার জানিয়েছে, বাবা-মা হারানো এতিম এই শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চয়তার মুখে। মানবিক বিভাগের প্রবেশপত্র না পেলে কালকের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়বে।

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন মাহমুদা হাবীবা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:১৩ অপরাহ্ণ
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন মাহমুদা হাবীবা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন মাহমুদা হাবীবা। তিনি কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।

এছাড়াও মাহমুদা হাবীবা বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য। তিনি রাজশাহী-৫ আসনের সাবেক এমপি মরহুম আয়েন উদ্দীনের মেয়ে। তার বাবার বাড়ি রাজশাহী নগরীর কুমারপাড়া (বোয়ালিয়া থানার সামনে) এলাকায়।

সোমবার দুপুরে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য ৩৬ জনকে মনোনয়ন ঘোষণা করে বিএনপি। মনোনয়নপ্রাপ্তরা হলেন- সেলিমা রহমান, শিরিন সুলতানা, রাশেদা বেগম হিরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আর্লি, মোছাম্মত ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, শাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলুফার চৌধুরী মনি, নিপুণ রায় চৌধুরী, জেবা আমিন খান, মাহমুদা হাবিবা, সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম তুলি, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিঞ্জ, সুবর্ণা শিকদার, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বিথীকা বিনতে হুসাইন, সুরাইয়া জেরিন, মানছুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলম, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, সানজিদা ইয়াসমিন, শওকত আরা আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা ও রেজেকা সুলতানা।