খুঁজুন
শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১ কার্তিক, ১৪৩৩

চলতি বছরে থার্ড টার্মিনাল চালু নিয়ে অনিশ্চয়তা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৫, ৮:০৯ পূর্বাহ্ণ
চলতি বছরে থার্ড টার্মিনাল চালু নিয়ে অনিশ্চয়তা

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহুল প্রতীক্ষিত থার্ড টার্মিনাল চলতি বছর উদ্বোধনের পরিকল্পনা থাকলেও তা বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। নির্মাণকাজ প্রায় শেষের পথে হলেও একাধিক জটিলতা এখনো কাটেনি। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রায় এক হাজার কোটি টাকার পাওনা পরিশোধ, গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের সিদ্ধান্ত ও বিদেশি অপারেটর নিয়োগ- সব মিলিয়ে প্রকল্পটি আটকে গেছে নানা প্রশাসনিক ও চুক্তিগত জটিলতায়।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) ইতোমধ্যে এ বিষয়ে দফায় দফায় বৈঠক করেছে। সূত্র জানায়, গত মাসে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টাসহ অন্য কর্মকর্তাদের নিয়ে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ বৈঠকে দ্রুত উদ্বোধনের নির্দেশ দেওয়া হলেও বেবিচক মনে করছে, চলতি বছর টার্মিনালটি চালু করা প্রায় অসম্ভব। নির্মাণকাজ প্রায় ৯৯ ভাগ শেষ হলেও তাদের হিসাব অনুযায়ী, সম্পূর্ণ কার্যক্রম শুরু করতে আরো তিন থেকে চার মাস সময় লাগবে।

বিজ্ঞাপন

সূত্র জানায়, ২০২৩ সালের অক্টোবরে সফট ওপেনিং হওয়ার পর ২০২৪ সালের শেষ নাগাদ এটিকে পুরোদমে যাত্রীসেবার জন্য উন্মুক্ত করার কথা ছিল। কিন্তু নানা অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক জটিলতার কারণে সেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব হয়নি। সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের চাপ থাকলেও জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে ১৫ বছর মেয়াদি পিপিপি চুক্তি আটকে আছে কিছু ‘অবাস্তব’ শর্তের কারণে। কনসোর্টিয়াম ল্যান্ডিং চার্জ, যাত্রী সুরক্ষা ফি, বিমানবন্দর উন্নয়ন ফি থেকে আয়ের অংশীদারত্ব এবং বাণিজ্যিক স্পেসের নিয়ন্ত্রণ দাবি করছে, যা বেবিচকের অস্বস্তির কারণ।

এদিকে, টার্মিনালের কিছু উচ্চ প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় এর মধ্যে কয়েকটির মেয়াদও শেষ হয়ে গেছে, ফলে আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। দ্রুত চালু করা না গেলে এ ক্ষতি আরো বাড়বে।

বেবিচকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আমার দেশকে বলেন, প্রায় ছয় হাজার প্রশিক্ষিত জনবল প্রয়োজন হবে এই অত্যাধুনিক টার্মিনাল পরিচালনায়, এর মধ্যে চার হাজার শুধু নিরাপত্তা বিভাগে। জনবল নিয়োগ, প্রশিক্ষণ ও অপারেশনাল প্রস্তুতি সম্পন্ন করার কাজটিও সময়সাপেক্ষ।

নির্মাণকাজ শেষে কোরিয়ান ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান স্যামসাং অতিরিক্ত কাজের জন্য বিপুল অর্থ দাবি করায় আরেকটি আর্থিক জটিলতা তৈরি হয়েছে। ব্যাগেজ হ্যান্ডলিং, ইমিগ্রেশন, বোর্ডিং ব্রিজ ও অন্যান্য প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাগুলো আন্তর্জাতিক মানে কাজ করছে কি না, তা নিশ্চিত করতে আরো নিবিড় ও ব্যাপক পরিসরে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চালানো প্রয়োজন। তিনি আরো বলেন, এসব প্রযুক্তিগত, লজিস্টিক এবং চুক্তি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের জন্যই তাদের অন্তত তিন থেকে চার মাসের মতো অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন।

সূত্র জানায়, গত মাসে শাহজালালে অনুষ্ঠিত বৈঠকে থার্ড টার্মিনালের সার্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে চুক্তির অচলাবস্থা নিরসন, বিদেশি অপারেটর পাওয়া না গেলে বেবিচকের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় টার্মিনালটি পরিচালনা করার সম্ভাব্যতা যাচাই করা এবং সে অনুযায়ী জনবল নিয়োগ ও প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা তৈরি করতে বলা হয়েছে। টার্মিনাল পুরোপুরি চালু করার আগে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অপারেশনাল প্রস্তুতিতে কী ধরনের ঘাটতি আছে, তা চিহ্নিত করে দ্রুত তা পূরণেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বেবিচক সূত্র জানায়, ২০১৭ সালে অনুমোদিত ২১ হাজার ৩৯৮ কোটি টাকার এ প্রকল্পে জাইকা দিচ্ছে ১৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি ঋণ। বাকি পাঁচ হাজার ২৫৮ কোটি টাকা দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। টার্মিনালের নকশা করেছেন সিঙ্গাপুরের বিখ্যাত স্থপতি রোহানি বাহারিন। প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে জাপানের সিমুজি ও কোরিয়ার স্যামসাং-এর যৌথ উদ্যোগ ‘অ্যাভিয়েশন ঢাকা কনসোর্টিয়াম’।

টার্মিনালটি চালু হলে শাহজালাল বিমানবন্দরের বার্ষিক যাত্রী পরিবহন ক্ষমতা তিন গুণ বেড়ে ২৪ মিলিয়নে পৌঁছাবে। এছাড়া, এমআরটি-৫ রেললাইন, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও আন্ডারগ্রাউন্ড টানেলের মাধ্যমে এটি সংযুক্ত হবে রাজধানীর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার সঙ্গে। জানা গেছে, থার্ড টার্মিনালকে সামনে রেখে ১২টি নতুন এয়ারলাইনস ফ্লাইট পরিচালনার জন্য আবেদন করেছে।

বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন এ বিষয়ে আমার দেশকে বলেন, আমাদের বিদ্যমান বিমানবন্দরের সক্ষমতার তুলনায় যাত্রী সংখ্যা অনেক বেশি। দুই বিলিয়ন ডলারের এ টার্মিনাল দ্রুত চালু হলে শুধু বিমান ভাড়ার নৈরাজ্যই কমবে না, আন্তর্জাতিক ফ্লাইটও বৃদ্ধি পাবে। থার্ড টার্মিনালের ক্ষেত্রে আমাদের আলোচনা শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

তবে তাড়াহুড়ো করে প্রস্তুতি ছাড়া থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন না করতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বেবিচক। কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক ঘোষণার তাড়াহুড়ো করে যে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল, তার পুনরাবৃত্তি এড়াতে এবার তারা চাইছে শতভাগ প্রস্তুতি নিশ্চিত করেই থার্ড টার্মিনাল চালু করতে।

ওয়ার্ল্ডশেফসের সদস্যপদ পেল বাংলাদেশ কুলিনারি ফাউন্ডেশন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৫৯ অপরাহ্ণ
ওয়ার্ল্ডশেফসের সদস্যপদ পেল বাংলাদেশ কুলিনারি ফাউন্ডেশন

ওয়ার্ল্ড অ্যাসোসিয়েশন অব শেফস সোসাইটিসের (ওয়ার্ল্ডশেফস) ন্যাশনাল মেম্বারশিপ পেয়েছে বাংলাদেশ কুলিনারি ফাউন্ডেশন (বিসিএফ)। এ সদস্যপদের ফলে বাংলাদেশের শেফ ও রন্ধনশিল্পের পেশাজীবীদের আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ, প্রতিযোগিতা ও পেশাগত নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও ঢাকায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ডশেফসের সনদপ্রাপ্ত মাস্টার শেফ ও বাংলাদেশ কুলিনারি ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা নাজিম খান। এ সময় সংগঠনটির সভাপতি শহীদ শাহীন, সাধারন সম্পাদক আলমগীর চৌধুরী, সাংঠনিক সম্পাদক পারভেজ মোশারফ ও অর্থ সম্পাদক বায়েজিদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বিসিএফের প্রতিনিধিরা বলেন, ওয়ার্ল্ডশেফসের সদস্যপদ দেশের রন্ধনশিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে দেশীয় শেফদের আন্তর্জাতিক পরিসরে দক্ষতা উন্নয়ন, বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশের শেফদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ বাড়বে।

দেশের রন্ধনশিল্পের অগ্রগতি এবং শেফদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম হাতে নেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান আয়োজকেরা। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের দক্ষ রন্ধনশিল্পী তৈরি করতে কাজ করবে সংগঠনটি।

ওয়ার্ল্ডশেফস বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শেফ ও রন্ধনশিল্পের পেশাজীবীদের নিয়ে কাজ করা একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন। সংগঠনটি শেফদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি, জ্ঞান বিনিময় ও পেশাগত উন্নয়নে ভূমিকা রাখে।

অধ্যাপক পিয়াস করিমের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বিশেষ প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:০৭ অপরাহ্ণ
অধ্যাপক পিয়াস করিমের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. পিয়াস করিমের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ (১৩ অক্টোবর)। ২০১৪ সালের এই দিনে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে মারা যান তিনি।

এ উপলক্ষে পিয়াস করিমের স্মৃতি, অবদান ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে নানা উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

অধ্যাপক পিয়াস করিমের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব কে এম নাজমুল হক তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘স্যারের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। জাতীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তাঁর মরদেহ নিতে বাধা দেওয়া হয়েছিল। সত্যের পক্ষে অবিচল থাকার কারণেই তাঁকে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছিল। কত দুঃসহ স্মৃতি নিয়েই না চলে গেলেন স্যার! আপনাকে আজও মিস করি। আপনার স্মৃতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি। আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন। আমিন।’

সাংবাদিক মোহাম্মদ নাহিয়ান বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় পিয়াস করিম যে বুদ্ধিবৃত্তিক সংগ্রাম চালিয়েছিলেন, তা এই প্রজন্মের অনেকের কাছেই অজানা। তাঁর সংগ্রাম, অবদান ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে বহুমুখী উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। এ জন্য তিনি ‘পিয়াস করিম স্মৃতি সংসদ’ গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন।

অধ্যাপক ড. পিয়াস করিমের জন্ম ১৯৫৮ সালের ২৩ অক্টোবর। তাঁর গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায়। তাঁর আসল নাম ড. মঞ্জুরুল করিম। পিয়াস ছিল তাঁর ডাকনাম। পরবর্তী সময়ে এই নামেই তিনি পরিচিতি লাভ করেন।

তিনি ১৯৭৩ সালে কুমিল্লা জিলা স্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং ১৯৭৫ সালে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। ১৯৮০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে সমাজবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

রাজনৈতিক অর্থনীতি, রাজনৈতিক সমাজবিজ্ঞান, জাতীয়তাবাদ ও সামাজিক তত্ত্ব ছিল তাঁর গবেষণার প্রধান ক্ষেত্র। ২০০৭ সালে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেওয়ার আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষকতা করেন। টেলিভিশনের টক শোতে আলোচক হিসেবেও তিনি পরিচিত ছিলেন। চার বোন ও দুই ভাইয়ের মধ্যে পিয়াস করিম ছিলেন পঞ্চম। তাঁর বাবা প্রয়াত অ্যাডভোকেট এম এ করিম।

সড়ক দুর্ঘটনা, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন তানজিন তিশা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৫৯ অপরাহ্ণ
সড়ক দুর্ঘটনা, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন তানজিন তিশা

অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেলেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। একটি শোরুম উদ্বোধন করতে মানিকগঞ্জে যাচ্ছিলেন তিনি।

যাত্রাপথে সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তার গাড়ি। তবে বড় ধরনের কোনো সমস্যায় পড়তে হয়নি তাকে।

দুর্ঘটনার পর মানিকগঞ্জে না গিয়ে ঢাকায় ফিরেছেন জানান তানজিন তিশা নিজেই।

শনিবার (১০ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক পোস্টে দুর্ঘটনার বিষয়টি জানান তানজিন তিশা।

সেখানে তিনি লেখেন, ‘মানিকগঞ্জে যাওয়ার পথে বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেলাম। আলহামদুলিল্লাহ! দেখা হবে সবার সাথে, ইনশাআল্লাহ।’

তিশার এই পোস্টের পর তার ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। কীভাবে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, তা নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি অভিনেত্রী।