হজযাত্রীদের সেবা না করতে পারলে আমাদের পদত্যাগ করা উচিত মন্তব্য করে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ বলেছেন, আমরা হজযাত্রীদের খাদেম। হজযাত্রীদের সেবা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাজী ক্যাম্প পরিদর্শন করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন বলেও জানান তিনি।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকালে হজযাত্রাকে সামনে রেখে রাজধানীর আশকোনায় হজক্যাম্পে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে ধর্মমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন হজ অফিসের পরিচালক মো. লোকমান হোসেন।
চলতি বছরের প্রথম হজ ফ্লাইটটি শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাত ১২টা ২০ মিনিটে ৪১৯ হজযাত্রী নিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সৌদি আরবের জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে।
এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) থেকেই হজক্যাম্পে আসতে শুরু করেছেন হজযাত্রীরা। এসময় মন্ত্রী হজ ফ্লাইট উদ্বোধন অনুষ্ঠানের সামগ্রিক বিষয়ে খোঁজখবর নেন এবং হজক্যাম্পে সার্বিক অবস্থা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।
তিনি হজযাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের হজযাত্রার প্রস্তুতি, থাকা-খাওয়া ও অন্যান্য বিষয়েও খোঁজ নেন। এ সময় ক্যাম্পে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের টিম লিডারদের সঙ্গে কথা বলেন ধর্মমন্ত্রী।
তাদের উদ্দেশে শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন বলেন, হজযাত্রীরা যেন স্বাচ্ছন্দ্যে, নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে পবিত্র এই সফরে যেতে পারেন সে বিষয়টি সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। এছাড়াও হজযাত্রীদের সেবায় সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকভাবে কাজ করার অনুরোধ জানান তিনি।
হজ ক্যাম্পে ছারপোকা এবং মশার উপদ্রব নিয়ে ধর্মমন্ত্রী বলেন, যা করার দরকার তাই করবো।
মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় ঢাকা মহানগর পশ্চিম শাখা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্তির পর নতুন নেতৃত্ব নিয়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে একাধিক নেতার নাম ঘুরেফিরে সামনে এলেও সাংগঠনিক শক্তি, রাজনৈতিক যোগাযোগ ও অনুসারীদের সমর্থনের হিসাব-নিকাশে আলোচনায় আসছেন মিরপুর কলেজ শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মওদুদ আহমেদ। সংশ্লিষ্ট মহলে গুঞ্জন, শেষ মুহূর্তে হিসাব-নিকাশ পাল্টে দিয়ে ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের নতুন কমিটিতে ‘ট্রাম্প কার্ড’ হয়ে উঠতে পারেন তিনি।
ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের সাংগঠনিক পরিধিতে রয়েছে মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় কলেজ, আলহাজ্ব মকবুল হোসেন কলেজ, সরকারি গ্রাফিক্স আর্টস কলেজ, মিরপুর কলেজ, দুয়ারিপাড়া সরকারি কলেজ, পল্লবী সরকারি কলেজ, হারুন মোল্লা ডিগ্রি কলেজ, ইউনানি আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ ও হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি মহানগর পশ্চিমের একাধিক থানা এলাকায় সংগঠনটির সাংগঠনিক কার্যক্রম বিস্তৃত।
এই ইউনিটের আওতাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে মিরপুর কলেজের সাংগঠনিক গুরুত্ব বিশেষভাবে আলোচিত। বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে এখানে ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম ও নেতাকর্মীদের উপস্থিতি নতুন কমিটি গঠনের আলোচনায় বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে। ফলে মিরপুর কলেজ শাখা থেকে উঠে আসা নেতৃত্ব মহানগর পশ্চিমের কমিটিতে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে, তা নিয়েও চলছে আলোচনা।
মিরপুর কলেজ থেকে নেতৃত্বের দৌড়ে মওদুদ
নতুন কমিটি ঘিরে আলোচনায় থাকা মওদুদ আহমেদ বর্তমানে মিরপুর কলেজ শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন রয়েছে, তিনি ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রত্যাশী। সাবেক সভাপতি রবিন খানের অনুসারী হিসেবেও তাকে চেনেন অনেকে।
এ ছাড়া ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব ও মিরপুরের বিএনপি নেতা মোস্তফা জগলুল পাশা পাপেলের অনুসারী হিসেবে মওদুদ আহমেদের পরিচিতি রয়েছে বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা আছে।
তাই এসব রাজনৈতিক যোগাযোগ নতুন কমিটির নেতৃত্ব নির্বাচনে মওদুদ আহমেদের অবস্থানকে কতটা শক্তিশালী করে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
এদিকে শুধু নিজস্ব সাংগঠনিক বলয়েই সীমাবদ্ধ নেই মওদুদ আহমেদের তৎপরতা- এমন আলোচনা রয়েছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে। বিএনপির কেন্দ্রীয় রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হিসেবে পরিচিত গুলশান ও পল্টনকেন্দ্রিক বিভিন্ন জ্যেষ্ঠ নেতার সঙ্গেও যোগাযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করছেন বলেও জানা গেছে।
তবে রাজনৈতিক যোগাযোগ কিংবা কোনো নেতার অনুসারী হিসেবে পরিচিতি থাকলেই যে সাংগঠনিক পদ নিশ্চিত হবে, এমন নয়। নতুন কমিটিতে প্রার্থীদের সাংগঠনিক দক্ষতা, রাজপথে ভূমিকা, নেতাকর্মীদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের মূল্যায়নও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
কমিটি বিলুপ্তির পর নতুন সমীকরণ
গত ৩০ সেপ্টেম্বর মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় সংসদ। কেন্দ্রীয় সংসদের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন।
এর আগে ২০২৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের নয় সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল। ওই কমিটিতে সভাপতি করা হয় মো. রবিন খানকে এবং সাধারণ সম্পাদক করা হয় আকরাম আহমেদকে। পরে চলতি বছরের ৪ এপ্রিল কমিটিটি পূর্ণাঙ্গ করা হয়। তবে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার কয়েক মাসের মধ্যেই তা বিলুপ্ত করা হয়।
নতুন কমিটিতে সভাপতি পদে সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক আকরাম আহমেদ এবং সদ্য সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গোলাম মওলা গোলাপের নামও আলোচনায় রয়েছে। পাশাপাশি সদ্য সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল সোহেল, সহসভাপতি কাওসার খান, সৈয়দ নেছার উদ্দিন রুজেন ও কাজী শাওন আলম, দপ্তর সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া খান সিজার এবং শেরেবাংলা নগর থানা ছাত্রদলের আহবায়ক রাজা আহমেদ মিন্টুর নামও সম্ভাব্য নেতৃত্ব হিসেবে সামনে আসছে।
এমন পরিস্থিতিতে মিরপুর কলেজ শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মওদুদ আহমেদের অবস্থান নিয়েও নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনে পরিচিতি ও রাজনৈতিক যোগাযোগের পাশাপাশি স্বচ্ছ ভাবমূর্তি, সাংগঠনিক সক্রিয়তা এবং নেতাকর্মীদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা গুরুত্ব পেতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভাষ্য। ফলে ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের পরবর্তী কমিটিতে মওদুদ আহমেদ সত্যিই ‘ট্রাম্প কার্ড’ হয়ে উঠবেন, নাকি অভিজ্ঞ ও আলোচনায় থাকা অন্য প্রার্থীরা নেতৃত্বের দৌড়ে এগিয়ে যাবেন- সেই উত্তর মিলবে কেন্দ্রীয় সংসদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে।
ওয়ার্ল্ড অ্যাসোসিয়েশন অব শেফস সোসাইটিসের (ওয়ার্ল্ডশেফস) ন্যাশনাল মেম্বারশিপ পেয়েছে বাংলাদেশ কুলিনারি ফাউন্ডেশন (বিসিএফ)। এ সদস্যপদের ফলে বাংলাদেশের শেফ ও রন্ধনশিল্পের পেশাজীবীদের আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ, প্রতিযোগিতা ও পেশাগত নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও ঢাকায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ডশেফসের সনদপ্রাপ্ত মাস্টার শেফ ও বাংলাদেশ কুলিনারি ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা নাজিম খান। এ সময় সংগঠনটির সভাপতি শহীদ শাহীন, সাধারন সম্পাদক আলমগীর চৌধুরী, সাংঠনিক সম্পাদক পারভেজ মোশারফ ও অর্থ সম্পাদক বায়েজিদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে বিসিএফের প্রতিনিধিরা বলেন, ওয়ার্ল্ডশেফসের সদস্যপদ দেশের রন্ধনশিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে দেশীয় শেফদের আন্তর্জাতিক পরিসরে দক্ষতা উন্নয়ন, বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশের শেফদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ বাড়বে।
দেশের রন্ধনশিল্পের অগ্রগতি এবং শেফদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম হাতে নেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান আয়োজকেরা। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের দক্ষ রন্ধনশিল্পী তৈরি করতে কাজ করবে সংগঠনটি।
ওয়ার্ল্ডশেফস বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শেফ ও রন্ধনশিল্পের পেশাজীবীদের নিয়ে কাজ করা একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন। সংগঠনটি শেফদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি, জ্ঞান বিনিময় ও পেশাগত উন্নয়নে ভূমিকা রাখে।
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. পিয়াস করিমের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ (১৩ অক্টোবর)। ২০১৪ সালের এই দিনে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে মারা যান তিনি।
এ উপলক্ষে পিয়াস করিমের স্মৃতি, অবদান ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে নানা উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
অধ্যাপক পিয়াস করিমের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব কে এম নাজমুল হক তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘স্যারের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। জাতীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তাঁর মরদেহ নিতে বাধা দেওয়া হয়েছিল। সত্যের পক্ষে অবিচল থাকার কারণেই তাঁকে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছিল। কত দুঃসহ স্মৃতি নিয়েই না চলে গেলেন স্যার! আপনাকে আজও মিস করি। আপনার স্মৃতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি। আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন। আমিন।’
সাংবাদিক মোহাম্মদ নাহিয়ান বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় পিয়াস করিম যে বুদ্ধিবৃত্তিক সংগ্রাম চালিয়েছিলেন, তা এই প্রজন্মের অনেকের কাছেই অজানা। তাঁর সংগ্রাম, অবদান ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে বহুমুখী উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। এ জন্য তিনি ‘পিয়াস করিম স্মৃতি সংসদ’ গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন।
অধ্যাপক ড. পিয়াস করিমের জন্ম ১৯৫৮ সালের ২৩ অক্টোবর। তাঁর গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায়। তাঁর আসল নাম ড. মঞ্জুরুল করিম। পিয়াস ছিল তাঁর ডাকনাম। পরবর্তী সময়ে এই নামেই তিনি পরিচিতি লাভ করেন।
তিনি ১৯৭৩ সালে কুমিল্লা জিলা স্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং ১৯৭৫ সালে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। ১৯৮০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে সমাজবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
রাজনৈতিক অর্থনীতি, রাজনৈতিক সমাজবিজ্ঞান, জাতীয়তাবাদ ও সামাজিক তত্ত্ব ছিল তাঁর গবেষণার প্রধান ক্ষেত্র। ২০০৭ সালে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেওয়ার আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষকতা করেন। টেলিভিশনের টক শোতে আলোচক হিসেবেও তিনি পরিচিত ছিলেন। চার বোন ও দুই ভাইয়ের মধ্যে পিয়াস করিম ছিলেন পঞ্চম। তাঁর বাবা প্রয়াত অ্যাডভোকেট এম এ করিম।
আপনার মতামত লিখুন
Array