খুঁজুন
সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ২৮ বৈশাখ, ১৪৩৩

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য তেল পাম্পে আলাদা লাইন, সময়সূচি প্রকাশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:১৬ অপরাহ্ণ
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য তেল পাম্পে আলাদা লাইন, সময়সূচি প্রকাশ

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য তেল পাম্পে জরুরি লাইন রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সকাল ও সন্ধ্যায় এক ঘণ্টা করে এই জরুরি সেবা চালু থাকবে।

আজ বৃহস্পতিবার থেকে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় চালু হয়েছে এই জরুরি সেবা। এর আগেও দেশের কয়েকটি জেলা ও উপজেলায় জরুরি ভিত্তিতে শিক্ষক-অ্যাম্বুল্যান্সসহ বিভিন্ন জরুরি বিভাগের গাড়িতে তেল দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

জাজিরা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ওমর ফারুক স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, উপজেলার মোসার্স হাসান মাহমুদ নায়েব ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি প্রাপ্তিতে হাসপাতাল, বিদুৎ, অ্যাম্বুল্যান্স, থানা, ফায়ার সাভির্স, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি দপ্তর/সংস্থা ও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আলাদা লাইনে তেল সরবরাহ করা হবে।

প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত এবং সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৭টা পর্যন্ত এই জরুরি সেবা চালু থাকবে। পাম্পে তেল থাকা সাপেক্ষে এই সেবা প্রযোজ্য বলে জানানো হয়েছে।

এই সূচি অনুযায়ী পাম্পে উপস্থিত থেকে সরকার নির্ধারিত পদ্ধতিতে জ্বালানি বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানানো হয়েছে।

পদত্যাগ করলেন ঢাবির সহকারী প্রক্টর শেহরীন মোনামি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ১২:৩০ অপরাহ্ণ
পদত্যাগ করলেন ঢাবির সহকারী প্রক্টর শেহরীন মোনামি

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। সোমবার (১১ মে) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে একই দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর পদ থেকে অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ পদত্যাগ করেন।

ফেসবুক পোস্টে শেহরীন আমিন ভূঁইয়া লেখেন, ‘I have officially resigned from my position as the Assistant Proctor at the University of Dhaka.’

তিনি জানান, শিক্ষকতাজীবনের সাত বছরে কখনোই প্রশাসনিক দায়িত্ব নেওয়ার ইচ্ছা ছিল না তার।

তিনি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করলেও প্রশাসনিক দায়িত্ব গ্রহণের পরিকল্পনা ছিল না বলে উল্লেখ করেন।

তবে ২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট তৎকালীন প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমদের ফোন পাওয়ার পর তিনি দায়িত্ব নেওয়ার বিষয়ে আগ্রহী হন বলে জানান।

নিজের পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আমি সামান্য লেকচারার, তার চেয়েও সামান্য একজন মানুষ, এত বড় দায়িত্ব, যা সচরাচর একটু সিনিয়র শিক্ষকরা পান, সেই দায়িত্বে আমি!!’

সাবেক প্রক্টরের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি আরো লেখেন, গত দুই বছরে সাইফুদ্দীন আহমদের কাছ থেকে তিনি শিখেছেন কিভাবে ধৈর্য ও সংযমের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হয় এবং শিক্ষার্থীদের আগলে রাখতে হয়।

জুলাই আন্দোলন-পরবর্তী সময়কে ‘অভূতপূর্ব’ অভিজ্ঞতা হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতি আগে কোনো প্রক্টর বা তার টিমকে মোকাবেলা করতে হয়নি বলে তার ধারণা।

নতুন প্রক্টর ও তার টিমকে শুভ কামনা জানিয়ে পোস্টের শেষাংশে তিনি লেখেন, ‘It was an absolute honour to serve with my team and under the leadership of our Proctor Saifuddin Ahmed sir.’

এ ছাড়া তিনি আরো লেখেন, ‘Congratulations to our new Proctor and his team. Wishing this team all the best in carrying out this significant responsibility.’

ঘর থেকে বের হওয়ার দোয়া: উচ্চারণ, অর্থ ও ফজিলত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ১০:২৫ পূর্বাহ্ণ
ঘর থেকে বের হওয়ার দোয়া: উচ্চারণ, অর্থ ও ফজিলত

জীবন-জীবিকার তাগিদে সবাইকেই ঘর ছেড়ে বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয়। জীবনের প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হওয়ার মতো সাধারণ কাজটিকেও ইসলাম ইবাদতে রূপান্তরিত করেছে কিছু সুন্দর দোয়া ও আদবের মাধ্যমে।

মুমিনের প্রতিটা কাজের নির্দিষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য থাকে। অহেতুক নিষ্ফল কোনো কাজে লিপ্ত হওয়া তার জন্য শোভা পায় না। এ জন্য ঘর থেকে বের হওয়ার আগে উদ্দেশ্য ঠিক করে নেওয়া জরুরি। হালাল রিজিক উপার্জন, জ্ঞানার্জন, মানুষের উপকার বা কোনো নেক কাজের উদ্দেশ্যে বের হলে তা ইবাদত হিসেবে গণ্য হবে।

ঘর থেকে বের হওয়ার সময় নিম্নোক্ত দোয়াটি পড়া সুন্নত ‘বিসমিল্লাহি, তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহি, লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।’ অর্থ: ‘আল্লাহর নামে (বের হচ্ছি), আমি আল্লাহর ওপর ভরসা করলাম। আল্লাহ ছাড়া কোনো শক্তি ও ক্ষমতা নেই।’

হজরত আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজি (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি ঘর থেকে বের হওয়ার সময় উল্লিখিত দোয়াটি পড়ে, তাকে বলা হয়, ‘আল্লাহ তাআলাই তোমার জন্য যথেষ্ট। (শয়তানের অনিষ্ট থেকে) তুমি হেফাজত অবলম্বন করেছ।’ আর তার নিকট থেকে শয়তান দূরে সরে যায়।’ (জামে তিরমিজি: ৩৪২৬)

দোয়াটির মাধ্যমে একজন মুমিনের পূর্ণ তাওয়াক্কুল (আল্লাহর ওপর নির্ভরতা) প্রকাশ পায়। জীবনের প্রতিটি কাজে যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর নির্ভরশীল হয়, তিনি তার জন্য যথেষ্ট যান এবং তার কাজকে সহজ করে দেন। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর নির্ভর করবে, তিনিই তার (কর্ম সম্পাদনের) জন্য যথেষ্ট। নিশ্চয়ই আল্লাহ তার কাজ পূরণ করেই থাকেন।’ (সুরা তালাক: ৩) আল্লাহ যার জন্য যথেষ্ট, দুনিয়ার কোনো ভয়, দুশ্চিন্তা বা অভাব তাকে বিচলিত করতে পারে না।

ইহকালীন ব্যস্ত জীবনে আমরা অনেক সময় এই ছোট ছোট সুন্নত ভুলে যাই। অথচ এগুলোই আমাদের জীবনকে নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও বরকতময় করে তুলতে পারে।

আবারও বায়ুদূষণে শীর্ষে ঢাকা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ১০:০৮ পূর্বাহ্ণ
আবারও বায়ুদূষণে শীর্ষে ঢাকা

সকালে যখন নগরজীবন কর্মমুখর হতে শুরু করে সেই সময়টায় দেখা যায়, রাজধানীতে দূষণের মাত্রা বেড়েই চলেছে। সাধারণত বৃষ্টি হলে দূষণের মাত্রা কমতে থাকে। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হওয়ার পরও আজ ঢাকায় দূষণ সবচেয়ে বেশি।

আজ সোমবার (১১ মে) সকালে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউএয়ারের বায়ুমানের তালিকায় এ চিত্র দেখা যায়।

সংস্থাটির সকাল ৮টা থেকে ৯টা সময়সীমার রেকর্ডে দেখা যায়, আজ ঢাকার এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স স্কোর ১৯৫, যা সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর বাতাসের নির্দেশক। আর তালিকায় ঢাকার অবস্থান প্রথম।

রিয়েল-টাইম একিউআই স্টেশন র‍্যাংকিংয়ে দেখা যায়, ঢাকার কিছু জায়গায় দূষণের মাত্রা সংবেদনশীল মানুষের জন্য অস্বাস্থ্যকর থেকে সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় আছে। এর মধ্যে পুরান ঢাকার বেচারাম দেউড়ি এলাকার বাতাস সবচেয়ে দূষিত অবস্থায় আছে। এলাকাটির আইকিউএয়ার স্কোর ২৪১, যা খুব অস্বাস্থ্যকর বাতাসের নির্দেশক।

র‍্যাংকিং তালিকায় আরও যেসব এলাকা রয়েছে— আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস), বারিধারা পার্ক রোড, ধানমন্ডি, গুলশান লেক পার্ক, গুলশানের বেজ এজওয়াটার আউটডোর, উত্তর বাড্ডা, দক্ষিণ পল্লবী, গ্রেস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ও গোড়ান।

ঢাকার নিম্নমানের বাতাসের প্রধান কারণ হলো পিএম ২.৫ বা সূক্ষ্ম কণা। এই অতিক্ষুদ্র কণাগুলো, যাদের ব্যাস ২.৫ মাইক্রোমিটারের চেয়েও কম, ফুসফুসের গভীরে প্রবেশ করে রক্তপ্রবাহে মিশে যেতে পারে। এর ফলে হাঁপানি (অ্যাজমা) বৃদ্ধি, ব্রঙ্কাইটিস এবং হৃদ্‌রোগের মতো শ্বাসযন্ত্র ও হৃদ্‌যন্ত্রের গুরুতর অসুস্থতার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।

শীতকালীন আবহাওয়ার ধরন, যানবাহন ও শিল্প থেকে অনিয়ন্ত্রিত নির্গমন, চলমান নির্মাণকাজ থেকে সৃষ্ট ধুলো এবং আশপাশের ইটভাটাগুলো এই দূষণ সংকটের জন্য দায়ী।

আইকিউএয়ারের তালিকায় শীর্ষ পাঁচে থাকা বিশ্বের অন্য শহরগুলো হলো— ভারতের দিল্লি (১৫৬, সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর), ভিয়েতনামের হ্যানয় (১৫৩, সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর), চীনের চেংদু (১৪৭, সংবেদনশীল মানুষের জন্য অস্বাস্থ্যকর) এবং উজবেকিস্তানের তাসখন্দ(১৩৫, সংবেদনশীল মানুষের জন্য অস্বাস্থ্যকর)।

বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী, বায়ুমান সূচক ৫০-এর নিচে থাকলে বিশুদ্ধ বাতাস ধরা হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে তা সহনীয়। ১০১ থেকে ১৫০-এর মধ্যে হলে সতর্কতামূলক বা সংবেদনশীল মানুষের (শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তি) জন্য অস্বাস্থ্যকর। ১৫১ থেকে ২০০ হলে সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর এবং সূচক ২০১ থেকে ৩০০ হলে বাতাসকে খুব অস্বাস্থ্যকর বলা হয়। আর সূচক ৩০০ ছাড়ালে সেই বাতাস দুর্যোগপূর্ণ।