ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপি-এর চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে ধানের শীষে ভোট চাইতে নির্বাচনী প্রচারণায় মাঠে নেমেছেন চলচ্চিত্রের একসময়ের দাপুটে খল-অভিনেত্রী রিনা খান।
সম্প্রতি রাজধানীর গুলশান ১-এর পুলিশ প্লাজা সংলগ্ন এলাকায় প্রচারণা করতে এসে তিনি বলেন, তারেক রহমানের ধানের শীষ ও তার হাতকে শক্তিশালী করতে সবার কাছে ভোট চাইতে এসেছি।
সংরক্ষিত আসনে এমপি হতে চাওয়ার আশা প্রকাশ করে এসময় রিনা খান বলেন, আমি নিজে জিসাস (জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন)-এর সিনিয়র সহ-সভাপতি। আমি সংরক্ষিত আসন থেকে এমপি হতে চাই। আশা রাখি, একটি সিট আমি পাবো।
তিনি বলেন, আসলে বিগত ১৭ বছরে ধরে আমাদের অনেক শিল্পী দেশে থাকতে পারেনি। যারা দেশে ছিলেন তারা নির্যাতিত হয়েছে। আমি নিজেও দেশে থেকে বিভিন্নভাবে নির্যাতিত হয়েছি।
রেশন দুর্নীতি মামলার তদন্তে এবার টালিউড অভিনেত্রী ও সাবেক সাংসদ নুসরাত জাহানকে তলব করেছে ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। আগামী ২২ এপ্রিল কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাকে।
ভারতীয় গণমাধ্যম জি নিউজ সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশে গম পাঠানোকে কেন্দ্র করে যে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, সেই সময় বসিরহাটের সাংসদ ছিলেন নুসরাত।
অভিযোগ, এই পাচারচক্রের কিছু আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে অভিনেত্রীর যোগসূত্র থাকতে পারে।
তবে সূত্রের খবর, ২২ এপ্রিল কলকাতায় ইডির দপ্তরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ থাকলেও তদন্তকারীদের কাছে একটি বিশেষ আবেদন জানিয়েছেন নুসরাত জাহান। তিনি কলকাতায় নয়, বরং দিল্লিতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সদর দপ্তরে হাজিরা দিতে চান।
উল্লেখ্য, তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে পাঁচ বছরের জন্য বসিরহাট লোকসভা আসনের সাংসদ ছিলেন নুসরাত জাহান। সেই সময় দলীয় মনোনয়নে নির্বাচিত হলেও পরবর্তী নির্বাচনে আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেননি।
তবে দলটির সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা এখনো রয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে।
ইডির এই তলবের পর নুসরাত কী পদক্ষেপ নেন, তা নিয়ে চলছে জল্পনা। একইসঙ্গে তার আইনজীবীরা কী অবস্থান নেন, সেদিকেও নজর রাখছেন সংশ্লিষ্টরা।
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে এসএসসি পরীক্ষার মাত্র এক দিন আগে চরম বিপাকে পড়েছেন মোছা. জারিন তাসনিন সন্ধি নামের এক পরীক্ষার্থী। গত দুই বছর ধরে মানবিক বিভাগে পড়াশোনা করে পরীক্ষার ঠিক আগের দিন তিনি জানতে পারলেন, দাপ্তরিকভাবে তিনি বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থী।
রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র হাতে দিলে বিষয়টি জানতে পারেন। এ ঘটনায় ওই শিক্ষার্থী মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। সন্ধি উপজেলার উত্তর চাঁদপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের হয়ে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা তার।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সন্ধি জোতমোড়া নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে অষ্টম শ্রেণি পাস করেন। এরপর ওই বিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী নবম ও দশম শ্রেণিতে মানবিক বিভাগে পড়াশোনা চালিয়ে যান। দশম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষায় ৮০৭ নম্বর পেয়ে মানবিক বিভাগ থেকে তিনি প্রথম স্থানও অধিকার করেছিলেন। কিন্তু রোববার প্রবেশপত্র হাতে পেয়ে দেখেন, সেখানে তার বিভাগ উল্লেখ করা হয়েছে ‘ব্যবসায় শিক্ষা’ বা বাণিজ্য।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিছানায় তার মানবিকের বইগুলো ছড়ানো। চোখেমুখে হতাশা নিয়ে সন্ধি বলেন, ‘এক দিন পর (২১ এপ্রিল) পরীক্ষা। এতদিন মানবিকে পড়েছি, প্রথম হয়েছি। অথচ প্রবেশপত্র দিল বাণিজ্যের। স্যারকে বললে তিনি বলেন আমি নাকি স্কুলে যাই না। এখন আমার পক্ষে বাণিজ্যের বই পড়া সম্ভব না।’
সন্ধি আরও জানান, নবম শ্রেণির শুরুর দিকে মাসখানেক তিনি বাণিজ্য বিভাগে ছিলেন। পরে পারিবারিক কারণে বিভাগ পরিবর্তন করে মানবিকে চলে যান। শিক্ষকদের তা জানালেও তারা নথিপত্রে তা সংশোধন করেননি বলে তার অভিযোগ।
এ বিষয়ে উত্তর চাঁদপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আলী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘যে বিভাগে রেজিস্ট্রেশন হয়েছে, সেই বিভাগেরই কার্ড এসেছে। শিক্ষার্থী যদি কমার্সে ভর্তি হয়ে মানবিকে পড়াশোনা করে, তার দায় আমার নয়। কাল বোর্ডে যাব, দেখা যাক কী হয়।’ তবে তিনি ওই শিক্ষার্থীর রোল বা রেজিস্ট্রেশন নম্বর তাৎক্ষণিক জানাতে পারেননি।
অন্যদিকে, জোতমোড়া নিম্ন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘মেয়েটি শুরুতে কমার্সে ক্লাস করেছে এবং রেজিস্ট্রেশনে স্বাক্ষরও করেছে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষা কর্মকর্তা ও বোর্ডে কথা বলা হচ্ছে।’
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাজমুল হক জানান, বিকেল পর্যন্ত প্রধান শিক্ষক তাকে এ বিষয়ে কিছুই জানাননি। তবে বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে আলোচনা চলছে।
তার পরিবার জানিয়েছে, বাবা-মা হারানো এতিম এই শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চয়তার মুখে। মানবিক বিভাগের প্রবেশপত্র না পেলে কালকের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়বে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন মাহমুদা হাবীবা। তিনি কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।
আপনার মতামত লিখুন
Array