খুঁজুন
শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

ঘোড়ার মাংসের অবৈধ বাণিজ্য বন্ধে হাইকোর্টে জয়া আহসান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৪:৫৮ অপরাহ্ণ
ঘোড়ার মাংসের অবৈধ বাণিজ্য বন্ধে হাইকোর্টে জয়া আহসান

দেশে ঘোড়ার মাংস বিক্রি ও বাণিজ্য বন্ধ এবং নিষিদ্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘোড়াকে গরুর মাংস বলে বিক্রি বন্ধের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে রিটে। জনস্বার্থে সোমবার (১১ মে) বাংলাদেশ অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন, এ কে খান হেলথকেয়ার ট্রাস্ট এবং অভিনেত্রী ও প্রাণী কল্যাণ কর্মী জয়া আহসান এই রিট দায়ের করেন।

রিটকারী ব্যক্তি ও সংগঠনের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা হলেন, ব্যারিস্টার সাকিব মাহবুব, ড. সিনথিয়া ফরিদ ও অ্যাডভোকেট সাজিদ হাসান।

রিটে বিশেষত অসুস্থ প্রাণীগুলোকে মানুষের খাদ্য হিসেবে প্রতারণামূলকভাবে বাজারজাত করার বিষয়টিতে তারা উচ্চ আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়ে আবেদন জানিয়েছেন। পূর্ববর্তী অনুরোধ সত্ত্বেও কার্যকর আইনগত কার্যকারিতার অভাব থাকায় পিটিশনকারীরা উচ্চ আদালতের আশ্রয় নিয়েছেন।

মন্ত্রণালয়ে পাঠানো পূর্ববর্তী অভিযোগগুলোর নিষ্পত্তি, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা এবং গাজীপুরে উন্মোচিত অবৈধ ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্যের বিষয়ে একটি পুঙ্খানুপুঙ্খ ও সময়সীমাবদ্ধ তদন্তের জন্য নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে এ সংক্রান্ত বিষয়ে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

পিটিশনকারীরা আরও অনুরোধ করেছেন যেন কর্তৃপক্ষকে এ ধরনের চর্চা নির্মূলে ৬০ দিনের মধ্যে একটি জাতীয় নির্দেশিকা ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন, বাজেয়াপ্ত ও অসুস্থ ঘোড়ার নিলাম অবিলম্বে বন্ধ করা এবং উদ্ধারকৃত প্রাণীদের পরিচর্যা ও পুনর্বাসনের জন্য যথাযথ সুবিধা বা অভয়ারণ্য- বাংলাদেশ অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন স্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

পিটিশনকারীরা জোর দিয়ে বলছেন, তাৎক্ষণিক বিচারিক হস্তক্ষেপ ছাড়া এই অবৈধ কার্যক্রম জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি সৃষ্টি করতে থাকবে এবং প্রাণীদের প্রতি চরম নিষ্ঠুরতা অব্যাহত থাকবে।

আইনজীবীরা বলেন, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসের প্রথম দিকে গাজীপুর জেলা প্রশাসন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-১ ও পুলিশের যৌথ অভিযানে একটি কটন (তুলা) কারখানাকে অবৈধ জবাইখানায় রূপান্তর করে সংগঠিত অবৈধ ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্য চক্রের সন্ধান পাওয়া যায়। ওই অভিযানে প্রায় ৩৬টি গুরুতর অসুস্থ ঘোড়া ও ৮টি জবাইকৃত ঘোড়ার মৃতদেহ এবং বিতরণ ও বিক্রির জন্য প্রস্তুতকৃত বিপুল পরিমাণ মাংস উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার করা প্রাণীগুলো অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় পাওয়া যায়। প্রাণীগুলো প্রচণ্ড অপুষ্টি, চিকিৎসাবিহীন সংক্রমণ, উন্মুক্ত ক্ষত, পোকা সংক্রমণ, টিউমার এবং অন্যান্য গুরুতর আঘাতে ভুগছিল। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক পরিচালিত ভেটেরিনারি পরীক্ষায় অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া, পরজীবী সংক্রমণ, ছত্রাক দূষণ এবং সন্দেহজনক যক্ষ্মা সংক্রমণ শনাক্ত করা হয়, যা প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হতে পারে এমন একটি সংক্রামক রোগ। এই মাংস মানুষের খাদ্য হিসেবেপ্রতারণামূলকভাবে বাজারজাতকরণ ও বিক্রি করা হচ্ছিল। এমনকি এই মাংসকে গরুর মাংস নাম দিয়েও মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছিল।

কর্তৃপক্ষ এসব কার্যক্রম তাৎক্ষণিক বন্ধের নির্দেশ ও মনিটরিং ব্যবস্থার কথা জানালেও তা বাস্তবায়নে ধারাবাহিকতা নেই। পরবর্তীতে একটি মোবাইল কোর্ট গাজীপুরে ঘোড়ার মাংস বিক্রয় নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। বাংলাদেশে এ ধরনের প্রথা প্রচলিত নয় এবং এটি গুরুতর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে বলে জানান কোর্ট।

অভয়ারণ্য- বাংলাদেশ অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন বারবার গাজীপুর পুলিশ ও জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে। সংস্থাটি অবৈধ ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্য সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য ও নথিপত্রও সরবরাহ করে। বারবার চেষ্টা ও সহায়তা দেওয়া সত্ত্বেও অবৈধ এই বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেফতার কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

গাজীপুরের জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরেযোগাযোগ করলে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর উদ্ধারকৃত ঘোড়াগুলো অভয়ারণ্য, বাংলাদেশ অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের কাছে পরিচর্যা ও পুনর্বাসনের জন্য হস্তান্তর করে। তবে সীমিত সক্ষমতার কারণে সংস্থাটি অতিরিক্ত প্রাণী গ্রহণ করতে পারেনি। একই সময় গাজীপুরের কর্তৃপক্ষ বাজেয়াপ্ত অসুস্থ ঘোড়াগুলো নিলামে বিক্রি করছে বলে জানা গেছে।

অভয়ারণ্য- বাংলাদেশ অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন অবৈধ ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্য সংক্রান্ত জরুরি হস্তক্ষেপ ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সকল প্রাসঙ্গিক সরকারি মন্ত্রণালয় ও কর্তৃপক্ষকে বারবার চিঠি দিয়েছে। কিন্তু কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ২০২৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর অভয়ারণ্য- বাংলাদেশ অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন, এ কে খান হেলথকেয়ার ট্রাস্ট এবং অভিনেত্রী ও প্রাণী কল্যাণ কর্মী জয়া আহসানের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সরকারি মন্ত্রণালয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চিঠি প্রেরণ করে। তারা কোনো ফলপ্রসূ সাড়া পায়নি। এর পরে জনস্বার্থে রিট দায়ের করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের নেতৃত্বে আলোচনায় মামুনুর রশিদ খান মামুন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ
ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের নেতৃত্বে আলোচনায় মামুনুর রশিদ খান মামুন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ঢাকা মহানগর উত্তরের আসন্ন আংশিক কিংবা পূর্ণাঙ্গ কমিটিকে ঘিরে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে বইছে নতুন প্রত্যাশার হাওয়া। সেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে এক পরীক্ষিত, ত্যাগী ও রাজপথের সাহসী সৈনিকের নাম। তিনি মিরপুর কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সাবেক ১ নম্বর সদস্য মামুনুর রশিদ খান মামুন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় অসংখ্য নির্যাতন, মামলা-হামলা, কারাবরণ আর দুঃসময় পেরিয়েও যিনি দলের পতাকা আঁকড়ে রেখেছেন, সেই মামুনকে ঘিরেই এখন নেতাকর্মীদের স্বপ্ন ও প্রত্যাশা। দলের জন্য নিবেদিতপ্রাণ এই যুবনেতাকে নেতৃত্বে দেখতে চান মহানগর উত্তরের অসংখ্য ত্যাগী কর্মী।

দলীয় সূত্র বলছে, বিগত স্বৈরাচারী সরকারের দমন-পীড়নের সময় যখন অনেকেই ঘরে বন্দি, তখন রাজপথে সক্রিয় ছিলেন মামুন। বিশেষ করে ২০১৩-১৪ সালের আন্দোলন-সংগ্রামের উত্তাল সময়ে ঢাকা উত্তরের হরতাল ও অবরোধ সফল করতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাঠে ছিলেন তিনি। পুলিশের ধাওয়া, গ্রেফতারের ভয় কিংবা নির্যাতন-কোনো কিছুই তাকে দমাতে পারেনি।

রাজনীতি করতে গিয়ে তাকে দিতে হয়েছে বড় মূল্যও। রাজধানীর বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে রয়েছে প্রায় ৯টি রাজনৈতিক মামলা। আন্দোলনের সময় তিনবার গ্রেফতার হয়ে কারাগারে যেতে হয়েছে তাকে। এমনকি চার দিনের রিমান্ডে নিয়ে চালানো হয়েছে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। কিন্তু এত কিছুর পরও দলের আদর্শ ও দেশনায়ক তারেক রহমানের প্রতি আস্থা থেকে একচুলও সরে যাননি তিনি।

ছাত্ররাজনীতি থেকেই নিজের নেতৃত্বগুণের পরিচয় দেন মামুনুর রশিদ খান মামুন। মিরপুর কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি সংগঠনকে শক্তিশালী ও সক্রিয় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পরবর্তীতে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আহ্বায়ক কমিটিতে ১ নম্বর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক হয়ে ওঠেন। তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায় সংগঠন গোছাতে তার ভূমিকার কথা এখনো স্মরণ করেন নেতাকর্মীরা।

মহানগর উত্তর যুবদলের সাধারণ নেতাকর্মীদের ভাষ্য, ‘ত্যাগীদের মূল্যায়ন না হলে সংগঠন শক্তিশালী হয় না।’ তাদের বিশ্বাস, মামুনুর রশিদ খান মামুনের মতো পরীক্ষিত ও রাজপথে লড়াই করা নেতাদের নেতৃত্বে আনতে পারলে যুবদল আরও সুসংগঠিত ও গতিশীল হবে।

রাজনীতির কঠিন সময়ে যারা দলের জন্য সবকিছু বিলিয়ে দিয়েছেন, মামুন তাদেরই একজন- এমন মন্তব্য এখন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের তৃণমূলের মুখে মুখে।

শাকিব খানের ভিন্নধর্মী সাক্ষাৎকার নিতে চান দীঘি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ২:১৩ অপরাহ্ণ
শাকিব খানের ভিন্নধর্মী সাক্ষাৎকার নিতে চান দীঘি

শিশুশিল্পী হিসেবে মেগাস্টার শাকিব খানের সঙ্গে একাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন এ সময়ের চিত্রনায়িকা প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। ‘চাচ্চু’ সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করার আগে তখন থেকেই শাকিব খানকে ‘চাচ্চু’ সম্বোধন করতেন দীঘি। এবার তিনি জানালেন, সময় সুযোগ হলে শাকিব খানের একটি ভিন্নধর্মী ইন্টারভিউ নিতে চান তিনি।

এ সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় পডকাস্ট ‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে’ তে অতিথি হয়ে এসেছেন দীঘি। শনিবার (১৬ মে) রাত ৯টায় মাছরাঙা টেলিভিশন ও রেডিও দিনরাত ৯৩.৬ এফএম-এ একযোগে প্রচারিত হবে এই বিশেষ পডকাস্ট।

রুম্মান রশীদ খানের সঞ্চালনায় এই পডকাস্টে দীঘি বলেছেন, যেহেতু একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে মিডিয়া স্টাডিজ এন্ড জার্নালিজম বিভাগে তিনি পড়ছেন, সেই সূত্র ধরেই একদিনের জন্য হলেও সাংবাদিকতা করতে চান তিনি।

রুম্মান রশীদ খান প্রশ্ন করেন, সুযোগ পেলে কোন তারকার ইন্টারভিউ নেবে দীঘি? উত্তরে দীঘি জানান, অনেকদিন ধরেই তার ইচ্ছে শাকিব খানের সাক্ষাৎকার নেবার; যে সাক্ষাৎকার কিছুটা ভিন্নধর্মী হবে।

দীঘি জানান, একদিনের জন্য হলেও ক্যামেরার পেছনেও কাজ করতে চান তিনি। পরিচালক হবার স্বপ্ন তার রয়েছে। প্রায় ১২০ মিনিটের পডকাস্টে দীঘি খোলামেলা অনেক কথা বলেছেন, তাকে ঘিরে বিভিন্ন কৌতুহল ও সমালোচনার উত্তর দিয়েছেন।

চিত্রপরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু, মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, রায়হান রাফী, জয়া আহসান, পূজা চেরি, তৌহিদ আফ্রিদিকে নিয়ে দীঘি এবার এমন কিছু বলেছেন, যা আগে কখনো বলেননি।

‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে’ প্রযোজনা করছেন জেড আই ফয়সাল।

ঈদুল আজহা: ট্রেনের ২৫ মে’র অগ্রিম টিকিট বিক্রি আজ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৯:৫১ পূর্বাহ্ণ
ঈদুল আজহা: ট্রেনের ২৫ মে’র অগ্রিম টিকিট বিক্রি আজ

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের জন্য আজ বিক্রি হচ্ছে তৃতীয় দিনের, অর্থাৎ ২৫ মে’র ট্রেনের আসনের টিকিট।

যাত্রীসেবার সুবিধার্থে সব আসনের টিকিট শতভাগ অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। শুক্রবার (১৫ মে) সকাল ৮টা থেকে পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনগুলোর টিকিট বিক্রি শুরু হবে। এছাড়া দুপুর ২টা থেকে পূর্বাঞ্চলের ট্রেনগুলোর টিকিট বিক্রি শুরু করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

ঈদ উপলক্ষে রেলওয়ের নেওয়া কর্মপরিকল্পনা থেকে জানা গেছে, ঈদের আগে পাঁচ দিনের ট্রেনের আসনের টিকিট বিশেষ ব্যবস্থায় অগ্রিম বিক্রি করা হবে। আন্তঃনগর ট্রেনের ২৩ মে’র আসনের টিকিট বিক্রি করা হয়েছে গত ১৩ মে ও ২৪ মে’র আসনের টিকিট বিক্রি করা হয়েছে ১৪ মে। এছাড়া ২৬ মে’র আসনের টিকিট বিক্রি হবে ১৬ মে এবং ২৭ মে’র আসনের টিকিট বিক্রি হবে ১৭ মে।

রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, একজন যাত্রী ঈদ অগ্রিম যাত্রার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ একবার টিকিট কিনতে পারবেন এবং প্রতি ক্ষেত্রে সর্বাধিক চারটি টিকিট ক্রয় করতে পারবেন। ঈদ অগ্রিম যাত্রার টিকিট রিফান্ড করা যাবে না।

যাত্রীদের অনুরোধে যাত্রার দিন মোট আসনের (উচ্চ শ্রেণি ব্যতীত) ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট স্টেশন কাউন্টার থেকে বিক্রি করা হবে।

এদিকে, ঈদের চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ২৮, ২৯ ও ৩০ মে তারিখের টিকিট বিক্রি করা হবে।