খুঁজুন
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৩১ আশ্বিন, ১৪৩৩

বিএনপি বিশ্বাস করে দেশের সব ক্ষমতার উৎস জনগণ: তারেক রহমান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:৩৬ অপরাহ্ণ
বিএনপি বিশ্বাস করে দেশের সব ক্ষমতার উৎস জনগণ: তারেক রহমান

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপি বিশ্বাস করে দেশের সব ক্ষমতার উৎস জনগণ, সেই বিশ্বাস থেকেই দল রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিতে চায়।

নির্বাচনী সফরের অংশ হিসেবে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফরিদপুরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে আয়োজিত জনসভায় যোগ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে এবং ফরিদপুরে বিভাগ গঠন করলে যদি জনগণের উপকার হয় ও উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়, তাহলে ফরিদপুরকে বিভাগ করা হবে।

ফরিদপুর অঞ্চলের দীর্ঘদিনের সমস্যা নদীভাঙনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দ্রুত পদ্মা ও সংশ্লিষ্ট নদীভাঙন সমস্যার কার্যকর সমাধান করা হবে।

কৃষিখাতে পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, কৃষকদের জন্য বিশেষ কৃষক কার্ড চালু করা হবে, যার মাধ্যমে সহজে বীজ, সার ও কীটনাশক পাওয়া যাবে।

নারী ও শিশুদের বিষয়ে তিনি বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। এই জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করতে বিএনপি ফ্যামিলি কার্ড চালুর উদ্যোগ নেবে। পাশাপাশি গ্রাম ও শহরের ঘরে ঘরে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে হেলথকেয়ার কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনাও রয়েছে।

পানির সংকট নিরসনে ফরিদপুর অঞ্চলে পদ্মা ব্রিজ সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো নির্মাণের আশ্বাস দেন বিএনপি চেয়ারম্যান।

ইতিহাসের প্রসঙ্গ টেনে তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধারা দেশ স্বাধীন করেছিলেন এবং ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে স্বৈরাচার হটিয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা হয়েছে।

একটি দলকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, এক গুপ্ত দলের নেতা মা-বোনদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন। ইতিহাস সাক্ষী, ১৯৭১ সালেও তাদের ভূমিকা ছিল কলঙ্কজনক।

ভাষণে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়ন সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, কৃষি, শিল্প ও কর্মসংস্থানে সঠিক নীতি ও সুশাসন থাকলে এই অঞ্চল দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি হতে পারে।

তরুণদের উদ্দেশে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, তোমরাই আগামীর বাংলাদেশ, অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও।

তারেক রহমানের সফরকে ঘিরে জেলা শহরজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। তার এই আগমনকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও আশপাশের জেলা থেকে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ঢল নামে। জনসভাস্থল ও আশপাশের এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

জনসভা শেষে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। এদের অনেকেই বলেন, ফরিদপুরের এই জনসমাগমই প্রমাণ করে জনগণ পরিবর্তন চায়। দীর্ঘদিন পর ফরিদপুরে এমন বড় রাজনৈতিক সমাবেশ নতুন গতি এনে দিয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবে জনসভা সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে ছিল।

ওয়ার্ল্ডশেফসের সদস্যপদ পেল বাংলাদেশ কুলিনারি ফাউন্ডেশন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৫৯ অপরাহ্ণ
ওয়ার্ল্ডশেফসের সদস্যপদ পেল বাংলাদেশ কুলিনারি ফাউন্ডেশন

ওয়ার্ল্ড অ্যাসোসিয়েশন অব শেফস সোসাইটিসের (ওয়ার্ল্ডশেফস) ন্যাশনাল মেম্বারশিপ পেয়েছে বাংলাদেশ কুলিনারি ফাউন্ডেশন (বিসিএফ)। এ সদস্যপদের ফলে বাংলাদেশের শেফ ও রন্ধনশিল্পের পেশাজীবীদের আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ, প্রতিযোগিতা ও পেশাগত নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও ঢাকায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ডশেফসের সনদপ্রাপ্ত মাস্টার শেফ ও বাংলাদেশ কুলিনারি ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা নাজিম খান। এ সময় সংগঠনটির সভাপতি শহীদ শাহীন, সাধারন সম্পাদক আলমগীর চৌধুরী, সাংঠনিক সম্পাদক পারভেজ মোশারফ ও অর্থ সম্পাদক বায়েজিদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বিসিএফের প্রতিনিধিরা বলেন, ওয়ার্ল্ডশেফসের সদস্যপদ দেশের রন্ধনশিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে দেশীয় শেফদের আন্তর্জাতিক পরিসরে দক্ষতা উন্নয়ন, বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশের শেফদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ বাড়বে।

দেশের রন্ধনশিল্পের অগ্রগতি এবং শেফদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম হাতে নেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান আয়োজকেরা। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের দক্ষ রন্ধনশিল্পী তৈরি করতে কাজ করবে সংগঠনটি।

ওয়ার্ল্ডশেফস বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শেফ ও রন্ধনশিল্পের পেশাজীবীদের নিয়ে কাজ করা একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন। সংগঠনটি শেফদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি, জ্ঞান বিনিময় ও পেশাগত উন্নয়নে ভূমিকা রাখে।

অধ্যাপক পিয়াস করিমের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বিশেষ প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:০৭ অপরাহ্ণ
অধ্যাপক পিয়াস করিমের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. পিয়াস করিমের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ (১৩ অক্টোবর)। ২০১৪ সালের এই দিনে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে মারা যান তিনি।

এ উপলক্ষে পিয়াস করিমের স্মৃতি, অবদান ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে নানা উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

অধ্যাপক পিয়াস করিমের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব কে এম নাজমুল হক তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘স্যারের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। জাতীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তাঁর মরদেহ নিতে বাধা দেওয়া হয়েছিল। সত্যের পক্ষে অবিচল থাকার কারণেই তাঁকে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছিল। কত দুঃসহ স্মৃতি নিয়েই না চলে গেলেন স্যার! আপনাকে আজও মিস করি। আপনার স্মৃতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি। আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন। আমিন।’

সাংবাদিক মোহাম্মদ নাহিয়ান বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় পিয়াস করিম যে বুদ্ধিবৃত্তিক সংগ্রাম চালিয়েছিলেন, তা এই প্রজন্মের অনেকের কাছেই অজানা। তাঁর সংগ্রাম, অবদান ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে বহুমুখী উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। এ জন্য তিনি ‘পিয়াস করিম স্মৃতি সংসদ’ গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন।

অধ্যাপক ড. পিয়াস করিমের জন্ম ১৯৫৮ সালের ২৩ অক্টোবর। তাঁর গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায়। তাঁর আসল নাম ড. মঞ্জুরুল করিম। পিয়াস ছিল তাঁর ডাকনাম। পরবর্তী সময়ে এই নামেই তিনি পরিচিতি লাভ করেন।

তিনি ১৯৭৩ সালে কুমিল্লা জিলা স্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং ১৯৭৫ সালে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। ১৯৮০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে সমাজবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

রাজনৈতিক অর্থনীতি, রাজনৈতিক সমাজবিজ্ঞান, জাতীয়তাবাদ ও সামাজিক তত্ত্ব ছিল তাঁর গবেষণার প্রধান ক্ষেত্র। ২০০৭ সালে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেওয়ার আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষকতা করেন। টেলিভিশনের টক শোতে আলোচক হিসেবেও তিনি পরিচিত ছিলেন। চার বোন ও দুই ভাইয়ের মধ্যে পিয়াস করিম ছিলেন পঞ্চম। তাঁর বাবা প্রয়াত অ্যাডভোকেট এম এ করিম।

সড়ক দুর্ঘটনা, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন তানজিন তিশা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৫৯ অপরাহ্ণ
সড়ক দুর্ঘটনা, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন তানজিন তিশা

অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেলেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। একটি শোরুম উদ্বোধন করতে মানিকগঞ্জে যাচ্ছিলেন তিনি।

যাত্রাপথে সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তার গাড়ি। তবে বড় ধরনের কোনো সমস্যায় পড়তে হয়নি তাকে।

দুর্ঘটনার পর মানিকগঞ্জে না গিয়ে ঢাকায় ফিরেছেন জানান তানজিন তিশা নিজেই।

শনিবার (১০ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক পোস্টে দুর্ঘটনার বিষয়টি জানান তানজিন তিশা।

সেখানে তিনি লেখেন, ‘মানিকগঞ্জে যাওয়ার পথে বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেলাম। আলহামদুলিল্লাহ! দেখা হবে সবার সাথে, ইনশাআল্লাহ।’

তিশার এই পোস্টের পর তার ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। কীভাবে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, তা নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি অভিনেত্রী।