খুঁজুন
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৭ ভাদ্র, ১৪৩৩

বিএনপি থেকে এস এ খালেকের ছেলে সাজুকে বহিষ্কার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৫৩ অপরাহ্ণ
বিএনপি থেকে এস এ খালেকের ছেলে সাজুকে বহিষ্কার

বিএনপি থেকে এস এ খালেকের ছেলে সাজুকে বহিষ্কার

সম্প্রতি দারুসসালাম থানা বিএনপির আহ্বায়ক এসএ সিদ্দিক সাজুকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছিল বিএনপি। সেসময় তার বিরুদ্ধে দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডসহ দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করার অভিযোগ দেখানো হয়েছিল।

এবার তাকে দল থেকে বহিষ্কার করলো বিএনপি। এসএ সিদ্দিক সাজু সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত এসএ খালেকের ছেলে।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন মহাসচিব সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সংগঠন বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় দারুসসালাম থানা বিএনপির আহ্বায়ক এসএ সিদ্দিক সাজুকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হলো।

এর আগে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এবিএমএ রাজ্জাক স্বাক্ষরিত কারণ দর্শানোর নোটিশে বলা হয়েছিল, আপনার বিরুদ্ধে দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডসহ দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে কাজ করার সুস্পষ্ট অভিযোগ রয়েছে। সুতরাং আপনার বিরুদ্ধে কেন সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তার যথাযথ কারণ দর্শিয়ে আগামী তিন দিনের মধ্যে একটি লিখিত জবাব নয়াপল্টনস্থ ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির কার্যালয়ে জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। বিষয়টি অতীব জরুরি।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী করেছে ‘মায়ের ডাক’ নামে সংগঠনের সানজিদা ইসলাম তুলিকে। কিন্তু এই আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন এসএ সিদ্দিক সাজু। মনোনয়ন না পাওয়ার পর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ওই আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছেন তিনি।

বলে রাখা যায়, এসএ সিদ্দিক সাজুর বাবা এস এ খালেক অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের ডেপুটি মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে বিএনপিতে যোগ দিয়ে ১৯৭৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তৎকালীন ঢাকা-১৪ আসন থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৮৬ সালে ৭ মে অনুষ্ঠিত তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও ১৯৮৮ সালের ৩ মার্চ অনুষ্ঠিত চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি জাতীয় পার্টির মনোনয়নে ঢাকা-১১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ষষ্ঠ জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে তিনি পুনরায় বিএনপিতে ফিরে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

সবশেষ ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১১ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৪ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নে অংশ নিয়ে পরাজিত হন।

প্রথমবার মিউজিক ভিডিওতে সেই এডলফ খান, প্রকাশ্যে এলো ভিডিও

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২৪ পূর্বাহ্ণ
প্রথমবার মিউজিক ভিডিওতে সেই এডলফ খান, প্রকাশ্যে এলো ভিডিও

দেশের কোরিওগ্রাফি অঙ্গনে পরিচিত নাম এডলফ খান। দীর্ঘদিন কোরিওগ্রাফার হিসেবে কাজ করার পর এবার ক্যামেরার সামনে নিজের উপস্থিতি জানান দিচ্ছেন তিনি। প্রথমবারের মতো মিউজিক ভিডিওতে কাজ করেছেন এই কোরিওগ্রাফার। মিউজিক ভিডিওটির গানের শিরোনাম ‘আমি তো সবই জানি’।

প্রায় দুই মাস পর ক্যামেরার সামনে এসে নিজের নতুন কাজের ট্রেলার প্রকাশ করেন এডলফ খান। ট্রেলার প্রকাশের পরদিনই ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি দেওয়া হয় পুরো গানটি। প্রথম মিউজিক ভিডিও হওয়ায় কাজটি নিয়ে এডলফ খানের ভক্তদের মধ্যেও তৈরি হয়েছে আগ্রহ।

‘আমি তো সবই জানি’ মিউজিক ভিডিওতে এডলফ খানের সঙ্গে রয়েছেন এই গানের গায়ক ও নির্মাতা প্রিন্স খান ও শায়ন্তা। গানটির পোস্টার প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এটি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। মিউজিক ভিডিওটি সুর চান্দা পেজেন্টস-এর ব্যানারে নির্মিত হয়েছে।

তবে মিউজিক ভিডিওর পাশাপাশি এডলফ খানের অভিনয় ক্যারিয়ারে যুক্ত হয়েছে আরও বড় খবর। ইতোমধ্যে তিনি নাম লিখিয়েছেন ‘গুলশানের চামেলী’ সিনেমায়।

সিনেমাটিতে এডলফ খানকে গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে দেখা যাবে। গত ১ আগস্ট রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে অনুষ্ঠিত সিনেমাটির মহরতে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর নাম ঘোষণা করা হয়। নির্মাতা মো. ইকবালের এই সিনেমায় এডলফ খানকে একজন দালালের চরিত্রে দেখা যাবে বলে জানা গেছে।

ইআ

সংসদের তৃতীয় অধিবেশন সমাপ্ত, ৬ বিল পাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ
সংসদের তৃতীয় অধিবেশন সমাপ্ত, ৬ বিল পাস

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শেষ হয়েছে। এই অধিবেশনে ৯টি বৈঠকে ছয়টি বিল পাস হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম অধিবেশন সমাপনী সংক্রান্ত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ঘোষণা পাঠের মাধ্যমে তৃতীয় অধিবেশনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

গত ২৭ আগস্ট তৃতীয় অধিবেশন শুরু হয়। ২৭ আগস্ট থেকে ৯ কার্যদিবস অধিবেশন চলার পর আজ ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শেষ হলো। এই অধিবেশনে মোট ৬টি বিল উপস্থাপিত হয় এবং ৬টি বিল পাস হয়েছে।

আইন প্রণয়ন-সংক্রান্ত কার্যক্রমের পাশাপাশি এ অধিবেশনে ৩টি বিশেষ কমিটিসহ ৪৮টির অধিক সংসদীয় কমিটি গঠন ও পুনর্গঠন করা হয়েছে। সংসদীয় কার্যপ্রণালির বিভিন্ন বিধির আওতায় সদস্যগণ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে নোটিশ প্রদান করেছেন। ৬৮ বিধিতে ৭টি নোটিশ পাওয়া যায়, যার মধ্যে ২টি নোটিশ গৃহীত ও আলোচিত হয়েছে। ৭১ বিধিতে ১৫টি নোটিশ গৃহীত হয় এবং এর মধ্যে ১৪টি নোটিশের ওপর আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৭১ক বিধিতে দুই মিনিটের বক্তব্য প্রদানের জন্য ১২৪টি নোটিশ পাওয়া যায়। এছাড়া, ১৪৭ বিধিতে ২টি নোটিশ পাওয়া যায়, যার মধ্যে ১টি নোটিশের ওপর আলোচনা হয়েছে এবং ৩০২ বিধিতে ১টি নোটিশ উত্থাপিত হয়েছে।

অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর উত্তরদানের জন্য সংসদ সদস্যগণ সর্বমোট ১৪৪টি প্রশ্নের নোটিশ দেন। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী ১৫টি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের উত্তরদানের জন্য মোট ২ হাজার ৬৭৬টি প্রশ্নের নোটিশ পাওয়া যায়। এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রিগণ এ অধিবেশনে মোট ১ হাজার ৬৭৮টি প্রশ্নের উত্তর দেন।

জাদু দেখাতে জাপান যাচ্ছেন আলীরাজ, থাকছে মাসব্যাপী একক প্রদর্শনী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩০ অপরাহ্ণ
জাদু দেখাতে জাপান যাচ্ছেন আলীরাজ, থাকছে মাসব্যাপী একক প্রদর্শনী

বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের জাদুশিল্পকে নতুন উচ্চতায় তুলে ধরার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন জাদুকর আলীরাজ। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে ইতোমধ্যে ইউরোপ, আমেরিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশে জাদু প্রদর্শন করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন তিনি।

এবার আন্তর্জাতিক একটি সংস্থার আমন্ত্রণে মাসব্যাপী একক জাদু প্রদর্শনীতে অংশ নিতে জাপানে যাচ্ছেন আলীরাজ। সূর্যোদয়ের দেশটির বিভিন্ন মঞ্চে নিজের উদ্ভাবনী জাদু পরিবেশনার মাধ্যমে দর্শকদের মুগ্ধ করবেন এই বাংলাদেশি জাদুশিল্পী।

দেশের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন উৎসব ও আয়োজনে নিয়মিত পারফর্ম করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন আলীরাজ। এরই মধ্যে ইউরোপ, আমেরিকা ও এশিয়ার প্রায় ১৯টি দেশে একক জাদু প্রদর্শনী করেছেন তিনি।

আন্তর্জাতিক দর্শকদের সামনে বিদেশের মাটিতে টানা ৪২৫টি বাণিজ্যিক শো সম্পন্ন করার কৃতিত্বও রয়েছে তার ঝুলিতে। ভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতির দর্শকদের সামনে জাদুর মাধ্যমে বাংলাদেশের শিল্প, সংস্কৃতি ও সৃজনশীলতাকে তুলে ধরাই তার অন্যতম লক্ষ্য।

নিজস্ব উদ্ভাবনী কৌশল, আধুনিক পরিবেশনা ও নান্দনিক উপস্থাপনার মাধ্যমে প্রতিবারই দর্শকদের জন্য ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা তৈরি করেন আলীরাজ। সেই ধারাবাহিকতায় এবার জাপানে মাসব্যাপী একক প্রদর্শনীর জন্য একমাত্র মনোনীত শিল্পী হিসেবে আমন্ত্রণ পেয়েছেন তিনি।

জাপানের মঞ্চে এই দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশনা শুধু ব্যক্তিগত অর্জনই নয়, বরং আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের জাদুশিল্পকে তুলে ধরার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন আলীরাজ।