খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২৬ ভাদ্র, ১৪৩৩

ইসলামের দৃষ্টিতে ভূমিকম্পের কারণ এবং করণীয়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৫, ৮:৫৮ অপরাহ্ণ
ইসলামের দৃষ্টিতে ভূমিকম্পের কারণ এবং করণীয়

বিভিন্ন সময় পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে ভূমিকম্প হয়। কোথাও তীব্রতা বেশি, কোথাও কম। তবে যেমনই হোক, ভূমিকম্প হলো মানুষের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে সতর্কবার্তা। যেন মানুষ তাওবা করে মহান আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করে। নিজেদের আচার-আচরণ শুধরে নেয়। সার্বিক নিরাপত্তার জন্য দোয়া করে। আল্লাহকে অনেক বেশি স্মরণ করে এবং তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে।

ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী ভূমিকম্প হওয়ার কারণ

প্রাকৃতিক নানা বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ মানুষের অপকর্ম। এগুলোর পথ ধরেই মানুষ কিয়ামতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এ প্রসঙ্গে সতর্ক করে প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেন, ‘যখন অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জিত হবে। কাউকে বিশ্বাস করে সম্পদ গচ্ছিত রাখা হবে, কিন্তু তা আত্মসাত করা হবে (অর্থাৎ যার সম্পদ সে আর ফেরত পাবে না)। জাকাতকে দেখা হবে জরিমানা হিসেবে। ধর্মীয় শিক্ষা ছাড়া বিদ্যা অর্জন করা হবে, একজন পুরুষ তার স্ত্রীর বাধ্যগত হয়ে মায়ের সঙ্গে বিরূপ আচরণ করবে। বন্ধুকে কাছে টেনে নেবে আর পিতাকে দূরে সরিয়ে দেবে। মসজিদে উচ্চস্বরে শোরগোল (কথাবার্ত) হবে। যখন সবচেয়ে দুর্বল ব্যক্তিটি সমাজের শাসক রূপে আবির্ভূত হবে। সে সময় তোমরা অপেক্ষা করো- রক্তিম বর্ণের ঝড়ের (এসিড বৃষ্টি), ভূকম্পনের, ভূমিধসের, রূপ বিকৃতির (লিঙ্গ পরিবর্তন), পাথর বৃষ্টির এবং সুতো ছেঁড়া (তাসবিহ) দানার ন্যায় একটির পর একটি নিদর্শনগুলোর জন্য।’ (তিরমিজি, হাদিস নং : ১৪৪৭)

আল্লামা ইবনু কাইয়িম (রহ.) বলেন, মহান আল্লাহ মাঝে মাঝে পৃথিবীকে জীবন্ত হয়ে ওঠার অনুমতি দেন। ফলে বড় ধরনের ভূমিকম্প অনুভূত হয়। তখন এই ভূমিকম্প মানুষকে ভীত করে। তারা মহান আল্লাহর নিকট তাওবা করে, পাপ কর্ম ছেড়ে দেয়, আল্লাহর প্রতি ধাবিত হয় এবং তাদের কৃত পাপ কর্মের জন্য অনুতপ্ত হয়ে মোনাজাত করে। আগেকার যুগে যখন ভূমিকম্প হতো, তখন সঠিক পথে পরিচালিত সৎকর্মশীল লোকেরা বলতো, ‘মহান আল্লাহ আমাদেরকে সতর্ক করেছেন।’

ভূমিকম্প বিষয়ে পবিত্র কোরআনের ‘যিলযাল’ নামে স্বতন্ত্র একটি সুরা নাযিল করা হয়েছে। মানুষ শুধু কোনো ঘটনার কারণ সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হয় এবং ভূতত্ত্ববিজ্ঞানও এই কার্যকারণ সম্পর্কেই আলোচনা করে থাকে।

ভূতত্ত্ববিজ্ঞান বলে, ভূ-অভ্যন্তরে শিলায় পীড়নের জন্য যে শক্তির সঞ্চয় ঘটে, সেই শক্তির হঠাৎ মুক্তি ঘটলে ভূপৃষ্ঠ ক্ষণিকের জন্য কেঁপে ওঠে এবং ভূত্বকের কিছু অংশ আন্দোলিত হয়। এমন আকস্মিক ও ক্ষণস্থায়ী কম্পনকে ভূমিকম্প (Earthquake) বলে। সাধারণত তিনটি কারণে ভূমিকম্পের উত্পত্তি হয়ে থাকে—ভূপৃষ্ঠজনিত, আগ্নেয়গিরিজনিত ও শিলাচ্যুতিজনিত কারণে ভূমিকম্প হয়।

মহান আল্লাহ বলেন, ‘আমি ভয় দেখানোর জন্যই (তাদের কাছে আজাবের) নিদর্শনগুলো পাঠাই।’ (সুরা বনি ইসরাইল, আয়াত নং : ৫৯)। আল্লাহ তায়ালা আরও বলেন, “বলে দাও, ‘আল্লাহ তোমাদের ওপর থেকে অথবা তোমাদের পায়ের নিচ থেকে আজাব পাঠাতে সক্ষম।’ (সুরা আনআম, আয়াত নং : ৬৫)

বুখারি শরিফে আছে, জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘যখন তোমাদের পায়ের নিচ থেকে আজাব পাঠাতে সক্ষম’ আয়াতটি নাজিল হলো, তখন রাসুল (সা.) বললেন, ‘হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।’ ”(বুখারি)

শায়খ ইস্পাহানি (রহ.) এই আয়াতের তাফসির করে বলেন, ‘এর ব্যাখ্যা হলো, ভূমিকম্প ও ভূমিধসের মাধ্যমে পৃথিবীর অভ্যন্তরে ঢুকে যাওয়া (পৃথিবীতে ভূমিকম্প হওয়া)।’

ভূমিকম্প কেয়ামতের একটি আলামত

রাসুল (সা.) বলেছেন, যে পর্যন্ত না ইলম উঠিয়ে নেওয়া হবে, অধিক পরিমাণে ভূমিকম্প হবে, সময় সংকুচিত হয়ে আসবে, ফিতনা প্রকাশ পাবে এবং খুনখারাবি বাড়বে, তোমাদের সম্পদ এতো বাড়বে যে, উপচে পড়বে। (বোখারি, হাদিস নং : ৯৭৯)

বর্তমানে যেসব ভূমিকম্প ঘটছে, তা মহান আল্লাহর প্রেরিত সতর্ককারী নিদর্শনগুলোর একটি। এগুলো দিয়ে তিনি তার বান্দাদের সাবধান করে থাকেন। কার্যত এগুলো মানুষের পাপ ও অপরাধের ফল। আল্লাহ বলেন, ‘যে বিপদ-আপদই তোমাদের ওপর আসুক না কেন, তা হচ্ছে তোমাদের নিজেদের হাতের কামাই। আর আল্লাহ তোমাদের অনেক (অপরাধ) ক্ষমা করে দেন।’ (সুরা শুরা : ৩০)

ভূমিকম্প হলে কী করণীয়?

প্রত্যেক মুসলমানের খুবই আন্তরিকভাবে মহান আল্লাহর কাছে তাওবা করা উচিত। মহান আল্লাহ বলেন, ‘যদি জনপদের মানুষগুলো ঈমান আনতো এবং (আল্লাহকে) ভয় করতো, তাহলে আমি তাদের ওপর আসমান-জমিনের যাবতীয় বরকতের দুয়ার খুলে দিতাম, কিন্তু তারা (আমার নবীকেই) মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে। সুতরাং তাদের কৃতকর্মের জন্য আমি তাদের পাকড়াও করলাম।’ (সুরা আরাফ : ৯৬)

তাই যখন কোথাও ভূমিকম্প হয় অথবা সূর্যগ্রহণ কিংবা ঝোড়ো বাতাস বা বন্যা হয়, তখন সবার উচিত মহান আল্লাহর কাছে অতি দ্রুত তাওবা করা। তার কাছে নিরাপত্তার জন্য দোয়া করা। মহান আল্লাহকে বেশি পরিমাণে স্মরণ করা এবং ক্ষমা প্রার্থনা করা।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবল থেকে মুক্তির জন্য দরিদ্র ও মিসকিনদের প্রতি দয়া প্রদর্শন করা এবং তাদের দান করাও উচিত। কেননা রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘দয়া প্রদর্শন করো, তোমার প্রতি দয়া প্রদর্শন করা হবে।’ (মুসনাদে আহমদ)

ইতিহাসে আছে, ভূমিকম্প হলে উমর ইবনে আবদুল আজিজ (রহ.) তার গভর্নরদের দান-সদকা করার প্রতি জোর দিয়ে চিঠি লিখতেন। আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে, যা মানুষকে বিপর্যয় (আজাব) থেকে নিরাপদ রাখে। আর তা হলো, যথাসাধ্য সমাজে প্রচলিত জিনা-ব্যভিচার, অন্যায়-অবিচার রোধ করা। হাদিস শরিফে এসেছে, সমাজে ব্যভিচার বেড়ে গেলে ভূমিকম্প হয়।

বলা যায়, ধেয়ে আসছে আরও ভয়াবহ ভূমিকম্প। তাই কালক্ষেপন না করে নিজেদের শুধরে নেওয়া উচিত। আল্লাহ তায়ালা তার বান্দাদের রক্ষা করুন এবং নিরাপদ রাখুন।

জাদু দেখাতে জাপান যাচ্ছেন আলীরাজ, থাকছে মাসব্যাপী একক প্রদর্শনী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩০ অপরাহ্ণ
জাদু দেখাতে জাপান যাচ্ছেন আলীরাজ, থাকছে মাসব্যাপী একক প্রদর্শনী

বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের জাদুশিল্পকে নতুন উচ্চতায় তুলে ধরার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন জাদুকর আলীরাজ। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে ইতোমধ্যে ইউরোপ, আমেরিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশে জাদু প্রদর্শন করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন তিনি।

এবার আন্তর্জাতিক একটি সংস্থার আমন্ত্রণে মাসব্যাপী একক জাদু প্রদর্শনীতে অংশ নিতে জাপানে যাচ্ছেন আলীরাজ। সূর্যোদয়ের দেশটির বিভিন্ন মঞ্চে নিজের উদ্ভাবনী জাদু পরিবেশনার মাধ্যমে দর্শকদের মুগ্ধ করবেন এই বাংলাদেশি জাদুশিল্পী।

দেশের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন উৎসব ও আয়োজনে নিয়মিত পারফর্ম করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন আলীরাজ। এরই মধ্যে ইউরোপ, আমেরিকা ও এশিয়ার প্রায় ১৯টি দেশে একক জাদু প্রদর্শনী করেছেন তিনি।

আন্তর্জাতিক দর্শকদের সামনে বিদেশের মাটিতে টানা ৪২৫টি বাণিজ্যিক শো সম্পন্ন করার কৃতিত্বও রয়েছে তার ঝুলিতে। ভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতির দর্শকদের সামনে জাদুর মাধ্যমে বাংলাদেশের শিল্প, সংস্কৃতি ও সৃজনশীলতাকে তুলে ধরাই তার অন্যতম লক্ষ্য।

নিজস্ব উদ্ভাবনী কৌশল, আধুনিক পরিবেশনা ও নান্দনিক উপস্থাপনার মাধ্যমে প্রতিবারই দর্শকদের জন্য ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা তৈরি করেন আলীরাজ। সেই ধারাবাহিকতায় এবার জাপানে মাসব্যাপী একক প্রদর্শনীর জন্য একমাত্র মনোনীত শিল্পী হিসেবে আমন্ত্রণ পেয়েছেন তিনি।

জাপানের মঞ্চে এই দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশনা শুধু ব্যক্তিগত অর্জনই নয়, বরং আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের জাদুশিল্পকে তুলে ধরার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন আলীরাজ।

বাঁধনের সঙ্গে যা হয়েছে তা অমার্জনীয় ও নিন্দনীয়: ডেপুটি স্পিকার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:০৪ অপরাহ্ণ
বাঁধনের সঙ্গে যা হয়েছে তা অমার্জনীয় ও নিন্দনীয়: ডেপুটি স্পিকার

বাঁধনের সঙ্গে যা হয়েছে তা অমার্জনীয় ও নিন্দনীয় : ডেপুটি স্পিকার

ইতালির ভেনিসে ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত চিত্রনায়িকা আজমেরী হক বাঁধনের ওপর যে হামলার ঘটনা ঘটেছে তা অমার্জনীয় ও নিন্দনীয় অপরাধ বলে মন্তব্য করেছেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে এক নোটিশের আলোচনার ফাঁকে এ মন্তব্য করেন তিনি। এ সময় ডেপুটি স্পিকার বলেন, এই ঘটনায় নির্মমতার চরম বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।

এ ছাড়াও বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় এদিন সংসদে প্রতিবাদ জানানো হয়।

একটি চলচ্চিত্র উৎসবে যোগ দিতে সপরিবারে ইতালিতে গিয়েছেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। ইতালির একটি পার্কে ঘোরাফেরার সময় তার ওপর ‘আওয়ামী লীগ সমর্থক’ একজন প্রবাসী হামলা চালায়। তারা বাঁধনকে শারীরিকভাবে আঘাত করে, তার গায়ে ডিম, পানি ও কোমল পানীয় নিক্ষেপ করে। একপর্যায়ে বাঁধনকে জয় বাংলা স্লোগান দিতে বাধ্য করা হয় বলে লাইভে জানান তিনি।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লাইভে এসে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন হামলা ও হেনস্তার শিকার হওয়ার অভিযোগ করেন।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলেন আজমেরী হক বাঁধন। সেই প্রেক্ষাপটেই ভেনিসে তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সহশিল্পী ও সাধারণ নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

অভিনেত্রী বাঁধনের পাশে পরীমণি, ইতালির ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪০ পূর্বাহ্ণ
অভিনেত্রী বাঁধনের পাশে পরীমণি, ইতালির ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ

ইতালিতে বাংলাদেশের অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও হেনস্তা করার ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া ও চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ঢালিউডের আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমণি।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বাঁধনের ওপর হামলার সংবাদের ভিডিও শেয়ার করে এক স্ট্যাটাসে এই ক্ষোভ উগরে দেন তিনি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিও শেয়ার করে ক্যাপশনে পরীমণি লেখেন, ‘‘বেশি কিছু না। কতগুলা কুত্তার বাচ্চা রাস্তায় ঘেউ ঘেউ করছে।
এদের কাছে মানুষের বাচ্চার কান্না কিছুই ম‍্যাটার করে না। করেও নাই।’’

পরীমণির এই বার্তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। নেটিজেন এবং তার ভক্ত-অনুরাগীরাও তার এই ক্ষুব্ধ বার্তার সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে নারী শিল্পীর প্রতি এ ধরনের সহিংসতার বিরুদ্ধে কড়া প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।

উল্লেখ্য, ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে ইতালিতে অবস্থানকালে সম্প্রতি একটি পার্কে পরিজনদের সামনেই একদল ব্যক্তি আজমেরী হক বাঁধনের ওপর আক্রমণ করে, তার ওপর কোল্ড ড্রিংকস ও ডিম ছুড়ে মারে এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। ঘটনাটি নিয়ে দেশজুড়ে ইতোমধ্যে বিনোদন ও রাজনীতি অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া ও নিন্দার ঝড় বইছে।