খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৩ ভাদ্র, ১৪৩৩

বিএনপির বিজয়: পরিবর্তনের পক্ষে জনগণের স্পষ্ট রায়

মোহাম্মদ নাহিয়ান
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:২৩ পূর্বাহ্ণ
বিএনপির বিজয়: পরিবর্তনের পক্ষে জনগণের স্পষ্ট রায়

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ব্যাপক বিজয় দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এই ফলাফল কেবল একটি নির্বাচনী সাফল্য নয়; বরং এটি জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা, রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষার সুস্পষ্ট প্রতিফলন। বিএনপির এই জয়ের পেছনে একাধিক ইতিবাচক ও বাস্তব কারণ রয়েছে, যা গভীরভাবে বিশ্লেষণের দাবি রাখে।

প্রথমত, জনগণের পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা ছিল এই নির্বাচনের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। দীর্ঘ সময় ধরে দেশের মানুষ কার্যকর গণতন্ত্র, জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা এবং ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে উদ্বিগ্ন ছিল। বিএনপি তাদের রাজনৈতিক বক্তব্যে এসব বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়ে জনগণের কণ্ঠস্বরকে প্রতিনিধিত্ব করেছে। ফলে ভোটারদের একটি বড় অংশ দলটির প্রতি আস্থা প্রকাশ করেছে।

দ্বিতীয়ত, দলীয় সংগঠনের পুনর্গঠন ও তৃণমূলের সক্রিয়তা বিএনপির সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। অতীত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে দলটি তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক শক্তি জোরদার করে। স্থানীয় নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততা, ধারাবাহিক রাজনৈতিক কর্মসূচি এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বিএনপিকে মাঠের রাজনীতিতে শক্ত অবস্থানে নিয়ে আসে।

তৃতীয়ত, নেতৃত্বের ধৈর্যশীল ও কৌশলগত ভূমিকা দলের গ্রহণযোগ্যতা বাড়িয়েছে। সংঘাতমুখী রাজনীতির পরিবর্তে বিএনপি তুলনামূলকভাবে সংলাপ, রাজনৈতিক সহনশীলতা এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আস্থার বার্তা দিয়েছে। এই পরিমিত ও দায়িত্বশীল অবস্থান সচেতন ভোটারদের আস্থা অর্জনে সহায়ক হয়েছে।

চতুর্থত, তরুণ ও নতুন ভোটারদের সমর্থন বিএনপির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। কর্মসংস্থান, শিক্ষা, প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি এবং ভবিষ্যৎমুখী রাষ্ট্রব্যবস্থার কথা বিএনপি তাদের নির্বাচনী বক্তব্যে গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরে। দেশের বড় একটি তরুণ জনগোষ্ঠী এই বার্তার সঙ্গে নিজেদের ভবিষ্যৎ যুক্ত করতে পেরেছে, যা ভোটের ফলাফলে স্পষ্ট প্রভাব ফেলেছে।

পঞ্চমত, নির্বাচনী পরিবেশ তুলনামূলক শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল হওয়া জনমতের প্রকৃত প্রতিফলন ঘটাতে সহায়তা করেছে। ভোটাররা বাধাহীনভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাওয়ায় জনগণের প্রকৃত পছন্দ ব্যালট বাক্সে প্রতিফলিত হয়েছে। এতে বিএনপির প্রতি বিদ্যমান জনসমর্থন আরও স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে।

ষষ্ঠত, ইতিবাচক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনৈতিক বার্তা বিএনপির প্রতি আস্থা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। নির্বাচনের পর দলের নেতারা প্রতিশোধের রাজনীতির পরিবর্তে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশ গঠনের অঙ্গীকার করেছেন। এই সহনশীল ও ঐক্যমুখী দৃষ্টিভঙ্গি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রত্যাশী জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে, বিএনপির সামনে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো জনগণের প্রত্যাশার প্রতি দায়িত্বশীল থাকা। নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে আস্থার জায়গাটিকে সুদৃঢ় করতে হবে। বিশেষ করে আইনের শাসন, প্রশাসনিক সংস্কার, দুর্নীতি দমন এবং স্বাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। জনগণ যে পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছে, তার বাস্তব প্রতিফলন শাসনকার্যে দৃশ্যমান না হলে এই সমর্থন দীর্ঘস্থায়ী হবে না।

এ ছাড়া অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা প্রদর্শন করা বিএনপির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলা এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি জোরদার করা- এসব বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ জনগণের জীবনযাত্রায় সরাসরি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে পারলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাও আরও শক্ত ভিত্তি পাবে।

বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিগুলোর প্রতি সহনশীল আচরণ এবং সংসদকে কার্যকর গণতান্ত্রিক মঞ্চ হিসেবে গড়ে তোলাও এই সময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যাশা। শক্তিশালী ও কার্যকর বিরোধীদল গণতন্ত্রের অপরিহার্য অংশ। বিএনপি যদি ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকে এবং সংসদীয় গণতন্ত্রকে কার্যকর করে তোলে, তবে তা দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও এই নির্বাচনের তাৎপর্য রয়েছে। একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ও জনগণের রায়ে গঠিত সরকার হিসেবে বিএনপি যদি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে, তবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হতে পারে। বাণিজ্য, উন্নয়ন সহযোগিতা এবং কূটনৈতিক ক্ষেত্রে এটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

বিএনপির এই বিজয় কেবল একটি দলীয় সাফল্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি জনগণের আশা, প্রত্যাশা ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার বহিঃপ্রকাশ। এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো- এই জনসমর্থনকে কীভাবে কার্যকর সুশাসন, টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং গণতন্ত্র সুদৃঢ় করার কাজে রূপান্তর করা যায়। তা করতে পারলে এই নির্বাচন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি ইতিবাচক ও স্মরণীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে স্থান করে নেবে।

লেখক: মোহাম্মদ নাহিয়ান
সাংবাদিক

নারী চালক-কন্ডাক্টর দিয়ে চলবে ‘পিংক বাস’, যেসব রুটে যাবে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ১:১৪ অপরাহ্ণ
নারী চালক-কন্ডাক্টর দিয়ে চলবে ‘পিংক বাস’, যেসব রুটে যাবে

রাজধানীর সড়কে নারীদের যাতায়াত নিরাপদ ও আরামদায়ক করতে পৃথক বাস সার্ভিস চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি)। নারী চালক ও কন্ডাক্টর দিয়ে পরিচালিত এ ‘পিংক বাস’ সেবা মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) চালু হবে।

বিআরটিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মোস্তাকিম ভূঞার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ সার্ভিস চালু করা হচ্ছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। ‘মহিলা বাস সার্ভিস পরিচালনা’ কার্যক্রমের উদ্বোধন মঙ্গলবার সকাল ১০টায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিআরটিসির ঢাকা ট্রাক ডিপো প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে।’

বিআরটিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মোস্তাকিম ভূঞা জানান, নারীদের জন্য চালু হতে যাওয়া বিশেষ এই বাস সার্ভিসে চালক ও কন্ডাক্টর হিসেবে নারী কর্মীরাই দায়িত্ব পালন করবেন।

প্রাথমিকভাবে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রুটে ১০টি বাস চলাচল করবে। একই সঙ্গে বগুড়ায় দুটি এবং চট্টগ্রামে দুটি বাসসহ ঢাকার বাইরে আরো চারটি বাস এ সেবায় যুক্ত হবে।

যেসব রুটে চলবে বাস

আরটিসি সূত্র জানায়, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন এলাকা সংযুক্ত করে এসব বাসের রুট নির্ধারণ করা হয়েছে। মতিঝিল বাস ডিপোর অধীনে নতুন বাজার (কোকাকোলা)-মতিঝিল এবং তালতলা-মতিঝিল রুটে বাস চলবে।

নতুন বাজার (কোকাকোলা)-মতিঝিল রুটে কোকাকোলা, নতুন বাজার, উত্তর বাড্ডা, মধ্য বাড্ডা, মেরুল বাড্ডা, রামপুরা, আবুল হোটেল, মালিবাগ, কাকরাইল, পল্টন ও গুলিস্তান হয়ে মতিঝিলে যাবে বাস।

তালতলা-মতিঝিল রুটে তালতলা, খিলগাঁও রেলগেট, বাসাবো, বৌদ্ধমন্দির, মুগদা, কমলাপুর রেলস্টেশন, আরামবাগ, শাপলা চত্বর ও সচিবালয় হয়ে মতিঝিলে চলাচল করবে বাস।

যাত্রাবাড়ী বাস ডিপোর অধীনে ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার-জিপিও রুটে চলবে একটি বাস। এ পথে ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার, বাঁশের পুল, কাজলা, যাত্রাবাড়ী, জনপথ মোড়, গুলিস্তান, পল্টন, সচিবালয় ও মৎস্য ভবন হয়ে জিপিও পর্যন্ত যাবে।

কল্যাণপুর বাস ডিপোর অধীনে মিরপুর-১০-মতিঝিল রুটে বাস চলবে।
এ রুটে মিরপুর-১০, টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, শ্যামলী, আসাদগেট, কলাবাগান, শাহবাগ ও পল্টন হয়ে মতিঝিলে যাবে বাস।

এ ছাড়া মিরপুর বাস ডিপোর অধীনে মিরপুর-মতিঝিল এবং মিরপুর-১২-মতিঝিল রুটে বাস চলাচল করবে। মিরপুর-মতিঝিল রুটে মিরপুর-১২, মিরপুর-১০, মিরপুর-১, টেকনিক্যাল, শ্যামলী, ফার্মগেট, শাহবাগ, গুলিস্তান হয়ে মতিঝিল এবং মিরপুর-১২-মতিঝিল রুটে মিরপুর-১২, মিরপুর-১১, মিরপুর-১০, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, ফার্মগেট, শাহবাগ, প্রেস ক্লাব, গুলিস্তান হয়ে মতিঝিলে যাবে বাস।

মোহাম্মদপুর বাস ডিপোর অধীনে মোহাম্মদপুর-মতিঝিল রুটেও চলবে বিশেষ বাস। এ পথে মোহাম্মদপুর, শংকর, ধানমণ্ডি-১৫, সিটি কলেজ, নিউ মার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড, শাহবাগ ও পল্টন হয়ে মতিঝিলে চলাচল করবে।

জোয়ারসাহারা বাস ডিপোর অধীনে আব্দুল্লাহপুর-মতিঝিল রুটে চলবে বাস। এ রুটে আব্দুল্লাহপুর, বিমানবন্দর, খিলক্ষেত, বিশ্বরোড, কুড়িল, বনানী, মহাখালী, ফার্মগেট, শাহবাগ, প্রেস ক্লাব ও গুলিস্তান হয়ে মতিঝিলে যাবে।

গাজীপুর বাস ডিপোর অধীনে গাজীপুর-বিমানবন্দর রুটেও বিশেষ বাস চলবে। গাজীপুর, শিববাড়ী, গাজীপুর চৌরাস্তা, মালেকের বাড়ি, বোর্ডবাজার, গাজীপুরা, কলেজগেট, স্টেশন রোড, আব্দুল্লাহপুর ও আশপুর হয়ে বিমানবন্দর পর্যন্ত চলাচল করবে বাস।

রাজধানীর বাইরে বগুড়ায় শেরপুর-মাটিডালি রুটে দুটি এবং চট্টগ্রামে কালুরঘাট-পতেঙ্গা রুটে দুটি বাস চলবে। চট্টগ্রামের বাসগুলো কালুরঘাট, কাপ্তাই রাস্তার মাথা, বহদ্দারহাট, মুরাদপুর, ২ নম্বর গেট, জিইসি মোড়, লালখান বাজার।

অস্ট্রেলিয়াকে তাদের মাটিতে হারানোই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জয়: মাশরাফি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১:১১ অপরাহ্ণ
অস্ট্রেলিয়াকে তাদের মাটিতে হারানোই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জয়: মাশরাফি

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়কে দেশের ক্রিকেটের বড় অর্জন হিসেবে দেখছেন সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা।

ডারউইনে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তিনি।

মাশরাফি লিখেছেন, ‘পুরো শক্তির অস্ট্রেলিয়াকে তাদের নিজেদের মাটিতে হারানো, আমার দেখা টেস্ট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জয়।’

অভিনেত্রী রিধিকার মৃ ত্যু র ঘটনায় প্রেমিক গ্রে প্তা র

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৩ অপরাহ্ণ
অভিনেত্রী রিধিকার মৃ ত্যু র ঘটনায় প্রেমিক গ্রে প্তা র

রাজধানীর ভাটারা থানা এলাকায় অভিনেত্রী ও মডেল রিধিকা রিধির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা হয়েছে। মামলায় তার প্রেমিক হাসিবুর রহমানকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় হাসিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে ডিএমপির ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাজহারুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।

ওসি বলেন, অভিনেত্রী রিধিকা রিধির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তার মা বাদী হয়ে শনিবার আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলাটি করেন। মামলায় একমাত্র আসামি করা হয়েছে রিধির প্রেমিক হাসিবুর রহমানকে। তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।

পুলিশ জানায়, শনিবার ভোরে ভাটারা থানা এলাকার একটি বাসা থেকে রিধিকার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃত্যুর আগে তিনি প্রেমিক হাসিবুর রহমানের সঙ্গে ভিডিও কলে ছিলেন। ওই সময় তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি ও ঝগড়া হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

পরে রিধিকার মরদেহ উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, এটি আত্মহত্যার ঘটনা। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও ঘটনার পেছনের বিষয়গুলো জানতে তদন্ত চলছে।

মডেলিংয়ের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি নাটকেও অভিনয় করেছেন রিধিকা রিধি। তার অভিনীত নাটকের মধ্যে ‘এখানে মানুষ বিক্রি হয়’, ‘বহুরূপী’, ‘ডাবল হানিমুন’ ও ‘সুন্দরী’ উল্লেখযোগ্য।