খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭ আশ্বিন, ১৪৩৩

‘একটা নতুন জীবন শুরু করতে চাই’, বিদায়ী বার্তায় রাকিব

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫২ পূর্বাহ্ণ
‘একটা নতুন জীবন শুরু করতে চাই’, বিদায়ী বার্তায় রাকিব

রাজপথের আন্দোলন, ক্যাম্পাসের উত্তাপ, সাংগঠনিক ব্যস্ততা আর নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে বিদায়ের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ। নতুন কমিটি গঠনের আগে আবেগঘন এক বিদায়ী বার্তায় নিজের দীর্ঘ দায়িত্বকাল, সহযোদ্ধাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা এবং ভবিষ্যতের প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন সংগঠনটির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব।

বিদায়ী বার্তাটি যেন কেবল একটি সাংগঠনিক দায়িত্বের সমাপ্তির কথা নয়; বরং জীবনের একটি দীর্ঘ অধ্যায়ের পর্দা নামার মুহূর্তে ফিরে তাকানো এক মানুষের আত্মকথন। যেখানে আছে কৃতজ্ঞতা, গর্ব, আত্মসমালোচনা, ক্ষমাপ্রার্থনা এবং নতুন করে নিজেকে গড়ার প্রত্যয়।

বার্তার শুরুতেই মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে রাকিবুল ইসলাম রাকিব লিখেছেন, ‘মহান রাব্বুল আলামিনের নিকট লাখো কোটি শোকরিয়া, অনেক বেশি সম্মান ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে জীবনের শ্রেষ্ঠ অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটতে চলেছে।’

দীর্ঘ সময় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়ায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং প্রয়াত দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তিনি। পাশাপাশি বিএনপির সদ্য বিদায়ী মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুলসহ দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং ছাত্রদলের সাবেক নেতাদের প্রতিও জানিয়েছেন অশেষ কৃতজ্ঞতা।

নিজের নেতৃত্বকালীন সহযোদ্ধাদের কথা বলতে গিয়ে আবেগ আরও গভীর হয়েছে রাকিবের। কেন্দ্রীয় সংসদ থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতাকর্মীদের অবদানের কথা স্মরণ করেছেন তিনি। বিশেষভাবে ঢাকা মহানগরের পাঁচ কলেজ ও চার মহানগরের নেতাকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেছেন, তাদের শ্রম-ঘামেই রাজপথের কর্মসূচিগুলো সফল হয়েছে এবং নানা প্রতিকূলতা মোকাবিলা করা সম্ভব হয়েছে।

সহযোদ্ধাদের নিয়ে নিজের গর্বের জায়গাটিও স্পষ্ট করেছেন ছাত্রদল সভাপতি। তার ভাষায়, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ, বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ পর্যায়ের নেতাদের নামে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত খবরের শিরোনাম হয়নি—এটিই তার নেতৃত্বের অন্যতম বড় অর্জন।

আর্থিক সংকটের মধ্যেও নেতাকর্মীরা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে নিজ নিজ ইউনিট পরিচালনা করেছেন উল্লেখ করে রাকিব লিখেছেন, তারা শুধু নিজেরাই সৎ ও পরিশ্রমী ছিলেন না, বরং অধীনস্থ নেতাকর্মীদেরও নীতি ও আদর্শ নিয়ে চলার অনুপ্রেরণা দিয়েছেন।

‘একজন সাধারণ শিক্ষার্থীও যেন অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির শিকার না হন’
রাকিবের বিদায়ী বার্তায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রসঙ্গও। তিনি জানিয়েছেন, বিভিন্ন ক্যাম্পাসে ইতিবাচক ছাত্র রাজনীতির বিকাশে ব্যক্তিগতভাবে চেষ্টা করেছেন। তার লক্ষ্য ছিল- ছাত্রদলের কোনো নেতাকর্মীর কারণে যেন একজন সাধারণ শিক্ষার্থীকেও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে না হয়।

এমনকি নিজের দলের বাইরের সাধারণ শিক্ষার্থীরাও বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে তার কাছে এলে নিজের অবস্থান থেকে তা সমাধানের চেষ্টা করেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

রাজনীতির পরিচয়ের বাইরে একজন শিক্ষার্থী হিসেবে শিক্ষার্থীদের প্রতি শ্রদ্ধার জায়গাটি ধরে রাখার এই বার্তা তার বিদায়ী বক্তব্যকে দিয়েছে ভিন্ন মাত্রা।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিও উঠে এলো
রাকিব-নাসির কমিটির অন্যতম সাফল্য হিসেবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে সমন্বয় করে কর্মসূচি প্রণয়ন এবং রাজপথে কার্যকর ভূমিকা পালনের কথা উল্লেখ করেছেন রাকিব।

তিনি বলেন, ৫ আগস্ট ২০২৪-এর পরবর্তী বাস্তবতায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শত শত মব মোকাবিলা করতে হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধারাবাহিক বুলিং উপেক্ষা করেও নেতৃত্ব দিতে হয়েছে।

তার বিদায়ী বার্তায় তাই শুধু অর্জনের গল্প নেই; আছে কঠিন সময়ের স্মৃতিও। আছে রাজপথে দাঁড়িয়ে থাকা, প্রতিকূলতার মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং সংগঠনকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার দিনগুলোর ছায়া।

‘একটা নতুন জীবন শুরু করতে চাই’
সবশেষে এসে যেন রাজনীতির কোলাহল থেকে একটু দূরে দাঁড়িয়ে নিজের দিকে তাকিয়েছেন রাকিব। দীর্ঘ দায়িত্ব শেষে নতুনভাবে জীবন শুরু করার আকাঙ্ক্ষার কথা জানিয়েছেন তিনি।

লিখেছেন, ‘একটা নতুন জীবন শুরু করতে চাই। নিজেকে আরও বেশি পরিশুদ্ধ, মানবিক ও সৎ মানুষ হিসেবে গড়তে চাই।’

নিজের ভুল-ত্রুটির কথাও স্বীকার করেছেন তিনি। দায়িত্ব পালনের দীর্ঘ সময়ে কারও মনে কষ্ট দিয়ে থাকলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ জানিয়েছেন।

বিদায়ের এই মুহূর্তে তাই রাকিবের কণ্ঠে নেই কেবল নেতৃত্বের হিসাব-নিকাশ; বরং আছে একজন মানুষের আত্মজিজ্ঞাসা। যে পথ পেরিয়ে এসেছেন, সেখানে যেমন আছে সংগ্রামের গর্ব, তেমনি আছে ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার বিনয়।

নতুন কমিটিকে সাদরে গ্রহণ করার আহ্বান জানিয়ে নিজের বার্তার ইতি টেনেছেন ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব।

একটি অধ্যায়ের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে তার বিদায়ী বার্তা যেন বলে- রাজনীতির মঞ্চে আলো বদলায়, নেতৃত্ব বদলায়, মুখ বদলায়; কিন্তু ফেলে আসা সময়ের স্মৃতি আর সহযোদ্ধাদের প্রতি ভালোবাসা থেকে যায়।

 

এমপি গাজী নজরুলের স্ত্রীর শেষ চিঠি ‘কে জানতো আমিই ছিলাম তার দাবার শেষ গুটি’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১১ অপরাহ্ণ
এমপি গাজী নজরুলের স্ত্রীর শেষ চিঠি ‘কে জানতো আমিই ছিলাম তার দাবার শেষ গুটি’

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের সরকারি বাসভবন থেকে কয়েকটি চিঠি উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর পর উদ্ধার হওয়া এসব চিঠিতে গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে অবহেলা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে বলে জানা গেছে।

রোববার রাতে ন্যাম ভবনে এমপির সরকারি বাসভবনে মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর পর চিঠিগুলো উদ্ধার করা হয়। তার মৃত্যুর কারণ কী, তা নিয়ে নানা প্রশ্নের মধ্যে এসব চিঠির বিষয়টি সামনে এসেছে।

উদ্ধার হওয়া চিঠিগুলোর কয়েকটিতে মরিয়ম তার ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও মানসিক কষ্টের কথা লিখেছেন বলে জানা গেছে। একটি চিঠিতে তিনি সম্পর্কটিকে অসম ও ভাগ করা ভালোবাসার সঙ্গে তুলনা করেছেন।

পাঠকদের জন্য সেসব চিঠি হুবহু নিচে দেওয়া হলো:

চিঠিতে মৃত্যুর আগে তিনি উল্লেখ করেন, ‘সে (গাজী নজরুল) ছিল অন্য নারীর স্বামী, কাগজে কলমে তার অধিকার ছিল তার বউ এর। আর আমি ছিলাম বোকা….! অন্য কারো স্বামীকে বানিয়েছিলাম নিজের শখের পুরুষ….!!!, কাউকে অর্ধেক পাওয়ার চেয়ে হারিয়ে ফেলা বেশি সম্মানের। ভালোবাসা কখনোই ভাগ করে নেওয়ার বিষয় নয়। ভালোবাসা হয় সম্পূর্ণ না হয় অসম্পূর্ণ।

আরেক চিঠিতে তিনি লেখেন, ‘সে বলেছিল আমরা বন্ধু, চলো আমরা একটা গেমস খেলি। আমিও সরল মনে বিশ্বাস করে রাজি হয়েছিলাম। কিন্তু কে জানতো আমিই ছিলাম তার দাবার শেষ গুটি।’

আরেকটি চিঠিতে তিনি লেখেন, ‘শুধু মায়ায় পড়েছি বলেই তোমার কাছে বারবার নত হই…. না হয় যতোটা সস্তা ভাবছো ততটা সস্তা আমি নই।’

জাতীয় সংসদের প্যাডে আরেক চিঠিতে গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তিনি লেখেন, ‘আমি হেরেছি তুমি জিতেছো। কারণ আমি তোমাকে বিশ্বাস করেছিলাম বলেই তো ঠকিয়ে জিততে পেরেছো। আমি ধ্বংসের শেষ দাঁড়িয়েও মুখে হাসি রেখেছি। ভেবে নাও এই হাসির কারণই হবে তোমার ধ্বংসের কারণ। আমি অতি বিশ্বাস করে যুদ্ধে নেমেছিলাম তার সাথে। জিততে পারিনি হেরে গেলাম ময়দানে। জিতবই বা কেমনে যুদ্ধের শেষ প্রান্তে যেয়ে দেখি তুমিই তো ছিলে বিপক্ষদলের সেনাপতি।

 

ইসলামিক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল আফতাবনগরে বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত

ইমরুল হাসান
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ণ
ইসলামিক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল আফতাবনগরে বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হলো ইসলামিক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল আফতাবনগর (আইআইএসএ)-এর বহুল প্রতীক্ষিত বিজ্ঞান মেলা ২০২৬।

এ মেলায় স্কুলের প্রায় ১২০ জন শিক্ষার্থী তাদের নিজস্ব প্রস্তুতকৃত বিভিন্ন বিজ্ঞানভিত্তিক প্রজেক্ট প্রদর্শন করে। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, অনুসন্ধিৎসা ও বৈজ্ঞানিক চিন্তাভাবনার প্রকাশ ঘটে পুরো আয়োজনজুড়ে।

বিজ্ঞান মেলার আহ্বায়ক মিসেস আসমা সাইদা নাবিলা-এর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্কুলের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক চৌধুরী। বিজ্ঞান মেলার প্রধান বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন স্কুলের ইনচার্জ ফারহানা সুমাইয়া শবনম।

মেলার প্রাথমিক পর্যায়ে প্লে গ্রুপ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা আলোর উৎস এবং গাছের বিভিন্ন অংশ নিয়ে প্রেজেন্টেশন ও প্রজেক্ট প্রদর্শন করে।

নার্সারি শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ভাসমানতা, স্থিরবিদ্যুৎ, চুম্বকত্ব ও ছায়াপথ নিয়ে বিভিন্ন প্রজেক্ট প্রদর্শন করে।

কেজি শ্রেণির শিক্ষার্থীরা উদ্ভিদের বেড়ে ওঠার প্রক্রিয়া, পাঁচ ইন্দ্রিয়, পানির উৎস, প্রজাপতির জীবনচক্রসহ বিভিন্ন আকর্ষণীয় বিষয়ের ওপর প্রেজেন্টেশন ও প্রজেক্ট প্রদর্শন করে।

এছাড়াও, শিক্ষার্থীদের মাঝে মুসলিম বিজ্ঞানীদের অবদান ও ঐতিহ্য তুলে ধরার লক্ষ্যে ১ম শ্রেণী থেকে ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ১৬ টি গ্রুপে মুসলিম বিজ্ঞানীর নামে বিজ্ঞানভিত্তিক প্রজেক্ট প্রদর্শন করে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আধুনিক বিজ্ঞানের পাশাপাশি মুসলিম সভ্যতার জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চার সমৃদ্ধ ইতিহাস সম্পর্কে জানার সুযোগ তৈরি হয়।

প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ও জ্ঞানচর্চায় আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান এবং ভবিষ্যতে নিজেদের মুসলিম বিজ্ঞানী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য উৎসাহিত করেন।

শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, শিক্ষকদের আন্তরিক পরিশ্রম এবং অভিভাবকদের সহযোগিতায় পুরো বিজ্ঞান মেলা হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও শিক্ষণীয়। এটি শিক্ষার্থীদের কৌতূহল, সৃজনশীলতা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে আরও বিকশিত করার একটি সুন্দর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আয়োজনের শেষে বিজয়ী শিক্ষার্থীরা ক্রেস্ট গ্রহণ করে এবং সকল অংশগ্রহণকারী সার্টিফিকেট গ্রহণ করে।

জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় এমপি গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২৮ অপরাহ্ণ
জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় এমপি গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেয়া হচ্ছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান।

আজ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে প্রেস বিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

ইবনে মিজান বলেন, আমরা আজ (রোববার) সন্ধ্যা ৭টার পরপর ন্যাম ভবনের ৫ নং বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলায় ২০৩ নং কক্ষে একটি ঝুলন্ত মরদেহের খবর পাই। খবর পাওয়ার পরপরই শেরেবাংলা নগর থানা, ডিবি ও সিআইডির টিম ঘটনাস্থলে আসে। ঘটনাস্থলে এসে আমরা দেখতে পাই, ফ্ল্যাটটি সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুলের কক্ষ। পরবর্তীতে আমরা আমাদের আনুসাঙ্গিক আইনগত কাজ করেছি।

তিনি আরও বলেন, নিহত তরুণী সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপির দ্বিতীয় স্ত্রী। আমরা সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এটি কি হত্যা নাকি আত্মহত্যা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি তদন্তের বিষয়।

অপরদিকে, পুলিশ সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে থানায় নেয়ার সময় তিনি হাত দিয়ে মুখ ঢাকেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন গাজী নজরুল ইসলাম। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার একটি ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে দলীয়ভাবে তদন্ত করা হয়। তদন্তে ‘নৈতিক স্খলনের’ অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে উল্লেখ করে গত ২২ জুলাই তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে জামায়াতে ইসলামী।