রোডভিত্তিক সাইনবোর্ড বসিয়ে প্রশংসিত যুবদল নেতা হাফিজুল বাবু
রাজধানীর ব্যস্ত নগরজীবনে নির্দিষ্ট কোনো বাসা বা ঠিকানা খুঁজে পাওয়া অনেক সময়ই হয়ে ওঠে ভোগান্তির কারণ। বিশেষ করে নতুন কেউ কোনো এলাকায় গেলে রোড নম্বর বা বাসা নম্বর খুঁজতে ঘুরতে হয় দীর্ঘ সময়। সেই ভোগান্তি কমাতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন রাজধানীর কাফরুল থানা যুবদলের সদস্য সচিব মোঃ হাফিজুল ইসলাম বাবু।
নিজ উদ্যোগে থানার চার নম্বর ওয়ার্ডে তিনি প্রায় প্রতিটি সড়কের প্রবেশমুখে সাইনবোর্ড স্থাপন করেছেন। এসব সাইনবোর্ডে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট রোড নম্বর এবং ওই রোডে কত নম্বর থেকে কত নম্বর পর্যন্ত বাসা রয়েছে। ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি বাইরের মানুষও সহজেই নির্দিষ্ট ঠিকানা খুঁজে পাচ্ছেন।
স্থানীয়দের মতে, রাজধানী ঢাকার মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এমন উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী। আগে একটি বাসা খুঁজতে পথচারী বা দোকানিদের কাছে বারবার জানতে হতো। এখন সাইনবোর্ড দেখে সহজেই গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে। এতে সময় যেমন বাঁচছে, তেমনি কমেছে দুর্ভোগও।
এলাকাবাসী বলছেন, শুধু সাধারণ মানুষই নন, কুরিয়ার কর্মী, রাইড শেয়ারিং চালক, জরুরি সেবাকর্মী এবং অতিথিরাও এই উদ্যোগের সুফল পাচ্ছেন। ঠিকানা খুঁজতে অযথা ঘোরাঘুরি করতে হচ্ছে না। এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। অনেকেই এটিকে নাগরিক সেবার একটি কার্যকর ও বাস্তবধর্মী উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করছেন। তাদের মতে, নগর ব্যবস্থাপনায় ছোট ছোট এমন উদ্যোগই সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে অনেক সহজ করে তুলতে পারে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, কাফরুলের ৪ নং ওয়ার্ডে নেওয়া এই উদ্যোগ সফল হওয়ায় রাজধানীর অন্যান্য এলাকাতেও একই ধরনের রোডভিত্তিক সাইনবোর্ড স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হলে ঢাকা শহরে ঠিকানা খুঁজে পাওয়া আরও সহজ হবে এবং নগরসেবার মানও উন্নত হবে।
হাফিজুল ইসলাম বাবুর এই উদ্যোগের কারণে ইতোমধ্যেই এলাকাজুড়ে প্রশংসা কুড়াচ্ছেন তিনি। অনেকের ভাষায়, উন্নয়ন শুধু বড় প্রকল্পে নয়, মানুষের দৈনন্দিন জীবন সহজ করে তোলার মধ্যেও নিহিত থাকে। যার উদাহরণ হাফিজুল ইসলাম বাবুর এই উদ্যোগটি। আমরা চাই তার জনবান্ধন এসব কার্যক্রম ধারাবাহিক অব্যাহত থাকুক।


আপনার মতামত লিখুন
Array