খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ৫ ভাদ্র, ১৪৩৩

গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, জনগণের অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠাই একুশের মূল চেতনা: প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:৫৯ অপরাহ্ণ
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, জনগণের অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠাই একুশের মূল চেতনা: প্রধানমন্ত্রী

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্বের সব ভাষাভাষী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো বাণীতে তিনি বলেন, “একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের জাতীয় জীবনের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায় এবং গৌরবের প্রতীক। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, জনগণের অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠাই ছিল একুশের মূল চেতনা।”

প্রধানমন্ত্রী তার বিবৃতিতে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে আত্মদানকারী শহীদ আবুল বরকত, আবদুস সালাম, রফিকউদ্দিন আহমদ, আব্দুল জব্বারসহ সকল শহীদকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন। তিনি বলেন, “তাদের আত্মদানের মধ্য দিয়ে রচিত হয় শত বছরের শাসন ও শোষণে জর্জরিত তৎকালীন পূর্ব বাংলার মুক্তির প্রথম সোপান। মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার এই আন্দোলন শুধু ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠাই করেনি, বরং বাঙালির স্বাধিকার, গণতন্ত্র ও সাংস্কৃতিক চেতনার ভিত্তিকে করেছে আরও মজবুত ও সুদৃঢ়। একুশের এই রক্তাক্ত পথ ধরেই মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমরা অর্জন করেছি বাংলাদেশের স্বাধীনতা।”

বাংলা ভাষাকে বাঙালির আত্মপরিচয়ের প্রধান বাহন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মাতৃভাষার জন্য আমাদের ত্যাগ ও ভালোবাসার স্বীকৃতিস্বরূপ ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। একুশের চেতনা আজ বিশ্বজুড়ে সব ভাষার মর্যাদা রক্ষা ও সুরক্ষার আন্দোলনে রূপ নিয়েছে।”

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, জনগণের অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠাই ছিল একুশের মূল চেতনা। এ চেতনাকে ধারণ করে দীর্ঘ লড়াই সংগ্রাম পার হয়ে দেশে আজ গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। গণতন্ত্রের এই অগ্রযাত্রাকে সুসংহত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

তিনি আরও যোগ করেন, “আমরা ভাষা শহীদদের আদর্শ এবং ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা অর্জন ও ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানসহ এযাবৎকালে দেশে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সব শহীদের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে একটি স্বনির্ভর, নিরাপদ ও মানবিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়তে চাই।”

তারেক রহমান বলেন, “আজকের এই দিনে আমি বিশ্বজুড়ে সব জাতিগোষ্ঠীর ভাষাসমূহের মর্যাদা সমুন্নত রাখতে কাজ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানাই। আসুন, আমরা দেশে বিদ্যমান ভাষা বৈচিত্র্যকে সংরক্ষণ করি, নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি সর্বস্তরে বাংলা ভাষার সঠিক ব্যবহার ও চর্চা নিশ্চিত করি।”

প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে সব ভাষা শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা। দিবসটি উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সাফল্যও কামনা করেন তিনি।

ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্বে আলোচনার কেন্দ্রে সালেহ আদনান

মোহাম্মদ নাহিয়ান (বিশেষ প্রতিনিধি)
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্বে আলোচনার কেন্দ্রে সালেহ আদনান

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন নিয়ে বিএনপির ভেতরে আলোচনা এখন শেষ পর্যায়ে বলে দলীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে। সূত্রগুলোর দাবি, নতুন কমিটির একটি খসড়া বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে রয়েছে। তাঁর চূড়ান্ত অনুমোদনের পর যেকোনো সময় কমিটি ঘোষণা করা হতে পারে।

নতুন কমিটির সভাপতি পদে কয়েকজনের নাম আলোচনায় থাকলেও তৃণমূল থেকে উঠে আসা সালেহ মোঃ আদনানকে নিয়ে সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে আলোচনা বেশি হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। বর্তমানে তিনি ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগের কেন্দ্রীয় কমিটিতেও একই পদে ছিলেন তিনি।

তৃণমূল থেকে কেন্দ্রের রাজনীতিতে

বরগুনা জেলা ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার পর ২০১০ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের মাধ্যমে রাজধানীর রাজনীতিতে সক্রিয় হন সালেহ মোঃ আদনান। বরগুনা সরকারি কলেজে পড়াশোনার সময় ১/১১-এর সরকারবিরোধী আন্দোলনেও তিনি সক্রিয় ছিলেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

২০১৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ মুজিবুর রহমান হল শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পান তিনি। ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার কারণে বিভিন্ন সময়ে হামলা ও হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগও রয়েছে তাঁর। দলীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য, একপর্যায়ে হামলার পর তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছিল। পরে হল থেকে বের করে দেওয়ারও অভিযোগ ওঠে।

দলীয় কর্মসূচিতে সক্রিয় উপস্থিতির কারণে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সালেহ মোঃ আদনানের পরিচিতি তৈরি হয়। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনবিরোধী আন্দোলন, কোটা সংস্কার আন্দোলন এবং নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে তিনি অংশ নেন বলে দলীয় সূত্রের দাবি।

এ ছাড়া বিএনপির এক দফা দাবির আন্দোলন ঘিরে আয়োজিত বিভাগীয় সমাবেশ, তারুণ্যের সমাবেশ, রোডমার্চ, ঢাকার প্রবেশমুখে অবস্থান কর্মসূচি এবং বিভিন্ন হরতাল-অবরোধেও তিনি সক্রিয় ছিলেন বলে জানা গেছে।

ছাত্রদলের ষষ্ঠ কাউন্সিলকে ঘিরে তৈরি হওয়া সংকটের সময়ও দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অবস্থান নেওয়া নেতাদের মধ্যে সালেহ মোঃ আদনান ছিলেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার কারণে বিভিন্ন সময়ে মামলা, হামলা ও হয়রানির শিকার হয়েছেন বলেও তাঁর ঘনিষ্ঠ নেতা-কর্মীদের দাবি।

সভাপতি পদে আলোচনায় আদনান

দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকার কারণে ছাত্রদলের আসন্ন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি পদে সালেহ মোঃ আদনানের নাম গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হচ্ছে বলে দলীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে।

তবে এ বিষয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নাম ঘোষণা করা হয়নি। ফলে সভাপতি পদে শেষ পর্যন্ত কে দায়িত্ব পাচ্ছেন, তা নিশ্চিত হবে কেবল দলীয় সিদ্ধান্ত ও আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর।

দুই বছরের মেয়াদ শেষ, অপেক্ষা নতুন নেতৃত্বের

২০২৪ সালের ১ মার্চ রাকিবুল ইসলাম রাকিবকে সভাপতি ও নাছির উদ্দীন নাছিরকে সাধারণ সম্পাদক করে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। একই সময়ে আবু আফসান মোহাম্মদ ইয়াহইয়াকে সিনিয়র সহসভাপতি, শ্যামল মালুমকে সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং আমান উল্লাহ আমানকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়।

পরে ১৫ জুন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে ২৬০ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়।

ছাত্রদলের খসড়া গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কেন্দ্রীয় সংসদের মেয়াদ দুই বছর। সে হিসাবে চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে। এরপর থেকেই নতুন কমিটির শীর্ষ পদপ্রত্যাশীদের তৎপরতা বাড়তে থাকে।

দলীয় সংশ্লিষ্টদের মতে, বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী ছাত্রসংগঠন হিসেবে ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন দলটির সাংগঠনিক ভবিষ্যতের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামোয় তরুণ নেতৃত্বকে সামনে আনার যে আলোচনা চলছে, ছাত্রদলের নতুন কমিটিকে তার অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

নতুন নেতৃত্বে যেসব বিষয় গুরুত্ব পাচ্ছে

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, নতুন নেতৃত্ব বাছাইয়ের ক্ষেত্রে রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি সাংগঠনিক দক্ষতা, তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ, শিক্ষার্থীদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা এবং সংগঠন পরিচালনার সক্ষমতাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ছাত্রদলের একটি অংশের মত, অতীতের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় নেতাদের মধ্য থেকে নেতৃত্ব নির্বাচন করা হলে সংগঠনের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। অন্যদিকে আরেকটি অংশ মনে করছে, পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতায় ছাত্রদলকে আন্দোলনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা, অধিকার, নিরাপত্তা, দক্ষতা উন্নয়ন ও কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে আরও সক্রিয় হতে হবে।

আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা

নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে দলীয় সূত্রগুলো দাবি করলেও বিএনপির পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। ফলে শেষ মুহূর্তে নেতৃত্বের সমীকরণে পরিবর্তন আসার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সম্প্রতি জানিয়েছেন, নতুন কমিটি গঠনের বিষয়ে তিনি এখনো দলীয়ভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা পাননি।

সব মিলিয়ে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে এখন মূল আলোচনা- রাকিব-নাছির পর্বের পর সংগঠনের নেতৃত্বে কারা আসছেন। সভাপতি পদে সালেহ মোঃ আদনানের নাম আলোচনায় থাকলেও শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নেবে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব।

নারী চালক-কন্ডাক্টর দিয়ে চলবে ‘পিংক বাস’, যেসব রুটে যাবে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ১:১৪ অপরাহ্ণ
নারী চালক-কন্ডাক্টর দিয়ে চলবে ‘পিংক বাস’, যেসব রুটে যাবে

রাজধানীর সড়কে নারীদের যাতায়াত নিরাপদ ও আরামদায়ক করতে পৃথক বাস সার্ভিস চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি)। নারী চালক ও কন্ডাক্টর দিয়ে পরিচালিত এ ‘পিংক বাস’ সেবা মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) চালু হবে।

বিআরটিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মোস্তাকিম ভূঞার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ সার্ভিস চালু করা হচ্ছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। ‘মহিলা বাস সার্ভিস পরিচালনা’ কার্যক্রমের উদ্বোধন মঙ্গলবার সকাল ১০টায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিআরটিসির ঢাকা ট্রাক ডিপো প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে।’

বিআরটিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মোস্তাকিম ভূঞা জানান, নারীদের জন্য চালু হতে যাওয়া বিশেষ এই বাস সার্ভিসে চালক ও কন্ডাক্টর হিসেবে নারী কর্মীরাই দায়িত্ব পালন করবেন।

প্রাথমিকভাবে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রুটে ১০টি বাস চলাচল করবে। একই সঙ্গে বগুড়ায় দুটি এবং চট্টগ্রামে দুটি বাসসহ ঢাকার বাইরে আরো চারটি বাস এ সেবায় যুক্ত হবে।

যেসব রুটে চলবে বাস

আরটিসি সূত্র জানায়, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন এলাকা সংযুক্ত করে এসব বাসের রুট নির্ধারণ করা হয়েছে। মতিঝিল বাস ডিপোর অধীনে নতুন বাজার (কোকাকোলা)-মতিঝিল এবং তালতলা-মতিঝিল রুটে বাস চলবে।

নতুন বাজার (কোকাকোলা)-মতিঝিল রুটে কোকাকোলা, নতুন বাজার, উত্তর বাড্ডা, মধ্য বাড্ডা, মেরুল বাড্ডা, রামপুরা, আবুল হোটেল, মালিবাগ, কাকরাইল, পল্টন ও গুলিস্তান হয়ে মতিঝিলে যাবে বাস।

তালতলা-মতিঝিল রুটে তালতলা, খিলগাঁও রেলগেট, বাসাবো, বৌদ্ধমন্দির, মুগদা, কমলাপুর রেলস্টেশন, আরামবাগ, শাপলা চত্বর ও সচিবালয় হয়ে মতিঝিলে চলাচল করবে বাস।

যাত্রাবাড়ী বাস ডিপোর অধীনে ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার-জিপিও রুটে চলবে একটি বাস। এ পথে ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার, বাঁশের পুল, কাজলা, যাত্রাবাড়ী, জনপথ মোড়, গুলিস্তান, পল্টন, সচিবালয় ও মৎস্য ভবন হয়ে জিপিও পর্যন্ত যাবে।

কল্যাণপুর বাস ডিপোর অধীনে মিরপুর-১০-মতিঝিল রুটে বাস চলবে।
এ রুটে মিরপুর-১০, টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, শ্যামলী, আসাদগেট, কলাবাগান, শাহবাগ ও পল্টন হয়ে মতিঝিলে যাবে বাস।

এ ছাড়া মিরপুর বাস ডিপোর অধীনে মিরপুর-মতিঝিল এবং মিরপুর-১২-মতিঝিল রুটে বাস চলাচল করবে। মিরপুর-মতিঝিল রুটে মিরপুর-১২, মিরপুর-১০, মিরপুর-১, টেকনিক্যাল, শ্যামলী, ফার্মগেট, শাহবাগ, গুলিস্তান হয়ে মতিঝিল এবং মিরপুর-১২-মতিঝিল রুটে মিরপুর-১২, মিরপুর-১১, মিরপুর-১০, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, ফার্মগেট, শাহবাগ, প্রেস ক্লাব, গুলিস্তান হয়ে মতিঝিলে যাবে বাস।

মোহাম্মদপুর বাস ডিপোর অধীনে মোহাম্মদপুর-মতিঝিল রুটেও চলবে বিশেষ বাস। এ পথে মোহাম্মদপুর, শংকর, ধানমণ্ডি-১৫, সিটি কলেজ, নিউ মার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড, শাহবাগ ও পল্টন হয়ে মতিঝিলে চলাচল করবে।

জোয়ারসাহারা বাস ডিপোর অধীনে আব্দুল্লাহপুর-মতিঝিল রুটে চলবে বাস। এ রুটে আব্দুল্লাহপুর, বিমানবন্দর, খিলক্ষেত, বিশ্বরোড, কুড়িল, বনানী, মহাখালী, ফার্মগেট, শাহবাগ, প্রেস ক্লাব ও গুলিস্তান হয়ে মতিঝিলে যাবে।

গাজীপুর বাস ডিপোর অধীনে গাজীপুর-বিমানবন্দর রুটেও বিশেষ বাস চলবে। গাজীপুর, শিববাড়ী, গাজীপুর চৌরাস্তা, মালেকের বাড়ি, বোর্ডবাজার, গাজীপুরা, কলেজগেট, স্টেশন রোড, আব্দুল্লাহপুর ও আশপুর হয়ে বিমানবন্দর পর্যন্ত চলাচল করবে বাস।

রাজধানীর বাইরে বগুড়ায় শেরপুর-মাটিডালি রুটে দুটি এবং চট্টগ্রামে কালুরঘাট-পতেঙ্গা রুটে দুটি বাস চলবে। চট্টগ্রামের বাসগুলো কালুরঘাট, কাপ্তাই রাস্তার মাথা, বহদ্দারহাট, মুরাদপুর, ২ নম্বর গেট, জিইসি মোড়, লালখান বাজার।

অস্ট্রেলিয়াকে তাদের মাটিতে হারানোই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জয়: মাশরাফি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১:১১ অপরাহ্ণ
অস্ট্রেলিয়াকে তাদের মাটিতে হারানোই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জয়: মাশরাফি

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়কে দেশের ক্রিকেটের বড় অর্জন হিসেবে দেখছেন সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা।

ডারউইনে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তিনি।

মাশরাফি লিখেছেন, ‘পুরো শক্তির অস্ট্রেলিয়াকে তাদের নিজেদের মাটিতে হারানো, আমার দেখা টেস্ট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জয়।’