খুঁজুন
শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

কত সম্পদের মালিক নায়ক থেকে মুখ্যমন্ত্রী হওয়া থালাপতি বিজয়?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ৯:৩৭ অপরাহ্ণ
কত সম্পদের মালিক নায়ক থেকে মুখ্যমন্ত্রী হওয়া থালাপতি বিজয়?

ইতিহাস গড়ে অভিনেতা থেকে ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন থালাপতি বিজয়। প্রায় সাত দশক পর প্রথমবার রাজ্যটিতে ডিএমকে বা এআইএডিএমকের বাইরে অন্য কোনও দল সরকার গঠন করল। বিজয়ের এমন ঐতিহাসিক জয়ের পর তার সম্পত্তি নিয়ে আলোচনা চলছে।

ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, নির্বাচনি হলফনামায় বিজয়ের মোট সম্পত্তির দেখানো হয়েছে ৬২৪ কোটি রুপির। এর মধ্যে স্থাবর সম্পত্তির মূল্য প্রায় ২২০ কোটি রুপি এবং অস্থাবর সম্পত্তির মূল্য প্রায় ৪০৪ কোটি রুপি। কোনও ঋণ নেই তার।

বিজয়ের সম্পদের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হল- একটি সেভিংস অ্যাকাউন্টে জমা থাকা ২১৩ কোটি রুপিরও বেশি অর্থ। ইন্ডিয়ান ওভারসিজ ব্যাংকের সালিগ্রামাম শাখার এই অ্যাকাউন্টেই তার মোট অস্থাবর সম্পদের বড় অংশ রাখা আছে। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে তার মোট আয় ছিল ১৮৪ কোটি ৫৩ লাখ রুপি।

এ ছাড়া বিজয় বিভিন্ন ব্যাংকে মোট ১০০ কোটি রুপি ফিক্সড ডিপোজিট হিসেবে রেখেছেন। এর মধ্যে অ্যাক্সিস ব্যাংকে ৪০ কোটি, ইন্ডিয়ান ওভারসিজ ব্যাংকে ২৫ কোটি, এইচডিএফসি ব্যাংকে ২০ কোটি, স্টেট ব্যাংকে অফ ইন্ডিয়ায় ১৫ কোটি রুপি রয়েছে। তার লিক্যুইড সম্পদের বড় অংশই ব্যাংক ডিপোজিটে রাখা।

তবে বিজয়ের শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ অত্যন্ত সীমিত। তার মোট ইক্যুইটি লগ্নির পরিমাণ ২০ লাখ রুপিরও কম। এর মধ্যে জয়া নগর প্রপার্টি প্রাইভেট লিমিটেডে শেয়ার ১৯ লাখ ৬৯ হাজার, ইন্ডিয়ান ওভারসিজ ব্যাংকে শেয়ার ৯ হাজার ৬০০ রুপি এবং সান পেপার মিল লিমিটেডের শেয়ার ২৫ হাজার ভারতীয় রুপি।

বিজয়ের স্থাবর সম্পদের মোট মূল্য প্রায় ২২০ কোটি রুপি। ১০টি আবাসিক সম্পত্তি প্রায় ১১৫ কোটি, বাণিজ্যিক সম্পত্তি প্রায় ৮২ কোটি ৮০ লাখ, অনাবাদি জমি প্রায় ২২ কোটি এবং কোডাইকানালের ভাট্টাপাট্টি গ্রামে কৃষিজমি রয়েছে ২০ লাখ রুপির।

বিজয়ের নামে একাধিক বিলাসবহুল গাড়ি রয়েছে। ২০২৪ টয়োটা লেক্সাস ৩৫০- ৩ কোটি ১ লাখ, ২০২৪ বিএমডব্লিউ ১৭- ২ কোটি, ২০২৪ টয়োটা ভেলফায়ার- ১ কোটি ৬৩ লাখ, ২০২০ বিএমডব্লিউ ৫৩০- ৮০ কোটি ৫০ লাখ, ২০২৪ মারুতি সুইফ্ট- ৫ কোটি ৩৫ লাখ এবং ২০২৫ টিভিএস এক্সএল সুপার- ৬৭ হাজার ৪০০ রুপির।

বিজয়ের কাছে ৮৮৩ গ্রাম স্বর্ণ ও রুপার সামগ্রী রয়েছে, যার মোট মূল্য প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ রুপি। আর পরিবারের সদস্যদের মধ্যে স্ত্রী সঙ্গীতা বিজয়কে ১২ কোটি ৬০ লাখ, ছেলে জেসন সঞ্জয়কে ৮ লাখ ৭৮ হাজার এবং মেয়ে দিব্যা সাশাকে ৪ লাখ ৬০ হাজার রুপি দিয়েছেন তিনি।

বিজয়ের আয়ের উৎস হিসেবে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে অভিনয় ও অন্যান্য পেশাগত আয়, ব্যাংকের সুদ এবং ভাড়া থেকে প্রাপ্ত টাকা।

ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের নেতৃত্বে আলোচনায় মামুনুর রশিদ খান মামুন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ
ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের নেতৃত্বে আলোচনায় মামুনুর রশিদ খান মামুন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ঢাকা মহানগর উত্তরের আসন্ন আংশিক কিংবা পূর্ণাঙ্গ কমিটিকে ঘিরে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে বইছে নতুন প্রত্যাশার হাওয়া। সেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে এক পরীক্ষিত, ত্যাগী ও রাজপথের সাহসী সৈনিকের নাম। তিনি মিরপুর কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সাবেক ১ নম্বর সদস্য মামুনুর রশিদ খান মামুন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় অসংখ্য নির্যাতন, মামলা-হামলা, কারাবরণ আর দুঃসময় পেরিয়েও যিনি দলের পতাকা আঁকড়ে রেখেছেন, সেই মামুনকে ঘিরেই এখন নেতাকর্মীদের স্বপ্ন ও প্রত্যাশা। দলের জন্য নিবেদিতপ্রাণ এই যুবনেতাকে নেতৃত্বে দেখতে চান মহানগর উত্তরের অসংখ্য ত্যাগী কর্মী।

দলীয় সূত্র বলছে, বিগত স্বৈরাচারী সরকারের দমন-পীড়নের সময় যখন অনেকেই ঘরে বন্দি, তখন রাজপথে সক্রিয় ছিলেন মামুন। বিশেষ করে ২০১৩-১৪ সালের আন্দোলন-সংগ্রামের উত্তাল সময়ে ঢাকা উত্তরের হরতাল ও অবরোধ সফল করতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাঠে ছিলেন তিনি। পুলিশের ধাওয়া, গ্রেফতারের ভয় কিংবা নির্যাতন-কোনো কিছুই তাকে দমাতে পারেনি।

রাজনীতি করতে গিয়ে তাকে দিতে হয়েছে বড় মূল্যও। রাজধানীর বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে রয়েছে প্রায় ৯টি রাজনৈতিক মামলা। আন্দোলনের সময় তিনবার গ্রেফতার হয়ে কারাগারে যেতে হয়েছে তাকে। এমনকি চার দিনের রিমান্ডে নিয়ে চালানো হয়েছে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। কিন্তু এত কিছুর পরও দলের আদর্শ ও দেশনায়ক তারেক রহমানের প্রতি আস্থা থেকে একচুলও সরে যাননি তিনি।

ছাত্ররাজনীতি থেকেই নিজের নেতৃত্বগুণের পরিচয় দেন মামুনুর রশিদ খান মামুন। মিরপুর কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি সংগঠনকে শক্তিশালী ও সক্রিয় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পরবর্তীতে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আহ্বায়ক কমিটিতে ১ নম্বর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক হয়ে ওঠেন। তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায় সংগঠন গোছাতে তার ভূমিকার কথা এখনো স্মরণ করেন নেতাকর্মীরা।

মহানগর উত্তর যুবদলের সাধারণ নেতাকর্মীদের ভাষ্য, ‘ত্যাগীদের মূল্যায়ন না হলে সংগঠন শক্তিশালী হয় না।’ তাদের বিশ্বাস, মামুনুর রশিদ খান মামুনের মতো পরীক্ষিত ও রাজপথে লড়াই করা নেতাদের নেতৃত্বে আনতে পারলে যুবদল আরও সুসংগঠিত ও গতিশীল হবে।

রাজনীতির কঠিন সময়ে যারা দলের জন্য সবকিছু বিলিয়ে দিয়েছেন, মামুন তাদেরই একজন- এমন মন্তব্য এখন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের তৃণমূলের মুখে মুখে।

শাকিব খানের ভিন্নধর্মী সাক্ষাৎকার নিতে চান দীঘি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ২:১৩ অপরাহ্ণ
শাকিব খানের ভিন্নধর্মী সাক্ষাৎকার নিতে চান দীঘি

শিশুশিল্পী হিসেবে মেগাস্টার শাকিব খানের সঙ্গে একাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন এ সময়ের চিত্রনায়িকা প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। ‘চাচ্চু’ সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করার আগে তখন থেকেই শাকিব খানকে ‘চাচ্চু’ সম্বোধন করতেন দীঘি। এবার তিনি জানালেন, সময় সুযোগ হলে শাকিব খানের একটি ভিন্নধর্মী ইন্টারভিউ নিতে চান তিনি।

এ সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় পডকাস্ট ‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে’ তে অতিথি হয়ে এসেছেন দীঘি। শনিবার (১৬ মে) রাত ৯টায় মাছরাঙা টেলিভিশন ও রেডিও দিনরাত ৯৩.৬ এফএম-এ একযোগে প্রচারিত হবে এই বিশেষ পডকাস্ট।

রুম্মান রশীদ খানের সঞ্চালনায় এই পডকাস্টে দীঘি বলেছেন, যেহেতু একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে মিডিয়া স্টাডিজ এন্ড জার্নালিজম বিভাগে তিনি পড়ছেন, সেই সূত্র ধরেই একদিনের জন্য হলেও সাংবাদিকতা করতে চান তিনি।

রুম্মান রশীদ খান প্রশ্ন করেন, সুযোগ পেলে কোন তারকার ইন্টারভিউ নেবে দীঘি? উত্তরে দীঘি জানান, অনেকদিন ধরেই তার ইচ্ছে শাকিব খানের সাক্ষাৎকার নেবার; যে সাক্ষাৎকার কিছুটা ভিন্নধর্মী হবে।

দীঘি জানান, একদিনের জন্য হলেও ক্যামেরার পেছনেও কাজ করতে চান তিনি। পরিচালক হবার স্বপ্ন তার রয়েছে। প্রায় ১২০ মিনিটের পডকাস্টে দীঘি খোলামেলা অনেক কথা বলেছেন, তাকে ঘিরে বিভিন্ন কৌতুহল ও সমালোচনার উত্তর দিয়েছেন।

চিত্রপরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু, মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, রায়হান রাফী, জয়া আহসান, পূজা চেরি, তৌহিদ আফ্রিদিকে নিয়ে দীঘি এবার এমন কিছু বলেছেন, যা আগে কখনো বলেননি।

‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে’ প্রযোজনা করছেন জেড আই ফয়সাল।

ঈদুল আজহা: ট্রেনের ২৫ মে’র অগ্রিম টিকিট বিক্রি আজ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৯:৫১ পূর্বাহ্ণ
ঈদুল আজহা: ট্রেনের ২৫ মে’র অগ্রিম টিকিট বিক্রি আজ

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের জন্য আজ বিক্রি হচ্ছে তৃতীয় দিনের, অর্থাৎ ২৫ মে’র ট্রেনের আসনের টিকিট।

যাত্রীসেবার সুবিধার্থে সব আসনের টিকিট শতভাগ অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। শুক্রবার (১৫ মে) সকাল ৮টা থেকে পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনগুলোর টিকিট বিক্রি শুরু হবে। এছাড়া দুপুর ২টা থেকে পূর্বাঞ্চলের ট্রেনগুলোর টিকিট বিক্রি শুরু করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

ঈদ উপলক্ষে রেলওয়ের নেওয়া কর্মপরিকল্পনা থেকে জানা গেছে, ঈদের আগে পাঁচ দিনের ট্রেনের আসনের টিকিট বিশেষ ব্যবস্থায় অগ্রিম বিক্রি করা হবে। আন্তঃনগর ট্রেনের ২৩ মে’র আসনের টিকিট বিক্রি করা হয়েছে গত ১৩ মে ও ২৪ মে’র আসনের টিকিট বিক্রি করা হয়েছে ১৪ মে। এছাড়া ২৬ মে’র আসনের টিকিট বিক্রি হবে ১৬ মে এবং ২৭ মে’র আসনের টিকিট বিক্রি হবে ১৭ মে।

রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, একজন যাত্রী ঈদ অগ্রিম যাত্রার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ একবার টিকিট কিনতে পারবেন এবং প্রতি ক্ষেত্রে সর্বাধিক চারটি টিকিট ক্রয় করতে পারবেন। ঈদ অগ্রিম যাত্রার টিকিট রিফান্ড করা যাবে না।

যাত্রীদের অনুরোধে যাত্রার দিন মোট আসনের (উচ্চ শ্রেণি ব্যতীত) ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট স্টেশন কাউন্টার থেকে বিক্রি করা হবে।

এদিকে, ঈদের চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ২৮, ২৯ ও ৩০ মে তারিখের টিকিট বিক্রি করা হবে।