খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৩ বৈশাখ, ১৪৩৩

প্রথমবার প্রার্থী হয়েই জয়ী কালাম, মন্ত্রীসভায় দেখতে চান এলাকাবাসী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:১৩ অপরাহ্ণ
প্রথমবার প্রার্থী হয়েই জয়ী কালাম, মন্ত্রীসভায় দেখতে চান এলাকাবাসী

কুমিল্লা-৯ আসনে বিপুল ভোটে জয় পেয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির শিল্পবিষয়ক সম্পাদক ও লাকসাম উপজেলার সভাপতি মো. আবুল কালাম। লাকসাম-মনোহরগঞ্জর এ আসনটিতে জনপ্রিয়তা ও দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে প্রথমবার প্রার্থী হয়েই ভূমিধস জয় পেয়েছেন মোঃ আবুল কালাম এমনটাই মনে করছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, লাকসাম-মনোহরগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত কুমিল্লা-৯ আসনে মোট ভোটার ৪,৭৮,৫৩৫জন। ভোটগ্রহণ শেষে আবুল কালাম ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৭০ হাজার ৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ছৈয়দ এ কে এম সরওয়ার উদ্দীন ছিদ্দীকি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ১৮ হাজার ৯৬১ ভোট পেয়েছেন। এই আসনটি টার্গেট ছিল জামায়াতের। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভালো ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন আবুল কালাম।

স্থানীয়দের ভাষায়, ‘এ আসনে তার জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী। তিনি হাঁটলে মিছিল, বসলে জনসভা’ সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যার প্রতিফলন দেখা গেছে প্রতিটি পথসভায় জনসমাগমে।

স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী, সাধারণ ভোটার ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আবুল কালামের এ জয়ের পেছনে তার উন্নয়ন-ইমেজ। এমপি নির্বাচিত হওয়ার আগেই নিজের অর্থায়নে স্কুল- কলেজ, পলিটেকনিক, মাদরাসা, মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেন। পাশাপাশি নিজের প্রতিষ্ঠানে অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেছেন।

এ আসনের বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী জানান, লাকসাম-মনোহরগঞ্জ উপজেলায় দীর্ঘ ২৬ বছর ধরে অত্যন্ত শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে দলের সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করেছেন আবুল কালাম। দলের দুর্দিনে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে ছিলেন সোচ্চার। গত ৫ আগস্টের পর থেকে নির্বাচনমুখী তৎপরতা জোরদার করার পাশাপাশি তিনি সর্বস্তরের বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে দলীয়, সাংগঠনিক ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়েছেন।

এ জয়কে তারা তার প্রাপ্য বলে দাবি করছেন তারা পাশাপাশি তারেক রহমানের কাছে স্থানীয়দের আবেদন দুঃসময়ের আবুল কালামকে মন্ত্রীসভায় অন্তর্ভুক্ত করার।

নেতাকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে নবনির্বাচিত আবুল কালাম বলেন, যারা আমার জন্য দিনরাত পরিশ্রম করেছেন, আমি তাদের সবার প্রতি চিরকৃতজ্ঞ। আপনারা কয়েকদিন ধরে যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, আমি আগামী পাঁচ বছর কাজের মাধ্যমে তার প্রতিদান দেব। লাকসাম -মনোহরগঞ্জ উপজেলার সব সমস্যা সমাধানে আমার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

এদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালীন সময়েই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলে যোগ দিয়ে রাজনীতিতে আসেন আবুল কালাম। বিগত আওয়ামী শাসন আমলে ৫৬ টির অধিক মামলার শিকার হন তিনি। কয়েকবার কারাভোগও করেন আবুল কালাম।

২০১৮সালের নির্বাচনের আগে গোয়েন্দা সংস্থা কতৃক গুমের শিকার হন সাবেক এ ছাত্রনেতা। ছিলেন আয়না ঘরেও। রাজনীতির পাশাপাশি আবুল কালাম দেশের শীর্ষস্থানীয় চৈতি গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর তিনি। পাশাপাশি ব্যবসায়ী সংগঠন বিজিএমইএ এর সম্মিলিত পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন-বিটিএমএ এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট।

নতুন ২ দিবস পালনের সিদ্ধান্ত সরকারের, একদিন থাকবে ছুটি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:১৩ অপরাহ্ণ
নতুন ২ দিবস পালনের সিদ্ধান্ত সরকারের, একদিন থাকবে ছুটি

৬ জুলাই পল্লী উন্নয়ন দিবস এবং ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি।

তিনি বলেন, ৬ জুলাই পল্লী উন্নয়ন দিবস হিসেবে পালন করা হবে। তবে এদিন সরকারি ছুটি থাকবে না। এছাড়া ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সরকারি ছুটি হিসেবে দিনটি পালিত হবে।

মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকের আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে সচিব বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালা, ২০২৫ নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে সোলার পাওয়ার দিয়ে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এর জন্য একটি কমিটি করা হয়েছে।

এ সময় সরকার মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে বর্তমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলার চেষ্টা করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এর আগে আজ সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু, তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী মো. আরিফুল হক চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানমসহ মন্ত্রিপরিষদের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সিলেটে একসঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে ১২৬ তরুণ-তরুণী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ণ
সিলেটে একসঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে ১২৬ তরুণ-তরুণী

সম্পূর্ণ বিনা খরচে বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন হতদরিদ্র, এতিম ও অসহায় ১২৬ তরুণ-তরুণী। বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) সিলেটের একটি কনভেনশন হলে এসব বিবাহ সম্পন্ন হয়।

প্রাপ্তবয়স্ক হলেও অর্থাভাবে এই ১২৬ জন তরুণ-তরুণীর বিয়ের পিঁড়িতে বসা হচ্ছিল না। তাদের সংসার সাজাতে মহাধুমধামে গণবিবাহের আয়োজন করে স্থানীয় মানবিক সংগঠন সিডস অব ব্লেসিংস।

সম্ভ্রান্ত পরিবারের স্বপ্নময় বিয়ের মতো বর্ণিল, উৎসবমুখর আর ঝমকালো আয়োজনে এসব বিয়ে হয়। খাবার-দাবারসহ কোনো কিছুর কমতি ছিল না এই গণবিয়েতে। যুক্তরাজ্য প্রবাসী তরুণদের মানবিক সংগঠন সিডস অব সাদাকাহ’র অর্থায়নে এই গণবিবাহ সম্পন্ন হয়।

উপহার হিসেবে নবদম্পতিগুলোর নতুন জীবনকে স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে প্রায় দুই লক্ষ টাকা সমমূল্যের ৭৭ প্রকারের গৃহস্থালি সামগ্রী দেওয়া হয়।

সিডস অব সাদাকাহ সংগঠনের প্রধান মো. জয়নুল আবেদিন বলেন, আমাদের লক্ষ্য সমাজের পিছিয়ে পড়া ও অসহায় মানুষদের জন্য আনন্দ এবং স্বনির্ভরতার পথ তৈরি করা। আজকের এই আয়োজন তারই এক উজ্জ্বল উদাহরণ।

সিডস অব সাদাকাহ’র আয়োজক ওরকাতুল জান্নাত বলেন, নতুন জীবনের শুরুতে এই সঙ্গ ও সহায়তা তাদের মনে নতুন আশা ও উদ্দীপনা জাগাবে।

সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন আয়োজকরা।

উজিরপুর ছাত্রদলে বহিষ্কার নিয়ে বিতর্ক, ৯ দিনেই পদে ফেরত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৫১ অপরাহ্ণ
উজিরপুর ছাত্রদলে বহিষ্কার নিয়ে বিতর্ক, ৯ দিনেই পদে ফেরত

বরিশালের উজিরপুর উপজেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের বিরুদ্ধে ‘বহিষ্কার বাণিজ্য’র অভিযোগ উঠেছে। টাকার বিনিময়ে বহিষ্কার এবং পরে আবার অর্থের বিনিময়ে স্বপদে ফেরানোর মতো গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ করেছেন দলটির নেতাকর্মীরা।

সম্প্রতি সাতলা ইউনিয়নে মাছের ঘের দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সাতলা ইউনিয়নে ছাত্রদলের এক নেতাকে বহিষ্কার করা হয়। ৬ এপ্রিল রাতে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক তারেক সুজন ও সদস্যসচিব মুরাদ হাওলাদার রনি স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। বহিষ্কৃত রাফিন খন্দকার রাহাত সাতলা ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে অভিযোগের বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়নি।

এরপর ১৫ এপ্রিল তাকে আবার একই পদে ফিরিয়ে দেওয়া হয়, যা নিয়ে সংগঠনের ভেতরে সমালোচনার ঝড় ওঠে। স্থানীয় নেতাকর্মীরা এ ঘটনাকে ‘বহিষ্কার বাণিজ্য’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।

এ বিষয়ে সদস্য সচিব মুরাদ হাওলাদার রনি বলেন, “দলীয় নেতাকর্মীদের অনুরোধে তাকে পুনর্বহাল করা হয়েছে।” তিনি দাবি করেন, বিষয়টি রাজনৈতিক নয় বরং পারিবারিক।

তবে বরিশাল জেলা ছাত্রদলের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক নেতা বলেন, “আমাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই উপজেলা ছাত্রদলের দুই নেতা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।”

ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক তারেক সুজনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।