খুঁজুন
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৩১ আশ্বিন, ১৪৩৩

বিএনপিকে অভিনন্দন জানিয়ে নির্বাচন পরবর্তী ভাবনা জানালেন তাসনিম জারা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৫০ অপরাহ্ণ
বিএনপিকে অভিনন্দন জানিয়ে নির্বাচন পরবর্তী ভাবনা জানালেন তাসনিম জারা

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা তাসনিম জারা তার নির্বাচন পরবর্তী ভাবনা জানিয়েছেন। শুক্রবার এক ফেসবুক পোস্টে তিনি নিজের ভাবনা তুলে ধরেন। পোস্টে তিনি বিজয়ী প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হাবিবুর রশীদ হাবিব ও তার দল বিএনপিকে অভিনন্দন জানান।

তার পোস্টটি পাঠকের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-

নির্বাচন পরবর্তী কিছু ভাবনা:

১. জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার জন্য আমি বিএনপিকে অভিনন্দন জানাই।

ঢাকা-৯ আসনে বিজয়ী প্রার্থী হাবিবুর রশীদ হাবিবকেও অভিনন্দন। গতকাল রাতেই আমি তাঁকে ফোন করে ব্যক্তিগতভাবে শুভকামনা জানিয়েছি। ঢাকা-৯ ও বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থে তাঁদের সাফল্য কামনা করি। আমরা একটি গঠনমূলক শক্তি হিসেবে কাজ করব। জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে আমাদের সমর্থন থাকবে। কিন্তু মানুষের জন্য ক্ষতিকর কোনো সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আমরা সোচ্চার থাকব।

২. আমাদের ক্যাম্পেইনে নারীদের অভূতপূর্ব অংশগ্রহণ ছিল এক বড় প্রাপ্তি। অনেক নীতিনির্ধারণী আলোচনায় আমি দেখেছি যে সিদ্ধান্ত গ্রহণের টেবিলে নারীরা থাকলে আলোচনার মান বদলে যায়। যে কিশোরী বা তরুণীরা এই প্রচারণা আগ্রহ নিয়ে দেখেছো, তোমাদেরকে বলছি: স্বপ্ন দেখতে ভয় পেয়ো না। ক্ষমতার কেন্দ্রে তোমারও অধিকার আছে। আমাদের আরও বেশি করে সামনে আসতে হবে।

৩. আমাদের ভলান্টিয়াররা এই পরিচ্ছন্ন রাজনীতির হৃদস্পন্দন। সাধারণ নাগরিকদের রাজনৈতিক সক্রিয়তার যে অনন্য দৃষ্টান্ত আপনারা তৈরি করেছেন, তা সচরাচর দেখা যায় না। মন খারাপ করবেন না। আপনারা মানুষের মন জয় করেছেন, আর সেটাই রাজনীতির সবচেয়ে কঠিন জয়। আমরা সংগঠিত থাকব, সোচ্চার থাকব, একসাথে থাকব।

৪. অনেকে ভাবছেন নির্বাচন শেষ হলেই হয়তো আমি যুক্তরাজ্যে ফিরে যাব। আমি কোথাও যাচ্ছি না। আমার শেকড় এই মাটিতে, আমার কাজও এখানে। একটিমাত্র নির্বাচনের জন্য আমরা এই পথচলা শুরু করিনি। আমাদের লক্ষ্য রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন। এটি দীর্ঘ পথ। আর আপনাদের সঙ্গে এই পথ চলা আমার জন্য সম্মানের।

৫. আমরা প্রমাণ করেছি পরিচ্ছন্ন প্রচারণায় মানুষের হৃদয় জয় করা যায়। তবে আমাদের সীমাবদ্ধতাও স্পষ্ট হয়েছে। পরিচ্ছন্ন রাজনীতি টিকে থাকতে হলে তাকে শক্তিশালী হতে হবে। নির্বাচনের দিনে প্রতিটি বুথে সাহসী পোলিং এজেন্ট এবং কেন্দ্রের বাইরে সচেতন নাগরিকদের উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ। একটি শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক মডেলকে রক্ষা করতে হলে আমাদের আরও শক্তিশালী সংগঠন গড়ে তুলতে হবে, যা যেকোনো ভয়ভীতি মোকাবিলা করতে সক্ষম।

৬. আজকের দিনটি সম্ভব হতো না যদি জুলাইয়ের অকুতোভয় যোদ্ধারা রাজপথে বুক পেতে না দাঁড়াতেন। গণতন্ত্রের যে স্বাদ আমরা পাচ্ছি, তা তাঁদের অকল্পনীয় আত্মত্যাগের ফসল। আমি ধন্যবাদ জানাই অধ্যাপক ইউনূস ও তাঁর টিম, এবং নির্বাচন কমিশনকে। এমন এক জটিল সময়ে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করা মোটেও সহজ কাজ ছিল না; কিন্তু একটি গণতান্ত্রিক জাতি হিসেবে টিকে থাকার জন্য এটি ছিল অত্যন্ত জরুরি একটি দায়িত্ব।

৭। ৪৪,০০০ প্লাস ভোট একটি বিশাল ফাউন্ডেশন। আমাদের ক্যাম্পেইন ও ফলাফল প্রমাণ করেছে যে মানুষ ক্লিন পলিটিক্স চান। আমরা রাজনীতির পুরোনো ছকটি ভেঙে দিতে পেরেছি। আমরা ঢাকা-৯ ও বাংলাদেশকে নতুন করে গড়ে তোলার কাজ চালিয়ে যাব।

আমাদের সেরা সময় এখনো সামনে।

ওয়ার্ল্ডশেফসের সদস্যপদ পেল বাংলাদেশ কুলিনারি ফাউন্ডেশন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৫৯ অপরাহ্ণ
ওয়ার্ল্ডশেফসের সদস্যপদ পেল বাংলাদেশ কুলিনারি ফাউন্ডেশন

ওয়ার্ল্ড অ্যাসোসিয়েশন অব শেফস সোসাইটিসের (ওয়ার্ল্ডশেফস) ন্যাশনাল মেম্বারশিপ পেয়েছে বাংলাদেশ কুলিনারি ফাউন্ডেশন (বিসিএফ)। এ সদস্যপদের ফলে বাংলাদেশের শেফ ও রন্ধনশিল্পের পেশাজীবীদের আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ, প্রতিযোগিতা ও পেশাগত নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও ঢাকায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ডশেফসের সনদপ্রাপ্ত মাস্টার শেফ ও বাংলাদেশ কুলিনারি ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা নাজিম খান। এ সময় সংগঠনটির সভাপতি শহীদ শাহীন, সাধারন সম্পাদক আলমগীর চৌধুরী, সাংঠনিক সম্পাদক পারভেজ মোশারফ ও অর্থ সম্পাদক বায়েজিদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বিসিএফের প্রতিনিধিরা বলেন, ওয়ার্ল্ডশেফসের সদস্যপদ দেশের রন্ধনশিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে দেশীয় শেফদের আন্তর্জাতিক পরিসরে দক্ষতা উন্নয়ন, বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশের শেফদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ বাড়বে।

দেশের রন্ধনশিল্পের অগ্রগতি এবং শেফদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম হাতে নেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান আয়োজকেরা। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের দক্ষ রন্ধনশিল্পী তৈরি করতে কাজ করবে সংগঠনটি।

ওয়ার্ল্ডশেফস বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শেফ ও রন্ধনশিল্পের পেশাজীবীদের নিয়ে কাজ করা একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন। সংগঠনটি শেফদের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি, জ্ঞান বিনিময় ও পেশাগত উন্নয়নে ভূমিকা রাখে।

অধ্যাপক পিয়াস করিমের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বিশেষ প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:০৭ অপরাহ্ণ
অধ্যাপক পিয়াস করিমের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. পিয়াস করিমের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ (১৩ অক্টোবর)। ২০১৪ সালের এই দিনে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে মারা যান তিনি।

এ উপলক্ষে পিয়াস করিমের স্মৃতি, অবদান ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে নানা উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

অধ্যাপক পিয়াস করিমের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব কে এম নাজমুল হক তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘স্যারের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। জাতীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তাঁর মরদেহ নিতে বাধা দেওয়া হয়েছিল। সত্যের পক্ষে অবিচল থাকার কারণেই তাঁকে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছিল। কত দুঃসহ স্মৃতি নিয়েই না চলে গেলেন স্যার! আপনাকে আজও মিস করি। আপনার স্মৃতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি। আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন। আমিন।’

সাংবাদিক মোহাম্মদ নাহিয়ান বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় পিয়াস করিম যে বুদ্ধিবৃত্তিক সংগ্রাম চালিয়েছিলেন, তা এই প্রজন্মের অনেকের কাছেই অজানা। তাঁর সংগ্রাম, অবদান ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে বহুমুখী উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। এ জন্য তিনি ‘পিয়াস করিম স্মৃতি সংসদ’ গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন।

অধ্যাপক ড. পিয়াস করিমের জন্ম ১৯৫৮ সালের ২৩ অক্টোবর। তাঁর গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায়। তাঁর আসল নাম ড. মঞ্জুরুল করিম। পিয়াস ছিল তাঁর ডাকনাম। পরবর্তী সময়ে এই নামেই তিনি পরিচিতি লাভ করেন।

তিনি ১৯৭৩ সালে কুমিল্লা জিলা স্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং ১৯৭৫ সালে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। ১৯৮০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে সমাজবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

রাজনৈতিক অর্থনীতি, রাজনৈতিক সমাজবিজ্ঞান, জাতীয়তাবাদ ও সামাজিক তত্ত্ব ছিল তাঁর গবেষণার প্রধান ক্ষেত্র। ২০০৭ সালে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেওয়ার আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষকতা করেন। টেলিভিশনের টক শোতে আলোচক হিসেবেও তিনি পরিচিত ছিলেন। চার বোন ও দুই ভাইয়ের মধ্যে পিয়াস করিম ছিলেন পঞ্চম। তাঁর বাবা প্রয়াত অ্যাডভোকেট এম এ করিম।

সড়ক দুর্ঘটনা, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন তানজিন তিশা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৫৯ অপরাহ্ণ
সড়ক দুর্ঘটনা, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন তানজিন তিশা

অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেলেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। একটি শোরুম উদ্বোধন করতে মানিকগঞ্জে যাচ্ছিলেন তিনি।

যাত্রাপথে সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তার গাড়ি। তবে বড় ধরনের কোনো সমস্যায় পড়তে হয়নি তাকে।

দুর্ঘটনার পর মানিকগঞ্জে না গিয়ে ঢাকায় ফিরেছেন জানান তানজিন তিশা নিজেই।

শনিবার (১০ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক পোস্টে দুর্ঘটনার বিষয়টি জানান তানজিন তিশা।

সেখানে তিনি লেখেন, ‘মানিকগঞ্জে যাওয়ার পথে বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেলাম। আলহামদুলিল্লাহ! দেখা হবে সবার সাথে, ইনশাআল্লাহ।’

তিশার এই পোস্টের পর তার ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। কীভাবে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, তা নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি অভিনেত্রী।