খুঁজুন
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৪ বৈশাখ, ১৪৩৩

কাউন্দিয়াকে পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার তুলির

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:১৯ অপরাহ্ণ
কাউন্দিয়াকে পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার তুলির

ঢাকা-১৪ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ‘মায়ের ডাক’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সমন্বয়ক প্রকৌশলী সানজিদা ইসলাম তুলি বলেছেন, ‘কাউন্দিয়া ও বনগাঁ এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও গ্রামীণ ঐতিহ্যকে কাজে লাগিয়ে পরিকল্পিত উদ্যোগ নিলে এই দুই অঞ্চলকে আধুনিক পর্যটন এলাকায় রূপান্তর করা সম্ভব।’

রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকাল থেকে কাউন্দিয়া উত্তর ও দক্ষিণসহ বিভিন্ন গ্রামের মেঠোপথ, স্কুল, হাট-বাজার এবং বাড়ি-বাড়িতে গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তুলি বলেন, ‘ঢাকা-১৪ আসনের মধ্যে সবচেয়ে অবহেলিত জনপদ হলো কাউন্দিয়া ও বনগাঁ। সামান্য উদ্যোগ ও সঠিক পরিকল্পনা নিলেই এই অঞ্চলকে পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলা যাবে। আমরা গ্রামীণ পরিবেশ ও ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ রেখে আধুনিক সকল সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে চাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘বহিরাগত ভূমিদস্যুদের দখল থেকে কৃষি জমি রক্ষা করে স্থানীয়দের মালিকানা নিশ্চিত করতে হবে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করা গেলে এই এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং পর্যটকদের আগমন বাড়বে। তখন রাস্তাঘাট ও অবকাঠামোগত সমস্যাও দূর হবে।’

স্থানীয় উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, ‘সম্মানিত ভোটাররা ঐক্যবদ্ধভাবে পাশে থাকলে ইনশাল্লাহ আমরা এই এলাকাকে একটি বাসযোগ্য, নিরাপদ ও আধুনিক নগরীতে রূপান্তর করবো।’

আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি কঠোর অবস্থানের কথা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘আমি নির্বাচিত হলে ঢাকা- ১৪ আসনের সকল মানুষের নিরাপত্তার দায়িত্ব নেব। চাঁদাবাজ, ভূমিদস্যু, দুর্নীতিবাজ ও মাদক ব্যবসায়ীদের এই এলাকায় কোনো স্থান হবে না। তারা হয় ভালো হয়ে যাবে, নয়তো এলাকা ছাড়তে বাধ্য হবে।’

ভোট চাওয়ার ক্ষেত্রে তিনি নেতিবাচক রাজনীতি না করার অঙ্গীকার করে তিনি আরও বলেন, ‘আমি কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ করে ভোট চাই না। আমি কী করতে পারবো, সেই উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েই মানুষের সমর্থন চাই।’

তিনি বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ডসহ দলের সকল সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন।

গণসংযোগকালে ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের সভাপতি রবিন খান, দারুসসালাম থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দীপু, সদস্য সচিব ওমর নাঈম, মিরপুর থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক অনিকসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং সংখ্যক এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

নতুন ২ দিবস পালনের সিদ্ধান্ত সরকারের, একদিন থাকবে ছুটি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:১৩ অপরাহ্ণ
নতুন ২ দিবস পালনের সিদ্ধান্ত সরকারের, একদিন থাকবে ছুটি

৬ জুলাই পল্লী উন্নয়ন দিবস এবং ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি।

তিনি বলেন, ৬ জুলাই পল্লী উন্নয়ন দিবস হিসেবে পালন করা হবে। তবে এদিন সরকারি ছুটি থাকবে না। এছাড়া ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সরকারি ছুটি হিসেবে দিনটি পালিত হবে।

মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকের আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে সচিব বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালা, ২০২৫ নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে সোলার পাওয়ার দিয়ে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এর জন্য একটি কমিটি করা হয়েছে।

এ সময় সরকার মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে বর্তমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলার চেষ্টা করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এর আগে আজ সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু, তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী মো. আরিফুল হক চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানমসহ মন্ত্রিপরিষদের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সিলেটে একসঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে ১২৬ তরুণ-তরুণী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ণ
সিলেটে একসঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে ১২৬ তরুণ-তরুণী

সম্পূর্ণ বিনা খরচে বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন হতদরিদ্র, এতিম ও অসহায় ১২৬ তরুণ-তরুণী। বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) সিলেটের একটি কনভেনশন হলে এসব বিবাহ সম্পন্ন হয়।

প্রাপ্তবয়স্ক হলেও অর্থাভাবে এই ১২৬ জন তরুণ-তরুণীর বিয়ের পিঁড়িতে বসা হচ্ছিল না। তাদের সংসার সাজাতে মহাধুমধামে গণবিবাহের আয়োজন করে স্থানীয় মানবিক সংগঠন সিডস অব ব্লেসিংস।

সম্ভ্রান্ত পরিবারের স্বপ্নময় বিয়ের মতো বর্ণিল, উৎসবমুখর আর ঝমকালো আয়োজনে এসব বিয়ে হয়। খাবার-দাবারসহ কোনো কিছুর কমতি ছিল না এই গণবিয়েতে। যুক্তরাজ্য প্রবাসী তরুণদের মানবিক সংগঠন সিডস অব সাদাকাহ’র অর্থায়নে এই গণবিবাহ সম্পন্ন হয়।

উপহার হিসেবে নবদম্পতিগুলোর নতুন জীবনকে স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে প্রায় দুই লক্ষ টাকা সমমূল্যের ৭৭ প্রকারের গৃহস্থালি সামগ্রী দেওয়া হয়।

সিডস অব সাদাকাহ সংগঠনের প্রধান মো. জয়নুল আবেদিন বলেন, আমাদের লক্ষ্য সমাজের পিছিয়ে পড়া ও অসহায় মানুষদের জন্য আনন্দ এবং স্বনির্ভরতার পথ তৈরি করা। আজকের এই আয়োজন তারই এক উজ্জ্বল উদাহরণ।

সিডস অব সাদাকাহ’র আয়োজক ওরকাতুল জান্নাত বলেন, নতুন জীবনের শুরুতে এই সঙ্গ ও সহায়তা তাদের মনে নতুন আশা ও উদ্দীপনা জাগাবে।

সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন আয়োজকরা।

উজিরপুর ছাত্রদলে বহিষ্কার নিয়ে বিতর্ক, ৯ দিনেই পদে ফেরত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৫১ অপরাহ্ণ
উজিরপুর ছাত্রদলে বহিষ্কার নিয়ে বিতর্ক, ৯ দিনেই পদে ফেরত

বরিশালের উজিরপুর উপজেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবের বিরুদ্ধে ‘বহিষ্কার বাণিজ্য’র অভিযোগ উঠেছে। টাকার বিনিময়ে বহিষ্কার এবং পরে আবার অর্থের বিনিময়ে স্বপদে ফেরানোর মতো গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ করেছেন দলটির নেতাকর্মীরা।

সম্প্রতি সাতলা ইউনিয়নে মাছের ঘের দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সাতলা ইউনিয়নে ছাত্রদলের এক নেতাকে বহিষ্কার করা হয়। ৬ এপ্রিল রাতে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক তারেক সুজন ও সদস্যসচিব মুরাদ হাওলাদার রনি স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। বহিষ্কৃত রাফিন খন্দকার রাহাত সাতলা ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে অভিযোগের বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়নি।

এরপর ১৫ এপ্রিল তাকে আবার একই পদে ফিরিয়ে দেওয়া হয়, যা নিয়ে সংগঠনের ভেতরে সমালোচনার ঝড় ওঠে। স্থানীয় নেতাকর্মীরা এ ঘটনাকে ‘বহিষ্কার বাণিজ্য’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।

এ বিষয়ে সদস্য সচিব মুরাদ হাওলাদার রনি বলেন, “দলীয় নেতাকর্মীদের অনুরোধে তাকে পুনর্বহাল করা হয়েছে।” তিনি দাবি করেন, বিষয়টি রাজনৈতিক নয় বরং পারিবারিক।

তবে বরিশাল জেলা ছাত্রদলের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক নেতা বলেন, “আমাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই উপজেলা ছাত্রদলের দুই নেতা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।”

ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক তারেক সুজনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।