খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ, ১৪৩৩

কাউন্দিয়াকে পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার তুলির

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:১৯ অপরাহ্ণ
কাউন্দিয়াকে পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার তুলির

ঢাকা-১৪ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ‘মায়ের ডাক’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সমন্বয়ক প্রকৌশলী সানজিদা ইসলাম তুলি বলেছেন, ‘কাউন্দিয়া ও বনগাঁ এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও গ্রামীণ ঐতিহ্যকে কাজে লাগিয়ে পরিকল্পিত উদ্যোগ নিলে এই দুই অঞ্চলকে আধুনিক পর্যটন এলাকায় রূপান্তর করা সম্ভব।’

রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকাল থেকে কাউন্দিয়া উত্তর ও দক্ষিণসহ বিভিন্ন গ্রামের মেঠোপথ, স্কুল, হাট-বাজার এবং বাড়ি-বাড়িতে গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তুলি বলেন, ‘ঢাকা-১৪ আসনের মধ্যে সবচেয়ে অবহেলিত জনপদ হলো কাউন্দিয়া ও বনগাঁ। সামান্য উদ্যোগ ও সঠিক পরিকল্পনা নিলেই এই অঞ্চলকে পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলা যাবে। আমরা গ্রামীণ পরিবেশ ও ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ রেখে আধুনিক সকল সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে চাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘বহিরাগত ভূমিদস্যুদের দখল থেকে কৃষি জমি রক্ষা করে স্থানীয়দের মালিকানা নিশ্চিত করতে হবে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করা গেলে এই এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং পর্যটকদের আগমন বাড়বে। তখন রাস্তাঘাট ও অবকাঠামোগত সমস্যাও দূর হবে।’

স্থানীয় উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, ‘সম্মানিত ভোটাররা ঐক্যবদ্ধভাবে পাশে থাকলে ইনশাল্লাহ আমরা এই এলাকাকে একটি বাসযোগ্য, নিরাপদ ও আধুনিক নগরীতে রূপান্তর করবো।’

আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি কঠোর অবস্থানের কথা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘আমি নির্বাচিত হলে ঢাকা- ১৪ আসনের সকল মানুষের নিরাপত্তার দায়িত্ব নেব। চাঁদাবাজ, ভূমিদস্যু, দুর্নীতিবাজ ও মাদক ব্যবসায়ীদের এই এলাকায় কোনো স্থান হবে না। তারা হয় ভালো হয়ে যাবে, নয়তো এলাকা ছাড়তে বাধ্য হবে।’

ভোট চাওয়ার ক্ষেত্রে তিনি নেতিবাচক রাজনীতি না করার অঙ্গীকার করে তিনি আরও বলেন, ‘আমি কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ করে ভোট চাই না। আমি কী করতে পারবো, সেই উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েই মানুষের সমর্থন চাই।’

তিনি বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ডসহ দলের সকল সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন।

গণসংযোগকালে ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের সভাপতি রবিন খান, দারুসসালাম থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দীপু, সদস্য সচিব ওমর নাঈম, মিরপুর থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক অনিকসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং সংখ্যক এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

মৃ/ত্যুর দুইদিন পর ফলাফল প্রকাশ, শিহাব পেল গোল্ডেন এ প্লাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪২ পূর্বাহ্ণ
মৃ/ত্যুর দুইদিন পর ফলাফল প্রকাশ, শিহাব পেল গোল্ডেন এ প্লাস

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের দুইদিন আগে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যায় শিহাব। আজ সোমবার প্রকাশিত সেই ফলাফলে শিহাব পেয়েছে গোল্ডেন জিপিএ ৫।

সন্তানের এমন সাফল্যের দিনে ঘরে নেই সে। আনন্দের পরিবর্তে একমাত্র ছেলেকে হারানোর শোকে কাতর পরিবার।

শিহাব কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মানুরা গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে। সে ঢাকার বিমানবন্দর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল।

স্থানীয় ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম জানান, শিহাবের বাবা তোফাজ্জল হোসেন ঢাকায় গার্মেন্টস ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। ছোট ভাই তাজুল ইসলামের বিয়ের অনুষ্ঠান উপলক্ষে গত বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে গ্রামের বাড়িতে আসে তারা।

শনিবার দুপুরে গোসল শেষে বাড়ির ছাদে কাপড় শুকাতে যায় শিহাব। এ সময় বিয়ের অনুষ্ঠানের ডেকোরেশনের জন্য টানানো রঙিন বাতির তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় সে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে পাশের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। শনিবার সন্ধ্যায় গ্রামের বাড়িতে শিহাবের মরদেহ দাফন করা হয়।

 

একসঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দিলো মা-ছেলে, দুই জনই পেলেন জিপিএ-৫

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:২৩ পূর্বাহ্ণ
একসঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দিলো মা-ছেলে, দুই জনই পেলেন জিপিএ-৫

একসঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে বাজিমাত করেছে এক মা ও তার ছেলে। দুই জনই করেছেন অভাবনীয় রেজাল্ট। পেয়েছেন জিপিএ-৫। মা-ছেলের এ সাফল্যে এখন পরিবারজুড়ে আনন্দ।

তারা হলেন রাজশাহী নগরীর রাজপাড়া থানার বসিলা এলাকার বাসিন্দা মোছা. সাদিয়া বেগম ও তার ছেলে তানভীর আহমেদ। তারা এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সফলতার সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছেন।

সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে এসএসসির ফল জানার পর তাদের বাড়িতে নেমে আসে আনন্দের বন্যা। ফল প্রকাশের পর স্বজন ও পরিচিতজনরা তাদের অভিনন্দন জানাচ্ছেন।

সাদিয়া বেগমের স্বামী তোফাজ্জল হোসেন একজন সরকারি কর্মকর্তা। স্বামী-সংসার, সন্তান লালন-পালনসহ নানা দায়িত্বের মধ্যেও নিজের পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন।

জানা গেছে, ১৯ বছর আগে সাদিয়া বেগম বিয়ের পিঁড়িতে বসেন। এরপরে থেমে যায় তার পড়াশোনা। সংসার ও পারিবারিক দায়িত্বের কারণে দীর্ঘ ১৭ বছর বই-খাতার বাইরে ছিলেন তিনি। তবে পড়াশোনার প্রতি টানটা রয়ে গিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত নতুন করে শুরু করেন শিক্ষাজীবন। সংসার সামলেছেন, দুই ছেলের পড়াশোনার খোঁজ রেখেছেন; এর পাশাপাশি নিজেও চালিয়ে গেছেন পড়াশোনা। প্রায় দুই বছর আগে ছেলের সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দেবেন বলে সিদ্ধান্ত নেন।

পরিবারের সম্মতিতে সংসারের কাজের ফাঁকে চলে পড়াশোনা। সন্তানের পড়াশোনার দেখভালের পাশাপাশি নিজের পড়াশোনার সময়ও বের করেছেন।

চলতি বছরের এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পরিশ্রমের ফল পেয়েছেন সাদিয়া বেগম। তিনি রাজপাড়া আদর্শ মহিলা টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছেন। তার ছেলে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পেয়েছে গোল্ডেন জিপিএ-৫। অর্থাৎ একই বছরে একই সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে মা ও ছেলে দুই জনই পেয়েছেন জিপিএ-৫।

এসএসসিতে কত জিপিএ পেলেন ‘এটা আমাদেরই গল্প’-এর ফারহানা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:১০ পূর্বাহ্ণ
এসএসসিতে কত জিপিএ পেলেন ‘এটা আমাদেরই গল্প’-এর ফারহানা

জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটক ‘এটা আমাদেরই গল্প’-এর ফারহানা চরিত্রে অভিনয় করে পরিচিতি পাওয়া ইসরাত অতিথি এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৪ পেয়েছেন।

উত্তরা কেসি মডেল স্কুলের মানবিক বিভাগ থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন এই তরুনী অভিনেত্রী। ফল প্রকাশের পর নিজের সাফল্যে আনন্দ প্রকাশ করেছেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের অনুভূতি জানিয়ে ইসরাত লিখেছেন, ‘সবকিছুর জন্য আলহামদুলিল্লাহ। আপনারা সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।’

তবে ইসরাতের এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতির পথটি ছিল অন্যদের চেয়ে কিছুটা ভিন্ন। নবম শ্রেণি পর্যন্ত তিনি বিজ্ঞান বিভাগে পড়াশোনা করেন। পরবর্তী সময়ে অভিনয়ের ব্যস্ততা বেড়ে যাওয়ায় বিজ্ঞান বিভাগের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

বিশেষ করে ‘এটা আমাদেরই গল্প’ ধারাবাহিকের নিয়মিত শুটিংয়ে সময় দেওয়ার কারণে পড়াশোনার সঙ্গে অভিনয়ের ভারসাম্য রাখা তার জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। ফলে এসএসসি পরীক্ষার মাত্র আট মাস আগে বিভাগ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

এরই মধ্যে বোর্ডে তার নিবন্ধন হয়ে গেলেও স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে মানবিক বিভাগে চলে আসেন ইসরাত। এরপর মানবিক বিভাগ থেকেই এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ-৪ অর্জন করেন তিনি। পড়াশোনার পাশাপাশি ভবিষ্যতেও অভিনয়ে নিয়মিত কাজ করে যেতে চান ইসরাত অতিথি।