খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ, ১৪৩৩

তরুণদের কর্মসংস্থান, বস্তিবাসীর পুনর্বাসনে কাজ করবে বিএনপি: তারেক রহমান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:৩১ অপরাহ্ণ
তরুণদের কর্মসংস্থান, বস্তিবাসীর পুনর্বাসনে কাজ করবে বিএনপি: তারেক রহমান

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কৃষি ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বস্তিবাসীর পুনর্বাসনসহ নানা সামাজিক সমস্যা সমাধানে কাজ করবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) রাজধানীর ভাষানটেকে এক নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব প্রতিশ্রুতি দেন।

তারেক রহমান বলেন, দেশে দীর্ঘ আন্দোলন ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচারের পতন ঘটেছে। এখন সময় দেশ গঠনের। স্বৈরাচারী শাসনের কারণে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন করতে হলে জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধির প্রয়োজন রয়েছে।

আমি, তুমি ও ডামির নির্বাচন যখন হয়েছিল, তখন সাধারণ মানুষ তাদের সমস্যা নিয়ে জনপ্রতিনিধির কাছে যেতে পারেনি। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য জনগণের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে হবে। একই সঙ্গে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে, যোগ করেন তিনি।

জনসভায় উপস্থিত মানুষের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, তিনি জনগণের মুখ থেকেই তাদের সমস্যার কথা জানতে চান। তার প্রত্যাশা, আগামী দিনে প্রত্যেক জনপ্রতিনিধি জনগণের কাছে যাবেন, তাদের কথা শুনবেন ও সমস্যা সমাধানে কাজ করবেন।

নিজের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, কৃষকদের জন্য বিশেষ কার্ড চালু এবং সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা করে কৃষির উন্নয়নে কাজ করবে বিএনপি। পাশাপাশি যুবকদের জন্য প্রশিক্ষণ ও শিক্ষার ব্যবস্থা করে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা হবে, যাতে তারা দেশে কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করতে পারে, বিদেশে দক্ষ শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে পারে কিংবা নিজ উদ্যোগে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে।

নারীদের ক্ষমতায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নারীদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং তাদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। ক্ষমতায় গেলে এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নে বিএনপি কাজ করবে।

এছাড়া বস্তিবাসীদের জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।

‘করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’- এই শপথ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ধানের শীষ প্রতীক যতবার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছে, ততবারই মানুষের জীবনে উন্নতি এসেছে। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হলে সারাদেশে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হবে। এজন্য সবাইকে নিজের আত্মীয়স্বজনকেও ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানানোর জন্য বলেন তিনি।

জনসভায় বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে মঞ্চে ছিলেন তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান। সেই সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, ফরহাদ হালিম ডোনার ও নাজিমুদ্দিন আলম, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক এবং সদস্যসচিব মোস্তফা জামান।

এছাড়া, ভাষানটেক থানা বিএনপির আহ্বায়ক কাদের মাহমুদ, জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহম্মেদ জনসভায় অংশ নেন।

বক্তব্য শুরুর আগে ভাষানটেকের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলেন তারেক রহমান। তিনি ভ্যানচালক, গৃহিণী, বস্তিবাসী ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এলাকার সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন এবং নির্বাচিত হলে ও ক্ষমতায় গেলে সেসব সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন।

মৃ/ত্যুর দুইদিন পর ফলাফল প্রকাশ, শিহাব পেল গোল্ডেন এ প্লাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪২ পূর্বাহ্ণ
মৃ/ত্যুর দুইদিন পর ফলাফল প্রকাশ, শিহাব পেল গোল্ডেন এ প্লাস

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের দুইদিন আগে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যায় শিহাব। আজ সোমবার প্রকাশিত সেই ফলাফলে শিহাব পেয়েছে গোল্ডেন জিপিএ ৫।

সন্তানের এমন সাফল্যের দিনে ঘরে নেই সে। আনন্দের পরিবর্তে একমাত্র ছেলেকে হারানোর শোকে কাতর পরিবার।

শিহাব কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মানুরা গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে। সে ঢাকার বিমানবন্দর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল।

স্থানীয় ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম জানান, শিহাবের বাবা তোফাজ্জল হোসেন ঢাকায় গার্মেন্টস ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। ছোট ভাই তাজুল ইসলামের বিয়ের অনুষ্ঠান উপলক্ষে গত বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে গ্রামের বাড়িতে আসে তারা।

শনিবার দুপুরে গোসল শেষে বাড়ির ছাদে কাপড় শুকাতে যায় শিহাব। এ সময় বিয়ের অনুষ্ঠানের ডেকোরেশনের জন্য টানানো রঙিন বাতির তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় সে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে পাশের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। শনিবার সন্ধ্যায় গ্রামের বাড়িতে শিহাবের মরদেহ দাফন করা হয়।

 

একসঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দিলো মা-ছেলে, দুই জনই পেলেন জিপিএ-৫

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:২৩ পূর্বাহ্ণ
একসঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দিলো মা-ছেলে, দুই জনই পেলেন জিপিএ-৫

একসঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে বাজিমাত করেছে এক মা ও তার ছেলে। দুই জনই করেছেন অভাবনীয় রেজাল্ট। পেয়েছেন জিপিএ-৫। মা-ছেলের এ সাফল্যে এখন পরিবারজুড়ে আনন্দ।

তারা হলেন রাজশাহী নগরীর রাজপাড়া থানার বসিলা এলাকার বাসিন্দা মোছা. সাদিয়া বেগম ও তার ছেলে তানভীর আহমেদ। তারা এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সফলতার সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছেন।

সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে এসএসসির ফল জানার পর তাদের বাড়িতে নেমে আসে আনন্দের বন্যা। ফল প্রকাশের পর স্বজন ও পরিচিতজনরা তাদের অভিনন্দন জানাচ্ছেন।

সাদিয়া বেগমের স্বামী তোফাজ্জল হোসেন একজন সরকারি কর্মকর্তা। স্বামী-সংসার, সন্তান লালন-পালনসহ নানা দায়িত্বের মধ্যেও নিজের পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন।

জানা গেছে, ১৯ বছর আগে সাদিয়া বেগম বিয়ের পিঁড়িতে বসেন। এরপরে থেমে যায় তার পড়াশোনা। সংসার ও পারিবারিক দায়িত্বের কারণে দীর্ঘ ১৭ বছর বই-খাতার বাইরে ছিলেন তিনি। তবে পড়াশোনার প্রতি টানটা রয়ে গিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত নতুন করে শুরু করেন শিক্ষাজীবন। সংসার সামলেছেন, দুই ছেলের পড়াশোনার খোঁজ রেখেছেন; এর পাশাপাশি নিজেও চালিয়ে গেছেন পড়াশোনা। প্রায় দুই বছর আগে ছেলের সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দেবেন বলে সিদ্ধান্ত নেন।

পরিবারের সম্মতিতে সংসারের কাজের ফাঁকে চলে পড়াশোনা। সন্তানের পড়াশোনার দেখভালের পাশাপাশি নিজের পড়াশোনার সময়ও বের করেছেন।

চলতি বছরের এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পরিশ্রমের ফল পেয়েছেন সাদিয়া বেগম। তিনি রাজপাড়া আদর্শ মহিলা টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছেন। তার ছেলে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পেয়েছে গোল্ডেন জিপিএ-৫। অর্থাৎ একই বছরে একই সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে মা ও ছেলে দুই জনই পেয়েছেন জিপিএ-৫।

এসএসসিতে কত জিপিএ পেলেন ‘এটা আমাদেরই গল্প’-এর ফারহানা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:১০ পূর্বাহ্ণ
এসএসসিতে কত জিপিএ পেলেন ‘এটা আমাদেরই গল্প’-এর ফারহানা

জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটক ‘এটা আমাদেরই গল্প’-এর ফারহানা চরিত্রে অভিনয় করে পরিচিতি পাওয়া ইসরাত অতিথি এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৪ পেয়েছেন।

উত্তরা কেসি মডেল স্কুলের মানবিক বিভাগ থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন এই তরুনী অভিনেত্রী। ফল প্রকাশের পর নিজের সাফল্যে আনন্দ প্রকাশ করেছেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের অনুভূতি জানিয়ে ইসরাত লিখেছেন, ‘সবকিছুর জন্য আলহামদুলিল্লাহ। আপনারা সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।’

তবে ইসরাতের এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতির পথটি ছিল অন্যদের চেয়ে কিছুটা ভিন্ন। নবম শ্রেণি পর্যন্ত তিনি বিজ্ঞান বিভাগে পড়াশোনা করেন। পরবর্তী সময়ে অভিনয়ের ব্যস্ততা বেড়ে যাওয়ায় বিজ্ঞান বিভাগের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

বিশেষ করে ‘এটা আমাদেরই গল্প’ ধারাবাহিকের নিয়মিত শুটিংয়ে সময় দেওয়ার কারণে পড়াশোনার সঙ্গে অভিনয়ের ভারসাম্য রাখা তার জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। ফলে এসএসসি পরীক্ষার মাত্র আট মাস আগে বিভাগ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

এরই মধ্যে বোর্ডে তার নিবন্ধন হয়ে গেলেও স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে মানবিক বিভাগে চলে আসেন ইসরাত। এরপর মানবিক বিভাগ থেকেই এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ-৪ অর্জন করেন তিনি। পড়াশোনার পাশাপাশি ভবিষ্যতেও অভিনয়ে নিয়মিত কাজ করে যেতে চান ইসরাত অতিথি।