খুঁজুন
শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

বরিশালে বিএনপির প্রার্থী সান্টুসহ ১০ জনের মনোনয়ন স্থগিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:২৫ অপরাহ্ণ
বরিশালে বিএনপির প্রার্থী সান্টুসহ ১০ জনের মনোনয়ন স্থগিত

বরিশাল জেলার সংসদীয় ছয়টি আসনে ছয়জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল ও ১০ জনের মনোনয়নপত্র স্থগিত করা হয়েছে।

যাচাই-বাছাই শেষে শনিবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমন এ তথ্য জানান।

মনোনয়ন বাছাইয়ের দ্বিতীয় দিন শনিবার তিনটি আসনের মধ্যে চার প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল এবং আট প্রার্থীর মনোনয়ন স্থগিত করা হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার (২ জানুয়ারি) মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের প্রথম দিনে তিনটি আসনে দুই প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল এবং আরও দুইজনের মনোনয়ন স্থগিত করা হয়।

মনোনয়ন যাচাইয়ের দ্বিতীয় দিন শনিবার বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনে চারজনের মনোয়ন বৈধ ঘোষণা এবং একজন প্রার্থীর মনোনয়ন স্থগিত করা হয়েছে। এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুস সোবাহান (বিএনপি বিদ্রোহ), বিএনপির জহির উদ্দিন স্বপন, জাতীয় পার্টির সেরনিয়াবাত সেকেন্দার আলী এবং ইসলামী আন্দোলনের রাসেল সরদার মেহেদীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ আসনে জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী কামরুল ইসলাম খানের আয়করবিষয়ক সমস্যা থাকায় স্থগিত রাখা হয়েছে।

বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনে চারজন প্রার্থীর প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বাতিল হয়েছে একজনের এবং স্থগিত হয়েছে পাঁচ প্রার্থীর মনোনয়ন। এ আসনে বাসদের প্রার্থী তারিকুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী নেসার উদ্দিন, রঞ্জিত কুমার বাড়ৈ এবং খেলাফত মসজিদের মুন্সী মোস্তাফিজুর রহমানের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ আসনে জাসদের প্রার্থী আবুল কালাম আজাদের মনোনয়নপত্রে দলীয় অঙ্গীকারনামা না থাকার কারণে তা অবৈধ বা বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল মান্নান ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা না থাকায় স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।

এছাড়া বিএনপির প্রার্থী সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ (সান্টু)র আয়কর বিষয় সমস্যা থাকায় স্থগিত করা হয়েছে। প্রার্থী সাহেব আলীর হোল্ডিং ট্যাক্স বিষয় সমস্যার কারণে স্থগিত করা হয়েছে। জাতীয় পার্টির এম এ জলিলের অঙ্গীকারনামা না থাকার কারণে স্থগিত রাখা হয়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ কংগ্রেসের আব্দুল হকের ৩শ টাকার স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা না থাকার কারণে স্থগিত রাখা হয়েছে।
বরিশাল-৩ (মুলাদি-বাবুগঞ্জ) আসনের চারজন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

এছাড়া বাতিল হয়েছে তিন প্রার্থীর মনোনয়ন, স্থগিত হয়েছে দুইজনের প্রার্থীতা। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী জয়নাল আবেদীনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলনের সিরাজুল ইসলামী, গণঅধিকার পরিষদের ইয়ামিন এইচ এম ফারদিন এবং এবি পার্টির আসাদুজ্জামান ভূঁইয়ার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ আসনে জাতীয় পার্টির ইকবাল হোসেন তাপসের দলীয় প্রধানের অঙ্গীকারনামা এবং ৩শ টাকার স্টাম্পে অঙ্গীকারনামা না থাকার কারণে বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।

জাতীয় পার্টির ফখরুল আহসানের দলীয় প্রধানের অঙ্গীকারনামা না থাকার কারণে তা বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রার্থী আব্দুস সাত্তার খানের অঙ্গীকারনামা না থাকার কারণে বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।

এ ছাড়া জাতীয় পার্টির গোলাম কিবরিয়া টিপুর জেল হাজতে এবং দ্বৈত নাগরিকতা থাকার অভিযোগের কারণে মনোনয়ন স্থগিত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি বাসদ মনোনীত প্রার্থী আজিমুল হাসান জিহাদ ৩শ টাকার স্ট্যাম্পে দলীয় প্রধানের অঙ্গীকারনামা না থাকার কারণে স্থগিত রাখা হয়েছে।

এর আগের দিন শুক্রবার প্রাথমিক বাছাইয়ের প্রথম দিন বরিশাল জেলার তিনটি আসনের মনোনয়নপত্র যাচাইয়ে ২ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া আরও দুই প্রার্থীর মনোনয়ন স্থগিত ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। বাকি ১৭ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা হয়েছে। শুক্রবার বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে এ যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শেষে এ তথ্য জানানো হয়। এর মধ্যে বরিশাল-৫ সদর আসনের খেলাফত মজলিসের প্রার্থী একেএম মাহবুব আলম মনোনয়নপত্রের ২০ নম্বর পাতায় স্বাক্ষর করেনি এবং ২১ নম্বর পাতা পূরণ না করায় তার মনোনয়ন বাতিল হয়। এ ছাড়া বরিশাল-৫ আসনো স্বতন্ত্র প্রার্থী তরিকুল ইসলাম ভোটার তালিকা ও প্রস্তাবক-সমর্থকদের তথ্য সঠিক না দেওয়ায় তার মনোনয়নপত্রও বাতিল হয়।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ঘাটতির কারণে দুটি মনোনয়নপত্র স্থগিত রাখা হয়েছে। এর মধ্যে হলফনামা নোটারির কাগজে স্বাক্ষর না থাকা এবং অঙ্গীকারনামায় অসংগতির কারণে বরিশাল-৫ আসনের বাসদ প্রার্থী ডা. মনিষা চক্রবর্তীর মনোনয়নপত্র স্থগিত রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া আয়কর রিটার্ন সনদ না থাকা, ১০ (বি) ফরম সংযুক্ত না করা এবং ছবি সত্যায়িত না থাকায় বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনের মুসলিম লীগ প্রার্থী আব্দুল কুদ্দুসের মনোনয়ন স্থগিত করা হয়। কাগজপত্র সংশোধন করে জমাদানের পর রোববার স্থগিত হওয়া মনোনয়নের বিষয়ে ফের পরবর্তী সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশন দেবে বলে জানা গেছে।

বরিশাল জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বরিশাল জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম সুমন বলেন, যাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে তারা পুণরায় আপিল করতে পারবেন। আর যাদের মনোনয়ন স্থগিত করা হয়েছে তাদের বিষয়ে যাচাই-বাছাই করে রোববার (৪ জানুয়ারি) সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

 

ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের নেতৃত্বে আলোচনায় মামুনুর রশিদ খান মামুন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ
ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের নেতৃত্বে আলোচনায় মামুনুর রশিদ খান মামুন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ঢাকা মহানগর উত্তরের আসন্ন আংশিক কিংবা পূর্ণাঙ্গ কমিটিকে ঘিরে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে বইছে নতুন প্রত্যাশার হাওয়া। সেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে এক পরীক্ষিত, ত্যাগী ও রাজপথের সাহসী সৈনিকের নাম। তিনি মিরপুর কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সাবেক ১ নম্বর সদস্য মামুনুর রশিদ খান মামুন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় অসংখ্য নির্যাতন, মামলা-হামলা, কারাবরণ আর দুঃসময় পেরিয়েও যিনি দলের পতাকা আঁকড়ে রেখেছেন, সেই মামুনকে ঘিরেই এখন নেতাকর্মীদের স্বপ্ন ও প্রত্যাশা। দলের জন্য নিবেদিতপ্রাণ এই যুবনেতাকে নেতৃত্বে দেখতে চান মহানগর উত্তরের অসংখ্য ত্যাগী কর্মী।

দলীয় সূত্র বলছে, বিগত স্বৈরাচারী সরকারের দমন-পীড়নের সময় যখন অনেকেই ঘরে বন্দি, তখন রাজপথে সক্রিয় ছিলেন মামুন। বিশেষ করে ২০১৩-১৪ সালের আন্দোলন-সংগ্রামের উত্তাল সময়ে ঢাকা উত্তরের হরতাল ও অবরোধ সফল করতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাঠে ছিলেন তিনি। পুলিশের ধাওয়া, গ্রেফতারের ভয় কিংবা নির্যাতন-কোনো কিছুই তাকে দমাতে পারেনি।

রাজনীতি করতে গিয়ে তাকে দিতে হয়েছে বড় মূল্যও। রাজধানীর বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে রয়েছে প্রায় ৯টি রাজনৈতিক মামলা। আন্দোলনের সময় তিনবার গ্রেফতার হয়ে কারাগারে যেতে হয়েছে তাকে। এমনকি চার দিনের রিমান্ডে নিয়ে চালানো হয়েছে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। কিন্তু এত কিছুর পরও দলের আদর্শ ও দেশনায়ক তারেক রহমানের প্রতি আস্থা থেকে একচুলও সরে যাননি তিনি।

ছাত্ররাজনীতি থেকেই নিজের নেতৃত্বগুণের পরিচয় দেন মামুনুর রশিদ খান মামুন। মিরপুর কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি সংগঠনকে শক্তিশালী ও সক্রিয় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পরবর্তীতে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আহ্বায়ক কমিটিতে ১ নম্বর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক হয়ে ওঠেন। তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায় সংগঠন গোছাতে তার ভূমিকার কথা এখনো স্মরণ করেন নেতাকর্মীরা।

মহানগর উত্তর যুবদলের সাধারণ নেতাকর্মীদের ভাষ্য, ‘ত্যাগীদের মূল্যায়ন না হলে সংগঠন শক্তিশালী হয় না।’ তাদের বিশ্বাস, মামুনুর রশিদ খান মামুনের মতো পরীক্ষিত ও রাজপথে লড়াই করা নেতাদের নেতৃত্বে আনতে পারলে যুবদল আরও সুসংগঠিত ও গতিশীল হবে।

রাজনীতির কঠিন সময়ে যারা দলের জন্য সবকিছু বিলিয়ে দিয়েছেন, মামুন তাদেরই একজন- এমন মন্তব্য এখন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের তৃণমূলের মুখে মুখে।

শাকিব খানের ভিন্নধর্মী সাক্ষাৎকার নিতে চান দীঘি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ২:১৩ অপরাহ্ণ
শাকিব খানের ভিন্নধর্মী সাক্ষাৎকার নিতে চান দীঘি

শিশুশিল্পী হিসেবে মেগাস্টার শাকিব খানের সঙ্গে একাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন এ সময়ের চিত্রনায়িকা প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। ‘চাচ্চু’ সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করার আগে তখন থেকেই শাকিব খানকে ‘চাচ্চু’ সম্বোধন করতেন দীঘি। এবার তিনি জানালেন, সময় সুযোগ হলে শাকিব খানের একটি ভিন্নধর্মী ইন্টারভিউ নিতে চান তিনি।

এ সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় পডকাস্ট ‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে’ তে অতিথি হয়ে এসেছেন দীঘি। শনিবার (১৬ মে) রাত ৯টায় মাছরাঙা টেলিভিশন ও রেডিও দিনরাত ৯৩.৬ এফএম-এ একযোগে প্রচারিত হবে এই বিশেষ পডকাস্ট।

রুম্মান রশীদ খানের সঞ্চালনায় এই পডকাস্টে দীঘি বলেছেন, যেহেতু একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে মিডিয়া স্টাডিজ এন্ড জার্নালিজম বিভাগে তিনি পড়ছেন, সেই সূত্র ধরেই একদিনের জন্য হলেও সাংবাদিকতা করতে চান তিনি।

রুম্মান রশীদ খান প্রশ্ন করেন, সুযোগ পেলে কোন তারকার ইন্টারভিউ নেবে দীঘি? উত্তরে দীঘি জানান, অনেকদিন ধরেই তার ইচ্ছে শাকিব খানের সাক্ষাৎকার নেবার; যে সাক্ষাৎকার কিছুটা ভিন্নধর্মী হবে।

দীঘি জানান, একদিনের জন্য হলেও ক্যামেরার পেছনেও কাজ করতে চান তিনি। পরিচালক হবার স্বপ্ন তার রয়েছে। প্রায় ১২০ মিনিটের পডকাস্টে দীঘি খোলামেলা অনেক কথা বলেছেন, তাকে ঘিরে বিভিন্ন কৌতুহল ও সমালোচনার উত্তর দিয়েছেন।

চিত্রপরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু, মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, রায়হান রাফী, জয়া আহসান, পূজা চেরি, তৌহিদ আফ্রিদিকে নিয়ে দীঘি এবার এমন কিছু বলেছেন, যা আগে কখনো বলেননি।

‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে’ প্রযোজনা করছেন জেড আই ফয়সাল।

ঈদুল আজহা: ট্রেনের ২৫ মে’র অগ্রিম টিকিট বিক্রি আজ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৯:৫১ পূর্বাহ্ণ
ঈদুল আজহা: ট্রেনের ২৫ মে’র অগ্রিম টিকিট বিক্রি আজ

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের জন্য আজ বিক্রি হচ্ছে তৃতীয় দিনের, অর্থাৎ ২৫ মে’র ট্রেনের আসনের টিকিট।

যাত্রীসেবার সুবিধার্থে সব আসনের টিকিট শতভাগ অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। শুক্রবার (১৫ মে) সকাল ৮টা থেকে পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনগুলোর টিকিট বিক্রি শুরু হবে। এছাড়া দুপুর ২টা থেকে পূর্বাঞ্চলের ট্রেনগুলোর টিকিট বিক্রি শুরু করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

ঈদ উপলক্ষে রেলওয়ের নেওয়া কর্মপরিকল্পনা থেকে জানা গেছে, ঈদের আগে পাঁচ দিনের ট্রেনের আসনের টিকিট বিশেষ ব্যবস্থায় অগ্রিম বিক্রি করা হবে। আন্তঃনগর ট্রেনের ২৩ মে’র আসনের টিকিট বিক্রি করা হয়েছে গত ১৩ মে ও ২৪ মে’র আসনের টিকিট বিক্রি করা হয়েছে ১৪ মে। এছাড়া ২৬ মে’র আসনের টিকিট বিক্রি হবে ১৬ মে এবং ২৭ মে’র আসনের টিকিট বিক্রি হবে ১৭ মে।

রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, একজন যাত্রী ঈদ অগ্রিম যাত্রার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ একবার টিকিট কিনতে পারবেন এবং প্রতি ক্ষেত্রে সর্বাধিক চারটি টিকিট ক্রয় করতে পারবেন। ঈদ অগ্রিম যাত্রার টিকিট রিফান্ড করা যাবে না।

যাত্রীদের অনুরোধে যাত্রার দিন মোট আসনের (উচ্চ শ্রেণি ব্যতীত) ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট স্টেশন কাউন্টার থেকে বিক্রি করা হবে।

এদিকে, ঈদের চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ২৮, ২৯ ও ৩০ মে তারিখের টিকিট বিক্রি করা হবে।