খুঁজুন
শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

রিয়ালকে হারিয়ে লিগ শিরোপা জিতলো বার্সেলোনা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৯:৫৭ পূর্বাহ্ণ
রিয়ালকে হারিয়ে লিগ শিরোপা জিতলো বার্সেলোনা

এল ক্লাসিকোতেই শিরোপা উৎসব। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়েই লা লিগার মুকুট পুনরুদ্ধার করল বার্সেলোনা। রবিবার রাতে কাম্প ন্যুতে দাপুটে ফুটবল খেলে ২-০ গোলের জয় তুলে নেয় হানসি ফ্লিকের দল। মৌসুম শেষ হতে এখনও ৩ ম্যাচ বাকি থাকতেই নিশ্চিত হয়ে যায় কাতালানদের শিরোপা।

ম্যাচের শুরু থেকেই আগ্রাসী ছিল বার্সেলোনা। আর সেই চাপের ফল আসে দ্রুতই। ৯ মিনিটে দুর্দান্ত এক ফ্রি-কিক থেকে দলকে এগিয়ে দেন মার্কাস রাশফোর্ড। বক্সের ঠিক বাইরে ফেরান তোরেসকে ফাউল করেছিলেন আন্তোনিও রুডিগার। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাঁকানো শটে বল জালে জড়িয়ে দেন ইংলিশ ফরোয়ার্ড।

রাশফোর্ডের গোলের রেশ কাটতে না কাটতেই আরও বড় ধাক্কা খায় রিয়াল। ১৮ মিনিটে দানি ওলমোর অসাধারণ দক্ষতায় তৈরি হওয়া আক্রমণ থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ফেরান তোরেস। ক্রস থেকে আসা বল পেছনে ফ্লিক করে বাড়িয়ে দেন ওলমো। আর সুযোগ বুঝে জোরালো শটে গোল করেন তোরেস।

শুরুতেই ২ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেছিল রিয়াল মাদ্রিদ। তবে পুরো ম্যাচেই ছন্দহীন ছিল তারা। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র শুরুতে কয়েকটি আক্রমণ সাজালেও বার্সার গোলরক্ষক হোয়ান গার্সিয়াকে খুব বেশি পরীক্ষা নিতে পারেননি।

দ্বিতীয়ার্ধে একবার বল জালে জড়িয়েছিলেন জুড বেলিংহাম। কিন্তু অফসাইডের কারণে সেই গোল বাতিল হয়ে যায়। এরপর আর সত্যিকার অর্থে ম্যাচে ফেরার মতো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি মাদ্রিদের ক্লাবটি।

অন্যদিকে বার্সেলোনা আরও কয়েকটি গোল পেতেই পারত। বিশেষ করে রাশফোর্ড ও তোরেসের অন্তত ২টি নিশ্চিত সুযোগ দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন থিবো কোর্তোয়া। না হলে ব্যবধান আরও বড় হতে পারত।

ম্যাচজুড়ে উত্তেজনাও কম ছিল না। দ্বিতীয়ার্ধে কয়েকবার হাতাহাতির পরিস্থিতিও তৈরি হয়। ছোট একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দলের খেলোয়াড়রা জড়িয়ে পড়েন উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডায়। পরে দানি ওলমো ও রাউল আসেনসিওকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। আরেক দফা খেলা বন্ধ রাখতে হয় এরিক গার্সিয়ার কনুইয়ের আঘাতে বেলিংহাম পড়ে গেলে।

এই জয়ে ৩ ম্যাচ হাতে রেখেই শীর্ষে থাকা বার্সেলোনার পয়েন্ট ব্যবধান দাঁড়ায় ১৪। ফলে গাণিতিকভাবেই আর তাদের ধরা সম্ভব নয় রিয়ালের।

শিরোপা জয়ের এই রাতটি আবেগঘনও ছিল বার্সেলোনার জন্য। ম্যাচের কয়েক ঘণ্টা আগে ক্লাব জানায়, কোচ হানসি ফ্লিকের বাবা মারা গেছেন। তবু দলের দায়িত্বে ছিলেন জার্মান এই কোচ। ম্যাচ শুরুর আগে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়, আর দুই দলের খেলোয়াড়রাই কালো ব্যাচ পরে মাঠে নামেন।

ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের নেতৃত্বে আলোচনায় মামুনুর রশিদ খান মামুন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ
ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের নেতৃত্বে আলোচনায় মামুনুর রশিদ খান মামুন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ঢাকা মহানগর উত্তরের আসন্ন আংশিক কিংবা পূর্ণাঙ্গ কমিটিকে ঘিরে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে বইছে নতুন প্রত্যাশার হাওয়া। সেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে এক পরীক্ষিত, ত্যাগী ও রাজপথের সাহসী সৈনিকের নাম। তিনি মিরপুর কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সাবেক ১ নম্বর সদস্য মামুনুর রশিদ খান মামুন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় অসংখ্য নির্যাতন, মামলা-হামলা, কারাবরণ আর দুঃসময় পেরিয়েও যিনি দলের পতাকা আঁকড়ে রেখেছেন, সেই মামুনকে ঘিরেই এখন নেতাকর্মীদের স্বপ্ন ও প্রত্যাশা। দলের জন্য নিবেদিতপ্রাণ এই যুবনেতাকে নেতৃত্বে দেখতে চান মহানগর উত্তরের অসংখ্য ত্যাগী কর্মী।

দলীয় সূত্র বলছে, বিগত স্বৈরাচারী সরকারের দমন-পীড়নের সময় যখন অনেকেই ঘরে বন্দি, তখন রাজপথে সক্রিয় ছিলেন মামুন। বিশেষ করে ২০১৩-১৪ সালের আন্দোলন-সংগ্রামের উত্তাল সময়ে ঢাকা উত্তরের হরতাল ও অবরোধ সফল করতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাঠে ছিলেন তিনি। পুলিশের ধাওয়া, গ্রেফতারের ভয় কিংবা নির্যাতন-কোনো কিছুই তাকে দমাতে পারেনি।

রাজনীতি করতে গিয়ে তাকে দিতে হয়েছে বড় মূল্যও। রাজধানীর বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে রয়েছে প্রায় ৯টি রাজনৈতিক মামলা। আন্দোলনের সময় তিনবার গ্রেফতার হয়ে কারাগারে যেতে হয়েছে তাকে। এমনকি চার দিনের রিমান্ডে নিয়ে চালানো হয়েছে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। কিন্তু এত কিছুর পরও দলের আদর্শ ও দেশনায়ক তারেক রহমানের প্রতি আস্থা থেকে একচুলও সরে যাননি তিনি।

ছাত্ররাজনীতি থেকেই নিজের নেতৃত্বগুণের পরিচয় দেন মামুনুর রশিদ খান মামুন। মিরপুর কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি সংগঠনকে শক্তিশালী ও সক্রিয় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পরবর্তীতে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আহ্বায়ক কমিটিতে ১ নম্বর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক হয়ে ওঠেন। তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায় সংগঠন গোছাতে তার ভূমিকার কথা এখনো স্মরণ করেন নেতাকর্মীরা।

মহানগর উত্তর যুবদলের সাধারণ নেতাকর্মীদের ভাষ্য, ‘ত্যাগীদের মূল্যায়ন না হলে সংগঠন শক্তিশালী হয় না।’ তাদের বিশ্বাস, মামুনুর রশিদ খান মামুনের মতো পরীক্ষিত ও রাজপথে লড়াই করা নেতাদের নেতৃত্বে আনতে পারলে যুবদল আরও সুসংগঠিত ও গতিশীল হবে।

রাজনীতির কঠিন সময়ে যারা দলের জন্য সবকিছু বিলিয়ে দিয়েছেন, মামুন তাদেরই একজন- এমন মন্তব্য এখন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের তৃণমূলের মুখে মুখে।

শাকিব খানের ভিন্নধর্মী সাক্ষাৎকার নিতে চান দীঘি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ২:১৩ অপরাহ্ণ
শাকিব খানের ভিন্নধর্মী সাক্ষাৎকার নিতে চান দীঘি

শিশুশিল্পী হিসেবে মেগাস্টার শাকিব খানের সঙ্গে একাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন এ সময়ের চিত্রনায়িকা প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। ‘চাচ্চু’ সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করার আগে তখন থেকেই শাকিব খানকে ‘চাচ্চু’ সম্বোধন করতেন দীঘি। এবার তিনি জানালেন, সময় সুযোগ হলে শাকিব খানের একটি ভিন্নধর্মী ইন্টারভিউ নিতে চান তিনি।

এ সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় পডকাস্ট ‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে’ তে অতিথি হয়ে এসেছেন দীঘি। শনিবার (১৬ মে) রাত ৯টায় মাছরাঙা টেলিভিশন ও রেডিও দিনরাত ৯৩.৬ এফএম-এ একযোগে প্রচারিত হবে এই বিশেষ পডকাস্ট।

রুম্মান রশীদ খানের সঞ্চালনায় এই পডকাস্টে দীঘি বলেছেন, যেহেতু একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে মিডিয়া স্টাডিজ এন্ড জার্নালিজম বিভাগে তিনি পড়ছেন, সেই সূত্র ধরেই একদিনের জন্য হলেও সাংবাদিকতা করতে চান তিনি।

রুম্মান রশীদ খান প্রশ্ন করেন, সুযোগ পেলে কোন তারকার ইন্টারভিউ নেবে দীঘি? উত্তরে দীঘি জানান, অনেকদিন ধরেই তার ইচ্ছে শাকিব খানের সাক্ষাৎকার নেবার; যে সাক্ষাৎকার কিছুটা ভিন্নধর্মী হবে।

দীঘি জানান, একদিনের জন্য হলেও ক্যামেরার পেছনেও কাজ করতে চান তিনি। পরিচালক হবার স্বপ্ন তার রয়েছে। প্রায় ১২০ মিনিটের পডকাস্টে দীঘি খোলামেলা অনেক কথা বলেছেন, তাকে ঘিরে বিভিন্ন কৌতুহল ও সমালোচনার উত্তর দিয়েছেন।

চিত্রপরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু, মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, রায়হান রাফী, জয়া আহসান, পূজা চেরি, তৌহিদ আফ্রিদিকে নিয়ে দীঘি এবার এমন কিছু বলেছেন, যা আগে কখনো বলেননি।

‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে’ প্রযোজনা করছেন জেড আই ফয়সাল।

ঈদুল আজহা: ট্রেনের ২৫ মে’র অগ্রিম টিকিট বিক্রি আজ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৯:৫১ পূর্বাহ্ণ
ঈদুল আজহা: ট্রেনের ২৫ মে’র অগ্রিম টিকিট বিক্রি আজ

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের জন্য আজ বিক্রি হচ্ছে তৃতীয় দিনের, অর্থাৎ ২৫ মে’র ট্রেনের আসনের টিকিট।

যাত্রীসেবার সুবিধার্থে সব আসনের টিকিট শতভাগ অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। শুক্রবার (১৫ মে) সকাল ৮টা থেকে পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনগুলোর টিকিট বিক্রি শুরু হবে। এছাড়া দুপুর ২টা থেকে পূর্বাঞ্চলের ট্রেনগুলোর টিকিট বিক্রি শুরু করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

ঈদ উপলক্ষে রেলওয়ের নেওয়া কর্মপরিকল্পনা থেকে জানা গেছে, ঈদের আগে পাঁচ দিনের ট্রেনের আসনের টিকিট বিশেষ ব্যবস্থায় অগ্রিম বিক্রি করা হবে। আন্তঃনগর ট্রেনের ২৩ মে’র আসনের টিকিট বিক্রি করা হয়েছে গত ১৩ মে ও ২৪ মে’র আসনের টিকিট বিক্রি করা হয়েছে ১৪ মে। এছাড়া ২৬ মে’র আসনের টিকিট বিক্রি হবে ১৬ মে এবং ২৭ মে’র আসনের টিকিট বিক্রি হবে ১৭ মে।

রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, একজন যাত্রী ঈদ অগ্রিম যাত্রার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ একবার টিকিট কিনতে পারবেন এবং প্রতি ক্ষেত্রে সর্বাধিক চারটি টিকিট ক্রয় করতে পারবেন। ঈদ অগ্রিম যাত্রার টিকিট রিফান্ড করা যাবে না।

যাত্রীদের অনুরোধে যাত্রার দিন মোট আসনের (উচ্চ শ্রেণি ব্যতীত) ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট স্টেশন কাউন্টার থেকে বিক্রি করা হবে।

এদিকে, ঈদের চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ২৮, ২৯ ও ৩০ মে তারিখের টিকিট বিক্রি করা হবে।