খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ, ১৪৩৩

কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ৫:৪৭ অপরাহ্ণ
কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান

কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন দর্শকপ্রিয় অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান। তিনি নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সিদ্দিক জানান, গত ১৮ মার্চ তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।

সিদ্দিক বলেন, আমার নামে দুটি মামলা রয়েছে। তবে কারাগার থেকে মুক্ত হওয়ার পর ভিন্ন এক অনুভূতি কাজ করছে, যা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। আমি প্রায় ১০ মাস কারাগারে ছিলাম। জীবনের এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরেছি।

তিনি আরও বলেন, মুক্তির পর গত কয়েক দিন পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়েছি। নিজেকে একটু গুছিয়ে নিয়েছি। এতদিন এক ধরনের পরিবেশে ছিলাম, এখন সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিবেশে এসেছি। নিজের মতো করে সময় কাটানোর জন্যই এতদিন বিষয়টি প্রকাশ করিনি।

অভিনেতা জানান, জেলে ১০ মাস ২২ দিন ছিলাম। ওই সময়টা সঠিকভাবে ব্যবহার করেছি। তখন ভাবছিলাম আমি শিল্পী মানুষ। সময়টাকে কাজে লাগাই। আল্লাহই আমাকে পরিবর্তন করিয়েছেন।

অভিনেতা বলেন, আগে দ্বীনের কাজে সেভাবে লিপ্ত ছিলাম না। জেলে নিয়মিত কোরআন ধরলাম। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া শুরু করলাম। সেখান থেকে ধীরে ধীরে আমার মধ্যে পরিবর্তন আসে। আসলে জেলে প্রচুর চিন্তা করার টাইম পাওয়া যায়। আগের যেসব রুটিন ছিল সেটা পুরোটা পরিবর্তন হয়।

তিনি আরও বলেন, জেলে বসে ১৫টি নাটক ও ৩টি সিনেমার গল্প লিখেছি। নিজের ওপর একটি বই লিখেছি। জেল থেকে বের হয়ে এখনও আমার সেই ট্রমা কাটেনি। শারীরিক ও মানসিকভাবে আগের রুলসের মধ্যে যাচ্ছে।

সিদ্দিকুর রহমান একসময় ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেতা। পরে তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে জড়িয়েছিলেন। টাঙ্গাইল ও ঢাকা থেকে একাধিকবার নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন, কিন্তু পাননি।

জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর গুলশান থানা এলাকায় একটি হত্যা মামলায় সিদ্দিকুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, গুলশান থানার এসআই সামিউল ইসলাম গত বছর ১২ আগস্ট তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই গুলশানের সুবাস্তু টাওয়ারের সামনে বন্ধুদের সঙ্গে আন্দোলনে অংশ নেন ফার্নিচারকর্মী পারভেজ বেপারী। জুমার নামাজের পর আসামিদের ছোড়া গুলিতে তিনি আহত হন। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পারভেজের বাবা মো. সবুজ গত বছরের ২ জুলাই গুলশান থানায় মামলা দায়ের করেন।

মৃ/ত্যুর দুইদিন পর ফলাফল প্রকাশ, শিহাব পেল গোল্ডেন এ প্লাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪২ পূর্বাহ্ণ
মৃ/ত্যুর দুইদিন পর ফলাফল প্রকাশ, শিহাব পেল গোল্ডেন এ প্লাস

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের দুইদিন আগে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যায় শিহাব। আজ সোমবার প্রকাশিত সেই ফলাফলে শিহাব পেয়েছে গোল্ডেন জিপিএ ৫।

সন্তানের এমন সাফল্যের দিনে ঘরে নেই সে। আনন্দের পরিবর্তে একমাত্র ছেলেকে হারানোর শোকে কাতর পরিবার।

শিহাব কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মানুরা গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে। সে ঢাকার বিমানবন্দর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল।

স্থানীয় ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম জানান, শিহাবের বাবা তোফাজ্জল হোসেন ঢাকায় গার্মেন্টস ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। ছোট ভাই তাজুল ইসলামের বিয়ের অনুষ্ঠান উপলক্ষে গত বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে গ্রামের বাড়িতে আসে তারা।

শনিবার দুপুরে গোসল শেষে বাড়ির ছাদে কাপড় শুকাতে যায় শিহাব। এ সময় বিয়ের অনুষ্ঠানের ডেকোরেশনের জন্য টানানো রঙিন বাতির তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় সে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে পাশের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। শনিবার সন্ধ্যায় গ্রামের বাড়িতে শিহাবের মরদেহ দাফন করা হয়।

 

একসঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দিলো মা-ছেলে, দুই জনই পেলেন জিপিএ-৫

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:২৩ পূর্বাহ্ণ
একসঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দিলো মা-ছেলে, দুই জনই পেলেন জিপিএ-৫

একসঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে বাজিমাত করেছে এক মা ও তার ছেলে। দুই জনই করেছেন অভাবনীয় রেজাল্ট। পেয়েছেন জিপিএ-৫। মা-ছেলের এ সাফল্যে এখন পরিবারজুড়ে আনন্দ।

তারা হলেন রাজশাহী নগরীর রাজপাড়া থানার বসিলা এলাকার বাসিন্দা মোছা. সাদিয়া বেগম ও তার ছেলে তানভীর আহমেদ। তারা এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সফলতার সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছেন।

সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে এসএসসির ফল জানার পর তাদের বাড়িতে নেমে আসে আনন্দের বন্যা। ফল প্রকাশের পর স্বজন ও পরিচিতজনরা তাদের অভিনন্দন জানাচ্ছেন।

সাদিয়া বেগমের স্বামী তোফাজ্জল হোসেন একজন সরকারি কর্মকর্তা। স্বামী-সংসার, সন্তান লালন-পালনসহ নানা দায়িত্বের মধ্যেও নিজের পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন।

জানা গেছে, ১৯ বছর আগে সাদিয়া বেগম বিয়ের পিঁড়িতে বসেন। এরপরে থেমে যায় তার পড়াশোনা। সংসার ও পারিবারিক দায়িত্বের কারণে দীর্ঘ ১৭ বছর বই-খাতার বাইরে ছিলেন তিনি। তবে পড়াশোনার প্রতি টানটা রয়ে গিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত নতুন করে শুরু করেন শিক্ষাজীবন। সংসার সামলেছেন, দুই ছেলের পড়াশোনার খোঁজ রেখেছেন; এর পাশাপাশি নিজেও চালিয়ে গেছেন পড়াশোনা। প্রায় দুই বছর আগে ছেলের সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দেবেন বলে সিদ্ধান্ত নেন।

পরিবারের সম্মতিতে সংসারের কাজের ফাঁকে চলে পড়াশোনা। সন্তানের পড়াশোনার দেখভালের পাশাপাশি নিজের পড়াশোনার সময়ও বের করেছেন।

চলতি বছরের এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পরিশ্রমের ফল পেয়েছেন সাদিয়া বেগম। তিনি রাজপাড়া আদর্শ মহিলা টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছেন। তার ছেলে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পেয়েছে গোল্ডেন জিপিএ-৫। অর্থাৎ একই বছরে একই সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে মা ও ছেলে দুই জনই পেয়েছেন জিপিএ-৫।

এসএসসিতে কত জিপিএ পেলেন ‘এটা আমাদেরই গল্প’-এর ফারহানা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:১০ পূর্বাহ্ণ
এসএসসিতে কত জিপিএ পেলেন ‘এটা আমাদেরই গল্প’-এর ফারহানা

জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটক ‘এটা আমাদেরই গল্প’-এর ফারহানা চরিত্রে অভিনয় করে পরিচিতি পাওয়া ইসরাত অতিথি এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৪ পেয়েছেন।

উত্তরা কেসি মডেল স্কুলের মানবিক বিভাগ থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন এই তরুনী অভিনেত্রী। ফল প্রকাশের পর নিজের সাফল্যে আনন্দ প্রকাশ করেছেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের অনুভূতি জানিয়ে ইসরাত লিখেছেন, ‘সবকিছুর জন্য আলহামদুলিল্লাহ। আপনারা সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।’

তবে ইসরাতের এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতির পথটি ছিল অন্যদের চেয়ে কিছুটা ভিন্ন। নবম শ্রেণি পর্যন্ত তিনি বিজ্ঞান বিভাগে পড়াশোনা করেন। পরবর্তী সময়ে অভিনয়ের ব্যস্ততা বেড়ে যাওয়ায় বিজ্ঞান বিভাগের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

বিশেষ করে ‘এটা আমাদেরই গল্প’ ধারাবাহিকের নিয়মিত শুটিংয়ে সময় দেওয়ার কারণে পড়াশোনার সঙ্গে অভিনয়ের ভারসাম্য রাখা তার জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। ফলে এসএসসি পরীক্ষার মাত্র আট মাস আগে বিভাগ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

এরই মধ্যে বোর্ডে তার নিবন্ধন হয়ে গেলেও স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে মানবিক বিভাগে চলে আসেন ইসরাত। এরপর মানবিক বিভাগ থেকেই এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ-৪ অর্জন করেন তিনি। পড়াশোনার পাশাপাশি ভবিষ্যতেও অভিনয়ে নিয়মিত কাজ করে যেতে চান ইসরাত অতিথি।