আজ থেকে শুরু হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি। এ কর্মসূচির আওতায় হামের টিকা পাবে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুরা। আগে টিকা নেওয়া থাকলেও শিশুরা এই ক্যাম্পেইনে টিকা নিতে পারবে।
শনিবার দুপুরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন।
তিনি বলেন, অসুস্থ শিশুদের হামের টিকা দেওয়া হবে না। তবে হামে আক্রান্ত শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
তিনি আরও বলেন, ৩০টি উপজেলা শুরু করা মানে আমাদের কার্যক্রম শেষ না। এখানে যেহেতু প্রবল আকার ধারণ করেছে, এটাকে আমরা কন্ট্রোলে এনে বাকিগুলোতে কাজে অগ্রসর হবো ইনশাআল্লাহ। কোনোটাই থেমে থাকবে না।
ঢাকার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে দুটি ককটেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে একটি বিস্ফোরিত হয়েছে এবং অপরটি উদ্ধার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বোম ডিসপোজাল ইউনিট।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে দুটি ককটেল নিক্ষেপের ঘটনায় মামলা হওয়ার পর সন্দেহভাজন তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে এই ঘটনায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার করা যায়নি। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে জড়িতদের শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে আগারগাঁও লিংক রোডে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে দুটি ককটেল নিক্ষেপ করে দুর্বৃত্তরা। এর মধ্যে একটি বিস্ফোরিত হয়। অন্যটি ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বোম ডিসপোজাল ইউনিট বিস্ফোরণের মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় করে।
ঘটনার পর দুই মোটরসাইকেল আরোহীকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ শুরু করে পুলিশ। তারা আগারগাঁও হয়ে কাফরুল রোডের দিকে চলে গেছেন বলে তথ্য পাওয়া যায়।
পুলিশ জানায়, ঘটনার সময় দুই মোটরসাইকেল আরোহী ঘটনাস্থলে এসে দুই থেকে তিন মিনিট অবস্থান করেন। এ সময় তারা আশপাশ পর্যবেক্ষণ করে দুটি ককটেল নিক্ষেপ করে চলে যান।
ঢাকা: নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগকে প্রতিহত করতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল মাঠে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক আকরাম আহমেদ।
তিনি বলেন, গত ১৬-১৭ বছর আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে ছাত্রলীগ সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছে। দেশের কোনো ক্যাম্পাস, পাড়া-মহল্লা কিংবা ঢাকা শহরের কোথাও ছাত্রলীগের জায়গা হবে না।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সারাদেশে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে মিরপুরে আয়োজিত এক বিক্ষোভ মিছিল থেকে এসব কথা বলেন আকরাম আহমেদ। তার নেতৃত্বে ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এ কর্মসূচিতে অংশ নেন।
আকরাম আহমেদ বলেন, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের আগেও সারা দেশে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের অসামান্য ভূমিকা ছিল। আন্দোলন-সংগ্রামে ছাত্রদলের বহু নেতাকর্মী শহীদ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানেও ছাত্রদলের ১৪৩ জন নেতা শহীদ হয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঐক্যবদ্ধ অবস্থানে রয়েছে। ছাত্রলীগকে প্রতিহত করতে ছাত্রদল মাঠে রয়েছে এবং মাঠে থাকবে।’
ছাত্রলীগের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে ছাত্রদলের এই নেতা বলেন, দীর্ঘ ১৬-১৭ বছর ধরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে। দেশের বিভিন্ন ক্যাম্পাস ও পাড়া-মহল্লায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা যেভাবে দমন-পীড়ন চালিয়েছেন, তার পুনরাবৃত্তি যেন কোনো সংগঠন করতে না পারে, সে বিষয়ে ছাত্রদল সচেতন রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সোচ্চার রয়েছি, প্রতিবাদ করছি এবং মাঠে থাকব। সবাইকে সচেতন থাকতে হবে, চোখ-কান খোলা রাখতে হবে, যাতে অতীতে যে ফ্যাসিবাদী কর্মকাণ্ড হয়েছে, তা আর ফিরে আসতে না পারে।’
ছাত্রলীগের সাম্প্রতিক ঝটিকা মিছিলের সমালোচনা করে আকরাম আহমেদ বলেন, চার-পাঁচজন লোক নিয়ে বিভিন্ন গলি বা আড়ালে মিছিল করে ছবি তুলে দ্রুত সরে যাওয়াকে প্রকৃত অর্থে মিছিল বলা যায় না। এ ধরনের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা খুবই কম থাকে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই তা শেষ হয়ে যায়।
নিজেদের আন্দোলন-সংগ্রামের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের গত ১৬-১৭ বছরের শাসনামলে নানা বাধা, হুমকি ও রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে রাজপথে কর্মসূচি পালন করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। অসংখ্য নেতাকর্মী নিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি সফল করার মধ্য দিয়ে তারা স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে গেছেন।
আকরাম আহমেদ বলেন, অতীতের আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ছাত্রদল এখনো রাজপথে সক্রিয় রয়েছে। নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কর্মকাণ্ড প্রতিহত করা এবং অতীতের নির্যাতন-নিপীড়নের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবেন।
আপনার মতামত লিখুন
Array