খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ, ১৪৩৩

ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর তৌসিফ-তিশাকে নিয়ে স্টেপ ফুটওয়্যারের যা জানালো

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:১১ অপরাহ্ণ
ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর তৌসিফ-তিশাকে নিয়ে স্টেপ ফুটওয়্যারের যা জানালো

আসন্ন ঈদ ফিতরকে আরও স্টাইলিশ, আনন্দময় ও উপভোগ্য করে তুলতে দেশের শীর্ষস্থানীয় ফুটওয়্যার ব্র্যান্ড গ্রাহকদের জন্য নিয়ে আসছে অসাধারণ ডিজাইনের নান্দনিক ও বৈচিত্র্যময় নতুন ঈদ কালেকশন। আধুনিক ফ্যাশন ও আরামের নিখুঁত সমন্বয়ে তৈরি এই বিশেষ কালেকশন ক্রেতাদের উৎসবের প্রতিটি মুহূর্তকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।

এ নতুন ঈদ কালেকশন উপলক্ষে স্টেপ ফুটওয়্যার আয়োজন করেছে একটি বিশেষ আয়োজন- ‘স্টেপ ফুটওয়্যারের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডরদের সাথে প্রেস মিট’। সোমবার, ২৬ জানুয়ারি রাজধানীর তেজগাঁওস্থ হলিডে ইন হোটেলে আয়োজিত এ প্রেস মিটে উপস্হিত ছিলেন স্টেপ ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামীম কবির, পরিচালক তানজিনা আনোয়ার কবির ও এ্যাড সাইনের স্বত্বাধিকারী জহিরুল ইসলাম ছিলেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর, জনপ্রিয় অভিনেতা ও মডেল তৌসিফ মাহবুব এবং তানজিন তিশা।

প্রেস মিটে উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে শামীম কবির বলেন, গ্রাহকদের রুচি ও চাহিদাকে প্রাধান্য দিয়ে আসন্ন ঈদকে ঘিরে আমরা নিত্যনতুন ডিজাইনের মানসম্মত, আধুনিক ও ট্রেন্ডি ফুটওয়্যার উপহার দিতে প্রস্তুত। এবারের ঈদ কালেকশনে আমরা ফ্যাশন এবং স্বাচ্ছন্দ্যের সর্বোচ্চ মেলবন্ধন ঘটানোর চেষ্টা করেছি, যা সব বয়সের ক্রেতাদের মন জয় করবে। স্টেপ ফুটওয়্যার শুধু একটি ব্র্যান্ড নয়, এটি এখন আস্থা, নির্ভরতা ও স্টাইলের প্রতীক।

প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য ও ভিশন তুলে ধরে তিনি আরও যোগ করেন, স্টেপ ফুটওয়্যারের লক্ষ্য কেবল ব্যবসায়িক সম্প্রসারণ নয়, বরং দেশীয় ফুটওয়্যার শিল্পকে বৈশ্বিক মানে উন্নীত করা এবং ভোক্তাদের জীবনযাত্রায় স্টাইল ও স্বাচ্ছন্দ্যের নতুন মাত্রা যোগ করা। আমার দৃঢ় বিশ্বাস- গুণগত মান, আরাম এবং নান্দনিক ডিজাইনের এই অপূর্ব সমন্বয় এবারের ঈদে আমাদের গ্রাহকদের পথচলাকে আরও রাঙিয়ে তুলবে।

জনপ্রিয় অভিনেতা ও প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর তৌসিফ মাহবুব তার অনুভূতি ব্যক্ত করে এই অনুষ্ঠানে বলেন: স্টেপ ফুটওয়্যারের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হতে পারা আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানের ও গর্বের। শুরু থেকেই ব্র্যান্ডটির দর্শন, মূল্যবোধ ও এর পেছনের মানুষদের সঙ্গে আমি একটি গভীর সংযোগ অনুভব করেছি। এটি কেবল কোনো চুক্তিভিত্তিক সম্পর্ক নয়; স্টেপ ফুটওয়্যারকে আমি প্রতিনিধিত্ব করি কারণ আমি সত্যিই এর মান, সততা ও সম্ভাবনায় বিশ্বাস করি। একটি দেশীয় ফুটওয়্যার ব্র্যান্ড হিসেবে স্বাচ্ছন্দ্য, আত্মবিশ্বাস ও নির্ভরযোগ্যতার যে প্রতিচ্ছবি স্টেপ তুলে ধরে, তা আমার ব্যক্তিগত জীবনবোধের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, সততা ও উচ্চাকাঙ্ক্ষার সমন্বয়ে স্টেপ ফুটওয়্যার খুব শিগগিরই দেশের অন্যতম শীর্ষ ফুটওয়্যার ব্র্যান্ড হিসেবে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করবে।

প্রতিষ্ঠানের অপর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী তানজিন তিশা বলেন: স্টেপ ফুটওয়্যার একটি আধুনিক, আত্মবিশ্বাসী ও বিশ্বাসযোগ্য দেশীয় ব্র্যান্ড, যার প্রতিটি পণ্যে গুণগত মান ও নান্দনিকতার সুস্পষ্ট প্রতিফলন রয়েছে। এমন একটি ব্র্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত, কারণ স্টেপ কেবল ট্রেন্ডি ফ্যাশন নয়—গ্রাহকের স্বাচ্ছন্দ্য ও আত্মবিশ্বাসকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়। সততা ও উদ্ভাবনী চিন্তার যে শক্তি স্টেপ ফুটওয়্যারের রয়েছে, তাতে আমার দৃঢ় বিশ্বাস—খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তারা দেশের ফুটওয়্যার শিল্পে এক অনন্য ও ঈর্ষণীয় উচ্চতায় পৌঁছাতে সক্ষম হবে।

অনুষ্ঠানে স্টেপ ফুটওয়্যারের ব্র্যান্ড ভিশন, ঈদকেন্দ্রিক নতুন কালেকশন, ভবিষ্যৎ ব্র্যান্ড পরিকল্পনা এবং গ্রাহককেন্দ্রিক উদ্ভাবনী কার্যক্রম নিয়ে তারা তাদের অভিজ্ঞতা ও মতামত তুলে ধরেন। পাশাপাশি গণমাধ্যমকর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

উল্লেখ্য, উচ্চমানের প্রিমিয়াম জুতা উৎপাদনের মাধ্যমে দেশের ফুটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রিতে একটি অনন্য ও বিশ্বস্ত নাম হিসেবে ইতোমধ্যে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে স্টেপ ফুটওয়্যার। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, উদ্ভাবনী নকশা এবং আন্তর্জাতিক মানের উপকরণের সমন্বয়ে তৈরি স্টেপ ফুটওয়্যারের প্রতিটি জুতা আরাম, স্থায়িত্ব ও আধুনিক শৈলীর এক নিখুঁত সংমিশ্রণ। সব বয়সী গ্রাহকের রুচি ও প্রয়োজনকে প্রাধান্য দিয়ে তৈরি করা এসব জুতা সর্বত্র ও সব সময় ব্যবহারের উপযোগী হওয়ায় দেশজুড়ে মানুষের দৈনন্দিন ফ্যাশনে আস্থার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। গুণগত মান ও গ্রাহক সন্তুষ্টির মাধ্যমে বাংলাদেশের ফুটওয়্যার শিল্পে স্টেপ ফুটওয়্যার এক নতুন মানদণ্ড স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছে।

মৃ/ত্যুর দুইদিন পর ফলাফল প্রকাশ, শিহাব পেল গোল্ডেন এ প্লাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪২ পূর্বাহ্ণ
মৃ/ত্যুর দুইদিন পর ফলাফল প্রকাশ, শিহাব পেল গোল্ডেন এ প্লাস

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের দুইদিন আগে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যায় শিহাব। আজ সোমবার প্রকাশিত সেই ফলাফলে শিহাব পেয়েছে গোল্ডেন জিপিএ ৫।

সন্তানের এমন সাফল্যের দিনে ঘরে নেই সে। আনন্দের পরিবর্তে একমাত্র ছেলেকে হারানোর শোকে কাতর পরিবার।

শিহাব কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মানুরা গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে। সে ঢাকার বিমানবন্দর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল।

স্থানীয় ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম জানান, শিহাবের বাবা তোফাজ্জল হোসেন ঢাকায় গার্মেন্টস ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। ছোট ভাই তাজুল ইসলামের বিয়ের অনুষ্ঠান উপলক্ষে গত বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে গ্রামের বাড়িতে আসে তারা।

শনিবার দুপুরে গোসল শেষে বাড়ির ছাদে কাপড় শুকাতে যায় শিহাব। এ সময় বিয়ের অনুষ্ঠানের ডেকোরেশনের জন্য টানানো রঙিন বাতির তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় সে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে পাশের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। শনিবার সন্ধ্যায় গ্রামের বাড়িতে শিহাবের মরদেহ দাফন করা হয়।

 

একসঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দিলো মা-ছেলে, দুই জনই পেলেন জিপিএ-৫

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:২৩ পূর্বাহ্ণ
একসঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দিলো মা-ছেলে, দুই জনই পেলেন জিপিএ-৫

একসঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে বাজিমাত করেছে এক মা ও তার ছেলে। দুই জনই করেছেন অভাবনীয় রেজাল্ট। পেয়েছেন জিপিএ-৫। মা-ছেলের এ সাফল্যে এখন পরিবারজুড়ে আনন্দ।

তারা হলেন রাজশাহী নগরীর রাজপাড়া থানার বসিলা এলাকার বাসিন্দা মোছা. সাদিয়া বেগম ও তার ছেলে তানভীর আহমেদ। তারা এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সফলতার সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছেন।

সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে এসএসসির ফল জানার পর তাদের বাড়িতে নেমে আসে আনন্দের বন্যা। ফল প্রকাশের পর স্বজন ও পরিচিতজনরা তাদের অভিনন্দন জানাচ্ছেন।

সাদিয়া বেগমের স্বামী তোফাজ্জল হোসেন একজন সরকারি কর্মকর্তা। স্বামী-সংসার, সন্তান লালন-পালনসহ নানা দায়িত্বের মধ্যেও নিজের পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন।

জানা গেছে, ১৯ বছর আগে সাদিয়া বেগম বিয়ের পিঁড়িতে বসেন। এরপরে থেমে যায় তার পড়াশোনা। সংসার ও পারিবারিক দায়িত্বের কারণে দীর্ঘ ১৭ বছর বই-খাতার বাইরে ছিলেন তিনি। তবে পড়াশোনার প্রতি টানটা রয়ে গিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত নতুন করে শুরু করেন শিক্ষাজীবন। সংসার সামলেছেন, দুই ছেলের পড়াশোনার খোঁজ রেখেছেন; এর পাশাপাশি নিজেও চালিয়ে গেছেন পড়াশোনা। প্রায় দুই বছর আগে ছেলের সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দেবেন বলে সিদ্ধান্ত নেন।

পরিবারের সম্মতিতে সংসারের কাজের ফাঁকে চলে পড়াশোনা। সন্তানের পড়াশোনার দেখভালের পাশাপাশি নিজের পড়াশোনার সময়ও বের করেছেন।

চলতি বছরের এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পরিশ্রমের ফল পেয়েছেন সাদিয়া বেগম। তিনি রাজপাড়া আদর্শ মহিলা টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছেন। তার ছেলে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পেয়েছে গোল্ডেন জিপিএ-৫। অর্থাৎ একই বছরে একই সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে মা ও ছেলে দুই জনই পেয়েছেন জিপিএ-৫।

এসএসসিতে কত জিপিএ পেলেন ‘এটা আমাদেরই গল্প’-এর ফারহানা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:১০ পূর্বাহ্ণ
এসএসসিতে কত জিপিএ পেলেন ‘এটা আমাদেরই গল্প’-এর ফারহানা

জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটক ‘এটা আমাদেরই গল্প’-এর ফারহানা চরিত্রে অভিনয় করে পরিচিতি পাওয়া ইসরাত অতিথি এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৪ পেয়েছেন।

উত্তরা কেসি মডেল স্কুলের মানবিক বিভাগ থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন এই তরুনী অভিনেত্রী। ফল প্রকাশের পর নিজের সাফল্যে আনন্দ প্রকাশ করেছেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের অনুভূতি জানিয়ে ইসরাত লিখেছেন, ‘সবকিছুর জন্য আলহামদুলিল্লাহ। আপনারা সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।’

তবে ইসরাতের এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতির পথটি ছিল অন্যদের চেয়ে কিছুটা ভিন্ন। নবম শ্রেণি পর্যন্ত তিনি বিজ্ঞান বিভাগে পড়াশোনা করেন। পরবর্তী সময়ে অভিনয়ের ব্যস্ততা বেড়ে যাওয়ায় বিজ্ঞান বিভাগের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

বিশেষ করে ‘এটা আমাদেরই গল্প’ ধারাবাহিকের নিয়মিত শুটিংয়ে সময় দেওয়ার কারণে পড়াশোনার সঙ্গে অভিনয়ের ভারসাম্য রাখা তার জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। ফলে এসএসসি পরীক্ষার মাত্র আট মাস আগে বিভাগ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

এরই মধ্যে বোর্ডে তার নিবন্ধন হয়ে গেলেও স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে মানবিক বিভাগে চলে আসেন ইসরাত। এরপর মানবিক বিভাগ থেকেই এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ-৪ অর্জন করেন তিনি। পড়াশোনার পাশাপাশি ভবিষ্যতেও অভিনয়ে নিয়মিত কাজ করে যেতে চান ইসরাত অতিথি।