প্রযুক্তিতে এগিয়ে শীর্ষ ৫ দেশ
উদ্ভাবন, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যৎ গড়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছে বিশ্বের কয়েকটি দেশ। গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্স ২০২৫ অনুযায়ী শীর্ষ পাঁচ দেশের অবস্থান-
১. সুইজারল্যান্ড
টানা ১৫ বছর শীর্ষে। ডিপটেক, রোবোটিকস, বায়োটেক ও সবুজ প্রযুক্তিতে অগ্রগামী। ইটিএইচ জুরিখসহ শীর্ষ গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম দেশটিকে শক্ত ভিত্তি দিয়েছে। এ বছর মাইক্রোসফট ৪০০ মিলিয়ন ডলারের এআই ও ক্লাউড বিনিয়োগ ঘোষণা করেছে।
২. সুইডেন
ইউরোপের প্রযুক্তি–উদ্ভাবনে সেরা। বিশ্ববিদ্যালয়, স্টার্টআপ ও শিল্পখাতের সমন্বিত ইকোসিস্টেমই প্রধান শক্তি। কানাডার ব্রুকফিল্ডের প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলারের এআই ডেটা সেন্টার প্রকল্প দেশটিকে ইউরোপের অন্যতম এআই হাবে পরিণত করবে।
৩. যুক্তরাষ্ট্র
তালিকায় তৃতীয় হলেও প্রযুক্তি গবেষণা ও বিনিয়োগে বিশ্বের সবচেয়ে বড় শক্তি। ওপেনএআই, গুগল, অ্যাপলসহ শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলো এআই উদ্ভাবনে নেতৃত্ব দিচ্ছে। টিএসএমসি ও ইনটেলের ২০০ বিলিয়ন ডলারের চিপ কারখানা সম্প্রসারণ বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর সংকট মোকাবিলায় বড় ভূমিকা রাখবে। মহাকাশ প্রযুক্তিতে স্পেসএক্স ও নাসার নতুন লক্ষ্য ২০২৬ সালে মানুষের চাঁদে প্রত্যাবর্তন।
৪. দক্ষিণ কোরিয়া
২০২৫ সালের তালিকায় শীর্ষ পাঁচে। ‘ডিজিটাল কোরিয়া ২০৩০’ কর্মসূচির মাধ্যমে এআই, ৬জি ও স্মার্ট সিটি উন্নয়নে জোর দিচ্ছে। স্যামসাং ও এসকে হাইনিক্সের বড় বিনিয়োগ দেশটিকে বৈশ্বিক চিপ উৎপাদনে আরও শক্তিশালী করছে। শিল্পক্ষেত্রে রোবট ব্যবহারে বিশ্বে প্রথম।
৫. সিঙ্গাপুর
ছোট ভূখণ্ড হলেও প্রযুক্তিতে বড় খেলোয়াড়। ‘স্মার্ট ন্যাশন ২০৩০’ ও ‘এআই স্ট্র্যাটেজি ২.০’-এর মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা ও ডেটা ব্যবস্থাপনায় মান নির্ধারণ করছে। ৫-জি–সক্ষম প্রথম নগররাষ্ট্র হিসেবে গুগল ও আমাজন এখানে নতুন ক্লাউড রিজিয়ন খুলেছে।


আপনার মতামত লিখুন
Array