খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭ আশ্বিন, ১৪৩৩

ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্বে আলোচনার কেন্দ্রে সালেহ আদনান

মোহাম্মদ নাহিয়ান (বিশেষ প্রতিনিধি)
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্বে আলোচনার কেন্দ্রে সালেহ আদনান

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন নিয়ে বিএনপির ভেতরে আলোচনা এখন শেষ পর্যায়ে বলে দলীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে। সূত্রগুলোর দাবি, নতুন কমিটির একটি খসড়া বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে রয়েছে। তাঁর চূড়ান্ত অনুমোদনের পর যেকোনো সময় কমিটি ঘোষণা করা হতে পারে।

নতুন কমিটির সভাপতি পদে কয়েকজনের নাম আলোচনায় থাকলেও তৃণমূল থেকে উঠে আসা সালেহ মোঃ আদনানকে নিয়ে সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে আলোচনা বেশি হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। বর্তমানে তিনি ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগের কেন্দ্রীয় কমিটিতেও একই পদে ছিলেন তিনি।

তৃণমূল থেকে কেন্দ্রের রাজনীতিতে

বরগুনা জেলা ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার পর ২০১০ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের মাধ্যমে রাজধানীর রাজনীতিতে সক্রিয় হন সালেহ মোঃ আদনান। বরগুনা সরকারি কলেজে পড়াশোনার সময় ১/১১-এর সরকারবিরোধী আন্দোলনেও তিনি সক্রিয় ছিলেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

২০১৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ মুজিবুর রহমান হল শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পান তিনি। ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার কারণে বিভিন্ন সময়ে হামলা ও হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগও রয়েছে তাঁর। দলীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য, একপর্যায়ে হামলার পর তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছিল। পরে হল থেকে বের করে দেওয়ারও অভিযোগ ওঠে।

দলীয় কর্মসূচিতে সক্রিয় উপস্থিতির কারণে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সালেহ মোঃ আদনানের পরিচিতি তৈরি হয়। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনবিরোধী আন্দোলন, কোটা সংস্কার আন্দোলন এবং নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে তিনি অংশ নেন বলে দলীয় সূত্রের দাবি।

এ ছাড়া বিএনপির এক দফা দাবির আন্দোলন ঘিরে আয়োজিত বিভাগীয় সমাবেশ, তারুণ্যের সমাবেশ, রোডমার্চ, ঢাকার প্রবেশমুখে অবস্থান কর্মসূচি এবং বিভিন্ন হরতাল-অবরোধেও তিনি সক্রিয় ছিলেন বলে জানা গেছে।

ছাত্রদলের ষষ্ঠ কাউন্সিলকে ঘিরে তৈরি হওয়া সংকটের সময়ও দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অবস্থান নেওয়া নেতাদের মধ্যে সালেহ মোঃ আদনান ছিলেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার কারণে বিভিন্ন সময়ে মামলা, হামলা ও হয়রানির শিকার হয়েছেন বলেও তাঁর ঘনিষ্ঠ নেতা-কর্মীদের দাবি।

সভাপতি পদে আলোচনায় আদনান

দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকার কারণে ছাত্রদলের আসন্ন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি পদে সালেহ মোঃ আদনানের নাম গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হচ্ছে বলে দলীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে।

তবে এ বিষয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নাম ঘোষণা করা হয়নি। ফলে সভাপতি পদে শেষ পর্যন্ত কে দায়িত্ব পাচ্ছেন, তা নিশ্চিত হবে কেবল দলীয় সিদ্ধান্ত ও আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর।

দুই বছরের মেয়াদ শেষ, অপেক্ষা নতুন নেতৃত্বের

২০২৪ সালের ১ মার্চ রাকিবুল ইসলাম রাকিবকে সভাপতি ও নাছির উদ্দীন নাছিরকে সাধারণ সম্পাদক করে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। একই সময়ে আবু আফসান মোহাম্মদ ইয়াহইয়াকে সিনিয়র সহসভাপতি, শ্যামল মালুমকে সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং আমান উল্লাহ আমানকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়।

পরে ১৫ জুন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে ২৬০ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়।

ছাত্রদলের খসড়া গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কেন্দ্রীয় সংসদের মেয়াদ দুই বছর। সে হিসাবে চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে। এরপর থেকেই নতুন কমিটির শীর্ষ পদপ্রত্যাশীদের তৎপরতা বাড়তে থাকে।

দলীয় সংশ্লিষ্টদের মতে, বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী ছাত্রসংগঠন হিসেবে ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন দলটির সাংগঠনিক ভবিষ্যতের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামোয় তরুণ নেতৃত্বকে সামনে আনার যে আলোচনা চলছে, ছাত্রদলের নতুন কমিটিকে তার অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

নতুন নেতৃত্বে যেসব বিষয় গুরুত্ব পাচ্ছে

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, নতুন নেতৃত্ব বাছাইয়ের ক্ষেত্রে রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি সাংগঠনিক দক্ষতা, তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ, শিক্ষার্থীদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা এবং সংগঠন পরিচালনার সক্ষমতাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ছাত্রদলের একটি অংশের মত, অতীতের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় নেতাদের মধ্য থেকে নেতৃত্ব নির্বাচন করা হলে সংগঠনের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। অন্যদিকে আরেকটি অংশ মনে করছে, পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতায় ছাত্রদলকে আন্দোলনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা, অধিকার, নিরাপত্তা, দক্ষতা উন্নয়ন ও কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে আরও সক্রিয় হতে হবে।

আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা

নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে দলীয় সূত্রগুলো দাবি করলেও বিএনপির পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। ফলে শেষ মুহূর্তে নেতৃত্বের সমীকরণে পরিবর্তন আসার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সম্প্রতি জানিয়েছেন, নতুন কমিটি গঠনের বিষয়ে তিনি এখনো দলীয়ভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা পাননি।

সব মিলিয়ে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে এখন মূল আলোচনা- রাকিব-নাছির পর্বের পর সংগঠনের নেতৃত্বে কারা আসছেন। সভাপতি পদে সালেহ মোঃ আদনানের নাম আলোচনায় থাকলেও শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নেবে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব।

এমপি গাজী নজরুলের স্ত্রীর শেষ চিঠি ‘কে জানতো আমিই ছিলাম তার দাবার শেষ গুটি’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১১ অপরাহ্ণ
এমপি গাজী নজরুলের স্ত্রীর শেষ চিঠি ‘কে জানতো আমিই ছিলাম তার দাবার শেষ গুটি’

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের সরকারি বাসভবন থেকে কয়েকটি চিঠি উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর পর উদ্ধার হওয়া এসব চিঠিতে গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে অবহেলা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে বলে জানা গেছে।

রোববার রাতে ন্যাম ভবনে এমপির সরকারি বাসভবনে মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর পর চিঠিগুলো উদ্ধার করা হয়। তার মৃত্যুর কারণ কী, তা নিয়ে নানা প্রশ্নের মধ্যে এসব চিঠির বিষয়টি সামনে এসেছে।

উদ্ধার হওয়া চিঠিগুলোর কয়েকটিতে মরিয়ম তার ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও মানসিক কষ্টের কথা লিখেছেন বলে জানা গেছে। একটি চিঠিতে তিনি সম্পর্কটিকে অসম ও ভাগ করা ভালোবাসার সঙ্গে তুলনা করেছেন।

পাঠকদের জন্য সেসব চিঠি হুবহু নিচে দেওয়া হলো:

চিঠিতে মৃত্যুর আগে তিনি উল্লেখ করেন, ‘সে (গাজী নজরুল) ছিল অন্য নারীর স্বামী, কাগজে কলমে তার অধিকার ছিল তার বউ এর। আর আমি ছিলাম বোকা….! অন্য কারো স্বামীকে বানিয়েছিলাম নিজের শখের পুরুষ….!!!, কাউকে অর্ধেক পাওয়ার চেয়ে হারিয়ে ফেলা বেশি সম্মানের। ভালোবাসা কখনোই ভাগ করে নেওয়ার বিষয় নয়। ভালোবাসা হয় সম্পূর্ণ না হয় অসম্পূর্ণ।

আরেক চিঠিতে তিনি লেখেন, ‘সে বলেছিল আমরা বন্ধু, চলো আমরা একটা গেমস খেলি। আমিও সরল মনে বিশ্বাস করে রাজি হয়েছিলাম। কিন্তু কে জানতো আমিই ছিলাম তার দাবার শেষ গুটি।’

আরেকটি চিঠিতে তিনি লেখেন, ‘শুধু মায়ায় পড়েছি বলেই তোমার কাছে বারবার নত হই…. না হয় যতোটা সস্তা ভাবছো ততটা সস্তা আমি নই।’

জাতীয় সংসদের প্যাডে আরেক চিঠিতে গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তিনি লেখেন, ‘আমি হেরেছি তুমি জিতেছো। কারণ আমি তোমাকে বিশ্বাস করেছিলাম বলেই তো ঠকিয়ে জিততে পেরেছো। আমি ধ্বংসের শেষ দাঁড়িয়েও মুখে হাসি রেখেছি। ভেবে নাও এই হাসির কারণই হবে তোমার ধ্বংসের কারণ। আমি অতি বিশ্বাস করে যুদ্ধে নেমেছিলাম তার সাথে। জিততে পারিনি হেরে গেলাম ময়দানে। জিতবই বা কেমনে যুদ্ধের শেষ প্রান্তে যেয়ে দেখি তুমিই তো ছিলে বিপক্ষদলের সেনাপতি।

 

ইসলামিক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল আফতাবনগরে বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত

ইমরুল হাসান
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ণ
ইসলামিক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল আফতাবনগরে বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হলো ইসলামিক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল আফতাবনগর (আইআইএসএ)-এর বহুল প্রতীক্ষিত বিজ্ঞান মেলা ২০২৬।

এ মেলায় স্কুলের প্রায় ১২০ জন শিক্ষার্থী তাদের নিজস্ব প্রস্তুতকৃত বিভিন্ন বিজ্ঞানভিত্তিক প্রজেক্ট প্রদর্শন করে। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, অনুসন্ধিৎসা ও বৈজ্ঞানিক চিন্তাভাবনার প্রকাশ ঘটে পুরো আয়োজনজুড়ে।

বিজ্ঞান মেলার আহ্বায়ক মিসেস আসমা সাইদা নাবিলা-এর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্কুলের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক চৌধুরী। বিজ্ঞান মেলার প্রধান বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন স্কুলের ইনচার্জ ফারহানা সুমাইয়া শবনম।

মেলার প্রাথমিক পর্যায়ে প্লে গ্রুপ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা আলোর উৎস এবং গাছের বিভিন্ন অংশ নিয়ে প্রেজেন্টেশন ও প্রজেক্ট প্রদর্শন করে।

নার্সারি শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ভাসমানতা, স্থিরবিদ্যুৎ, চুম্বকত্ব ও ছায়াপথ নিয়ে বিভিন্ন প্রজেক্ট প্রদর্শন করে।

কেজি শ্রেণির শিক্ষার্থীরা উদ্ভিদের বেড়ে ওঠার প্রক্রিয়া, পাঁচ ইন্দ্রিয়, পানির উৎস, প্রজাপতির জীবনচক্রসহ বিভিন্ন আকর্ষণীয় বিষয়ের ওপর প্রেজেন্টেশন ও প্রজেক্ট প্রদর্শন করে।

এছাড়াও, শিক্ষার্থীদের মাঝে মুসলিম বিজ্ঞানীদের অবদান ও ঐতিহ্য তুলে ধরার লক্ষ্যে ১ম শ্রেণী থেকে ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ১৬ টি গ্রুপে মুসলিম বিজ্ঞানীর নামে বিজ্ঞানভিত্তিক প্রজেক্ট প্রদর্শন করে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আধুনিক বিজ্ঞানের পাশাপাশি মুসলিম সভ্যতার জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চার সমৃদ্ধ ইতিহাস সম্পর্কে জানার সুযোগ তৈরি হয়।

প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ও জ্ঞানচর্চায় আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান এবং ভবিষ্যতে নিজেদের মুসলিম বিজ্ঞানী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য উৎসাহিত করেন।

শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, শিক্ষকদের আন্তরিক পরিশ্রম এবং অভিভাবকদের সহযোগিতায় পুরো বিজ্ঞান মেলা হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও শিক্ষণীয়। এটি শিক্ষার্থীদের কৌতূহল, সৃজনশীলতা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে আরও বিকশিত করার একটি সুন্দর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আয়োজনের শেষে বিজয়ী শিক্ষার্থীরা ক্রেস্ট গ্রহণ করে এবং সকল অংশগ্রহণকারী সার্টিফিকেট গ্রহণ করে।

জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় এমপি গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২৮ অপরাহ্ণ
জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় এমপি গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেয়া হচ্ছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান।

আজ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে প্রেস বিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

ইবনে মিজান বলেন, আমরা আজ (রোববার) সন্ধ্যা ৭টার পরপর ন্যাম ভবনের ৫ নং বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলায় ২০৩ নং কক্ষে একটি ঝুলন্ত মরদেহের খবর পাই। খবর পাওয়ার পরপরই শেরেবাংলা নগর থানা, ডিবি ও সিআইডির টিম ঘটনাস্থলে আসে। ঘটনাস্থলে এসে আমরা দেখতে পাই, ফ্ল্যাটটি সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুলের কক্ষ। পরবর্তীতে আমরা আমাদের আনুসাঙ্গিক আইনগত কাজ করেছি।

তিনি আরও বলেন, নিহত তরুণী সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপির দ্বিতীয় স্ত্রী। আমরা সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এটি কি হত্যা নাকি আত্মহত্যা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি তদন্তের বিষয়।

অপরদিকে, পুলিশ সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে থানায় নেয়ার সময় তিনি হাত দিয়ে মুখ ঢাকেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন গাজী নজরুল ইসলাম। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার একটি ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে দলীয়ভাবে তদন্ত করা হয়। তদন্তে ‘নৈতিক স্খলনের’ অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে উল্লেখ করে গত ২২ জুলাই তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে জামায়াতে ইসলামী।