ম্যাচ শেষ হতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন নেইমার
নামটা নেইমার। কিন্তু কোচ কার্লো আনচেলত্তি যেন কড়া হেডমাস্টার। বিশ্বকাপের আগে সাফ জানিয়ে দিলেন, ফিট না হলে নামের কারণে নেইমার দলে জায়গা পাবেন না। শেষ পর্যন্ত আনচেলত্তি নেইমারকে তার চূড়ান্ত দলে রেখেছেন। নিজের নামটি শুনে তখন একবার কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন নেইমার।
আরও একবার কাঁদলেন। এবার ব্রাজিলের হলুদ জার্সি গায়ে জড়ানোর আনন্দে। এ যে সুখের অশ্রু! দীর্ঘ ৯৮১ দিন পর আবারও জাতীয় দলের জার্সিতে মাঠে নামলেন নেইমার জুনিয়র।
বহু প্রতীক্ষিত এই প্রত্যাবর্তন শুধু একটি ম্যাচে অংশ নেওয়া নয়, বরং ইনজুরি, হতাশা ও দীর্ঘ অনুপস্থিতির পর এক আবেগঘন অধ্যায়ের সমাপ্তি হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ম্যাচের আগে ব্রাজিলের প্রধান কোচ কার্লো আনচেলত্তি জানিয়েছিলেন, নেইমারকে মাঠে নামানো হবে। তবে ম্যাচের শুরুতে বেঞ্চে ছিলেন এই তারকা ফরোয়ার্ড। ৭৬তম মিনিটে মাতেউস কুনহার পরিবর্তে মাঠে নামেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গেই গ্যালারিতে উপস্থিত সমর্থকদের করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে স্টেডিয়াম। দীর্ঘদিন পর প্রিয় তারকাকে জাতীয় দলের হয়ে খেলতে দেখে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন ব্রাজিল সমর্থকরা।
এই ম্যাচে মাঠে নেমে নতুন ইতিহাসও গড়েছেন নেইমার। টানা চতুর্থ ফিফা বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া খেলোয়াড়দের বিশেষ তালিকায় নাম লিখিয়েছেন তিনি। যদিও মাঠে সময় পেয়েছেন অল্প, তবুও তার প্রত্যাবর্তনই ছিল ম্যাচের অন্যতম বড় আকর্ষণ।
ম্যাচ শেষে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা। শেষ বাঁশি বাজার পর কান্নায় ভেঙে পড়েন। চোখ মুছতে দেখা যায় তাকে। দীর্ঘ সংগ্রামের পথ পেরিয়ে জাতীয় দলে ফেরার অনুভূতি স্পষ্ট ছিল তার মুখে। এ সময় সমর্থকরাও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
পরে অবশ্য স্ত্রী ও কন্যার সঙ্গে মাঠের পাশে দেখা হওয়ার পর সেই আবেগঘন মুহূর্ত হাসিতে রূপ নেয়।


আপনার মতামত লিখুন
Array