খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭ আশ্বিন, ১৪৩৩

ঘোড়ার মাংসের অবৈধ বাণিজ্য বন্ধে হাইকোর্টে জয়া আহসান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ৪:৫৮ অপরাহ্ণ
ঘোড়ার মাংসের অবৈধ বাণিজ্য বন্ধে হাইকোর্টে জয়া আহসান

দেশে ঘোড়ার মাংস বিক্রি ও বাণিজ্য বন্ধ এবং নিষিদ্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘোড়াকে গরুর মাংস বলে বিক্রি বন্ধের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে রিটে। জনস্বার্থে সোমবার (১১ মে) বাংলাদেশ অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন, এ কে খান হেলথকেয়ার ট্রাস্ট এবং অভিনেত্রী ও প্রাণী কল্যাণ কর্মী জয়া আহসান এই রিট দায়ের করেন।

রিটকারী ব্যক্তি ও সংগঠনের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা হলেন, ব্যারিস্টার সাকিব মাহবুব, ড. সিনথিয়া ফরিদ ও অ্যাডভোকেট সাজিদ হাসান।

রিটে বিশেষত অসুস্থ প্রাণীগুলোকে মানুষের খাদ্য হিসেবে প্রতারণামূলকভাবে বাজারজাত করার বিষয়টিতে তারা উচ্চ আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়ে আবেদন জানিয়েছেন। পূর্ববর্তী অনুরোধ সত্ত্বেও কার্যকর আইনগত কার্যকারিতার অভাব থাকায় পিটিশনকারীরা উচ্চ আদালতের আশ্রয় নিয়েছেন।

মন্ত্রণালয়ে পাঠানো পূর্ববর্তী অভিযোগগুলোর নিষ্পত্তি, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা এবং গাজীপুরে উন্মোচিত অবৈধ ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্যের বিষয়ে একটি পুঙ্খানুপুঙ্খ ও সময়সীমাবদ্ধ তদন্তের জন্য নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে এ সংক্রান্ত বিষয়ে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

পিটিশনকারীরা আরও অনুরোধ করেছেন যেন কর্তৃপক্ষকে এ ধরনের চর্চা নির্মূলে ৬০ দিনের মধ্যে একটি জাতীয় নির্দেশিকা ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন, বাজেয়াপ্ত ও অসুস্থ ঘোড়ার নিলাম অবিলম্বে বন্ধ করা এবং উদ্ধারকৃত প্রাণীদের পরিচর্যা ও পুনর্বাসনের জন্য যথাযথ সুবিধা বা অভয়ারণ্য- বাংলাদেশ অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন স্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

পিটিশনকারীরা জোর দিয়ে বলছেন, তাৎক্ষণিক বিচারিক হস্তক্ষেপ ছাড়া এই অবৈধ কার্যক্রম জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি সৃষ্টি করতে থাকবে এবং প্রাণীদের প্রতি চরম নিষ্ঠুরতা অব্যাহত থাকবে।

আইনজীবীরা বলেন, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসের প্রথম দিকে গাজীপুর জেলা প্রশাসন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-১ ও পুলিশের যৌথ অভিযানে একটি কটন (তুলা) কারখানাকে অবৈধ জবাইখানায় রূপান্তর করে সংগঠিত অবৈধ ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্য চক্রের সন্ধান পাওয়া যায়। ওই অভিযানে প্রায় ৩৬টি গুরুতর অসুস্থ ঘোড়া ও ৮টি জবাইকৃত ঘোড়ার মৃতদেহ এবং বিতরণ ও বিক্রির জন্য প্রস্তুতকৃত বিপুল পরিমাণ মাংস উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার করা প্রাণীগুলো অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় পাওয়া যায়। প্রাণীগুলো প্রচণ্ড অপুষ্টি, চিকিৎসাবিহীন সংক্রমণ, উন্মুক্ত ক্ষত, পোকা সংক্রমণ, টিউমার এবং অন্যান্য গুরুতর আঘাতে ভুগছিল। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক পরিচালিত ভেটেরিনারি পরীক্ষায় অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া, পরজীবী সংক্রমণ, ছত্রাক দূষণ এবং সন্দেহজনক যক্ষ্মা সংক্রমণ শনাক্ত করা হয়, যা প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হতে পারে এমন একটি সংক্রামক রোগ। এই মাংস মানুষের খাদ্য হিসেবেপ্রতারণামূলকভাবে বাজারজাতকরণ ও বিক্রি করা হচ্ছিল। এমনকি এই মাংসকে গরুর মাংস নাম দিয়েও মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছিল।

কর্তৃপক্ষ এসব কার্যক্রম তাৎক্ষণিক বন্ধের নির্দেশ ও মনিটরিং ব্যবস্থার কথা জানালেও তা বাস্তবায়নে ধারাবাহিকতা নেই। পরবর্তীতে একটি মোবাইল কোর্ট গাজীপুরে ঘোড়ার মাংস বিক্রয় নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। বাংলাদেশে এ ধরনের প্রথা প্রচলিত নয় এবং এটি গুরুতর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে বলে জানান কোর্ট।

অভয়ারণ্য- বাংলাদেশ অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন বারবার গাজীপুর পুলিশ ও জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে। সংস্থাটি অবৈধ ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্য সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য ও নথিপত্রও সরবরাহ করে। বারবার চেষ্টা ও সহায়তা দেওয়া সত্ত্বেও অবৈধ এই বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেফতার কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

গাজীপুরের জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরেযোগাযোগ করলে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর উদ্ধারকৃত ঘোড়াগুলো অভয়ারণ্য, বাংলাদেশ অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের কাছে পরিচর্যা ও পুনর্বাসনের জন্য হস্তান্তর করে। তবে সীমিত সক্ষমতার কারণে সংস্থাটি অতিরিক্ত প্রাণী গ্রহণ করতে পারেনি। একই সময় গাজীপুরের কর্তৃপক্ষ বাজেয়াপ্ত অসুস্থ ঘোড়াগুলো নিলামে বিক্রি করছে বলে জানা গেছে।

অভয়ারণ্য- বাংলাদেশ অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন অবৈধ ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্য সংক্রান্ত জরুরি হস্তক্ষেপ ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সকল প্রাসঙ্গিক সরকারি মন্ত্রণালয় ও কর্তৃপক্ষকে বারবার চিঠি দিয়েছে। কিন্তু কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ২০২৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর অভয়ারণ্য- বাংলাদেশ অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন, এ কে খান হেলথকেয়ার ট্রাস্ট এবং অভিনেত্রী ও প্রাণী কল্যাণ কর্মী জয়া আহসানের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সরকারি মন্ত্রণালয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চিঠি প্রেরণ করে। তারা কোনো ফলপ্রসূ সাড়া পায়নি। এর পরে জনস্বার্থে রিট দায়ের করা হয়েছে।

এমপি গাজী নজরুলের স্ত্রীর শেষ চিঠি ‘কে জানতো আমিই ছিলাম তার দাবার শেষ গুটি’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১১ অপরাহ্ণ
এমপি গাজী নজরুলের স্ত্রীর শেষ চিঠি ‘কে জানতো আমিই ছিলাম তার দাবার শেষ গুটি’

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের সরকারি বাসভবন থেকে কয়েকটি চিঠি উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর পর উদ্ধার হওয়া এসব চিঠিতে গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে অবহেলা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে বলে জানা গেছে।

রোববার রাতে ন্যাম ভবনে এমপির সরকারি বাসভবনে মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর পর চিঠিগুলো উদ্ধার করা হয়। তার মৃত্যুর কারণ কী, তা নিয়ে নানা প্রশ্নের মধ্যে এসব চিঠির বিষয়টি সামনে এসেছে।

উদ্ধার হওয়া চিঠিগুলোর কয়েকটিতে মরিয়ম তার ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও মানসিক কষ্টের কথা লিখেছেন বলে জানা গেছে। একটি চিঠিতে তিনি সম্পর্কটিকে অসম ও ভাগ করা ভালোবাসার সঙ্গে তুলনা করেছেন।

পাঠকদের জন্য সেসব চিঠি হুবহু নিচে দেওয়া হলো:

চিঠিতে মৃত্যুর আগে তিনি উল্লেখ করেন, ‘সে (গাজী নজরুল) ছিল অন্য নারীর স্বামী, কাগজে কলমে তার অধিকার ছিল তার বউ এর। আর আমি ছিলাম বোকা….! অন্য কারো স্বামীকে বানিয়েছিলাম নিজের শখের পুরুষ….!!!, কাউকে অর্ধেক পাওয়ার চেয়ে হারিয়ে ফেলা বেশি সম্মানের। ভালোবাসা কখনোই ভাগ করে নেওয়ার বিষয় নয়। ভালোবাসা হয় সম্পূর্ণ না হয় অসম্পূর্ণ।

আরেক চিঠিতে তিনি লেখেন, ‘সে বলেছিল আমরা বন্ধু, চলো আমরা একটা গেমস খেলি। আমিও সরল মনে বিশ্বাস করে রাজি হয়েছিলাম। কিন্তু কে জানতো আমিই ছিলাম তার দাবার শেষ গুটি।’

আরেকটি চিঠিতে তিনি লেখেন, ‘শুধু মায়ায় পড়েছি বলেই তোমার কাছে বারবার নত হই…. না হয় যতোটা সস্তা ভাবছো ততটা সস্তা আমি নই।’

জাতীয় সংসদের প্যাডে আরেক চিঠিতে গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তিনি লেখেন, ‘আমি হেরেছি তুমি জিতেছো। কারণ আমি তোমাকে বিশ্বাস করেছিলাম বলেই তো ঠকিয়ে জিততে পেরেছো। আমি ধ্বংসের শেষ দাঁড়িয়েও মুখে হাসি রেখেছি। ভেবে নাও এই হাসির কারণই হবে তোমার ধ্বংসের কারণ। আমি অতি বিশ্বাস করে যুদ্ধে নেমেছিলাম তার সাথে। জিততে পারিনি হেরে গেলাম ময়দানে। জিতবই বা কেমনে যুদ্ধের শেষ প্রান্তে যেয়ে দেখি তুমিই তো ছিলে বিপক্ষদলের সেনাপতি।

 

ইসলামিক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল আফতাবনগরে বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত

ইমরুল হাসান
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ণ
ইসলামিক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল আফতাবনগরে বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হলো ইসলামিক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল আফতাবনগর (আইআইএসএ)-এর বহুল প্রতীক্ষিত বিজ্ঞান মেলা ২০২৬।

এ মেলায় স্কুলের প্রায় ১২০ জন শিক্ষার্থী তাদের নিজস্ব প্রস্তুতকৃত বিভিন্ন বিজ্ঞানভিত্তিক প্রজেক্ট প্রদর্শন করে। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, অনুসন্ধিৎসা ও বৈজ্ঞানিক চিন্তাভাবনার প্রকাশ ঘটে পুরো আয়োজনজুড়ে।

বিজ্ঞান মেলার আহ্বায়ক মিসেস আসমা সাইদা নাবিলা-এর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্কুলের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক চৌধুরী। বিজ্ঞান মেলার প্রধান বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন স্কুলের ইনচার্জ ফারহানা সুমাইয়া শবনম।

মেলার প্রাথমিক পর্যায়ে প্লে গ্রুপ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা আলোর উৎস এবং গাছের বিভিন্ন অংশ নিয়ে প্রেজেন্টেশন ও প্রজেক্ট প্রদর্শন করে।

নার্সারি শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ভাসমানতা, স্থিরবিদ্যুৎ, চুম্বকত্ব ও ছায়াপথ নিয়ে বিভিন্ন প্রজেক্ট প্রদর্শন করে।

কেজি শ্রেণির শিক্ষার্থীরা উদ্ভিদের বেড়ে ওঠার প্রক্রিয়া, পাঁচ ইন্দ্রিয়, পানির উৎস, প্রজাপতির জীবনচক্রসহ বিভিন্ন আকর্ষণীয় বিষয়ের ওপর প্রেজেন্টেশন ও প্রজেক্ট প্রদর্শন করে।

এছাড়াও, শিক্ষার্থীদের মাঝে মুসলিম বিজ্ঞানীদের অবদান ও ঐতিহ্য তুলে ধরার লক্ষ্যে ১ম শ্রেণী থেকে ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ১৬ টি গ্রুপে মুসলিম বিজ্ঞানীর নামে বিজ্ঞানভিত্তিক প্রজেক্ট প্রদর্শন করে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আধুনিক বিজ্ঞানের পাশাপাশি মুসলিম সভ্যতার জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চার সমৃদ্ধ ইতিহাস সম্পর্কে জানার সুযোগ তৈরি হয়।

প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ও জ্ঞানচর্চায় আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান এবং ভবিষ্যতে নিজেদের মুসলিম বিজ্ঞানী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য উৎসাহিত করেন।

শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, শিক্ষকদের আন্তরিক পরিশ্রম এবং অভিভাবকদের সহযোগিতায় পুরো বিজ্ঞান মেলা হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও শিক্ষণীয়। এটি শিক্ষার্থীদের কৌতূহল, সৃজনশীলতা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে আরও বিকশিত করার একটি সুন্দর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আয়োজনের শেষে বিজয়ী শিক্ষার্থীরা ক্রেস্ট গ্রহণ করে এবং সকল অংশগ্রহণকারী সার্টিফিকেট গ্রহণ করে।

জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় এমপি গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২৮ অপরাহ্ণ
জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় এমপি গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেয়া হচ্ছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান।

আজ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে প্রেস বিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

ইবনে মিজান বলেন, আমরা আজ (রোববার) সন্ধ্যা ৭টার পরপর ন্যাম ভবনের ৫ নং বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলায় ২০৩ নং কক্ষে একটি ঝুলন্ত মরদেহের খবর পাই। খবর পাওয়ার পরপরই শেরেবাংলা নগর থানা, ডিবি ও সিআইডির টিম ঘটনাস্থলে আসে। ঘটনাস্থলে এসে আমরা দেখতে পাই, ফ্ল্যাটটি সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুলের কক্ষ। পরবর্তীতে আমরা আমাদের আনুসাঙ্গিক আইনগত কাজ করেছি।

তিনি আরও বলেন, নিহত তরুণী সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপির দ্বিতীয় স্ত্রী। আমরা সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এটি কি হত্যা নাকি আত্মহত্যা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি তদন্তের বিষয়।

অপরদিকে, পুলিশ সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে থানায় নেয়ার সময় তিনি হাত দিয়ে মুখ ঢাকেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন গাজী নজরুল ইসলাম। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার একটি ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে দলীয়ভাবে তদন্ত করা হয়। তদন্তে ‘নৈতিক স্খলনের’ অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে উল্লেখ করে গত ২২ জুলাই তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে জামায়াতে ইসলামী।