চলছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গণনা। এবারের নির্বাচনে আলোচিত আসনগুলোর মধ্যে একটি রাজধানীর ঢাকা-৮ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা আব্বাস।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে এ তথ্য জানা যায়।
বেসরকারি তথ্যমতে, ঢাকা-৮ আসনে তিনি মোট ভোট পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৯২ ভোট। এ আসনে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির মুহাম্মাদ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পেয়েছেন ৫১ হাজার ৩৯৬ ভোট।
সড়ক দুর্ঘটনা রোধ ও নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে মোটরসাইকেল ও গাড়ি চালকদের ১২টি নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। সম্প্রতি বাংলাদেশ পুলিশের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা দেয়া হয়।
নির্দেশনায় মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীকে হেলমেট এবং গাড়ির চালক ও যাত্রীদের সিট বেল্ট ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। মোটরসাইকেলে চালকসহ সর্বোচ্চ দুইজন চলাচল করতে পারবেন বলেও জানানো হয়েছে।
গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার ও অহেতুক হর্ন বাজানো থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে নির্ধারিত গতিসীমা মেনে চলা এবং ট্রাফিক সিগন্যাল যথাযথভাবে মেনে চলার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
বড় ও ভারী যানবাহনের ‘ব্লাইন্ড স্পট’ সম্পর্কে সচেতন থাকার পাশাপাশি লেন পরিবর্তন বা মোড় নেয়ার আগে ইন্ডিকেটর ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ। এছাড়া অন্য যানবাহনের সঙ্গে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে গাড়ি চালাতে বলা হয়েছে।
কুয়াশা, বৃষ্টি বা খারাপ আবহাওয়ায় গতি কমিয়ে সতর্কতার সঙ্গে গাড়ি চালানোর পরামর্শ দেয়া হয়েছে। ট্রাফিক জ্যাম বা অন্য চালকের ভুলের কারণে ধৈর্য না হারিয়ে মেজাজ নিয়ন্ত্রণে রাখার কথাও বলা হয়েছে।
মাদক সেবন করে, তন্দ্রাচ্ছন্ন অবস্থায় বা উল্টো পথে গাড়ি চালানো থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। মহাসড়কে ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং না করে নির্ধারিত লেন মেনে চলার নির্দেশনাও রয়েছে।
এ ছাড়া চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ যানবাহনের সব হালনাগাদ কাগজপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। নিজের ও পরিবারের সুরক্ষায় এসব নির্দেশনা মেনে চলার জন্য চালকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে আটক করে থানায় আনার পর দরজা ভেঙে ১৭ কিশোর গ্যাং সদস্য পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় থানার ভেতরে ব্যাপক তাণ্ডব চালানো হয়।
থানার দরজা ভেঙে পালাল ১৭ কিশোর গ্যাং সদস্য
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে দাউদকান্দি মডেল থানায় এ ঘটনা ঘটে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ। তবে এ ঘটনার ভিডিও ফুটেজ ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
ভিডিও ফুটেজ ও স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা যায়, বুধবার দিনভর দাউদকান্দি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাং সন্দেহে ২৮ জনকে আটক করে পুলিশ। আটকের পর তাদের থানার একটি বিশেষ কক্ষে রাখা হয়েছিল। রাতে ওই কক্ষে থাকা কিশোরদের কয়েকজন হঠাৎ দরজা ভেঙে বাইরে বেরিয়ে আসে। এ সময় থানার ওই কক্ষের ভেতরে থাকা বেশ কয়েকটি চেয়ার ভাঙচুর ও ক্ষয়ক্ষতি করে আটকদের মধ্যে ১৭ জন পালিয়ে যান।
আটক কিশোরদের অভিভাবকরা জানান, আটকদের মধ্যে বেশিরভাগের বিরুদ্ধে পুলিশের অপরাধ-সংক্রান্ত রেকর্ড খাতায় কোনো অভিযোগ নেই। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে বিকেল থেকে আটক কিশোরদের স্বজন ও স্থানীয় লোকজন দাউদকান্দি মডেল থানার প্রধান ফটকের সামনে জড়ো হতে থাকেন। একপর্যায়ে সেখানে হট্টগোল ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত (ওসি) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, তেমন কিছু হয়নি। অপ্রয়োজনে ঘোরাফেরার কারণে সন্দেহভাজন হিসেবে ২৮ জনকে আটক করায় তাদের স্বজনরা একসঙ্গে এলে একটু ভিড় হয়। রাত সাড়ে ১০টার দিকে ২২ জনকে অভিভাবকের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি ছয়জনের যাচাই-বাছাই চলছে।
প্রসঙ্গত, বুধবার কুমিল্লা জেলাজুড়ে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে জেলা পুলিশ। জেলার ১৮টি থানায় একযোগে পরিচালিত অভিযানে মোট ৬২৪ কিশোরকে আটক করা হয়। এর মধ্যে দাউদকান্দির বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২৮ জনকে আটক করে থানা পুলিশ।
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের সরকারি বাসভবন থেকে কয়েকটি চিঠি উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর পর উদ্ধার হওয়া এসব চিঠিতে গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে অবহেলা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে বলে জানা গেছে।
রোববার রাতে ন্যাম ভবনে এমপির সরকারি বাসভবনে মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর পর চিঠিগুলো উদ্ধার করা হয়। তার মৃত্যুর কারণ কী, তা নিয়ে নানা প্রশ্নের মধ্যে এসব চিঠির বিষয়টি সামনে এসেছে।
উদ্ধার হওয়া চিঠিগুলোর কয়েকটিতে মরিয়ম তার ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও মানসিক কষ্টের কথা লিখেছেন বলে জানা গেছে। একটি চিঠিতে তিনি সম্পর্কটিকে অসম ও ভাগ করা ভালোবাসার সঙ্গে তুলনা করেছেন।
পাঠকদের জন্য সেসব চিঠি হুবহু নিচে দেওয়া হলো:
চিঠিতে মৃত্যুর আগে তিনি উল্লেখ করেন, ‘সে (গাজী নজরুল) ছিল অন্য নারীর স্বামী, কাগজে কলমে তার অধিকার ছিল তার বউ এর। আর আমি ছিলাম বোকা….! অন্য কারো স্বামীকে বানিয়েছিলাম নিজের শখের পুরুষ….!!!, কাউকে অর্ধেক পাওয়ার চেয়ে হারিয়ে ফেলা বেশি সম্মানের। ভালোবাসা কখনোই ভাগ করে নেওয়ার বিষয় নয়। ভালোবাসা হয় সম্পূর্ণ না হয় অসম্পূর্ণ।
আরেক চিঠিতে তিনি লেখেন, ‘সে বলেছিল আমরা বন্ধু, চলো আমরা একটা গেমস খেলি। আমিও সরল মনে বিশ্বাস করে রাজি হয়েছিলাম। কিন্তু কে জানতো আমিই ছিলাম তার দাবার শেষ গুটি।’
আরেকটি চিঠিতে তিনি লেখেন, ‘শুধু মায়ায় পড়েছি বলেই তোমার কাছে বারবার নত হই…. না হয় যতোটা সস্তা ভাবছো ততটা সস্তা আমি নই।’
জাতীয় সংসদের প্যাডে আরেক চিঠিতে গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তিনি লেখেন, ‘আমি হেরেছি তুমি জিতেছো। কারণ আমি তোমাকে বিশ্বাস করেছিলাম বলেই তো ঠকিয়ে জিততে পেরেছো। আমি ধ্বংসের শেষ দাঁড়িয়েও মুখে হাসি রেখেছি। ভেবে নাও এই হাসির কারণই হবে তোমার ধ্বংসের কারণ। আমি অতি বিশ্বাস করে যুদ্ধে নেমেছিলাম তার সাথে। জিততে পারিনি হেরে গেলাম ময়দানে। জিতবই বা কেমনে যুদ্ধের শেষ প্রান্তে যেয়ে দেখি তুমিই তো ছিলে বিপক্ষদলের সেনাপতি।
আপনার মতামত লিখুন
Array