খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক, ১৪৩৩

শুক্রবার থেকে বন্ধ হতে যাচ্ছে মেট্রোরেলের যাত্রী সেবা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১:৪১ অপরাহ্ণ
শুক্রবার থেকে বন্ধ হতে যাচ্ছে মেট্রোরেলের যাত্রী সেবা

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)-এর স্বতন্ত্র চাকরি-বিধিমালা প্রণয়নে বারবার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের প্রতিবাদে আগামীকাল শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) ভোর ৭টা থেকে সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির নিয়মিত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

এই কর্মসূচির ফলে মেট্রোরেলের সকল যাত্রীসেবা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

গতকাল বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। একই সঙ্গে প্রতিদিন ডিএমটিসিএল প্রধান কার্যালয়ের সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কর্মচারীরা জানান, ২০১৩ সালে ডিএমটিসিএল প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘ এক যুগ অতিবাহিত হলেও প্রতিষ্ঠানের ৯০০-এর বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারীর স্বয়ংসম্পূর্ণ চাকরি-বিধিমালা এখনো প্রণীত হয়নি। এর ফলে ছুটি, সিপিএফ, গ্র্যাচুইটি, শিফট ভাতা/ওভারটাইম, গ্রুপ ইন্স্যুরেন্সসহ বিভিন্ন আর্থিক সুবিধা এবং পদোন্নতির সুযোগ থেকে তারা বঞ্চিত হয়ে আসছেন।

তারা আরও জানান, ২০২৪ সালের ১২ সেপ্টেম্বর মাননীয় উপদেষ্টা ৬০ কর্মদিবসের মধ্যে চাকরি-বিধিমালা প্রণয়নের নির্দেশ দিলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে কর্মচারীরা আন্দোলনে নামলে ডিএমটিসিএল কর্তৃপক্ষ ২০ মার্চের মধ্যে সার্ভিস রুল প্রণয়নের আশ্বাস দেয়। কিন্তু ৯ মাস পেরিয়ে গেলেও আশ্বাস বাস্তবায়িত হয়নি।

কর্মচারীদের দাবি, সার্ভিস রুলের সমস্ত ধারা নিয়ে পরিচালনা পর্ষদের সম্মতি থাকলেও প্রকল্পের জনবলকে কোম্পানিতে আত্মীকরণের উদ্দেশ্যে সংযোজিত একাদশ অধ্যায়ের “বিশেষ বিধান” সরকারি বিধি-বিধান এবং সুপ্রিম কোর্টের রায়ের সাথে সাংঘর্ষিক হওয়ায় এটি পাশ করা সম্ভব হচ্ছে না।

১০ ডিসেম্বর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কর্মচারীদের সাথে সভায় জানান যে, বিশেষ বিধান বাদ না দেওয়া পর্যন্ত সার্ভিস রুল অনুমোদন সম্ভব নয়। তিনি সার্ভিস রুল প্রণয়নের কোনো সময়সীমাও দিতে পারেননি।

কর্মচারীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ১১ ডিসেম্বরের মধ্যে সার্ভিস রুল প্রকাশ না করলে ১২ ডিসেম্বর ভোর থেকে তারা সর্বাত্মক কর্মবিরতিতে যাবেন এবং মেট্রোরেলের যাত্রীসেবা পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। পাশাপাশি প্রতিদিন ডিএমটিসিএল প্রধান কার্যালয়ের সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি চলবে।

কর্মচারীরা দাবি করেন, কর্তৃপক্ষের অযৌক্তিক বিলম্ব এবং বিতর্কিত বিশেষ বিধান বজায় রাখার কারণে তারা আন্দোলনে যেতে বাধ্য হয়েছেন। কর্মসূচির ফলে যে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হবে, তার সম্পূর্ণ দায়ভার ডিএমটিসিএল কর্তৃপক্ষকেই নিতে হবে।

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক মিল্টন, সদস্যসচিব জাহাঙ্গীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:২৯ অপরাহ্ণ
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক মিল্টন, সদস্যসচিব জাহাঙ্গীর

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার দুই সদস্যবিশিষ্ট আংশিক আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

নবগঠিত কমিটিতে শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনকে আহ্বায়ক এবং এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।

দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে এই আংশিক আহ্বায়ক কমিটিকে পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি গঠন করতে হবে।

রোববার (০১ নভেম্বর) বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে, ৩০ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত করা হয়।

 

সাতলা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত দাবি নাহিয়ানের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৪৪ অপরাহ্ণ
সাতলা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত দাবি নাহিয়ানের

বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সাতলা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গত ১১ জুলাই ২০২৬ তারিখে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, বরিশালের চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগ করেন কমিটির সভাপতি পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাহিয়ান। তবে অভিযোগ নিষ্পত্তি না করেই গত ১৮ অক্টোবর কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

নাহিয়ানের অভিযোগ, বিধি অনুযায়ী সাধারণ সভা আয়োজন ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত গ্রহণ না করেই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাত্র তিনজনের নামের একটি প্রস্তাব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে পাঠান। কমিটি গঠনের পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও বিধিমালা অনুসরণ করা হয়নি বলে তিনি দাবি করেছেন। এ ছাড়া, প্রক্রিয়াটিতে নানা ধরনের অভিযোগও তুলে নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন নাহিয়ান।

মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, বরিশালের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবু তাহের মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম বলেন, তিনি নিয়ম মেনে কমিটি গঠনের জন্য বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে বলেছিলেন। কিন্তু প্রধান শিক্ষক কারও সঙ্গে আলোচনা করেননি এবং তাঁর কথাও শোনেননি।

তিনি আরও বলেন, “অনেক কাজের চাপ থাকে। এর মধ্যে হয়তো আমাদের দৃষ্টির বাইরে থেকে গেছে, তাই কমিটি প্রকাশ পেয়েছে। এখন বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।”

বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর ড. মো. জসিম উদ্দিন বলেন, অভিভাবক প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হতে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সন্তানকে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হতে হবে। যাঁর নাম অভিভাবক প্রতিনিধি হিসেবে প্রস্তাব করা হয়েছে, সেই নাম বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বোর্ডে পাঠিয়েছেন। বোর্ড সেই নাম রেখেছে।

তিনি বলেন, “এখন পুনরায় অভিযোগ এলে আমরা আবার বিষয়টি খতিয়ে দেখব।”

অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচনে এমন ভুল কীভাবে হলো, জানতে চাইলে জসিম উদ্দিন এ ক্ষেত্রে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রধান শিক্ষকের ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন।

অন্যদিকে, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাহিয়ান অভিযোগ করেন, দুর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আলী সুজা এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দায় এড়াতে পারেন না। তাঁদের ভূমিকা তদন্ত করে অনিয়ম প্রমাণিত হলে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান নাহিয়ান।

১১ জুলাই শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে দেওয়া আবেদনে নাহিয়ান উল্লেখ করেন, সাধারণ সভা আয়োজন ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত গ্রহণ ছাড়াই কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া, প্রস্তাবিত অভিভাবক সদস্যের সন্তান বর্তমানে দশম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত হওয়ায় তাঁর সদস্যপদের যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। প্রযোজ্য বিধিমালা অনুযায়ী ওই ব্যক্তি অভিভাবক সদস্য হওয়ার যোগ্য নন, বলে দাবি করেন নাহিয়ান।

আবেদনে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সদ্য সাবেক অ্যাডহক কমিটির সভাপতি ও অভিভাবক প্রতিনিধির বিরুদ্ধে অতীতের আর্থিক অনিয়ম এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগের কথাও উল্লেখ করা হয়।

নাহিয়ানের দাবি, পূর্ববর্তী আবেদনের পর অভিযোগগুলোর নিষ্পত্তি ও তদন্তের বিষয়ে তাঁকে অবহিত করা হয়নি। এর মধ্যেই ১৮ অক্টোবর কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। তাই কমিটি গঠনের প্রতিটি ধাপ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা এবং বোর্ডের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

তিনি ঘোষিত কমিটির কার্যক্রম অবিলম্বে স্থগিত করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগ নিষ্পত্তি এবং বিধি অনুযায়ী কমিটি গঠনের দাবি জানিয়েছেন। প্রয়োজনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তদন্ত পরিচালনারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

ব্যালন ডি’অর জিতে নতুন অধ্যায় লিখলেন হ্যারি কেইন

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:২২ পূর্বাহ্ণ
ব্যালন ডি’অর জিতে নতুন অধ্যায় লিখলেন হ্যারি কেইন

ট্রফির জন্য তাঁর অপেক্ষা ছিল দীর্ঘ। গোলের পর গোল করেছেন, ভেঙেছেন রেকর্ড, তবু ব্যক্তিগত অর্জনের মুকুটে যেন একটি পালক কম ছিল। সেই অপূর্ণতা ঘোচানোর গল্পে এবার নতুন অধ্যায় লিখলেন হ্যারি কেইন। ইংলিশ ফুটবলের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ব্যালন ডি’অর জয়ের স্বপ্ন পূরণ করলেন বায়ার্ন মিউনিখের এই স্ট্রাইকার।

ফুটবলে গোল করাই কেইনের সবচেয়ে বড় পরিচয়। কিন্তু তাঁর ক্যারিয়ারকে শুধু গোলের সংখ্যায় মাপলে গল্পের অনেকটাই অজানা থেকে যাবে। দীর্ঘদিন টটেনহাম হটস্পারের হয়ে খেলেছেন। ইংল্যান্ডের অধিনায়কত্ব করেছেন। দেশের হয়ে গোলের পর গোল করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন প্রজন্মের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার হিসেবে। এত কিছুর পরও ব্যালন ডি’অর ছিল অধরা।

২০২৩ সালে টটেনহাম ছেড়ে বায়ার্ন মিউনিখে যোগ দেন কেইন। নতুন ক্লাবে যাওয়ার পেছনে বড় লক্ষ্য ছিল দলীয় শিরোপা জেতা। টটেনহামে ব্যক্তিগত সাফল্য পেলেও বড় কোনো দলীয় ট্রফি জিততে পারেননি তিনি। বায়ার্নে যোগ দিয়েও শুরুতে সেই অপেক্ষা দীর্ঘ হয়েছিল। তবে গোল করার ধারায় কখনো ভাটা পড়েনি।

২০২৫-২৬ মৌসুমে কেইন ছিলেন দুর্দান্ত ছন্দে। বায়ার্নের হয়ে ৫১ ম্যাচে ৬১ গোল করেন তিনি। জার্মান ক্লাবটিকে ঘরোয়া লিগ ও কাপের শিরোপা জেতাতে বড় ভূমিকা রাখেন। জাতীয় দলের হয়েও ছিলেন গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের হয়ে ছয়টি গোল করেন এই স্ট্রাইকার। দলকে সমিতে তোলেন এবং তৃতীয় হতে সহায়তা করেন। সব মিলিয়ে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স ও দলীয় সাফল্যের সমন্বয় তাঁকে ব্যালন ডি’অরের অন্যতম শক্তিশালী দাবিদারে পরিণত করে।

কেইনের গল্পের সবচেয়ে বড় দিক তাঁর ধারাবাহিকতা। গোল করার জন্য শুধু গতি কিংবা শারীরিক শক্তির ওপর নির্ভর করেন না তিনি। বক্সের মধ্যে সঠিক জায়গায় থাকা, অল্প জায়গায় শট নেওয়া, সতীর্থদের জন্য সুযোগ তৈরি করা—সব ক্ষেত্রেই তাঁর দক্ষতা রয়েছে। প্রয়োজনে মাঝমাঠে নেমে খেলেন, আবার সুযোগ পেলে প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভেঙে ঢুকে পড়েন। একজন আধুনিক স্ট্রাইকারের প্রায় সব গুণই রয়েছে তাঁর মধ্যে।

ইংল্যান্ডের ফুটবল ইতিহাসেও এই অর্জনের আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। ২০০১ সালে মাইকেল ওয়েনের পর আর কোনো ইংলিশ ফুটবলার ব্যালন ডি’অর জেতেননি। কেইনের হাতে পুরস্কার উঠলে ২৫ বছর পর আবারও এই সম্মান পাবে ইংলিশ ফুটবল। এর আগে স্ট্যানলি ম্যাথিউস, ববি চার্লটন ও কেভিন কিগানও জিতেছেন ফুটবলের এই ব্যক্তিগত স্বীকৃতি।

ব্যালন ডি’অর শুধু একটি ট্রফি নয়, ফুটবলারের পুরো মৌসুমের পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি। কেইনের ক্ষেত্রে গোলের হিসাবের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দলকে শিরোপা জেতানোর অবদান। যে ফুটবলারকে একসময় বড় ট্রফি জিততে না পারার প্রশ্ন শুনতে হয়েছে, তাঁর ক্যারিয়ারে এমন স্বীকৃতি যোগে রচিত হলো দীর্ঘ পথচলার বিশেষ এক অধ্যায়।

হ্যারি কেইনের বয়স এখন ৩৩। ক্যারিয়ারের এই পর্যায়ে এসে ব্যালন ডি’অর জিতলেন, নিশ্চয়ই তা এক দীর্ঘ অপেক্ষার পুরস্কারই। গোলের পর গোল করে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করেছেন তিনি। এবার সেই পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি মিলল।

কিলিয়ান এমবাপে, লিওনেল মেসি, রদ্রি, লামিন ইয়ামালদের মতো তারকাদের পেছনে ফেলে এই অর্জন কঠিন, তবে হ্যারি কেইনের জন্য এখন ঠিক ততটা মধুরই।