খুঁজুন
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪ আশ্বিন, ১৪৩৩

আর্জেন্টাইন সমর্থকদের হাতে ইসরায়েলি পতাকা, চটলেন ফিলিস্তিনপন্থী মিসরীয় কোচ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ১২:০০ অপরাহ্ণ
আর্জেন্টাইন সমর্থকদের হাতে ইসরায়েলি পতাকা, চটলেন ফিলিস্তিনপন্থী মিসরীয় কোচ

২০২৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা বনাম মিসরের মধ্যকার শেষ ১৬-এর রুদ্ধশ্বাস ম্যাচটি কেবল মাঠের ফুটবল রোমাঞ্চেই সীমাবদ্ধ থাকল না; ম্যাচ শেষে তা রূপ নিল রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক উত্তেজনায়।

মঙ্গলবার আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ৩-২ ব্যবধানে হেরে মাঠ ছাড়ার সময় গ্যালারিতে থাকা আর্জেন্টাইন সমর্থকদের সঙ্গে তীব্র বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন মিসরের ফিলিস্তিনপন্থী কোচ হোসাম হাসান।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বেশ কিছু ভিডিওতে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ও উত্তপ্ত পরিস্থিতির চিত্র দেখা গেছে।

চলতি বিশ্বকাপে ফিলিস্তিনের পক্ষে শুরু থেকেই সোচ্চার ছিলেন মিসরীয় কোচ হোসাম হাসান।

গ্রুপ পর্বে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয়ের পর তিনি ফিলিস্তিনের পতাকা গায়ে জড়িয়ে জয়োৎসব করেছিলেন। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচ শেষে ফারাওদের বিদায়ের পর গ্যালারি থেকে আর্জেন্টাইন সমর্থকেরা হোসাম হাসানকে লক্ষ্য করে উসকানিমূলক আচরণ করতে শুরু করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভিডিওতে দেখা যায়, গ্যালারির একটি অংশ থেকে কিছু আর্জেন্টাইন সমর্থক মিসরীয় কোচের দিকে ইসরায়েলের পতাকা প্রদর্শন করছেন।

চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ও রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল এই প্রতীক দেখে নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি হোসাম হাসান।

অত্যন্ত ক্ষুব্ধ ও উত্তেজিত অবস্থায় তিনি গ্যালারির দিকে আঙুল উঁচিয়ে নিজের শার্টে থাকা মিসরীয় ফুটবল ফেডারেশনের লোগো প্রদর্শন করে জবাব দিতে থাকেন। অন্য একটি কোণ থেকে ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, আর্জেন্টিনার জয়ের উল্লাসের মাঝে মিসরীয় দল যখন মাঠ ছাড়ছিল, তখন ইচ্ছাকৃতভাবেই ইসরায়েলি পতাকা বারবার নাড়ানো হচ্ছিল।

ঐতিহাসিকভাবেই মিসর স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের দাবিকে জোরালো সমর্থন দিয়ে আসছে এবং গাজা সংকটে অন্যতম প্রধান মধ্যস্থতাকারী। হোসাম হাসান এই বিশ্বকাপে ফিলিস্তিনের পক্ষে অন্যতম প্রধান কণ্ঠস্বর। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয়ের পর তিনি বলেছিলেন, ‘এই বিজয় পুরো মিসরের জন্য এবং আমরা সব আরব ও আফ্রিকানদের গর্বিত করছি। আমরা দেখেছি ফিলিস্তিনের মানুষ আমাদের জয়ে কতটা খুশি হয়েছে। আমি এই জয় মিসর ও ফিলিস্তিনের জনগণকে উৎসর্গ করছি।’

তার এই সাহসী অবস্থানের কারণে গাজার যুদ্ধবিধ্বস্ত সাধারণ মানুষ মিসরীয় পতাকা হাতে বড় পর্দায় খেলা দেখেছে এবং ধ্বংসস্তূপের ওপর কোচের বড় ব্যানার টাঙিয়েছে।

আর্জেন্টিনা ম্যাচের আগের সংবাদ সম্মেলনেও নিজের এই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছিলেন মিসরীয় কোচ। যুদ্ধকে বিশ্ব মানবতার জন্য এক বড় লজ্জা আখ্যা দিয়ে হোসাম হাসান বলেছিলেন, ‘যদি কেউ ফিলিস্তিনি জনগণের কষ্ট অনুভব করতে না পারে, তবে বুঝতে হবে তার মধ্যে ন্যূনতম মনুষ্যত্ব বা মানবতাবোধ নেই। এই সংহতি আমার ভেতর থেকে এসেছে কারণ আমি একজন মানুষ, ঠিক যেমন মানুষ সেখানে প্রতিদিন মারা যাচ্ছে। এটি শুধু আরব বিশ্বের জন্য নয়, পুরো পৃথিবীর জন্য একটি লজ্জার বিষয়।’

মাঠে আর্জেন্টিনার কাছে মিসরের রূপকথা থামলেও, মাঠ ছাড়ার সময় রাজনৈতিক উসকানির মুখে হোসাম হাসানের এমন কড়া প্রতিক্রিয়া ফুটবল বিশ্বে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

 

নতুন পে-স্কেলে কোন গ্রেডে কত বেতন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৫৪ অপরাহ্ণ
নতুন পে-স্কেলে কোন গ্রেডে কত বেতন

নবম জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এর প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ নামে জারি করা এ আদেশে নতুন পে-স্কেল ১ জুলাই কার্যকর হয়েছে বলে গণ্য করা হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের বাস্তবায়ন-১ অনুবিভাগ থেকে গত ১৭ সেপ্টেম্বর জারি করা এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) প্রকাশ করে সরকার। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ১৫ ধারায় দেওয়া ক্ষমতাবলে সরকার এ আদেশ জারি করেছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ১ জুলাই ২০২৬ তারিখে নতুন জাতীয় বেতনস্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণ করা হবে।

আদেশে বলা হয়েছে, ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে প্রাপ্য বেতনের সঙ্গে নতুন বেতনস্কেল অনুযায়ী বেতন বৃদ্ধির মোট অঙ্কের ৯ম গ্রেড ও তদূর্ধ্বের ক্ষেত্রে ৪০ শতাংশ এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ যোগ করে দেওয়া হবে।

এই অর্থ ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

নতুন পে-স্কেলের তথ্য অনুযায়ী, ১ম থেকে ১১তম গ্রেড পর্যন্ত প্রারম্ভিক মূল বেতন ১০০ শতাংশ করে বেড়েছে।

অর্থাৎ এসব গ্রেডে বর্তমান বেতনস্কেলের প্রারম্ভিক মূল বেতনের দ্বিগুণ নির্ধারণ করা হয়েছে। ১ম গ্রেডে বর্তমান ৭৮ হাজার টাকা (নির্ধারিত) থেকে প্রারম্ভিক মূল বেতন বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা (নির্ধারিত)।

২য় গ্রেডে ৬৬ হাজার টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৩২ হাজার টাকা। ৩য় গ্রেডে ৫৬ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার টাকা।

৪র্থ গ্রেডে ৫০ হাজার টাকা থেকে প্রারম্ভিক মূল বেতন বেড়ে হয়েছে ১ লাখ টাকা। ৫ম গ্রেডে ৪৩ হাজার থেকে ৮৬ হাজার টাকা, ৬ষ্ঠ গ্রেডে ৩৫ হাজার ৫০০ থেকে ৭১ হাজার টাকা এবং ৭ম গ্রেডে ২৯ হাজার থেকে ৫৮ হাজার টাকা করা হয়েছে।

৮ম গ্রেডে বর্তমান ২৩ হাজার টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৪৬ হাজার টাকা। ৯ম গ্রেডে ২২ হাজার থেকে ৪৪ হাজার টাকা, ১০ম গ্রেডে ১৬ হাজার থেকে ৩২ হাজার টাকা এবং ১১তম গ্রেডে ১২ হাজার ৫০০ থেকে বেড়ে ২৫ হাজার টাকা করা হয়েছে। এসব গ্রেডে প্রারম্ভিক মূল বেতন বৃদ্ধির হার ১০০ শতাংশ।

তবে ১২তম গ্রেড থেকে বেতন বৃদ্ধির হার আরও বেশি। ১২তম গ্রেডে বর্তমান ১১ হাজার ৩০০ টাকা থেকে প্রারম্ভিক মূল বেতন বেড়ে হয়েছে ২৪ হাজার ৩০০ টাকা, বৃদ্ধির হার ১১৫ শতাংশ।

১৩তম গ্রেডে ১১ হাজার টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২৪ হাজার টাকা, যা ১১৮ শতাংশ বৃদ্ধি। ১৪তম গ্রেডেও ১১ হাজার টাকা থেকে বেড়ে প্রারম্ভিক মূল বেতন হয়েছে ২৪ হাজার টাকা। এক্ষেত্রে বৃদ্ধির হার ১৩০ শতাংশ।

১৫তম গ্রেডে বর্তমান ৯ হাজার ৭০০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২৩ হাজার ৫০০ টাকা, বেতন বৃদ্ধির হার ১৩৫ শতাংশ। ১৬তম গ্রেডে ৯ হাজার ৩০০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২১ হাজার ৯০০ টাকা, বৃদ্ধি ১৩৫ শতাংশ।

১৭তম গ্রেডে ৯ হাজার টাকা থেকে প্রারম্ভিক মূল বেতন বেড়ে হয়েছে ২১ হাজার ৪০০ টাকা। এ গ্রেডে বৃদ্ধির হার ১৩৮ শতাংশ। ১৮তম গ্রেডে ৮ হাজার ৮০০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২১ হাজার টাকা, এতে বৃদ্ধি ১৩৯ শতাংশ।

১৯তম গ্রেডে বর্তমান ৮ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২০ হাজার ৫০০ টাকা। এ গ্রেডে প্রারম্ভিক মূল বেতন বৃদ্ধির হার ১৪১ শতাংশ।

সবশেষে ২০তম গ্রেডে বর্তমান ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে প্রারম্ভিক মূল বেতন বেড়ে হয়েছে ২০ হাজার টাকা। ফলে এ গ্রেডে বেতন বৃদ্ধির হার সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ।

নতুন বেতনস্কেলে উচ্চ গ্রেডের কর্মচারীদের প্রারম্ভিক মূল বেতন দ্বিগুণ করা হলেও নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে বেশি হারে বেতন বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে ২০তম গ্রেডে প্রারম্ভিক মূল বেতন বৃদ্ধির হার ১৪২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

আমরা ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে মাঠে নেমেছি: জামায়াত আমির

ইমরুল হাসান
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২৪ পূর্বাহ্ণ
আমরা ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে মাঠে নেমেছি: জামায়াত আমির

আমরা ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে মাঠে নেমেছি বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ১১ দলের রংপুর লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

জামায়াত আমির বলেন, ‘আজকে আমাদের আট দফা দাবি। মনে রাখবেন, এটা ৯ দফা হতে পারে, ১০ দফাও হতে পারে। আবার জাতির প্রয়োজনে যেকোনো সময় এটা এক দফায় পরিণত হতে পারে। এক দফায় যখন পরিণত হবে তখন কিন্তু পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘সেই পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার আগে সম্প্রতি অতীত থেকে শিক্ষা নিন। শিক্ষা নিয়ে জনগণের দাবি মেনে নিন। যদি দাবি মানতে ব্যর্থ হন, তাহলে পরিষ্কার বলে দিচ্ছি কোনো চক্রান্ত কোনো কাজ হবে না।’

১১ দলের প্রথম লংমার্চ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘এতে অনেকের মাথা গরম হয়ে গিয়েছে। মাথা গরমের কিছু লক্ষণ গত দুই দিন ধরে রাজধানীতে আমরা দেখতে পাচ্ছি। আমরা অনুরোধ করব, হতাশ হয়ে মাথা গরম করবেন না। বরং জনতার দাবি মেনে নেওয়ার চেষ্টা করুন।’

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘আমরা কোনো কিছুই পরোয়া করব না। কারণ, আমরা কোনো দলের দাবি নিয়ে মাঠে নামিনি। আমরা ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে মাঠে নেমেছি।’

মিরপুরে যাত্রা শুরু করেছে কফি শপ ‘বিন্স অ্যান্ড ব্রু কফি’

ইমরুল হাসান
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৩ অপরাহ্ণ
মিরপুরে যাত্রা শুরু করেছে কফি শপ ‘বিন্স অ্যান্ড ব্রু কফি’

রাজধানীর মিরপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে নতুন কফি শপ ‘বিন্স অ্যান্ড ব্রু কফি’।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৭টা ৩০ মিনিটে জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় প্রতিষ্ঠানটির গ্র্যান্ড ওপেনিং। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের পরিচিত ড্যান্সার, ফ্যাশন ডিজাইনার ও কোরিওগ্রাফার রুমি কারিম।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রুমি কারিম ‘বিন্স অ্যান্ড ব্রু কফি’-এর সফলতা কামনা করেন। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণীয় মুহূর্ত ছিল তার বিশেষ মোনাজাত। নতুন এই কফি শপের সফলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনায় দুই হাত তুলে আল্লাহর কাছে মোনাজাত করেন রুমি কারিম।

মোনাজাত শেষে রুমি কারিম নতুন কফি শপের পরিবেশ ও আয়োজনের প্রশংসা করেন। পাশাপাশি তার ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা যেন এখানে এসে কফি পান করেন, সময় কাটান এবং প্রতিষ্ঠানটির নতুন যাত্রার সঙ্গে যুক্ত হন এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।

‘বিন্স অ্যান্ড ব্রু কফি’-এর উদ্যোক্তা ও প্রধান রাঁধুনি আজম খান। রান্নার জগতে অভিজ্ঞ এই রাঁধুনি বাংলাদেশের বিভিন্ন রান্নাবিষয়ক রিয়েলিটি শোতে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছেন। দীর্ঘদিনের রান্নার অভিজ্ঞতা, সৃজনশীলতা ও খাবারের প্রতি ভালোবাসাকে কাজে লাগিয়ে এবার নিজের উদ্যোগে কফি ও খাবারের নতুন এই ঠিকানা তৈরি করেছেন তিনি।

উদ্বোধনী আয়োজনে অতিথিদের জন্য ছিল প্রায় ১২০ পদের খাবারের আয়োজন। কফির পাশাপাশি বৈচিত্র্যময় খাবারের স্বাদ ও মানের দিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন উদ্যোক্তা আজম খান। তার পরিকল্পনা ও তত্ত্বাবধানে ‘বিন্স অ্যান্ড ব্রু কফি’ মিরপুরে খাবার ও কফিপ্রেমীদের জন্য নতুন একটি জায়গা হিসেবে পরিচিতি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

‘বিন্স অ্যান্ড ব্রু কফি’ হাউজটি অবস্থিত রাজধানীর মিরপুর-১-এর শাহ আলী এলাকায়, ১/১ ও ১/২, রোড-২, ব্লক-জি, শাহ আলী, মিরপুর-১, ঢাকা (টেক-আউট রেস্টুরেন্টের ভবন) ঠিকানায়।