খুঁজুন
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪ আশ্বিন, ১৪৩৩

টেস্টে প্রথমবার ঘরের মাটিতে পাকিস্তানকে হারাল বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৬:১৮ অপরাহ্ণ
টেস্টে প্রথমবার ঘরের মাটিতে পাকিস্তানকে হারাল বাংলাদেশ

উইকেটে জমে যাওয়া সালমান আলী আঘাকে ফেরালেন তাসকিন আহমেদ। বাংলাদেশের এই পেসারের অফ স্টাম্পের বাইরের ডেলিভারি ঠিকঠাক খেলতে পারেননি সালমান।

ব‍্যাটের কানায় লেগে ক‍্যাচ যায় গালিতে। সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা সাদমান দারুণ দক্ষতায় ক্যাচ নিলেন। সালমান ফিরতেই গ্যালারিতে গর্জন উঠে। মাঠেও বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের শরীরী ভাষায় ফুটে উঠে আগ্রাসন।

সবাইকে ছাড়িয়ে গেলেন মুশফিকুর রহিম। তাসকিনের ব্রেক থ্রুর আনন্দে মিড অনে ফিল্ডিং করা মুশফিক যেন হয়ে গেলেন উসাইন বোল্ট! এই আউটের পরই মূলত চিত্রনাট্য সহজ হয়ে যায়। বাকি কাজটা করে দেন নাহিদ রানা।

সালমানকে ফেরানোর পর ঢাকা টেস্ট জিততে খুব বেশি বেগ পেতে হয়নি বাংলাদেশকে। এরপর দায়িত্ব তুলে নেন নতুন পেস সেনসেশন নাহিদ রানা। তার গতির কাছে একের পর এক পাকিস্তানি ব্যাটার পরাস্ত হন।

নাহিদ তুলে নেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফাইফার। তার আগুনে বোলিংয়েই বাংলাদেশ দল শেষ সেশনের এক ঘণ্টা আগেই ২৩.১ ওভার হাতে রেখে ১০৪ রানের জয় নিশ্চিত করে। যা দেশের মাটিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে টাইগারদের প্রথম টেস্ট জয়। আর পাকিস্তানের বিপক্ষে এই ফরম্যাটে টানা তৃতীয় তথা হ্যাটট্রিক জয়।

বৃষ্টির কারণে বেশ কয়েকটি সেশন নষ্ট হলেও ঢাকা টেস্টের বেশিরভাগ সময়ই আধিপত্য দেখিয়েছে বাংলাদেশ। ম্যাচের দ্বিতীয় দিনটিই কেবল অস্বস্তিতে কেটেছিল স্বাগতিকদের। বুধবার প্রথম সেশনে এক ঘণ্টা ব্যাটিং করে পাকিস্তানের সামনে ২৬৮ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দেয় বাংলাদেশ।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেই ধাক্কা খায় পাকিস্তান। প্রথম ওভারেই ইমাম-উল-হককে ফেরান তাসকিন আহমেদ। অফ স্টাম্পের বাইরের বলে খোঁচা দিতে গিয়ে লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দেন পাকিস্তানের এই ওপেনার।

দ্বিতীয় উইকেটে অবশ্য প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন আজান আওয়াইজ ও আব্দুল্লাহ ফজল। তবে ৫৭ রানের জুটির পর আঘাত হানেন মেহেদী হাসান মিরাজ। স্টাম্পে থাকা বল কাট করতে গিয়ে বোল্ড হন অভিষিক্ত আজান আওয়াইজ। এরপর কিছুক্ষণের মধ্যেই নাহিদ রানা ফিরিয়ে দেন শান মাসুদকে।

চা-বিরতিতে পাকিস্তানের সংগ্রহ ছিল ৩ উইকেটে ১১৬ রান। তখনও ক্রিজে জমে উঠছিল আব্দুল্লাহ ফজল ও সালমান আলি আগার জুটি। তবে বিরতির পরই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয় বাংলাদেশ। তৃতীয় সেশনের শুরুতে তাইজুল ইসলামের বলে এলবিডব্লিউর জোরালো আবেদন নাকচ করেন আম্পায়ার। সঙ্গে সঙ্গে রিভিউ নেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তাতেই ১১৩ বলে ৬৬ রান করা শফিকের ইনিংসের সমাপ্তি ঘটে। ভেঙে যায় ৫১ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি।

শফিকের বিদায়ের ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই আরও একটি উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। তাসকিন আহমেদের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে ক্যাচ দেন সালমান আলি আগা। ৩৯ বলে ২৬ রান করে ফেরেন তিনি।

সালমান ফেরার পর মোহাম্মদ রিজওয়ানকে নিয়ে জুটি গড়ার চেষ্টা করেন সৌদ শাকিল। তবে চাপ ধরে রাখেন বাংলাদেশের বোলাররা। আক্রমণে ফিরে আবারও সাফল্য এনে দেন নাহিদ রানা। অফ স্টাম্পের বাইরের ডেলিভারিতে লিটনের হাতে ক্যাচ দেন সাউদ শাকিল। ৭৩ বলে ৩১ রানের জুটি ভেঙে আরও চাপে পড়ে পাকিস্তান।

এরপর আর বেশিক্ষণ টিকতে পারেনি সফরকারীরা। ২৩.১ ওভার বাকি থাকতেই ১৬৩ রানে অলআউট হয়ে যায় পাকিস্তান। তাতেই টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চলতি চক্রে প্রথম জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ।

নাহিদের ইন-সুইংয়ে বোল্ড হয়ে ফেরেন রিজওয়ানও। পরে নোমান আলীকেও এলবিডব্লিউ করে নিজের চতুর্থ উইকেট তুলে নেন এই পেসার। এরপর শাহিন শাহ আফ্রিদিকে ফিরিয়ে পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসের ইতি টানেন তিনি।

ক্যারিয়ারসেরা বোলিংয়ে মাত্র ৪০ রানে ৫ উইকেট নেন নাহিদ রানা। নিজের সেই স্পেলে মাত্র ৪.৫ ওভার বল করেন তিনি। আর তাতেই কেঁপে ওঠে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ। মাত্র ১০ রান দিয়ে তুলে নেন ৪ উইকেট।

তবে বাংলাদেশের এই জয়ে অবদান ছিল অনেকেরই। প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরির পর দ্বিতীয় ইনিংসে ৮৭ রান করেন নাজমুল হোসেন শান্ত। মুমিনুল হক দুই ইনিংসেই হাফ সেঞ্চুরি পেয়েছেন। আর প্রথম ইনিংসে ৭১ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন মুশফিকুর রহিম।

বল হাতেও ছিল দলীয় নৈপুণ্য। প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট নেন মেহেদী হাসান মিরাজ। পুরো ম্যাচজুড়েই দুর্দান্ত বোলিং করেছেন তাসকিন আহমেদ। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এনে দিয়েছেন ব্রেকথ্রু। প্রথম ইনিংসে কিছুটা এলোমেলো থাকলেও দ্বিতীয় ইনিংসে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন তিনি। ২০২৪ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৬১ রানে ৫ উইকেট নেওয়ার পর এটিই তার ক্যারিয়ারসেরা বোলিং।

নতুন পে-স্কেলে কোন গ্রেডে কত বেতন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৫৪ অপরাহ্ণ
নতুন পে-স্কেলে কোন গ্রেডে কত বেতন

নবম জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এর প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ নামে জারি করা এ আদেশে নতুন পে-স্কেল ১ জুলাই কার্যকর হয়েছে বলে গণ্য করা হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের বাস্তবায়ন-১ অনুবিভাগ থেকে গত ১৭ সেপ্টেম্বর জারি করা এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) প্রকাশ করে সরকার। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ১৫ ধারায় দেওয়া ক্ষমতাবলে সরকার এ আদেশ জারি করেছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ১ জুলাই ২০২৬ তারিখে নতুন জাতীয় বেতনস্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণ করা হবে।

আদেশে বলা হয়েছে, ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে প্রাপ্য বেতনের সঙ্গে নতুন বেতনস্কেল অনুযায়ী বেতন বৃদ্ধির মোট অঙ্কের ৯ম গ্রেড ও তদূর্ধ্বের ক্ষেত্রে ৪০ শতাংশ এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ যোগ করে দেওয়া হবে।

এই অর্থ ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

নতুন পে-স্কেলের তথ্য অনুযায়ী, ১ম থেকে ১১তম গ্রেড পর্যন্ত প্রারম্ভিক মূল বেতন ১০০ শতাংশ করে বেড়েছে।

অর্থাৎ এসব গ্রেডে বর্তমান বেতনস্কেলের প্রারম্ভিক মূল বেতনের দ্বিগুণ নির্ধারণ করা হয়েছে। ১ম গ্রেডে বর্তমান ৭৮ হাজার টাকা (নির্ধারিত) থেকে প্রারম্ভিক মূল বেতন বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা (নির্ধারিত)।

২য় গ্রেডে ৬৬ হাজার টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৩২ হাজার টাকা। ৩য় গ্রেডে ৫৬ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার টাকা।

৪র্থ গ্রেডে ৫০ হাজার টাকা থেকে প্রারম্ভিক মূল বেতন বেড়ে হয়েছে ১ লাখ টাকা। ৫ম গ্রেডে ৪৩ হাজার থেকে ৮৬ হাজার টাকা, ৬ষ্ঠ গ্রেডে ৩৫ হাজার ৫০০ থেকে ৭১ হাজার টাকা এবং ৭ম গ্রেডে ২৯ হাজার থেকে ৫৮ হাজার টাকা করা হয়েছে।

৮ম গ্রেডে বর্তমান ২৩ হাজার টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৪৬ হাজার টাকা। ৯ম গ্রেডে ২২ হাজার থেকে ৪৪ হাজার টাকা, ১০ম গ্রেডে ১৬ হাজার থেকে ৩২ হাজার টাকা এবং ১১তম গ্রেডে ১২ হাজার ৫০০ থেকে বেড়ে ২৫ হাজার টাকা করা হয়েছে। এসব গ্রেডে প্রারম্ভিক মূল বেতন বৃদ্ধির হার ১০০ শতাংশ।

তবে ১২তম গ্রেড থেকে বেতন বৃদ্ধির হার আরও বেশি। ১২তম গ্রেডে বর্তমান ১১ হাজার ৩০০ টাকা থেকে প্রারম্ভিক মূল বেতন বেড়ে হয়েছে ২৪ হাজার ৩০০ টাকা, বৃদ্ধির হার ১১৫ শতাংশ।

১৩তম গ্রেডে ১১ হাজার টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২৪ হাজার টাকা, যা ১১৮ শতাংশ বৃদ্ধি। ১৪তম গ্রেডেও ১১ হাজার টাকা থেকে বেড়ে প্রারম্ভিক মূল বেতন হয়েছে ২৪ হাজার টাকা। এক্ষেত্রে বৃদ্ধির হার ১৩০ শতাংশ।

১৫তম গ্রেডে বর্তমান ৯ হাজার ৭০০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২৩ হাজার ৫০০ টাকা, বেতন বৃদ্ধির হার ১৩৫ শতাংশ। ১৬তম গ্রেডে ৯ হাজার ৩০০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২১ হাজার ৯০০ টাকা, বৃদ্ধি ১৩৫ শতাংশ।

১৭তম গ্রেডে ৯ হাজার টাকা থেকে প্রারম্ভিক মূল বেতন বেড়ে হয়েছে ২১ হাজার ৪০০ টাকা। এ গ্রেডে বৃদ্ধির হার ১৩৮ শতাংশ। ১৮তম গ্রেডে ৮ হাজার ৮০০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২১ হাজার টাকা, এতে বৃদ্ধি ১৩৯ শতাংশ।

১৯তম গ্রেডে বর্তমান ৮ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২০ হাজার ৫০০ টাকা। এ গ্রেডে প্রারম্ভিক মূল বেতন বৃদ্ধির হার ১৪১ শতাংশ।

সবশেষে ২০তম গ্রেডে বর্তমান ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে প্রারম্ভিক মূল বেতন বেড়ে হয়েছে ২০ হাজার টাকা। ফলে এ গ্রেডে বেতন বৃদ্ধির হার সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ।

নতুন বেতনস্কেলে উচ্চ গ্রেডের কর্মচারীদের প্রারম্ভিক মূল বেতন দ্বিগুণ করা হলেও নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে বেশি হারে বেতন বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে ২০তম গ্রেডে প্রারম্ভিক মূল বেতন বৃদ্ধির হার ১৪২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

আমরা ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে মাঠে নেমেছি: জামায়াত আমির

ইমরুল হাসান
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২৪ পূর্বাহ্ণ
আমরা ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে মাঠে নেমেছি: জামায়াত আমির

আমরা ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে মাঠে নেমেছি বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ১১ দলের রংপুর লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

জামায়াত আমির বলেন, ‘আজকে আমাদের আট দফা দাবি। মনে রাখবেন, এটা ৯ দফা হতে পারে, ১০ দফাও হতে পারে। আবার জাতির প্রয়োজনে যেকোনো সময় এটা এক দফায় পরিণত হতে পারে। এক দফায় যখন পরিণত হবে তখন কিন্তু পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘সেই পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার আগে সম্প্রতি অতীত থেকে শিক্ষা নিন। শিক্ষা নিয়ে জনগণের দাবি মেনে নিন। যদি দাবি মানতে ব্যর্থ হন, তাহলে পরিষ্কার বলে দিচ্ছি কোনো চক্রান্ত কোনো কাজ হবে না।’

১১ দলের প্রথম লংমার্চ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘এতে অনেকের মাথা গরম হয়ে গিয়েছে। মাথা গরমের কিছু লক্ষণ গত দুই দিন ধরে রাজধানীতে আমরা দেখতে পাচ্ছি। আমরা অনুরোধ করব, হতাশ হয়ে মাথা গরম করবেন না। বরং জনতার দাবি মেনে নেওয়ার চেষ্টা করুন।’

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘আমরা কোনো কিছুই পরোয়া করব না। কারণ, আমরা কোনো দলের দাবি নিয়ে মাঠে নামিনি। আমরা ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে মাঠে নেমেছি।’

মিরপুরে যাত্রা শুরু করেছে কফি শপ ‘বিন্স অ্যান্ড ব্রু কফি’

ইমরুল হাসান
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৩ অপরাহ্ণ
মিরপুরে যাত্রা শুরু করেছে কফি শপ ‘বিন্স অ্যান্ড ব্রু কফি’

রাজধানীর মিরপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে নতুন কফি শপ ‘বিন্স অ্যান্ড ব্রু কফি’।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৭টা ৩০ মিনিটে জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় প্রতিষ্ঠানটির গ্র্যান্ড ওপেনিং। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের পরিচিত ড্যান্সার, ফ্যাশন ডিজাইনার ও কোরিওগ্রাফার রুমি কারিম।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রুমি কারিম ‘বিন্স অ্যান্ড ব্রু কফি’-এর সফলতা কামনা করেন। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণীয় মুহূর্ত ছিল তার বিশেষ মোনাজাত। নতুন এই কফি শপের সফলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনায় দুই হাত তুলে আল্লাহর কাছে মোনাজাত করেন রুমি কারিম।

মোনাজাত শেষে রুমি কারিম নতুন কফি শপের পরিবেশ ও আয়োজনের প্রশংসা করেন। পাশাপাশি তার ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা যেন এখানে এসে কফি পান করেন, সময় কাটান এবং প্রতিষ্ঠানটির নতুন যাত্রার সঙ্গে যুক্ত হন এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।

‘বিন্স অ্যান্ড ব্রু কফি’-এর উদ্যোক্তা ও প্রধান রাঁধুনি আজম খান। রান্নার জগতে অভিজ্ঞ এই রাঁধুনি বাংলাদেশের বিভিন্ন রান্নাবিষয়ক রিয়েলিটি শোতে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছেন। দীর্ঘদিনের রান্নার অভিজ্ঞতা, সৃজনশীলতা ও খাবারের প্রতি ভালোবাসাকে কাজে লাগিয়ে এবার নিজের উদ্যোগে কফি ও খাবারের নতুন এই ঠিকানা তৈরি করেছেন তিনি।

উদ্বোধনী আয়োজনে অতিথিদের জন্য ছিল প্রায় ১২০ পদের খাবারের আয়োজন। কফির পাশাপাশি বৈচিত্র্যময় খাবারের স্বাদ ও মানের দিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন উদ্যোক্তা আজম খান। তার পরিকল্পনা ও তত্ত্বাবধানে ‘বিন্স অ্যান্ড ব্রু কফি’ মিরপুরে খাবার ও কফিপ্রেমীদের জন্য নতুন একটি জায়গা হিসেবে পরিচিতি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

‘বিন্স অ্যান্ড ব্রু কফি’ হাউজটি অবস্থিত রাজধানীর মিরপুর-১-এর শাহ আলী এলাকায়, ১/১ ও ১/২, রোড-২, ব্লক-জি, শাহ আলী, মিরপুর-১, ঢাকা (টেক-আউট রেস্টুরেন্টের ভবন) ঠিকানায়।