খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ, ১৪৩৩

কোক স্টুডিও বাংলায় রুনা লায়লার গান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৫, ৮:০৮ অপরাহ্ণ
কোক স্টুডিও বাংলায় রুনা লায়লার গান

উপমহাদেশের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা অবশেষে নতুন গানে হাজির হচ্ছেন কোক স্টুডিও বাংলায়। রোববার (১৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় প্ল্যাটফর্মটির ইউটিউব চ্যানেলে গানটি প্রকাশিত হবে।

৬০ বছরের দীর্ঘ সংগীতজীবনে বাংলা, হিন্দি, পাঞ্জাবি, উর্দু ও ইংরেজিসহ মোট ১৮টি ভাষায় গান উপহার দিয়ে আসা রুনা লায়লার কালজয়ী গানগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ‘দমা দম মাস্ত কালান্দার’।

কোক স্টুডিও বাংলার তৃতীয় সিজন ঘোষণার পর থেকেই গুঞ্জন ছিল, এই মৌসুমে গান গাইবেন রুনা লায়লা। যদিও দীর্ঘদিন কোক স্টুডিও কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে মন্তব্য করতে বিরত থাকলেও, গত বছর শিল্পী নিজেই অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন। এরপর গানটির টিজার ১৪ নভেম্বর প্রকাশ করা হয়।

আগামীকাল (১৭ নভেম্বর) রুনা লায়লার জন্মদিন। তার জন্মদিনের ঠিক আগের দিন সন্ধ্যায় প্রকাশ পেতে যাচ্ছে গানটি। কোক স্টুডিও বাংলা এই গানটির মাধ্যমে উপমহাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে দীর্ঘ সময় ধরে ভালোবাসা পাওয়া বাংলাদেশের এই কণ্ঠের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছে।

শায়ান চৌধুরী অর্ণব ও অদিত রহমান প্রযোজিত গানটি একটি নতুন রূপে হাজির হয়েছে। এতে চিরায়ত কাওয়ালির আধ্যাত্মিক সুর, বাংলার লোকজ ভাব ও আধুনিক সঙ্গীতের মিশ্রণ ঘটেছে।

গানটির শুরুতেই রয়েছে মাখন মিয়ার কণ্ঠে হাসন রাজার বাংলা গানের একটি ছোট হৃদয়গ্রাহী অংশ। পরে ধীরে ধীরে যোগ হয়েছে সুফি ঘরানার গভীরতা, লোকজ ছন্দ ও সমসাময়িক বাদ্যযন্ত্র। গানে একসঙ্গে কাজ করেছেন দুই প্রজন্মের শিল্পীরা। গানটিতে ফুয়াদ নাসের বাবুর পাশাপাশি কোক স্টুডিও বাংলার নতুন প্রজন্মের শিল্পীরাও অংশ নিয়েছেন। সব মিলিয়ে একই সঙ্গে নস্টালজিক ও সতেজ এক সঙ্গীত অভিজ্ঞতার সৃষ্টি হয়েছে ।

রুনা লায়লার দীর্ঘ সঙ্গীতজীবনে ‘মাস্ত কালন্দর’ গানটি একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ‘মাস্ত কালন্দর’-এর কোক স্টুডিও বাংলার এই নতুন এই উপস্থাপনা তার গাওয়া কালজয়ী সংস্করণটিকে আবারও নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেবে।

গানটি নিয়ে রুনা লায়লা বলেন, ‘মাস্ত কালন্দর’ সবসময়ই আমার হৃদয়ের খুব কাছের একটি গান। নতুনভাবে, তরুণ শিল্পীদের সঙ্গে আবার গানটি গাইতে পেরে আমি আনন্দিত। প্রজন্ম-পরম্পরায় গানটির নতুনভাবে ফিরে আসা আমাকে আনন্দ দিয়েছে।

শুরু থেকেই কিউরেটর, গায়ক ও সুরকার হিসেবে কোক স্টুডিও বাংলার আর্ট ডিরেক্টর হিসেবে ছিলেন শায়ান চৌধুরী অর্ণব। তিনি ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে কোক স্টুডিও বাংলার নিজস্ব পরিচয় গড়ে তুলেছেন। তার সঙ্গে কাজ করেছেন সুরকার ও প্রযোজক অদিত রহমান যিনি সন্ধ্যাতারা, নাসেক নাসেক ও ভবের পাগল-এর মতো জনপ্রিয় গানের আধুনিক সঙ্গীতায়নের জন্য পরিচিতি লাভ করেছেন। তাদের যৌথ প্রচেষ্টায় সিজন ৩ একটি আধুনিক ও হৃদয়স্পর্শী সমাপ্তি পেতে যাচ্ছে।

গানটি নিয়ে অর্ণব বলেন, এই গান স্মৃতি, ভক্তি ও সংস্কৃতির অনুভূতি বহন করে। রুনা লায়লা আপুর কণ্ঠে নতুনভাবে এই গানটিকে পাওয়া আমাদের সবার জন্য গর্বের মুহূর্ত। ‘মাস্ত কালন্দর’ শুধু গান নয়, এটি সকল শ্রোতার সঙ্গে এক সেতুবন্ধন যারা এই গানকে জীবন, শিক্ষা ও ভালোবাসার সঙ্গে জড়িয়ে রেখেছেন।

মৃ/ত্যুর দুইদিন পর ফলাফল প্রকাশ, শিহাব পেল গোল্ডেন এ প্লাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪২ পূর্বাহ্ণ
মৃ/ত্যুর দুইদিন পর ফলাফল প্রকাশ, শিহাব পেল গোল্ডেন এ প্লাস

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের দুইদিন আগে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যায় শিহাব। আজ সোমবার প্রকাশিত সেই ফলাফলে শিহাব পেয়েছে গোল্ডেন জিপিএ ৫।

সন্তানের এমন সাফল্যের দিনে ঘরে নেই সে। আনন্দের পরিবর্তে একমাত্র ছেলেকে হারানোর শোকে কাতর পরিবার।

শিহাব কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মানুরা গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে। সে ঢাকার বিমানবন্দর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল।

স্থানীয় ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম জানান, শিহাবের বাবা তোফাজ্জল হোসেন ঢাকায় গার্মেন্টস ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। ছোট ভাই তাজুল ইসলামের বিয়ের অনুষ্ঠান উপলক্ষে গত বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে গ্রামের বাড়িতে আসে তারা।

শনিবার দুপুরে গোসল শেষে বাড়ির ছাদে কাপড় শুকাতে যায় শিহাব। এ সময় বিয়ের অনুষ্ঠানের ডেকোরেশনের জন্য টানানো রঙিন বাতির তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় সে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে পাশের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। শনিবার সন্ধ্যায় গ্রামের বাড়িতে শিহাবের মরদেহ দাফন করা হয়।

 

একসঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দিলো মা-ছেলে, দুই জনই পেলেন জিপিএ-৫

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:২৩ পূর্বাহ্ণ
একসঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দিলো মা-ছেলে, দুই জনই পেলেন জিপিএ-৫

একসঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে বাজিমাত করেছে এক মা ও তার ছেলে। দুই জনই করেছেন অভাবনীয় রেজাল্ট। পেয়েছেন জিপিএ-৫। মা-ছেলের এ সাফল্যে এখন পরিবারজুড়ে আনন্দ।

তারা হলেন রাজশাহী নগরীর রাজপাড়া থানার বসিলা এলাকার বাসিন্দা মোছা. সাদিয়া বেগম ও তার ছেলে তানভীর আহমেদ। তারা এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সফলতার সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছেন।

সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে এসএসসির ফল জানার পর তাদের বাড়িতে নেমে আসে আনন্দের বন্যা। ফল প্রকাশের পর স্বজন ও পরিচিতজনরা তাদের অভিনন্দন জানাচ্ছেন।

সাদিয়া বেগমের স্বামী তোফাজ্জল হোসেন একজন সরকারি কর্মকর্তা। স্বামী-সংসার, সন্তান লালন-পালনসহ নানা দায়িত্বের মধ্যেও নিজের পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন।

জানা গেছে, ১৯ বছর আগে সাদিয়া বেগম বিয়ের পিঁড়িতে বসেন। এরপরে থেমে যায় তার পড়াশোনা। সংসার ও পারিবারিক দায়িত্বের কারণে দীর্ঘ ১৭ বছর বই-খাতার বাইরে ছিলেন তিনি। তবে পড়াশোনার প্রতি টানটা রয়ে গিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত নতুন করে শুরু করেন শিক্ষাজীবন। সংসার সামলেছেন, দুই ছেলের পড়াশোনার খোঁজ রেখেছেন; এর পাশাপাশি নিজেও চালিয়ে গেছেন পড়াশোনা। প্রায় দুই বছর আগে ছেলের সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দেবেন বলে সিদ্ধান্ত নেন।

পরিবারের সম্মতিতে সংসারের কাজের ফাঁকে চলে পড়াশোনা। সন্তানের পড়াশোনার দেখভালের পাশাপাশি নিজের পড়াশোনার সময়ও বের করেছেন।

চলতি বছরের এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পরিশ্রমের ফল পেয়েছেন সাদিয়া বেগম। তিনি রাজপাড়া আদর্শ মহিলা টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছেন। তার ছেলে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পেয়েছে গোল্ডেন জিপিএ-৫। অর্থাৎ একই বছরে একই সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে মা ও ছেলে দুই জনই পেয়েছেন জিপিএ-৫।

এসএসসিতে কত জিপিএ পেলেন ‘এটা আমাদেরই গল্প’-এর ফারহানা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:১০ পূর্বাহ্ণ
এসএসসিতে কত জিপিএ পেলেন ‘এটা আমাদেরই গল্প’-এর ফারহানা

জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটক ‘এটা আমাদেরই গল্প’-এর ফারহানা চরিত্রে অভিনয় করে পরিচিতি পাওয়া ইসরাত অতিথি এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৪ পেয়েছেন।

উত্তরা কেসি মডেল স্কুলের মানবিক বিভাগ থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন এই তরুনী অভিনেত্রী। ফল প্রকাশের পর নিজের সাফল্যে আনন্দ প্রকাশ করেছেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের অনুভূতি জানিয়ে ইসরাত লিখেছেন, ‘সবকিছুর জন্য আলহামদুলিল্লাহ। আপনারা সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।’

তবে ইসরাতের এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতির পথটি ছিল অন্যদের চেয়ে কিছুটা ভিন্ন। নবম শ্রেণি পর্যন্ত তিনি বিজ্ঞান বিভাগে পড়াশোনা করেন। পরবর্তী সময়ে অভিনয়ের ব্যস্ততা বেড়ে যাওয়ায় বিজ্ঞান বিভাগের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

বিশেষ করে ‘এটা আমাদেরই গল্প’ ধারাবাহিকের নিয়মিত শুটিংয়ে সময় দেওয়ার কারণে পড়াশোনার সঙ্গে অভিনয়ের ভারসাম্য রাখা তার জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। ফলে এসএসসি পরীক্ষার মাত্র আট মাস আগে বিভাগ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

এরই মধ্যে বোর্ডে তার নিবন্ধন হয়ে গেলেও স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে মানবিক বিভাগে চলে আসেন ইসরাত। এরপর মানবিক বিভাগ থেকেই এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ-৪ অর্জন করেন তিনি। পড়াশোনার পাশাপাশি ভবিষ্যতেও অভিনয়ে নিয়মিত কাজ করে যেতে চান ইসরাত অতিথি।