খুঁজুন
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪ আশ্বিন, ১৪৩৩

নির্বাচনে ভোট দেবেন না মেসি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:৩৮ অপরাহ্ণ
নির্বাচনে ভোট দেবেন না মেসি

ক্লাব প্রেসিডেন্ট জোয়ান লাপোর্তার পদত্যাগের মধ্য দিয়ে স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনার সভাপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। নতুন নির্বাচনে আবারও সভাপতি পদে প্রার্থী হচ্ছেন লাপোর্তা। তবে এবার তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে লড়ছেন ভিক্টর ফন্ট।

বার্সেলোনার ভবিষ্যৎ নির্ধারণী গুরুত্বপূর্ণ এই নির্বাচনে সাবেক তারকা ফুটবলারদের ভূমিকা বিশেষ আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। সাবেক কোচ জাভি হার্নান্দেজ প্রকাশ্যেই ভিক্টর ফন্টের পক্ষে অবস্থান নিলেও, লিওনেল মেসি এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে নীরব রয়েছেন। যদিও লাপোর্তার সঙ্গে মেসির সম্পর্ক খুব একটা ভালো নয় এবং সেই বিবেচনায় ফন্টকে সমর্থন করার যুক্তিসঙ্গত কারণ তার রয়েছে।

তবে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ডিয়ারিও স্পোর্ট–এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলমান বার্সেলোনা নির্বাচন নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন মেসি।

আর্জেন্টাইন মহাতারকা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তিনি এই নির্বাচনে ভোটদান প্রক্রিয়ায় অংশ নেবেন না কিংবা কোনোভাবেই নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলবেন না। খবর ইয়াহু স্পোর্টসের।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মেসি কোনো প্রার্থীর সঙ্গেই সাক্ষাৎ করবেন না। এমনকি ভিক্টর ফন্টের সঙ্গেও নয়। যদিও ফন্ট প্রকাশ্যে জানিয়েছেন, নির্বাচনে জিতলে প্রথম কাজ হিসেবেই মেসিকে ফোন করবেন।

প্রতিবেদনে আরও নিশ্চিত করা হয়েছে, জোয়ান লাপোর্তার সঙ্গে মেসির সম্পর্ক কার্যত বিচ্ছিন্ন। তবুও এ নির্বাচনে ভোট দেয়ার সিদ্ধান্ত নেননি আর্জেন্টাইন তারকা। সাম্প্রতিক নির্বাচনগুলোর তুলনায় এটি একটি বড় পরিবর্তন। কারণ অতীতে মেসি নিয়মিতভাবে বার্সেলোনার নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েছেন এবং ভোট দিয়েছেন।

বর্তমানে ইন্টার মায়ামির হয়ে খেলা মেসি কোনো প্রার্থীর নাম উল্লেখ করেও মন্তব্য করতে চান না। কারণ তিনি জানেন, তার সামান্য ইঙ্গিতও নির্বাচনের ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

এই নির্বাচনে মেসির অংশ না নেওয়ার প্রধান কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রে নিজের ব্যস্ত জীবন। ইন্টার মায়ামির হয়ে সক্রিয় ফুটবল ক্যারিয়ার চালিয়ে যাওয়ার কারণে এবার বার্সেলোনার রাজনীতির বাইরে থাকছেন তিনি। তবে পরবর্তী নির্বাচনে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কেন গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন করছেন না: টাঙ্গাইল থেকে প্রশ্ন জামায়াত আমীরের

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
কেন গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন করছেন না: টাঙ্গাইল থেকে প্রশ্ন জামায়াত আমীরের

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, নতুন স্বৈরাচারের জন্য আমরা জীবন দিইনি। নতুন স্বৈরাচারে পথে হাঁটা সরকার আমাদের ঢাকা-চট্টগ্রাম লং মার্চের পর দ্বিতীয় কর্মসূচি দেখে বিভিন্ন কথা বলতে শুরু করেছে। সরকার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ তে ভোট দেয়া ৭০ শতাংশ মানুষের সাথে প্রতারণা করেছে রায় বাস্তবায়ন না করে।

তিনি আরো বলেন, তারা নির্বাচনের আগে বলেছিল জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে। তারা এখন জুলাই সনদ কেন বাস্তবায়ন করছেন না। কেন গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন করছেন না। বিএনপি জাতির সাথে প্রতারণা করছে।

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ; দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধ; আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন; সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে আজ ১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় টাঙ্গাইলের নগর জালফৈ বাইপাস রোডে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-রংপুর লংমার্চের পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর টাঙ্গাইল জেলা আমীর আহসান হাবীব মাসুদের সভাপতিত্বে সকাল ১০টায় পথসভা শুরু হয়।

বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এমপি বলেন, বাংলাদেশে নতুন স্বৈরাচার বসেছে। সামনে আমাদের কঠিন লড়াই। গত সাতমাসে পদে পদে দলীয়করণ করা হয়েছে। কথা ছিল বৈষম্যমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত, ফ্যাসিবাদমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত হবে বাংলাদেশ। কিন্তু কর্মসংস্থান হচ্ছে শুধু ছাত্রদল ও যুবদলের। আমরা এমন বাংলাদেশ হতে দেবো না।

এলডিপির চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম বলেন, আমরা নিজস্ব লাভের জন্য আসিনি। আমরা চাই সরকার জনগণের কাছে যে ওয়াদা দিয়েছিল, তা পূরণ করুক। সরকারকে বলতে চাই, আওয়ামী লীগের মতো যেভাবে দেশ চালাচ্ছেন, এভাবে দেশ চলতে পারে না।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর আল্লামা মামুনুল হক বলেন, ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ-এ জনগণের ব্যাপক উপস্থিতি প্রমাণ করেছে; জনগণ তাদের অধিকার আদায়ের জন্য রাস্তায় নেমেছে। জনগণের ভাষা বুঝতে ব্যর্থ হলে সরকার যে ভাষায় কথা বুঝবে, সে ভাষায় কথা বলা হবে। অধিকার আদায়ের ডাক আসলে সাড়া দেয়ার জন্য প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানান তিনি।

টাঙ্গাইলের পথসভায় আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার ও হামিদুর রহমান আজাদসহ ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

এর আগে হাজার হাজার জনতার উপস্থিতিতে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে উদ্বোধনী সমাবেশ করে। এতে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। সমাবেশ শেষে সকাল ৮টার দিকে লং মার্চের বহর রংপুরের উদ্দেশে যাত্রা করে টাঙ্গাইলের নগর জালফৈ বাইপাস রোডের পথসভায় যোগ দেয়।

টাঙ্গাইলের পথসভা শেষে লং মার্চের বহর রংপুরের উদ্দেশে যাত্রা করে পথে সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল মোড়; বগুড়ার মাটিডালি বিমান মোড় ও গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে আয়োজিত পথসভায় যোগ দেবে এবং সবশেষ রংপুরের জিলা স্কুল মাঠে লং মার্চের সমাপনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও লং মার্চ রুটের বিভিন্ন স্থানে গণজমায়েত স্থলে অনানুষ্ঠানিক পথসভা অনুষ্ঠিত হবে এবং রাস্তার দুধারে দাঁড়িয়ে স্থানীয় সংগঠনের ১১ দলের নেতাকর্মীদের দেয়া অভিবাদন গ্রহণ করবে লং মার্চের বহর।

নতুন পে-স্কেলে কোন গ্রেডে কত বেতন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৫৪ অপরাহ্ণ
নতুন পে-স্কেলে কোন গ্রেডে কত বেতন

নবম জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এর প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ নামে জারি করা এ আদেশে নতুন পে-স্কেল ১ জুলাই কার্যকর হয়েছে বলে গণ্য করা হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের বাস্তবায়ন-১ অনুবিভাগ থেকে গত ১৭ সেপ্টেম্বর জারি করা এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) প্রকাশ করে সরকার। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ১৫ ধারায় দেওয়া ক্ষমতাবলে সরকার এ আদেশ জারি করেছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ১ জুলাই ২০২৬ তারিখে নতুন জাতীয় বেতনস্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণ করা হবে।

আদেশে বলা হয়েছে, ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে প্রাপ্য বেতনের সঙ্গে নতুন বেতনস্কেল অনুযায়ী বেতন বৃদ্ধির মোট অঙ্কের ৯ম গ্রেড ও তদূর্ধ্বের ক্ষেত্রে ৪০ শতাংশ এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ যোগ করে দেওয়া হবে।

এই অর্থ ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

নতুন পে-স্কেলের তথ্য অনুযায়ী, ১ম থেকে ১১তম গ্রেড পর্যন্ত প্রারম্ভিক মূল বেতন ১০০ শতাংশ করে বেড়েছে।

অর্থাৎ এসব গ্রেডে বর্তমান বেতনস্কেলের প্রারম্ভিক মূল বেতনের দ্বিগুণ নির্ধারণ করা হয়েছে। ১ম গ্রেডে বর্তমান ৭৮ হাজার টাকা (নির্ধারিত) থেকে প্রারম্ভিক মূল বেতন বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা (নির্ধারিত)।

২য় গ্রেডে ৬৬ হাজার টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৩২ হাজার টাকা। ৩য় গ্রেডে ৫৬ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার টাকা।

৪র্থ গ্রেডে ৫০ হাজার টাকা থেকে প্রারম্ভিক মূল বেতন বেড়ে হয়েছে ১ লাখ টাকা। ৫ম গ্রেডে ৪৩ হাজার থেকে ৮৬ হাজার টাকা, ৬ষ্ঠ গ্রেডে ৩৫ হাজার ৫০০ থেকে ৭১ হাজার টাকা এবং ৭ম গ্রেডে ২৯ হাজার থেকে ৫৮ হাজার টাকা করা হয়েছে।

৮ম গ্রেডে বর্তমান ২৩ হাজার টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৪৬ হাজার টাকা। ৯ম গ্রেডে ২২ হাজার থেকে ৪৪ হাজার টাকা, ১০ম গ্রেডে ১৬ হাজার থেকে ৩২ হাজার টাকা এবং ১১তম গ্রেডে ১২ হাজার ৫০০ থেকে বেড়ে ২৫ হাজার টাকা করা হয়েছে। এসব গ্রেডে প্রারম্ভিক মূল বেতন বৃদ্ধির হার ১০০ শতাংশ।

তবে ১২তম গ্রেড থেকে বেতন বৃদ্ধির হার আরও বেশি। ১২তম গ্রেডে বর্তমান ১১ হাজার ৩০০ টাকা থেকে প্রারম্ভিক মূল বেতন বেড়ে হয়েছে ২৪ হাজার ৩০০ টাকা, বৃদ্ধির হার ১১৫ শতাংশ।

১৩তম গ্রেডে ১১ হাজার টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২৪ হাজার টাকা, যা ১১৮ শতাংশ বৃদ্ধি। ১৪তম গ্রেডেও ১১ হাজার টাকা থেকে বেড়ে প্রারম্ভিক মূল বেতন হয়েছে ২৪ হাজার টাকা। এক্ষেত্রে বৃদ্ধির হার ১৩০ শতাংশ।

১৫তম গ্রেডে বর্তমান ৯ হাজার ৭০০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২৩ হাজার ৫০০ টাকা, বেতন বৃদ্ধির হার ১৩৫ শতাংশ। ১৬তম গ্রেডে ৯ হাজার ৩০০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২১ হাজার ৯০০ টাকা, বৃদ্ধি ১৩৫ শতাংশ।

১৭তম গ্রেডে ৯ হাজার টাকা থেকে প্রারম্ভিক মূল বেতন বেড়ে হয়েছে ২১ হাজার ৪০০ টাকা। এ গ্রেডে বৃদ্ধির হার ১৩৮ শতাংশ। ১৮তম গ্রেডে ৮ হাজার ৮০০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২১ হাজার টাকা, এতে বৃদ্ধি ১৩৯ শতাংশ।

১৯তম গ্রেডে বর্তমান ৮ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২০ হাজার ৫০০ টাকা। এ গ্রেডে প্রারম্ভিক মূল বেতন বৃদ্ধির হার ১৪১ শতাংশ।

সবশেষে ২০তম গ্রেডে বর্তমান ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে প্রারম্ভিক মূল বেতন বেড়ে হয়েছে ২০ হাজার টাকা। ফলে এ গ্রেডে বেতন বৃদ্ধির হার সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ।

নতুন বেতনস্কেলে উচ্চ গ্রেডের কর্মচারীদের প্রারম্ভিক মূল বেতন দ্বিগুণ করা হলেও নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে বেশি হারে বেতন বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে ২০তম গ্রেডে প্রারম্ভিক মূল বেতন বৃদ্ধির হার ১৪২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

আমরা ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে মাঠে নেমেছি: জামায়াত আমির

ইমরুল হাসান
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২৪ পূর্বাহ্ণ
আমরা ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে মাঠে নেমেছি: জামায়াত আমির

আমরা ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে মাঠে নেমেছি বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ১১ দলের রংপুর লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

জামায়াত আমির বলেন, ‘আজকে আমাদের আট দফা দাবি। মনে রাখবেন, এটা ৯ দফা হতে পারে, ১০ দফাও হতে পারে। আবার জাতির প্রয়োজনে যেকোনো সময় এটা এক দফায় পরিণত হতে পারে। এক দফায় যখন পরিণত হবে তখন কিন্তু পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘সেই পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার আগে সম্প্রতি অতীত থেকে শিক্ষা নিন। শিক্ষা নিয়ে জনগণের দাবি মেনে নিন। যদি দাবি মানতে ব্যর্থ হন, তাহলে পরিষ্কার বলে দিচ্ছি কোনো চক্রান্ত কোনো কাজ হবে না।’

১১ দলের প্রথম লংমার্চ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘এতে অনেকের মাথা গরম হয়ে গিয়েছে। মাথা গরমের কিছু লক্ষণ গত দুই দিন ধরে রাজধানীতে আমরা দেখতে পাচ্ছি। আমরা অনুরোধ করব, হতাশ হয়ে মাথা গরম করবেন না। বরং জনতার দাবি মেনে নেওয়ার চেষ্টা করুন।’

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘আমরা কোনো কিছুই পরোয়া করব না। কারণ, আমরা কোনো দলের দাবি নিয়ে মাঠে নামিনি। আমরা ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে মাঠে নেমেছি।’