খুঁজুন
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫ আশ্বিন, ১৪৩৩

আসিফ ও মাহফুজের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:১২ অপরাহ্ণ
আসিফ ও মাহফুজের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করলেন মাহফুজ আলম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। বুধবার সন্ধ্যায় তারা প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

বিকেল ৫টা নাগাদ তারা প্রধান উপদেষ্টার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম। আজ সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রেসসচিব।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সম্মুখসারিতে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া এই দুই ছাত্রনেতার পদত্যাগপত্র গ্রহণের পর প্রধান উপদেষ্টা তাদের ভবিষ্যৎ জীবনের মঙ্গল কামনা করে বলেন, ‘অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়ে তোমরা যেভাবে জাতিকে ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে মুক্তির পথে অবদান রেখেছ, তা জাতি মনে রাখবে। আমি বিশ্বাস করি, ভবিষ্যতেও গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও বিকাশে তোমরা একইভাবে সক্রিয় ভূমিকা রাখবে।’

প্রধান উপদেষ্টা আরো বলেন, ‘আজ একটি ঐতিহাসিক দিন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সব সময় তোমাদের অবদান স্মরণ করবে। আমি তোমাদের সুন্দর ও শুভ ভবিষ্যৎ কামনা করি। এত অল্প সময়ে তোমরা জাতিকে যা দিয়েছ, তা জাতি কখনো ভুলবে না।’

তিনি বলেন, ‘এটি একটি রূপান্তর মাত্র। আমি আশা করি, আগামীতে বৃহত্তর পরিমণ্ডলে তোমরা আরো বড় অবদান রাখবে।’

নিজেদের কর্মের মাধ্যমে দেশের মঙ্গলে নিয়োজিত থাকার আহ্বান জানিয়ে দুই ছাত্রনেতার উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা আরো বলেন, ‘সরকারে থেকে যে অভিজ্ঞতা তোমরা অর্জন করেছ, তা ভবিষ্যৎ জীবনে অবশ্যই কাজে লাগাতে হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে দুই উপদেষ্টার পদত্যাগপত্র কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন প্রেসসচিব। তিনি বলেন, ‘আমি যতটুকু জানি, তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে তাদের পদত্যাগপত্র কার্যকর হবে।’

নির্বাচন নিয়ে করা সাংবাদিকের প্রশ্নের প্রেসসচিব বলেন, ‘আমরা বলে আসছি ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে আগামী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’

গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়।
এই সরকারে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রদের প্রতিনিধি হিসেবে তিনজন জায়গা পান। এর মধ্যে নাহিদ ইসলাম তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় পান। আসিফ মাহমুদ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণায়ের দায়িত্ব পান। পরে উপদেষ্টাদের দায়িত্ব পুনর্বণ্টনে আসিফ মাহমুদকে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি শ্রম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

অন্যদিকে মাহফুজ আলম শুরুতে উপদেষ্টা পদমর্যাদায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হন। পরে উপদেষ্টাদের দায়িত্ব পুনর্বণ্টনে আসিফ মাহমুদ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।

উপদেষ্টা পরিষদ থেকে পদত্যাগ করে নতুন রাজনৈতিক দল এনসিপির দায়িত্ব নেন নাহিদ ইসলাম। পরে তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান মাহফুজ আলম।

মিরপুর থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ণ
মিরপুর থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি ঘোষণা

সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে রাজধানীর মিরপুর থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে নতুন কমিটি ঘোষণা করেছে ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদল।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের সভাপতি মো. রবিন খান ও সাধারণ সম্পাদক আকরাম আহমেদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে মিরপুর থানা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্তের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়।

পরে একই তারিখে মিরপুর থানা ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। নতুন কমিটিতে তৌহিদুল ইসলাম সিফাতকে সভাপতি এবং মো. আশিক খন্দকারকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

কমিটিতে ফয়সাল হাসান লিমনকে সিনিয়র সহ-সভাপতি, মো. রিদোয়ান খান, মো. ইসমাইল হোসেন সবুজ, মো. শামীম হোসেন, মো. জুনায়েদ হোসেন, মেহেদী হাসান কনক মোল্লা ও এস এম সায়েমকে সহ-সভাপতি করা হয়েছে।

এ ছাড়া পিয়ারুল ইসলাম রমজানকে সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক এবং ইমরানুল হক ইমরান, আহাদুল ইসলাম বাঁধন, মো. হাসিবুর রহমান, কাজী ইউসুফ আব্দুল্লাহ (অভি), জহিরুল ইসলাম রাহুল, মো. আহাদ মিয়া ও আবিদ হোসেন সুমনকে যুগ্ম সম্পাদক করা হয়েছে।

মেহেদী হাসানকে সাংগঠনিক সম্পাদক, মো. একরাম চৌধুরীকে প্রচার সম্পাদক এবং আসাদুজ্জামান রাব্বিকে দপ্তর সম্পাদক করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে প্রচার ও দপ্তর সম্পাদকের পদকে যুগ্ম সম্পাদক পদমর্যাদা দেওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে।

নতুন কমিটিকে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের দপ্তরে জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

দ্বিতীয় সন্তানের বাবা-মা হলেন রণবীর-দীপিকা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৪৫ অপরাহ্ণ
দ্বিতীয় সন্তানের বাবা-মা হলেন রণবীর-দীপিকা

xr:d:DAF-QF-goF0:11,j:8050604655895714700,t:24030115

দ্বিতীয় সন্তানের মা-বাবা হলেন বলিউড তারকা দম্পতি দীপিকা পাড়ুকোন ও রণবীর সিং। কন্যাসন্তানের জন্ম দিয়েছেন অভিনেত্রী। নতুন সদস্যের আগমনে আনন্দে ভাসছে তাদের পরিবার।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কন্যাসন্তান জন্মের সুখবর জানিয়েছেন দীপিকা ও রণবীর।

শিশুর পায়ের ছাপ দিয়ে তৈরি একটি মিষ্টি ছবির মাধ্যমে তারা এই সুখবর ভাগ করে নেন। একইসঙ্গে জানান, তাদের প্রথম সন্তান দুয়া পাড়ুকোন সিং এবার দিদি হয়েছে।

সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার কয়েক দিন আগেই নিজেদের মাতৃত্বকালীন বিশেষ ফটোশুটের একগুচ্ছ সুন্দর ছবি শেয়ার করেছিলেন অভিনেত্রী। অবশেষে ১৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সুখবর আসে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খবরটি ছড়িয়ে পড়তেই শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় উপচে পড়ে কমেন্ট বক্সে।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ১৮ নভেম্বর ইতালির বিখ্যাত লেক কোমোতে এক স্বপ্নের ডেস্টিনেশন ওয়েডিংয়ে বাঁধা পড়েছিলেন দীপিকা ও রণবীর। এরপর ২০২৪ সালের ৮ সেপ্টেম্বর তাদের ঘর আলো করে প্রথম সন্তান দুয়া পৃথিবীতে আসে। চলতি বছরের এপ্রিলেজানা যায়, এই তারকা দম্পতির ঘরে আসতে চলেছে দ্বিতীয় সন্তান।

কেন গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন করছেন না: টাঙ্গাইল থেকে প্রশ্ন জামায়াত আমীরের

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
কেন গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন করছেন না: টাঙ্গাইল থেকে প্রশ্ন জামায়াত আমীরের

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, নতুন স্বৈরাচারের জন্য আমরা জীবন দিইনি। নতুন স্বৈরাচারে পথে হাঁটা সরকার আমাদের ঢাকা-চট্টগ্রাম লং মার্চের পর দ্বিতীয় কর্মসূচি দেখে বিভিন্ন কথা বলতে শুরু করেছে। সরকার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ তে ভোট দেয়া ৭০ শতাংশ মানুষের সাথে প্রতারণা করেছে রায় বাস্তবায়ন না করে।

তিনি আরো বলেন, তারা নির্বাচনের আগে বলেছিল জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে। তারা এখন জুলাই সনদ কেন বাস্তবায়ন করছেন না। কেন গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন করছেন না। বিএনপি জাতির সাথে প্রতারণা করছে।

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ; দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধ; আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন; সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে আজ ১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় টাঙ্গাইলের নগর জালফৈ বাইপাস রোডে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-রংপুর লংমার্চের পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর টাঙ্গাইল জেলা আমীর আহসান হাবীব মাসুদের সভাপতিত্বে সকাল ১০টায় পথসভা শুরু হয়।

বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এমপি বলেন, বাংলাদেশে নতুন স্বৈরাচার বসেছে। সামনে আমাদের কঠিন লড়াই। গত সাতমাসে পদে পদে দলীয়করণ করা হয়েছে। কথা ছিল বৈষম্যমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত, ফ্যাসিবাদমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত হবে বাংলাদেশ। কিন্তু কর্মসংস্থান হচ্ছে শুধু ছাত্রদল ও যুবদলের। আমরা এমন বাংলাদেশ হতে দেবো না।

এলডিপির চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম বলেন, আমরা নিজস্ব লাভের জন্য আসিনি। আমরা চাই সরকার জনগণের কাছে যে ওয়াদা দিয়েছিল, তা পূরণ করুক। সরকারকে বলতে চাই, আওয়ামী লীগের মতো যেভাবে দেশ চালাচ্ছেন, এভাবে দেশ চলতে পারে না।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর আল্লামা মামুনুল হক বলেন, ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ-এ জনগণের ব্যাপক উপস্থিতি প্রমাণ করেছে; জনগণ তাদের অধিকার আদায়ের জন্য রাস্তায় নেমেছে। জনগণের ভাষা বুঝতে ব্যর্থ হলে সরকার যে ভাষায় কথা বুঝবে, সে ভাষায় কথা বলা হবে। অধিকার আদায়ের ডাক আসলে সাড়া দেয়ার জন্য প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানান তিনি।

টাঙ্গাইলের পথসভায় আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার ও হামিদুর রহমান আজাদসহ ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

এর আগে হাজার হাজার জনতার উপস্থিতিতে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে উদ্বোধনী সমাবেশ করে। এতে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। সমাবেশ শেষে সকাল ৮টার দিকে লং মার্চের বহর রংপুরের উদ্দেশে যাত্রা করে টাঙ্গাইলের নগর জালফৈ বাইপাস রোডের পথসভায় যোগ দেয়।

টাঙ্গাইলের পথসভা শেষে লং মার্চের বহর রংপুরের উদ্দেশে যাত্রা করে পথে সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল মোড়; বগুড়ার মাটিডালি বিমান মোড় ও গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে আয়োজিত পথসভায় যোগ দেবে এবং সবশেষ রংপুরের জিলা স্কুল মাঠে লং মার্চের সমাপনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও লং মার্চ রুটের বিভিন্ন স্থানে গণজমায়েত স্থলে অনানুষ্ঠানিক পথসভা অনুষ্ঠিত হবে এবং রাস্তার দুধারে দাঁড়িয়ে স্থানীয় সংগঠনের ১১ দলের নেতাকর্মীদের দেয়া অভিবাদন গ্রহণ করবে লং মার্চের বহর।