খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৮ বৈশাখ, ১৪৩৩

আমার সুনাম ও পেশাগত মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে: শাবনূর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:১৩ অপরাহ্ণ
আমার সুনাম ও পেশাগত মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে: শাবনূর

ঢাকাই সিনেমার এক সময়ের সাড়া জাগানো নায়িকা শাবনূর। দীর্ঘ দিন ধরে অস্ট্রেলিয়া বসবাস করছেন তিনি। দুই-তিন বছর পরপর হঠাৎ করে দেশে ফেরেন, কিছুদিন ঘুরে ফিরে আবার চলে যান।

বছর দুয়েক আগে ঘোষণা আসে শাবনূর ‘রঙ্গনা’ নামের একটি সিনেমার মাধ্যমে অভিনয়ে ফিরতে যাচ্ছেন। গেল বছর ভিডিও বার্তার মাধ্যমে শাবনূর নিজেই কামব্যাক করার ঘোষণা দেন। পূবাইল ও ঢাকার বিভিন্ন লোকেশনে এ সিনেমার কিছু অংশের শুটিংও করেছিলেন। শুটিং শেষ না করেই অস্ট্রেলিয়া চলে যান অভিনেত্রী। কথা ছিল, শারীরিক পরিবর্তন এনে অস্ট্রেলিয়া থেকে ফিরে আবার শুটিং করবেন।

সম্প্রতি দেখা গেল আরাফাত হোসেন পরিচালিত এবং মৌসুমী মিথিলা প্রযোজিত এই সিনেমার শুটিং হওয়া অংশটুকু’র ফুটেজ ইউটিউবে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

অসম্পূর্ণ শুটিং ফুটেজ ইউটিউব আপলোড দেওয়ার চরম ক্ষোভ ঝাড়লেন অভিনেত্রী শাবনূর। এমনকি পরিচালক-প্রযোজকের বিরুদ্ধে অপেশাদার আচরণের অভিযোগ তুলে শাবনূর তার ফ্যান পেজে একটি পোস্ট দিয়েছেন।

সেখানে অভিনেত্রী লেখেন, আজকের চলচ্চিত্র জগতে পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও পারস্পরিক সম্মানের অভাব দিন দিন বেড়েই চলেছে। দক্ষ পরিচালক ও পেশাদার প্রযোজকের অভাবে মানসম্মত সিনেমা তৈরি করা কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেকে শিল্পের মূল্য না বুঝে সহজ পথ বেছে নিচ্ছেন, ফলে নষ্ট হচ্ছে চলচ্চিত্রের মান, আর শিল্পীরা হারাচ্ছেন তাদের প্রাপ্য সম্মান।

এসময় শাবনূর বলেন, আপনাদের অনেকেই জানেন, আমি ‘রঙ্গনা’ সিনেমায় অভিনয় করতে সম্মত হয়েছিলাম। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে সিনেমাটির মহরত অনুষ্ঠিত হয় এবং সবাই তখন এ নিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত ছিল। মানুষের প্রতিক্রিয়া দেখে আমিও আশাবাদী ছিলাম যে নতুনদের সঙ্গে কাজ করছি, নিশ্চয়ই ভালো কিছু হবে। মহরতের কিছুদিন পর দেশে ফিরে আমি প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও কয়েকদিন শুটিং করি। কিন্তু নানা জটিলতার কারণে তখন সিনেমাটির কাজ সম্পূর্ণ করা সম্ভব হয়নি। প্রযোজকের সঙ্গে আমার কথাবার্তা ছিল, দেশে ফিরে বাকি অংশের শুটিং শেষ করে সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি দেওয়া হবে।

প্রযোজনা ও পরিচালনার সাথে যুক্ত সংশ্লিষ্টরা শুরু থেকেই অপেশাদারসুলভ আচরণ করেছেন বলেও মন্তব্য করেন শাবনূর। তিনি বলেন, কাজ শুরুর আগেই তারা একটি নিম্নমানের পোস্টার প্রকাশ করে, যা সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক সমালোচিত হয়। শুটিং চলাকালেও ইউনিটে ছিল অগোছালোভাব ও অব্যবস্থাপনা। আমাকে শুরুতে বলা হয়েছিল, কিছু দৃশ্য ও গান বিদেশে শুট হবে এবং এডিটিংও হবে দেশের বাইরে, কিন্তু বাস্তবে তাদের কথার কোনো প্রতিফলন দেখিনি। তবুও আমি আমার প্রতিশ্রুতি রাখতে চেয়েছিলাম এবং ডিসেম্বরে বাকি শুটিংয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। কিন্তু হঠাৎ দেখি, সিনেমার অসম্পূর্ণ ফুটেজ ইউটিউবে প্রকাশ করা হয়েছে।

শাবনূর বলেন, যে সিনেমা বড় পর্দায় মুক্তি পাওয়ার কথা, সেটি এখন বিনামূল্যে অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে! আমি বড় পর্দার অভিনেত্রী। আমার কাজ ইউটিউবে বিনামূল্যে দেখানোর জন্য নয়। যদি আমি আগে জানতাম এই প্রজেক্টটি সিনেমা হলের বদলে ইউটিউব কনটেন্ট হিসেবে প্রকাশিত হবে, তবে আমি কখনই এতে অংশ নিতাম না।

যোগ করে এই সাড়া জাগানো অভিনেত্রী বলেন, আমি কখনোই বলিনি যে ‘রঙ্গনা’তে আর কাজ করব না। তাহলে কেন আমার অনুমতি ছাড়াই সিনেমার অসম্পূর্ণ ক্লিপগুলো ইউটিউব ও ফেসবুকে প্রকাশ করা হলো? এখন আবার বলা হচ্ছে, পুরনো সব দৃশ্য বাদ দিয়ে নতুন করে শুটিং হবে, যা একদমই গ্রহণযোগ্য নয়। এই ঘটনায় আমি গভীরভাবে মর্মাহত ও হতাশ। আমার দীর্ঘদিনের অর্জিত সুনাম ও পেশাগত মর্যাদা এতে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে।

শাবনূর আরও বলেন, এটি শুধু আমার ব্যক্তিগত ক্ষতি নয়, পুরো বাংলা চলচ্চিত্র শিল্পের জন্যও এক দুঃখজনক ও হতাশাব্যঞ্জক ঘটনা। আমার অসংখ্য ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা এই ঘটনার প্রতি যে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন, তাদের প্রতি আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। তারা সবসময় আমার পাশে থেকেছেন, তাদের ভালোবাসা, সমর্থন ও প্রেরণাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।

বাংলাদেশে গম পাচার মা/মলায় অভিনেত্রী নুসরাতকে তলব

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশে গম পাচার মা/মলায় অভিনেত্রী নুসরাতকে তলব

রেশন দুর্নীতি মামলার তদন্তে এবার টালিউড অভিনেত্রী ও সাবেক সাংসদ নুসরাত জাহানকে তলব করেছে ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। আগামী ২২ এপ্রিল কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাকে।

ভারতীয় গণমাধ্যম জি নিউজ সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশে গম পাঠানোকে কেন্দ্র করে যে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, সেই সময় বসিরহাটের সাংসদ ছিলেন নুসরাত।

অভিযোগ, এই পাচারচক্রের কিছু আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে অভিনেত্রীর যোগসূত্র থাকতে পারে।

তবে সূত্রের খবর, ২২ এপ্রিল কলকাতায় ইডির দপ্তরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ থাকলেও তদন্তকারীদের কাছে একটি বিশেষ আবেদন জানিয়েছেন নুসরাত জাহান। তিনি কলকাতায় নয়, বরং দিল্লিতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সদর দপ্তরে হাজিরা দিতে চান।

উল্লেখ্য, তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে পাঁচ বছরের জন্য বসিরহাট লোকসভা আসনের সাংসদ ছিলেন নুসরাত জাহান। সেই সময় দলীয় মনোনয়নে নির্বাচিত হলেও পরবর্তী নির্বাচনে আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেননি।

তবে দলটির সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা এখনো রয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে।

ইডির এই তলবের পর নুসরাত কী পদক্ষেপ নেন, তা নিয়ে চলছে জল্পনা। একইসঙ্গে তার আইনজীবীরা কী অবস্থান নেন, সেদিকেও নজর রাখছেন সংশ্লিষ্টরা।

দুই বছর মানবিকে পড়ে জানতে পারলেন তিনি ‘বাণিজ্য’র ছাত্রী!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ণ
দুই বছর মানবিকে পড়ে জানতে পারলেন তিনি ‘বাণিজ্য’র ছাত্রী!

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে এসএসসি পরীক্ষার মাত্র এক দিন আগে চরম বিপাকে পড়েছেন মোছা. জারিন তাসনিন সন্ধি নামের এক পরীক্ষার্থী। গত দুই বছর ধরে মানবিক বিভাগে পড়াশোনা করে পরীক্ষার ঠিক আগের দিন তিনি জানতে পারলেন, দাপ্তরিকভাবে তিনি বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থী।

রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র হাতে দিলে বিষয়টি জানতে পারেন। এ ঘটনায় ওই শিক্ষার্থী মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। সন্ধি উপজেলার উত্তর চাঁদপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের হয়ে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা তার।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সন্ধি জোতমোড়া নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে অষ্টম শ্রেণি পাস করেন। এরপর ওই বিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী নবম ও দশম শ্রেণিতে মানবিক বিভাগে পড়াশোনা চালিয়ে যান। দশম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষায় ৮০৭ নম্বর পেয়ে মানবিক বিভাগ থেকে তিনি প্রথম স্থানও অধিকার করেছিলেন। কিন্তু রোববার প্রবেশপত্র হাতে পেয়ে দেখেন, সেখানে তার বিভাগ উল্লেখ করা হয়েছে ‘ব্যবসায় শিক্ষা’ বা বাণিজ্য।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিছানায় তার মানবিকের বইগুলো ছড়ানো। চোখেমুখে হতাশা নিয়ে সন্ধি বলেন, ‘এক দিন পর (২১ এপ্রিল) পরীক্ষা। এতদিন মানবিকে পড়েছি, প্রথম হয়েছি। অথচ প্রবেশপত্র দিল বাণিজ্যের। স্যারকে বললে তিনি বলেন আমি নাকি স্কুলে যাই না। এখন আমার পক্ষে বাণিজ্যের বই পড়া সম্ভব না।’

সন্ধি আরও জানান, নবম শ্রেণির শুরুর দিকে মাসখানেক তিনি বাণিজ্য বিভাগে ছিলেন। পরে পারিবারিক কারণে বিভাগ পরিবর্তন করে মানবিকে চলে যান। শিক্ষকদের তা জানালেও তারা নথিপত্রে তা সংশোধন করেননি বলে তার অভিযোগ।

এ বিষয়ে উত্তর চাঁদপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আলী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘যে বিভাগে রেজিস্ট্রেশন হয়েছে, সেই বিভাগেরই কার্ড এসেছে। শিক্ষার্থী যদি কমার্সে ভর্তি হয়ে মানবিকে পড়াশোনা করে, তার দায় আমার নয়। কাল বোর্ডে যাব, দেখা যাক কী হয়।’ তবে তিনি ওই শিক্ষার্থীর রোল বা রেজিস্ট্রেশন নম্বর তাৎক্ষণিক জানাতে পারেননি।

অন্যদিকে, জোতমোড়া নিম্ন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘মেয়েটি শুরুতে কমার্সে ক্লাস করেছে এবং রেজিস্ট্রেশনে স্বাক্ষরও করেছে। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষা কর্মকর্তা ও বোর্ডে কথা বলা হচ্ছে।’

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাজমুল হক জানান, বিকেল পর্যন্ত প্রধান শিক্ষক তাকে এ বিষয়ে কিছুই জানাননি। তবে বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে আলোচনা চলছে।

তার পরিবার জানিয়েছে, বাবা-মা হারানো এতিম এই শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চয়তার মুখে। মানবিক বিভাগের প্রবেশপত্র না পেলে কালকের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়বে।

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন মাহমুদা হাবীবা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:১৩ অপরাহ্ণ
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন মাহমুদা হাবীবা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন মাহমুদা হাবীবা। তিনি কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।

এছাড়াও মাহমুদা হাবীবা বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য। তিনি রাজশাহী-৫ আসনের সাবেক এমপি মরহুম আয়েন উদ্দীনের মেয়ে। তার বাবার বাড়ি রাজশাহী নগরীর কুমারপাড়া (বোয়ালিয়া থানার সামনে) এলাকায়।

সোমবার দুপুরে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য ৩৬ জনকে মনোনয়ন ঘোষণা করে বিএনপি। মনোনয়নপ্রাপ্তরা হলেন- সেলিমা রহমান, শিরিন সুলতানা, রাশেদা বেগম হিরা, রেহানা আক্তার রানু, নেওয়াজ হালিমা আর্লি, মোছাম্মত ফরিদা ইয়াসমিন, বিলকিস ইসলাম, শাকিলা ফারজানা, হেলেন জেরিন খান, নিলুফার চৌধুরী মনি, নিপুণ রায় চৌধুরী, জেবা আমিন খান, মাহমুদা হাবিবা, সাবিরা সুলতানা, সানসিলা জেবরিন, সানজিদা ইসলাম তুলি, সুলতানা আহমেদ, ফাহমিদা হক, আন্না মিঞ্জ, সুবর্ণা শিকদার, শামীম আরা বেগম স্বপ্না, শাম্মী আক্তার, ফেরদৌসী আহমেদ, বিথীকা বিনতে হুসাইন, সুরাইয়া জেরিন, মানছুরা আক্তার, জহরত আদিব চৌধুরী, মমতাজ আলম, ফাহিমা নাসরিন, আরিফা সুলতানা, সানজিদা ইয়াসমিন, শওকত আরা আক্তার, মাধবী মারমা, সেলিনা সুলতানা ও রেজেকা সুলতানা।